এভাবেই বৈশাখ আসে!

চৈত্র সংক্রান্তিতে মায়ের হাতের পাঁচন খেয়েছি অনেকবার
পাঁচ তরকারি শাক- আতপচালের অন্ন আর মিষ্টান্নভোজন,
শেষ বিকেলে চড়ক পূজো থেকে বাড়ি ফিরতাম বিস্ময় নিয়ে!
পহেলা বৈশাখ আমার কাছে কখনোই অন্যরকম ছিলনা,
এক বৈশাখেও কোনদিন পান্তা কিংবা ইলিশ খাওয়া হয়নি-
সখের বশে বিলাসীতার বালাই দিতে আমার গায়ে বাঁধে!
সন্ধ্যাটুকু পাঠ্যবইয়ের পাতা- সহজ অঙ্কের নোটখাতা গুনতে গুনতে-
বোনেদের মুখে বৈশাখী মেলার গল্প শুনতে শুনতে কেটে যেতো
রাত্রির ঘুম নামলেই আমার চোখে হানা দিতো নবপঞ্জিকার রাশিফল,
এখনো উচ্ছ্বাসে বৈশাখ আসে চৈতি রোদে পুড়ে আমার চোখে শুধুই মেঘদল!

চৈত্র সংক্রান্তিতে মায়ের হাতের পাঁচন খেয়েছি অনেকবার
পাঁচ তরকারি শাক- আতপচালের অন্ন আর মিষ্টান্নভোজন,
শেষ বিকেলে চড়ক পূজো থেকে বাড়ি ফিরতাম বিস্ময় নিয়ে!
পহেলা বৈশাখ আমার কাছে কখনোই অন্যরকম ছিলনা,
এক বৈশাখেও কোনদিন পান্তা কিংবা ইলিশ খাওয়া হয়নি-
সখের বশে বিলাসীতার বালাই দিতে আমার গায়ে বাঁধে!
সন্ধ্যাটুকু পাঠ্যবইয়ের পাতা- সহজ অঙ্কের নোটখাতা গুনতে গুনতে-
বোনেদের মুখে বৈশাখী মেলার গল্প শুনতে শুনতে কেটে যেতো
রাত্রির ঘুম নামলেই আমার চোখে হানা দিতো নবপঞ্জিকার রাশিফল,
এখনো উচ্ছ্বাসে বৈশাখ আসে চৈতি রোদে পুড়ে আমার চোখে শুধুই মেঘদল!
এখনো বছর শেষে বৈশাখ আসে রঙের মুখোশে, শুধু যা ছিল তা ও আর নেই-
এখনো বৈশাখ আসে একা একা, করে দিয়ে যায় আরো একা,
এভাবেই বৈশাখ আসে অথচ বাঙালিয়ানার হিসেবটা হয়নি খতিয়ে দেখা।
——————————–

এভাবেই বৈশাখ আসে!
– নিবিড় রৌদ্র
৩১।১১।২১ বাংলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *