স্যাডিস’টিক শেকড়সন্ধান



বিবিক্তির চর পড়েছে ওইখানে
আর কিছু নেই বাকী, যা কিছু
ছিল অন্তরালে, আজ তা বহির্গামী।
চামড়ার পলেস্তরা খসে যাওয়া বয়স
যেমন বোঝে প্রথম যৌবনের মাতম-
আমিও তদ্রুপ বেঁচে।
পল্লবিত পলল জাগে সকল স্রোতরেখায়
যদি ভাঙ্গন ডাকে আশেপাশে ;
জানি তবু পেছুটান
পেছনে টানে সামনে হতে…

ভাঙ্গনের ইতিহাস সকল কালেই
পাললিক ভরসায়
আর আশায় ভাসায়
সোনারতরী উজানমুখি,
দ্রৌপদী বিন্যাসে রুলেৎ এর চাকা ফের থামে
ভাঙ্গনের দরোজায় এসে।

বিনিত আগন্তুক
এভাবেই অতঃপর খালি করে সামন্ত গেরস্থালী,
একের পর তিন
সবিনয় চাতুর্যে…

বস্তুতঃ শেকড় সকল উদ্ভিদে হয়,
তবে মানুষে ?!?!

সর্ব-সত্ত্ব সংরক্ষনঃ সেরিব্রাল ক্যাকটাস।।

১ thought on “স্যাডিস’টিক শেকড়সন্ধান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *