যুক্তিকথা

মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা মানুষদের জন্য ৷


মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা মানুষদের জন্য ৷

অনলাইন জগতে এমন অনেক যুক্তিবাদীকে দেখা যায় যারা ধর্মে বিভিন্ন সময়ে আসা বিভিন্ন নবী রাসূল এবং মনিষীদের অনেক বেশি পরিমান গালাগাল করে থাকেন ৷ অধিকাংশ এই কর্ম কান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকে না ৷ আমার নিজস্ব চিন্তা ধারায় যতটুকু বুঝেছি অথবা পেয়েছি বিভিন্ন সময়ে আসা নবী রাসূলগনের উদ্দেশ্য ছিল সমাজ সংস্কার বা সমাজে শান্তি প্রতিষ্টা ৷ ইতিহাস পড়লে যেটা জানা যায় বিভিন্ন নবী রাসূলগন একটা সময়ের সংকট পূর্ন মূহুর্তে আগমন করেছেন (ধর্ম মতে) মুহাম্মদের কথা যদি বলি উনি যে সময়টাতে বড় হয়েছেন সেটা এক কথায় কালো যুগ বা প্রচলিত আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগের কথা উল্লেখ আছে ৷ প্রতিটা যুক্তিবাদী হয়ত আমার সাথে একমত হবেন যে মুহাম্মদের চিন্তা শক্তি অন্য একটা লেভেলে ছিল ৷ এবং এটাও স্বীকার করবেন যে ইসলাম ধর্মের ভুল ত্রুটিগুলো খুব সুক্ষ্ম ভাবে না দেখলে ধরা যায় না ৷ এখন মুহাম্মদ সৃষ্টিকর্তা বলতে কিছু নেই এটা প্রচার করা শুরু করতেন এবং মানবতা জাগ্রত করার চেষ্টা করতেন সেটা সেই সময়ের জন্য কোনভাবেই সম্ভব ছিল না ৷ ইসলামের কাহিনী পড়লে বুঝা যায় আল্লাহর ভয়ে যতটা দ্রুত শান্তি প্রতিষ্টা করা সম্ভব হয়েছে সেটা উনি ‘ইশ্বর বলতে কেউ নেই’ প্রচার করা শুরু করতেন তখন মারামারি,খুন সব অপকর্ম অনেক বেশি পরিমানে সংগঠিত হত ৷ তখন কারো ভিতর জবাবদীহি করার ভয়টা কাজ করত না ৷ এখন একজন নাস্তিক আর আস্তিকের মধ্যে তফাৎ হচ্ছে বুঝার ক্ষমতা ৷ দেখা যায় যে একজন নাস্তিক যে কাজটা নিজ বিবেক বিবেচনায় করে আর একজন আস্তিক সেই কাজটা আল্লাহর ভয়ে করে ৷ এটা মুহাম্মদের করে যাওয়া কর্মের ফলাফল ৷ এবং আমি একান্ত ভাবে মনে করি মুহাম্মদ ঐ সময় যে কাজটা করে গেছেন তিনি ঐ সময়ের জন্য সঠিক কাজটাই করেছেন ৷ এবং উনি ঐ সময়ের জন্য সঠিক ছিলেন ৷ যার কারনে মুহাম্মদকে গালাগাল দেওয়াটা যৌক্তিক মনে হয়না আমার কাছে ৷

বিঃদ্রঃ আই এস এস,আর ব্লগার হত্যাকারিদের কর্মকান্ড নিয়ে কিছু না বললে খুশি হব ৷ কারন তাদেরকে আমি ধর্মের নিয়মে গুনি না ৷ দ্বিতীয়ত আমি মুহাম্মদের মূল শিক্ষা নিয়ে কথাগুলু বললাম ৷ যদিও এটা এখন কেউ মেনে চলে না ৷

২ thoughts on “যুক্তিকথা

  1. পরিমান>পরিমাণ
    কর্ম

    পরিমান>পরিমাণ
    কর্ম কান্ডের>কর্মকাণ্ডের (ণ+ড)
    রাসূলগনের>রাসূলগণের
    প্রতিষ্টা>প্রতিষ্ঠা
    রাসূলগন>রাসূলগণ
    সংকট পূর্ন>সংকটপূর্ণ
    মূহুর্তে>মুহূর্তে
    সুক্ষ্ম>সূক্ষ্ম
    ইশ্বর>ঈশ্বর
    পরিমানে>পরিমাণে
    জবাবদীহি>জবাবদিহি
    কারনে>কারণে
    হত্যাকারিদের>হত্যাকারীদের
    কর্মকান্ড>কর্মকাণ্ড
    কথাগুলু>কথাগুলো

    প্রচুর বানান ভুলের কারণে পড়তে খানিকটা অসুবিধা হয়েছে। এডিট করে আবার পোস্ট দিলে কষ্ট সার্থক হবে।

    আপনারমতামত আপনি জানয়েছেন, গ্রহণ করা বা না করা যার যার ব্যাপার। যেমন, ব্যক্তিগতভাবে আমি আপনার বিশ্লেষণ ও যুক্তির সাথে একমত নই। নবী সে সময়ে ভাল কিছু প্রচার করেছে নাকি নিজেকে উপরে তোলার জন্য ঐ পন্থা বেঁছে নিয়েছে সেটি বিশ্লেষণের দাবী রাখে। মিথ্যে অযুক্তি দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী ভালকিছু সৃষ্টি করা যায় না। নবী সে কাজটিই করে গেছেন। আর তার কু প্রভাবে প্রভাবিত আজও সারা মুসলিম জাহান, যা সেযুগেও প্রচলিত ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *