আজ ডক্টরস ডে

ছোটবেলা থেকে ডাক্তার কথাটা শুনলে চোখের সামনে ভেসে আসত মোটা করে টাক মাথার একটা মানুষ, যে রাগী রাগী চোখে তাকিয়ে আছে । হাতে একটা ইনজেকশান নিয়ে, একটু উল্টা-পালটা করলেই সুঁই ফুটিয়ে দিবে। একটু বড় হবার পরে ভাবতাম এই মানুষগুলো কে সবাই কত সমাদর করে । দূর থেকে দেখে মনে হত এরা বোধহয় কত সুখী । এদের কোন অভাব নেই , কত সন্মান । কিন্তু নিজে যখন আসলাম তখন বুঝলাম এদের সুখ-দুঃখ গুলো ।

ছোটবেলা থেকে ডাক্তার কথাটা শুনলে চোখের সামনে ভেসে আসত মোটা করে টাক মাথার একটা মানুষ, যে রাগী রাগী চোখে তাকিয়ে আছে । হাতে একটা ইনজেকশান নিয়ে, একটু উল্টা-পালটা করলেই সুঁই ফুটিয়ে দিবে। একটু বড় হবার পরে ভাবতাম এই মানুষগুলো কে সবাই কত সমাদর করে । দূর থেকে দেখে মনে হত এরা বোধহয় কত সুখী । এদের কোন অভাব নেই , কত সন্মান । কিন্তু নিজে যখন আসলাম তখন বুঝলাম এদের সুখ-দুঃখ গুলো ।
সমাজের সবচেয়ে উপরের দিকে থাকার কথা ছিল যে মানুষগুলোর, নিয়মিত বিভিন্ন অত্যাচেরে তারা কতটা জর্জরিত । সেই ছাত্রাবস্থা থেকে শুরু হয় মানুষিক যন্ত্রণা । ধীরে ধীরে এটা বাড়তেই থাকে । নিজে পুরোপুরি সোজা হয়ে দাঁড়াবার আগেই কাঁধে চেপে বসে পারিবারিক সব দায়িত্তবোধ । সবকিছু সাথে নিয়েই তাদের পথ চলতে হয় ।এরসাথে পারিপার্শ্বিক সব ঝামেলা তো আছেই । অবস্থা এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে নিজে চাইলেও সব সময় সঠিক চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয় না । আর এখন ডাক্তারদের লাঞ্ছিত করা নতুন এক ট্র্যাডিশনে পরিনত হয়েছে ।ডাক্তারদের ভুল ধরা আর লাঞ্ছনার শিকার এখন পেপারে খুব ভালো চলে । পাবলিক খুব খায় । আগে রেপের কেসে রঙচঙা করে ছাপানো হত । এখন সেখানে ডাক্তার পিটানোর খবর ছাপানো হয় । পাবলিক পড়েও খুশি । কসাই ডাক্তারদের এইবার যদি আক্কেল হয় । কিন্তু সে মানুষটা যখন ওটির টেবিলে উঠে তখন সেই বলে ,”স্যার, আল্লাহর পরে এখন আপনি ভরসা।” এ মানুষগুলোকে নিয়ে কিছু বলার নাই ।
মানুষের সেবা করা আল্লাহর অনেক বড় একটা নিয়ামত । তাই নিজেকে শুধু এটাই বুঝাই আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ ।
হ্যাপি ডক্টরস ডে

২ thoughts on “আজ ডক্টরস ডে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *