“ভালোবাসার রংধনু”

শরতের এক মিষ্টি বিকেল। কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে নরম সবুজ ঘাসের গালিচা পাতানো। সামনে কাশবন। আর কাশবন পেরিয়েই নদী। নদীর নাম রুপসা। নদীর তীরে একটা নৌকা বাঁধা।

আমি নৌকায় বসে বাদামের খোসা ছাড়াচ্ছি । আর আমার খোসা ছাড়ানো বাদাম বসে বসে চিবুচ্ছে মায়া নামের একটি মেয়ে। মায়া দেখতে ভীষণ রুপবতী। সৃষ্টিকর্তা হয়ত কলসভর্তি রুপ তার গোটা অঙ্গে ঢেলে দিয়েছেন। একটা লাল পেরে সাদা শাড়ি, হাতে চিকন চিকন অসংখ্য লাল চুড়ি, চোখে কাজল আর কপালে একটা ছোট্ট টিপ পড়ে বসে আছে মায়া। হঠাৎ হঠাৎ আসা দমকা হাওয়া তার কালো চুলগুলো উড়িয়ে দিচ্ছে।

আমি বাদামের খোসা ছাড়াতে ছাড়াতে বললাম,”আমার হাতটা একটু ধরবে, মায়া?”


শরতের এক মিষ্টি বিকেল। কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে নরম সবুজ ঘাসের গালিচা পাতানো। সামনে কাশবন। আর কাশবন পেরিয়েই নদী। নদীর নাম রুপসা। নদীর তীরে একটা নৌকা বাঁধা।

আমি নৌকায় বসে বাদামের খোসা ছাড়াচ্ছি । আর আমার খোসা ছাড়ানো বাদাম বসে বসে চিবুচ্ছে মায়া নামের একটি মেয়ে। মায়া দেখতে ভীষণ রুপবতী। সৃষ্টিকর্তা হয়ত কলসভর্তি রুপ তার গোটা অঙ্গে ঢেলে দিয়েছেন। একটা লাল পেরে সাদা শাড়ি, হাতে চিকন চিকন অসংখ্য লাল চুড়ি, চোখে কাজল আর কপালে একটা ছোট্ট টিপ পড়ে বসে আছে মায়া। হঠাৎ হঠাৎ আসা দমকা হাওয়া তার কালো চুলগুলো উড়িয়ে দিচ্ছে।

আমি বাদামের খোসা ছাড়াতে ছাড়াতে বললাম,”আমার হাতটা একটু ধরবে, মায়া?”

মায়া দুষ্টু একটা হাসি দিয়ে বলল,”কেন, খুব চিমটি খেতে ইচ্ছে করছে?”

– হুম…
– কিন্তু আমার যে এখন চিমটি দিতে ইচ্ছে করছে না।

আমি অভিমান করে অন্যদিকে তাকালাম। মায়া আমার হাতের ওপর হাত রাখলো। তারপর কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলল,”এই যে মশাই! এই নাও হাত ধরলাম। এ হাত কখনও ছাড়বে না কিন্তু।”

আমি মায়ার হাত শক্ত করে ধরলাম। উপরে নীল আকাশ। আমি আকাশের দিকে তাকালাম। আকাশে কোনো মেঘ নেই। আমি আকাশে রংধনু দেখতে পাচ্ছি, ভালোবাসার রংধনু।

—মিরাজ-উল-কবির

৪ thoughts on ““ভালোবাসার রংধনু”

  1. এটা গল্প নয়। অনুগল্পের
    এটা গল্প নয়। অনুগল্পের সার্থকতা রক্ষা করতে পেরেছে কি না, সে বিষয়ে আমি সন্দিহান।

    দুটি মানুষের ভালোবাসার মুহুর্তগুলির শুধুমাত্র একটা ছোট্ট মুহুর্ত বর্ণনা করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *