চিরকুট -১৬

বালিকা, হয়তো তোমার অনুভূতি নেই;উপলব্ধি আর বিবেক আছে নিশ্চয়ই?

তুমিতো জানই কেও তোমাকে ভেবে অনেক রাত ঘুমোয় না।
তার প্রতিধ্বনিত দীর্ঘশ্বাস মিলায় সীমাহীন শূন্যতায়। স্থির দুচোখে তার দূরাগত স্মৃতির প্রবঞ্চনা। কোমলতার বৈপরিত্য গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ির সন্নিবেশ আর সাড়ে সাতাশ ইঞ্চির পাঁজর জুড়ে শুধুই সস্তা তামাকের কড়া গন্ধ। বারবার নিজের সত্ত্বাকে হারিয়ে ফেলে সে বিলীন অবয়বে।

শুনেছি তুমি আর্থ-পারিবারিক অবস্থান থেকে মধ্যবিত্ত।তবে তোমায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারের অতল পরিক্রমনের সার সংক্ষেপ বলি।


বালিকা, হয়তো তোমার অনুভূতি নেই;উপলব্ধি আর বিবেক আছে নিশ্চয়ই?

তুমিতো জানই কেও তোমাকে ভেবে অনেক রাত ঘুমোয় না।
তার প্রতিধ্বনিত দীর্ঘশ্বাস মিলায় সীমাহীন শূন্যতায়। স্থির দুচোখে তার দূরাগত স্মৃতির প্রবঞ্চনা। কোমলতার বৈপরিত্য গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ির সন্নিবেশ আর সাড়ে সাতাশ ইঞ্চির পাঁজর জুড়ে শুধুই সস্তা তামাকের কড়া গন্ধ। বারবার নিজের সত্ত্বাকে হারিয়ে ফেলে সে বিলীন অবয়বে।

শুনেছি তুমি আর্থ-পারিবারিক অবস্থান থেকে মধ্যবিত্ত।তবে তোমায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারের অতল পরিক্রমনের সার সংক্ষেপ বলি।

মানুষের আশা আর প্রাপ্তি যখন শূন্যতার জলে খাবি খায় তখন হয়তো ক্ষুদ্র শৈবালও তার কাছে বেঁচে থাকবার অনেক বড় অবলম্বন হয়ে দাড়ায়। অশ্রুসিক্ত এক বিধবা মা উচ্ছল এক শৈবাল আকঁড়ে বাঁচার শেষ চেষ্টা করেছিল। তার অভিপ্রায় যখন বাস্তবিক প্রয়াসের পরিসীমা মাপছিল ঠিক তখনি বিশাক্ত ক্যাকটাস ক্রমেই বর্নহীন করে তুলছে শৈবালের দীপ্তি।

আচ্ছা বালিকা, তুমিনা নারী। শুনেছি নারীরা অনেক মমতাময়ী হয়।
তোমার চোখে তো অনেক রং…
তোমার কন্ঠ নাকি অনুপ্রেরনায় ভরা…
তোমার ললাট চুয়ে পড়া ঘাম কারো জীবন সঞ্চায় ঘটায় …
তোমার আদ্র স্পর্শ নাকি নির্ভরতা দ্যেয়।

বালিকা তোমার কি মায়া-দয়া নেই? এত কৃপন কেন গো তুমি?

এক ঝটকা রং ছড়িয়ে ঘুম এনে দিতে পারো না ছেলেটার চোখে, নির্ভরতার হাতটা একটু প্রসারিত করলে কি এমন ক্ষতি হবে তোমার?

আচ্ছা যাও এতো কিছু করতে হবে না, নিশ্পাপ দৃষ্টিতে ছেলেটার চোখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারবে?

ছেলেটা হয়তো তিন বছর যাবৎ হন্যে হয়ে এই চোখটার উপমাই খুঁজে চলেছে…

১ thought on “চিরকুট -১৬

  1. জানই>জানোই
    কেও>কেউ
    বৈপরিত্য>ব

    জানই>জানোই
    কেও>কেউ
    বৈপরিত্য>বৈপরীত্য
    পরিক্রমনের>পরিক্রমণের
    আকঁড়ে>আঁকড়ে
    বিশাক্ত>বিষাক্ত
    বর্নহীন>বর্ণহীন
    কন্ঠ>কণ্ঠ (ণ+ঠ)
    অনুপ্রেরনায়>অনুপ্রেরণায়
    আদ্র>আর্দ্র
    দ্যেয়>দেয়
    কৃপন>কৃপণ
    নিশ্পাপ>নিষ্পাপ
    যাবৎ>যাবত

    অতিরিক্ত বানান ভুলের কারণে লেখা পড়তে বেশ অসুবিধা হয়েছে। বানানগুলি ঠিক করে পোস্ট দিতে পারেন।
    ভাল ভাল শব্দযোগে যা প্রকাশ হয়েছে তার মানে উদ্ধার করা আমার মতো দুর্বলের পক্ষে সম্ভব না, আমি আসলে বুঝিই কম। মনে হচ্ছে লেখা খুবই ভাল মানের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *