বন্দুক ও পোড়ামাটির যৌবন

আমি একলা গিয়েছি বনে মাঝরাতের অবসরে
জোছনার গালিচায় ঘাসে ঘাসে রবিঠাকুরের গান গাইতে গাইতে,
কখন চাঁদের চোখে চোখ রেখে নেশায় বুদ হয়ে গেছি
আমাকে ফাঁকি দিয়ে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে পালাচ্চে চাঁদ,
ছড়াটা পার হয়ে ঐ পাহাড়চূড়ায় আমি চাঁদটা ধরবই ধরব।
এমন সময় কোমল শব্দে পাথরে পা ফেলে
নির্বসনা তুমি মৃত্তিকা, পৃথিবীর প্রাণ, নাড়িয়ে দিলে ফুলগুলো
ঝরিয়ে দিলে ঝর্ণা যত
গলিয়ে দিলে বরফের স্তুপ।
আমি অপলক দেখি অপার অমরাবতী
কে গো তুমি? শুধুই নারী? শুধুই ফুল? ঝরঝরে জল?
আমার তুমি কে? প্রিয়তমা? ষোড়ষী ভগিনী? বিগত যৌবনে মাতা?

না, এমন জোছনরাতের অমৃত আমি ছুইনি, এমন ঘটেনি সুঘটনা।

আমি একলা গিয়েছি বনে মাঝরাতের অবসরে
জোছনার গালিচায় ঘাসে ঘাসে রবিঠাকুরের গান গাইতে গাইতে,
কখন চাঁদের চোখে চোখ রেখে নেশায় বুদ হয়ে গেছি
আমাকে ফাঁকি দিয়ে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে পালাচ্চে চাঁদ,
ছড়াটা পার হয়ে ঐ পাহাড়চূড়ায় আমি চাঁদটা ধরবই ধরব।
এমন সময় কোমল শব্দে পাথরে পা ফেলে
নির্বসনা তুমি মৃত্তিকা, পৃথিবীর প্রাণ, নাড়িয়ে দিলে ফুলগুলো
ঝরিয়ে দিলে ঝর্ণা যত
গলিয়ে দিলে বরফের স্তুপ।
আমি অপলক দেখি অপার অমরাবতী
কে গো তুমি? শুধুই নারী? শুধুই ফুল? ঝরঝরে জল?
আমার তুমি কে? প্রিয়তমা? ষোড়ষী ভগিনী? বিগত যৌবনে মাতা?

না, এমন জোছনরাতের অমৃত আমি ছুইনি, এমন ঘটেনি সুঘটনা।
সমতলের নারী, এমন অনুভবে ভীষণ অনভীজ্ঞ তুমি-আমি…..
হিংস্র নখরে ক্ষতবিক্ষত ডালপালা নিয়ে হয়ত আমি বেঁচে আছি
কিন্তু তোমারতো কোন শিকড় নেই, পাতা নেই
তোমার শরীরে স্বাদ নেই, তোমার জীবনে নেই পিপাষা,
তুমি শুকনো কাঠগোলাপ বেডরুড ভুলশয্যায়
তুমি মরাখাল বেশ্যাপাড়ায়, নষ্ট আঠা চটির পাতায়
তোমার হৃদয়ে ফুলের চাষ নেই
তুমি মৃত্তিকা কুমোরের হাতে হও ইটের ফুল
আজ এমন গোয়াল ঘরের জনপদে তুমি ষাড়ের পথকর্ষিত পাক!

নারী, তোমায় আমি দেখিনি, তোমার ফসলি বুক আমি চিনি না
ভালোবাসা তোমায় আমি ছুইনি এখনো
তোমায় শরীরের পর্দায় দেখেছি পর্ণগ্রাম
তোমার পলিমাটির দেহে আমার সূচালো রতির ছুরিকাঘাত
বিলবোর্ডে তোমার নরম ঠোটে আমার হিংস্র কামড়
প্রচন্ড ক্ষিপ্রতায় পবিত্র শুক্রাণু ঘৃণার প্রবাহে গড়ায়।

আমার হলো না, আমার হলো না শরীর পবিত্রতায় উষ্ণ
হলো না আমাদের নির্বাণ, হলো না শাপমুক্তি এ জীবনে,
আমার হয়েছে ষাড়ের হলুদ চোখ।
হলো না তোমার সাথে ফুল ছোয়া, জল ছোয়া, ঠোঁট ছোয়া
হলো না তোমার সাথে জোছনাস্নান শরাব-পেয়ালায়
পাহাড়চূড়ার চাঁদ ধরা গেল না এক সাথে
এখানে ইট-কাঠ, পাথুরে দেয়ালে আমরা সেঁটে আছি অবৈধভাবে
শাপযুক্তির স্তুপে স্তুপে যৌবন আজ সত্যিই ভুল!
যখন লাঙলের ফলা হয়ে গেছে বেয়নেট,
কংত্রিট হয়েছে যখন মৃত্তিকা।
এখন আমরা অপ্রকৃতির দাস!!

৭ thoughts on “বন্দুক ও পোড়ামাটির যৌবন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *