যাতনার যন্ত্রসঙ্গীত

এখন লেখা হবে সেইসব কথা যা লেখা হয়নি
ইতোপূর্বে, হয়ত হতো’ও না কোনোদিন যদি সুখের অসুখ না হতো।

অনেক’কে দেখেছি চিঠিতে তুলে দ্যায়
দু’ এক আজলা কবিতা, মেঘলা অনুভবে
(অনেক পেয়েছি অমন, বয়সকালে)।
আজ বয়স ডিঙিয়ে সাঁঝবেলায়
বুঝেছি
কবিতার গোটা’টাই চিঠি,
অনামা অপ্রাপ্য খোলসে ঢাকা।

এখন লেখা হবে সেইসব কথা যা লেখা হয়নি
ইতোপূর্বে, হয়ত হতো’ও না কোনোদিন যদি সুখের অসুখ না হতো।

অনেক’কে দেখেছি চিঠিতে তুলে দ্যায়
দু’ এক আজলা কবিতা, মেঘলা অনুভবে
(অনেক পেয়েছি অমন, বয়সকালে)।
আজ বয়স ডিঙিয়ে সাঁঝবেলায়
বুঝেছি
কবিতার গোটা’টাই চিঠি,
অনামা অপ্রাপ্য খোলসে ঢাকা।

পেরিয়ে আরও কিছু বয়স, যখন
পংক্তিতে স্তবকে আর অন্ত্যঃমিলে
সাঁজাতে চাইলাম জীবনের মধ্যাহ্ন……
ঘুচে গ্যালো তাবৎ তফাৎ
কাব্য জীবন ও ভাষ্যের।
এলো-গ্যালো-প্রেম
হারালো কাজল টিপ স্বপ্ন,
ক্যুগারের কুটিল থাবায়।

এখন আমার যৌবন তাই
তুলে নিলাম সকল অবরোধ,
গুনে গেঁথে ইটে কাঠে তুলেছি যে দেয়াল
আজ আমি’ই তার রন্ধ্র……

ভাবছি এবার আলগোছে মিশে যাবো, জনসমুদ্রে-
একঘরে সব দ্বীপে দ্বারে নোঙর ফেলে
গড়ে তুলবো উপনিবেশ,
দুর্গের উঠোনে আরেকটা দুর্গ।

শস্যক্ষেত্র, মাঠ, সবুজ কড়ি
তুলে তুলে এনে এনে
ভেজাবো দ্রাক্ষার সুরায়,
বয়সের সব’টুকু পাপ পুড়িয়ে
উত্তাপ নিঙরে দেবো তাতে তারপর;
প্রণালীমাফিক।

হয়ত কোনোদিন
একা অতিথবাড়ি আবার আলোকিত হবে
রঙিন ফোয়ারায় আলোর ফিনিক তুলে,
গাইবে যাতনার কোনও যন্ত্রসঙ্গীত…।

শুধু সদর দরোজায়
এক বাটি বিষ
দ্রাক্ষারসে ভিজিয়ে, তিনফোঁটা স্মৃতিসমেত
রেখে দেবো তোমার জন্য,

তুমি এসো সে অনুষ্ঠানে।

সর্বস্বত্ত সংরক্ষনঃ সেরিব্রাল ক্যাকটাস।

২ thoughts on “যাতনার যন্ত্রসঙ্গীত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *