অপরাধী আসলে কে?

অভিজিৎ রায়। একজন মহান ব্লগার তথা লেখক। আমি নিজেও ব্লগ লিখি তবে অনেক ছোট আঙ্গিকে। গল্প লিখি। ছোট গল্প। রাজনীতি নিয়ে লেখার সাহস আমার নেই। আমি একজন মুসলিম। এক আল্লাহ্‌কে আমি বিশ্বাস করি। পরিপূর্ণ আস্তিক বলতে যা বুঝায় আমি ঠিক তাই। ইসলাম শান্তিতে বিশ্বাসী। আমাদের নবীজি (সাঃ) ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করেছেন প্রায় ১৪০০ বছর আগে আজ ও তা স্রোতের মত বহমান। তিনি আমার আদর্শ। আর মিঃ রায় আপনি নাস্তিক বা হিন্দু যাই হন না কেন আপনি আমার ধর্মকে বিকৃত করতে পারেন না। আপনি বানায় বানায় লিখতে পারেন না আমার আদর্শকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কিছু। আমি আঘাত পাবই। কারন এটা আমার বিশ্বাস। আর যারা নাস্তিক তাদের বলছি শুনেনঃ আমার আল্লাহ্‌ তো আপনার পাকা ধানে মই দেয় নি তাই না? আপনারা মানেন এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি হয়েছে আপনা আপনি। মানে it is self dependent. পৃথিবী নিজে থেকেই সব করে। ঈশ্বর বলতে কিছু নাই। ধরেই নিলাম নাই। আমরা যারা ধর্মে বিশ্বাস করি তারা তো অন্তত কোন খারাপ কাজ করছি না শাস্তির ভয়ে। কারন আমি যত দূর জানি প্রতিটা ধর্মেই পাপের শাস্তির বিধান রয়েছে। সবাই না মানুক অন্তত কিছু মানুষ হলেও এই নির্দেশ মেনে চলে। তাতে আপনার এই পৃথিবীর বুকে কিছু খারাপ কাজ তো কম হচ্ছে। নাকি হচ্ছে না? আমি শুধু আপনাদের বলব একজন সৎ নাস্তিক হিসেবে আপনারা অন্তত কিছু খারাপ কাজ রোধেও আমাদের অস্তিত্তে আঘাত করিয়েন না। আপনি ঈশ্বর মানবেন কি মানবেন না সেটা আপনার ব্যাপার। কারন আপনি তো অনেক জ্ঞানী আপনি সব জানেন। আপনার এই জ্ঞান নিজের কাছেই রাখেন।

অভিজিৎ রায় এর মারা যাওয়ার খবর দেখার পরই মূলত আমি তাকে চিনেছি। তার আগে আমি বা আমার আশে পাশের মানুষ কেউ তাকে চিনত বলেও মনে হয় না। যারা তাকে হত্যা করেছে ইসলাম কি হত্যা সমর্থন করে? আমার জানা মতে তো করেনা। আমি তো আল্লাহ্‌কে বিশ্বাস করি। তো মুল কথায় আসি সে হত্যাটি হওয়ার পর তা মিডিয়ায় আসল আমরা যারা তাকে চিনতাম না তারাও চিনে গেলাম অভিজিৎ রায় কে? আগ্রহ বশত অনেকে তার লেখা এখন নতুন করে পড়বে। কারো ভাল লাগবে কারো মন্দ। যাদের কাছে ভালো লাগবে তাদের কাছে তো অভিজিৎ হিরো বনে গেল। এই হত্যাকাণ্ডটি তো একপ্রকার বিজ্ঞাপন হিসেবেই কাজে লাগল তাদের কাছে। এইভাবে কি নতুন অভিজিৎ এর জন্ম হলনা? কাজেই এই সকল অসুস্থ চিন্তা বাদ দিয়ে আসুন সবাই দেশের জন্য কাজ করি। কারন দেশপ্রেমও তো ঈমানেরই অঙ্গ।

৯ thoughts on “অপরাধী আসলে কে?

  1. কারন দেশপ্রেমও তো ঈমানেরই

    কারন দেশপ্রেমও তো ঈমানেরই অঙ্গ।

    দেশপ্রেম কোন মতাদর্শের ভিত্তিতে দেখাতে হবে? মদীনাসনদ অনুযায়ী?

  2. সেটা একান্ত আপনার বাক্তিগত
    সেটা একান্ত আপনার বাক্তিগত ব্যাপার। আর প্রেম ভালবাসা এগুলো মনের ব্যাপার লোক দেখানোর জন্য নয়। মনের ভালবাসা মনে রাখতে হয়। কিভাবে বাসবেন আপনি নিজেই ঠিক করেন।

  3. ছাগলে কাঁঠাল পাতা চিনবে,
    ছাগলে কাঁঠাল পাতা চিনবে, কুকুরে চিনবে নর্দমা। দুই চারটা আবালের অভিজিৎ রায়কে না চিনলে পৃথিবীর কোন ক্ষতি হবে না। বিজ্ঞান লেখক হিসেবে অভিজিৎ রায়কে বিশ্বের অনেকেই চিনে। যুক্তিবাদীরা সব সময়ই ধর্মান্ধদের চক্ষুশুল ছিলো। কারন ধর্মান্ধরা যুক্তিবাদীদেরকে ভয় পায়।

    1. ছাগলে কাঁঠাল পাতা চিনবে,

      ছাগলে কাঁঠাল পাতা চিনবে, কুকুরে চিনবে নর্দমা
      আপনিও ঠিক তাই চিনেছেন। আমার লেখাটি আমি কারও পক্ষে লিখিনি। অপরাধী দুই দলকেই বলেছি। কোন কিছু মনোযোগ দিয়ে না পড়ে মন্তব্য করাটা কি সাবাল এর লক্ষণ নাকি? আজই জানলাম।
      অভিজিৎ এতই বিখ্যাত যে আমার মত গ্রাজুয়েশন শেষ করা ছেলেও তাকে চিনে না। তার বই কত বার বাংলাদেশে বা অন্যান্য দেশে বেস্ট সেলার হয়েছে। জানতে পারলে ভালো হইত। বিশ্বের মানুষ চিনে অথচ দেশের মানুষ চিনে না ব্যাপক বিখ্যাত তিনি। এই লজ্জা গোটা জাতির। অনেক লুল। আর সবাই ধর্মান্ধ না আমার মত ধর্মভীরু মানুষেরা সংখ্যায় বেশীই হবে হয়ত এই দেশে। না হলে এটা একটা গণতান্ত্রিক দেশ হইত না। আই এস বা তালেবানরা শাসন করত এখানে।

    1. সুজন: অভিজিতের কয়টা বই
      সুজন: অভিজিতের কয়টা বই পড়েছেন? উনি ইসলাম বাদে অন্য কোন ধর্মকে আড়াল করে কোথায় বক্তব্য দিয়েছেন, আমার একটু জানা দরকার।

      1. অভি অনেকগুলো ফেইক আইডি দিয়ে
        অভি অনেকগুলো ফেইক আইডি দিয়ে ইসলাম বিদ্বেষী লেখা লেখেছে। রুদ্র মুহাম্মদ, মেজভাবী, ইত্যাদি ফেইক আইডি দিয়ে সে কী করেছে তা নিশ্চয়ই আপনার অজানা নয়।

        আর অভির বই পড়ার ব্যাপারে আমার কোনো কালেই কোনো আগ্রহ ছিলোনা। ভবিষ্যতেও ওর বই পড়বোনা। ফালতু জিনিস…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *