কিভাবে ইসলামিক উপায়ে ভ্যালেন্টাইনস ডে পালন করবেন

ভালোবাসতে কার না ভালো লাগে। তবে ভালোলাগার মাত্রাটা পূর্ণতা লাভ করে ভালোবাসার মানুষকে কাছে পাওয়ার মাধ্যমে। কিন্তু কাছে পাওয়া কি এতই সহজ। ভালোবাসার মানুষকে কাছে পাওয়ার একমাত্র শুদ্ধতম উপায় হল কলেমা পড়ে ইসলামিক রীতিতে বিয়ে। বিয়ের আগে যেমন কাউকে ভালোবাসা, হাত ধরে ঘুরা, একসাথে বৃষ্টিতে ভেজা, একসাথে পার্কে বসে বাদাম চিবানো অপরাধ(আরও গভীরে আর নাইবা গেলাম) তেমনি বিয়ে যদি ইসলামিক রীতিতে না হয় তবে আপনার সঙ্গীর সাথে বিয়ের পর কাটানো সময়গুলো অপরাধ বলে গন্য হবে। যেহেতু ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম এবং অন্য ধর্মগুলো সব নদীর জলে ভেসে এসেছে তাই আমরা বলতে পারি যে অন্য ধর্মের বিবাহিত নর-নারী ক্রমাগত পাপের বোঝা ভারী করে চলেছে। কারণ আগেই বলেছি। ইসলামিক রীতিতে বিয়ে।

১৪ই ফ্রেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। আমাদের এই সুন্দর সমাজে দুর্নীতিবাজ, চোর, ডাকাত, খুনী, সন্ত্রাসী, ধর্ষক প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরতে পারে। ওরা আছে বলেই সমাজ এত সুন্দর। কিন্তু যেখানে সেখানে তরুণ তরুনীদের হাত ধরে ঘুরাফেরা, গায়ে গা লাগিয়ে একসাথে বসে থাকার কারনে এই সুন্দর পরিবেশ নষ্ট হতে চলেছে। আপনারা সবাই আমার সাথে একমত হবেন যে এই সুন্দর সমাজ এবং মুসলিমদের ইমান নষ্ট করতে বিধর্মীরা এই ভালোবাসা দিবস চালু করেছ। তবে কি আমারা আমাদের ধর্ম অনুসারে এই প্রেম, ভালোবাসা, ভালোবাসা দিবস প্রত্যাখ্যান করব। না!!!!!! একদমই না! আমরা যেভাবে বিধর্মী-নাস্তিক বিজ্ঞানীরা কোন কিছু আবিষ্কার করার পর কুরানে পরিস্কার ভাবে সেই “কোন কিছু” খুঁজে পাই (কুরআন এমনিতে রুপকে ভরপুর কিন্তু অনেক জটিল জটিল বৈজ্ঞানিক তত্ব এত পরিস্কার ভাবে কুরানে লিখা আছে যে মুগ্ধ হতে হয়। আফসোস আয়াতগুলোর অর্থ “কোন কিছু” আবিষ্কার হয়ে যাওয়ার পরে পরিস্কার হয়। অন্তর্জালে ইসলামিক সাইন্সে পিএইচডি অলা ভাইয়েরা আমার, অন্তত একটা কিছু বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার করার আগে আবিষ্কার করে পুরা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে দেন। প্লিজ…আমার লক্ষী ভাইয়েরা।) এবং ওটাকে আমাদের বলে দাবি করি ঠিক একইভাবে এই ভ্যালেন্টাইন ডে কেও আমাদের কব্জায় নিয়ে আসব।

ভ্যালেন্টাইনস ডে কে ইসলামিক রুপ দেওয়া কোন কঠিন ব্যাপার নয়। ইসলামিক উপায়ে প্রেম কিভাবে করতে হয় তা জানা থাকলেই আপনি ইসলামিক উপায়ে ভ্যালেন্টাইনস ডে পালন করতে পারবেন। ইসলামিক উপায়ে কিভাবে প্রেম করবেন সেটা বলছি। আপনি এবং আপনার সঙ্গী উভয়কেই বিশ্বাস করতে হবে ইসলামে পরপুরুষ/পরনারীর সাথে ইসলামিক রীতিতে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক হারাম। ইসলাম নারীদের দিয়েছে সবচাইতে বেশী সম্মান। কেউ যদি এসবের সমালোচনা করে ঝগড়া করে বুঝিয়ে দিন ইসলাম কত মহান। বিশ্বাস করা হয়ে গেলে এবার প্রেম করা শুরু করুন। বাবা মায়ের চোখকে ফাঁকি দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম করুন। হারাম কাজগুলো লুকিয়ে করলে আর হারাম থাকেনা। সারারাত ফোনালাপ করুন। তবে অবশ্যই ফোনালাপ শেষে নিজে ফজরের নামাজ পড়ুন এবং সঙ্গীকে ফজরের নামাজ পড়তে উৎসাহিত করুন। শুধু ফোনে প্রেম করলেই তো হবে না, দুজন দুজনের স্পর্শও তো পেতে হবে। এর জন্য পার্কে যেতে হবে। তবে পার্কে যেতে হলে অবশ্যই প্রেমিকাকে বোরকা ও হিজাব পরে যেতে হবে। কারন বোরকা আর হিজাব পড়ে ঘুরলে পরপুরুষ আর পর থাকে না। লক্ষ্য করলেই দেখবেন বোরকা ও হিজাব প্রেমিকাদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। হিজাব একটু স্টাইল করে পরতে হবে। এজন্য গুগল এর সাহায্য নিতে পারেন। various hot hijab style লিখে গুগল করুন। তবে পার্কে দুজন দুজনকে স্পর্শ করতে পারলেও সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে অধরের সাথে অধর মেলানো কষ্টকর হয়ে যায়। তবে চিন্তা নেই। আমাদের এই ৯০% মুসলমানদের দেশে লাইব্রেরী সংখ্যা হাতে গোনা হলেও ডার্ক রেস্টুরেন্টের অভাব নেই। ডার্ক রেস্টুরেন্টগুলোতে একান্তে আপনার সঙ্গীকে নিয়ে সময় কাটাতে পারবেন, কেউ বিরক্ত করবে না। এতসব করার পরেও আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে ইসলামে বিবাহ বহির্ভূত নারী পুরুষের সম্পর্ক হারাম। এটাই হল ইসলামিক উপায়ে প্রেম করা

তো ভ্যালেন্টাইনস ডে তে এভাবেই প্রেম করুন

৯ thoughts on “কিভাবে ইসলামিক উপায়ে ভ্যালেন্টাইনস ডে পালন করবেন

  1. আরও ভাল একটা উপায় আছে। ১০০%
    আরও ভাল একটা উপায় আছে। ১০০% কাজই করতে পারবেন যদি সেটা করেন। আপনার প্রেমিকাকে দাসী বানিয়ে ফেলুন। তখন যা ইচ্ছা করতে পারবেন,এবং সেটা হালাল ও মান সম্মত হবে! 😀

  2. ইসলামিক উপায়ে ভ্যালেন্টাইনস
    ইসলামিক উপায়ে ভ্যালেন্টাইনস ডে পালনের আরও কিছু পদ্ধতি যোগ করা যেতে পারে । যেমন ঃ প্রেমিক -প্রেমিকা দেখা হবার পর পরষ্পরকে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ বলে সম্ভাষন জানাবে। মোকসেদুল মোমেনীন বইয়ে একবার সহবত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার দোয়া খুজে পেয়েছিলাম । চুম্বনে কিংবা সহবতে এটাকেও কাজে লাগানো যেতে পারে।

    1. মোকসেদুল মুমিন পুরাই ইসলামী
      মোকসেদুল মুমিন পুরাই ইসলামী চটি বই। মুমিনরা এই বই পড়ে হস্তমৈথুনে লিপ্ত হয়। অবশ্য এটি সহীহ হস্তমৈথুন। কোন গুনাহ নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *