চাকর থেকে হিন্দু জমিদার

৭১২ খৃষ্টাব্দে ভারতের সিন্ধু প্রদেশে সর্বপ্রথম মুহাম্মদ বিন কাসিম আগমন করেন বিজয়ীর বেশে এবং এটা ছিল ইসলামের বিরাট রাজনৈতিক বিজয়। তাঁর বিজয় সিন্ধুপ্রদেশ পর্যন্তই সীমিত থাকেনি। বরঞ্চ তা বিস্তার লাভ করে পাঞ্জাবের মূলাতন পর্যন্ত।


৭১২ খৃষ্টাব্দে ভারতের সিন্ধু প্রদেশে সর্বপ্রথম মুহাম্মদ বিন কাসিম আগমন করেন বিজয়ীর বেশে এবং এটা ছিল ইসলামের বিরাট রাজনৈতিক বিজয়। তাঁর বিজয় সিন্ধুপ্রদেশ পর্যন্তই সীমিত থাকেনি। বরঞ্চ তা বিস্তার লাভ করে পাঞ্জাবের মূলাতন পর্যন্ত।

“মুসলমানগণ বিজয়ীর বেশে এ দেশে আগমন করার পর এ দেশকে তাঁরা মনে প্রাণে ভালোবাসেন, এ দেশকে স্থায়ী আবাসভূমি হিসাবে গ্রহণ করেন এবং এ দেশের অমুসলিম অধিবাসীর সাথে মিলে মিশে বাস করতে চেয়েছেন। শাসক হিসাবে শাসিতের উপরে কোন অন্যায়-অবিচার তাঁরা করেননি। জনসাধারণও তাঁদের শাসন মেনে নিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার বাংলা বিজয়ের পর অভ্যন্তরীণ আইনশৃংখলা প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি মুসলমানাদের জন্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ও মাদ্রাসা স্থাপন করলেও অমুসলিমদের প্রতি উদানীতি অবলম্বন করেন। তিনি ইচ্ছা করলে পলাতক লক্ষ্মণ সেনের পশ্চাদানুসরণ করে তাকে পরাজিত করতে পারতেন। কিন্তু সে কথা তিনি মনে আদৌ স্থান দেননি। “যদুনাথ সরকার তাঁর ‘বাংলার ইতিহাসে’ বলেনঃ“……কিন্তু তিনি রক্তপিপাসু ছিলেন না। নরহত্যা ও প্রজাপীড়ন তিনি পছন্দ করতেন না। দেশে এক ধরনের জায়গীর প্রথা বা সামস্ততান্ত্রিক সরকার কায়েমের দ্বারা আভ্যন্তরীণ প্রশাসন ও সামরিক প্রধানদের সন্তুষ্টি সাধন করতেন”।…-(History of Bengal Vol. 2,Mislim periodp. 9)”

একসময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর এই উপমহাদেশে আগমন ঘটে। ইংরেজগণের শতাধিক বৎসরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ব্যবসায়ী থেকে শাসকে পরিণত হয়েছিল, সাড়ে পাঁচশত বৎসর ব্যাপী প্রতিষ্ঠিত মুসলিম শাসনের মূলোৎপাটন করে এ দেশবাসীকে গোলামীর শৃখলে আবদ্ধ করেছিল॥ অকৃতজ্ঞ ক্ষমতালিপ্সু ইংরেজগণ ও তাদের দালাল হিন্দু প্রধানগণ সিরাজদ্দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করে চিরদিনের জন্যে মুসলিম শাসন বিলুপ্ত করার যে ষড়যন্ত্র জাল বিস্তার করে তা চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয় –পলাশীর ময়দানে।

পরবর্তীতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে এই বাংলায় অনেক বিদ্রোহ হয়েছে। যেমন সিপাহী বিদ্রোহের বিষয়ে তৎকালীন বৃটিশ ইন্ডিয়ান এসোসিয়েশেন এবং বাঙালি ব্যক্তিত্বদের মধ্যে কিশোরী চাঁদ মিত্র, শম্ভু চন্দ্র মুখোপাধ্যায়,হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় প্রমুখ প্রকাশ্যেই মন্তব্য করেছেন যে, ‘সিপাহী বিদ্রোহ হচ্ছে সিপাহীদের ব্যাপার এবং এর সংগে জনসাধারণের (অর্থাৎ হিন্দুদের) কোনই সম্পর্ক নেই।’ আশ্চার্যের বিষয় এই যে, ঊনবিংশ শতব্দীর শেষ ভাগপর্যন্ত কোলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী মহলের কেউই এমনকি পরোক্ষভাবেও সিপাহী বিদ্রোহের পক্ষে কোনও কথাই বলেননি। আধুনিক যুগের ভাষায় এঁদের ‘হিন্দু রাজাকার’ নামে আখ্যায়িত করা যায়। (এম আর আখতার মুকুল – কোলকাতাকেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী শ্রেণী: সাগর পাবলিশার্স, ঢাকা, পৃঃ ৩৩, ১৯৮৮)”

এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কারণে এই বাংলায় চাকর থেকে হিন্দুদের জমিদার হওয়ার ইতিহাস রয়েছে। প্রায়ই হিন্দুদের বলতে শোনা যায় যে, এই বাংলাদেশের সব জমি নাকি হিন্দুদের। তারা মুসলমানদের ওপর হিন্দুদের জমি কেড়ে নেয়ার অপবাদ দেয়। অথচ ইতিহাসের সত্য হচ্ছে, ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে মুসলমানদের জমিগুলো কেড়ে নিয়ে হিন্দুদের দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, সেসব জমি ব্রিটিশরা দেয় তাদের কিছু চাকর শ্রেণীর হিন্দুদের। এই চাকর শ্রেণীর হিন্দুদের মধ্যে রবীন্দ্র নাথের পূর্বপুরুষও রয়েছে। এসব চাকর থেকে জমিদার হওয়া হিন্দুদের তালিকা ইতিহাসে আজও সংরক্ষিত আছে।

(১) ভাওয়াল এস্টেট পরিধি এবং আয়ের দিক থেকে পূর্ব বাংলায় নওয়াব এস্টেটের পরেই দ্বিতীয় বৃহত্তম জমিদারি। ভাওয়াল জমিদার বংশের পূর্ব পুরুষগণ মুন্সিগঞ্জের অন্তর্গত বজ্রযোগিনী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন বলে জানা যায়। এই বংশের জনৈক বলরাম সপ্তদশ শতাব্দীর শেষার্ধে ভাওয়াল পরগনার জমিদার দৌলত গাজীর দীউয়ান হিসেবে কাজ করতেন। বলরাম এবং তার পুত্র শ্রীকৃষ্ণ তৎকালীন বাংলার দীউয়ান মুর্শিদকুলী খানের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন হয়ে ওঠেন এবং কৌশলে গাজীদের বঞ্চিত করে জমিদারি হস্তগত করেন। [ তথ্যসুত্র – উইকিপিডিয়া]

(২) মতিলাল শীল প্রথমে ছিল খুব গরীব। ইংরেজের সহযোগী হওয়ার ফলে এত জমি ও জমিদারির মালিক হল যে তার থেকে বার্ষিক আয় হতো ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

(৩) মুর্শিদাবাদের কান্দি ও পাইকপাড়ার জমিদার রাধাকান্ত সিংহ ছিল সিরাজউদ্দৌলার একজন কর্মচারী মাত্র। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীকে দলিলপত্র পাচারের জন্য কোম্পানী তাকে বিশেষভাবে পুরষ্কৃত করে জমিদার বানায়।

(৪) কান্তমুদি প্রকৃত অর্থেই ছিল মুদির দোকানদার। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রণেতা হেস্টিংসের অত্যাচারের সহযোগিতায় সে ও তার পুত্র লোকনাথ নন্দী ‘রাজা’ পদ পেয়েছিল। বহু জমিদারির মালিক হয়েছিল তারা। যার বার্ষিক জমার মোট পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ১০৫ সিক্কা টাকা।

(৫) হাওড়ার আন্দুল রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা রামচরণ রায়। গভর্নর ভান্সিটার্ট ও জেনারেল স্মিথের অধীনে চাকর থেকে, তাদের অত্যাচারের সহযোগী হয়ে সেও তার আখের গুছিয়ে নিয়েছিল।

(৬) খিদিরপুর ভুকৈলাশ রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোকুলচন্দ্র ঘোষাল। সেও মিস্টার ভেরেলস্টের দেওয়ান বা চাকর ছিল। শেষে সন্দ্বীপের জমিদারিটি গুছিয়ে নিয়েছিল।

(৭) কালীশংকর রায় গুণ্ডা বা লাঠিয়াল ছিল। ইংরেজদের গোলামি করে জমিদারির মালিক হয়ে ‘রাজা’ বলে বিখ্যাত হয়েছিল সে।

(৮) দিনাজপুরের রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা মানিকচাঁদ ছিল মি. জন ইলিয়টের চাকর। তার পৌত্র ফুলচাঁদ ইংরেজদের দেওয়ানী পদ পেয়ে কিনে নিয়েছিল দিনাজপুরের জমিদারি।

(৯) রানাঘাটের কৃষ্ণপাল ও শম্ভুপাল ছিল পান ব্যবসায়ী। ইংরেজের গোলামি করে বিরাট ধনী হয়েছিল তারা।

(১০) সিঙ্গুরের দ্বারকানাথের বাবা প্রথমে গৃহভৃত্যের কাজ করত। ১৮০৭ সালে দ্বারকানাথ ইংরেজদের নজরে পড়ে হয়ে যায় বিরাট ধনী। উল্লেখ্য, এই দ্বারকানাথই রবীন্দ্রর দাদা।

(১১) হরিঘোষ ইংরেজদের অধীনে মুঙ্গের দুর্গের চাকর ছিল। সে এত বড় ধনী হয়েছিল যে ‘হরিঘোষের গোয়াল’ প্রবাদটি তার নামেই প্রচলিত হয়।

(১২) এমনিভাবে ধনী হয়েছিল জোড়াসাঁকোর সিংহপরিবার। শান্তিরাম সিংহ মিডলটন ও স্যার টমাস রামবোল্ডের চাকর ছিল। (তালিকাটি গোলাম আহমাদ মোর্তজার ‘বজ্রকলম’ বই থেকে নেয়া। বইয়ে দেয়া তালিকাটি আরও বড়ো, পাঠকের সুবিধার্থে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দেয়া হয়েছে)

প্রকৃতপক্ষে হিন্দুরা কখনোই উচ্চশ্রেণীর ছিল না॥ ব্রিটিশ আমল ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল একটি দুর্ঘটনা, যার ফলে কিছু চাকর শ্রেণীর হিন্দু ‘জমিদার’ সাজতে পেরেছিল।

৭ thoughts on “চাকর থেকে হিন্দু জমিদার

  1. আপনার এই পোস্টটি বেশ অনেক
    আপনার এই পোস্টটি বেশ অনেক পুরোনো কিছু লেখার কপিপেস্ট। এই পোস্টটির সিংহভাগই রয়েছে এখানে এবং এখানে।। আর এই দুই জায়গাতেই রেফারেন্স দেয়া হয়েছে এভাবে- লেখক : @দস্তার রাজদরবার। আর পুরো পোস্টটিই আরও বহু জায়গায় পাওয়া যায় ইন্টারনেটে। তবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো এই যে, লেখাটির মূল হচ্ছে একটি বই। বইটির নাম- বাংলার মুসলমানের ইতিহাস। বইটির বিস্তারিত পেতে এই পেজে যেতে পারেন

    আপনার এই পোস্টের এত বিস্তারিত পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দিলাম কয়েকটি কারণে, যেমন-
    আপনি পোস্টটির রেফারেন্স উল্লেখ না করে অনেকটা নিজের নামেই চালিয়ে দিচ্ছেন, যা ইস্টিশনের চার নং বিধি এবং সাত নং বিধির খ-ধারার সুস্পষ্ট লংঘন।
    ইতিহাস চর্চার চেয়ে এই পোস্টে হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষটাই প্রকট হয়ে ধরা দিচ্ছে, যা ইস্টিশনের দুই নং বিধির সরাসরি লংঘন।

    ইস্টিশনে যে কপিপেস্ট হয় না তা কিন্তু না। হয়। কিন্তু এই পোস্টে কপিপেস্ট হওয়ার সাথে সাথে পুরো একটি সম্প্রদায়ের উপর বিদ্বেষ প্রকাশ করা হয়েছে স্রেফ কপিপেস্টের মাধ্যমে।
    তাই আমি বিনীতভাবে ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

  2. শিরিছ কাগজ – লেখায় রেফারেন্স
    শিরিছ কাগজ – লেখায় রেফারেন্স দেওয়া আছে॥
    আর আপনি লেখায় হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ পেলেন কোথায়??? লেখাটা কি অবাস্তব, বানোয়াট???

    1. আপনার লেখায় যে রেফারেন্স দেয়া
      আপনার লেখায় যে রেফারেন্স দেয়া হয়েছে, সেগুলো আমার প্রথম মন্তব্যে দেয়া লিঙ্কগুলোতেও দেয়া আছে। আপনার লেখায় রেফারেন্স নেই বলে আমি বুঝিয়েছি- কপিপেস্টের রেফারেন্সের কথা এবং মূল বইটির কথা।

      লেখাটিতে যে বিষয়টি বলার চেষ্টা করা হয়েছে, আমি সেটার সত্য-মিথ্যা যাচাই করার চেষ্টা করছি না। কারণ এই মুহূর্তে আরও অনেকের মত আমারও সেটার কোন দরকার নেই।

      আর হিন্দু বিদ্বেষের যে কথাটি বলেছি, সেটার কারণ হলো-

      • যে জায়গাগুলো থেকে আপনার এই পোস্টের সৃষ্টি, সে জায়গাগুলিতেও শিরোনামে চাকর শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। এমন কি মূল বইটিতেও না।
      • আপনি এখানে হিন্দুদের চাকর প্রমাণ করতে চাইলেন, এমন কি যে মানুষটি আমাদের দেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেছেন, তাকেও ছাড় দিলেন না। এতে অবশ্য তার কিছুই আসবে না বা যাবেও না। যারা তাদের মত মানুষ, এ সব বিষয় নিয়ে তারা তেমন একটা চিন্তা ভাবনা করেন না।
      • ইংরেজদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের কিছু অবদানের কথা বললেন এবং হিন্দুদের কথা বললেন যে, তারা ইংরেজদের চাকর ছিল। মুসলমান বিদ্রোহীদের বিরোধীতা করত। কিন্তু ইংরেজ-বিরোধী আন্দোলনে হিন্দুদের যে অবদান, সে কথা আপনি উল্লেখ করলেন না বিন্দু মাত্র। আপনি এটাও বললেন না যে, এমন কিছু মাওলানাও ছিল সে সময়, বিদ্রোহী মুসলমান এবং তাদের মধ্যে যারা বড় বড় মাওলানা ছিলেন তাদেরকে ঐ ইংরেজদের পা চাটা মাওলানারা কাফের মুরতাদ ফতোয়া দিয়েছিল।

      এভাবেই আমি আপনার পোস্টে হিন্দু বিদ্বেষ পেলাম।

      1. পোস্টের উদ্দেশ্যই হচ্ছে
        পোস্টের উদ্দেশ্যই হচ্ছে হিন্দু বিদ্বেষ। বৃটিশদের চাকর হিন্দুদের মধ্যেও ছিল এবং মুসলমানদের মধ্যেও ছিল। তবে বৃটিশ বিরোধী বিপ্লবীদের নাম যদি বলতে বলা হয় সেখানে কতজন মুসলিম পাবেন? বিপ্লবীদের মধ্যে অধিকাংশই হিন্দু। ভালো খারাপ সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ছিল এবং আছে।

  3. বৃহত্তর ভারত উপামহাদেশের
    বৃহত্তর ভারত উপামহাদেশের মুসলমানদের মাথায় টুপি পরিয়েছে ব্রিটিশরাই, বাবা সোনারা, তোমরা মুসলমান, তোমাদের কাম হইলো গিয়া কোরান পোড়া নামাজ পড়া বাচ্চা পয়দা করা আর তাগোরে ইসলামী শিক্ষা দেওয়া। তুমরা মুসলমানরা ইংরেজি পড়বা না, ঐডা হইলো গিয়া ইহুদী নাসারাগো শিক্ষা, তুমরা কায়দা সিপারা নিয়া মক্তবে দৌড়াবা আর ঘরের মইদ্ধে আল্লাহ আল্লাহ করবা। ব্রিটিশ হুজুরের নসিহতে তৎকালীন মুসলিম ভারতীয়রা সেই যে মক্তব মাদ্রাসা ধরেচে, এখন পর্যন্ত’ও তাদের বোধোদয় হয় নাই। আজমীর শরীফ ফুরফুরা শরীফের হুজুর কিবলাদের বংশপরম্পরায় কায়দা সিপারা চলছেই, আর অমর্ত্যসেন ব্যানার্জি চ্যাটার্জি রা এখন কোথায় তা পাঠক মাত্রই জানেন।

    তাই, নিজেদের ভুলের দায়ে হিংসাপরবশ হয়ে হিন্দুদের চাকর বলে এখন কিছুটা আত্মতৃপ্তি পাওয়া যেতেই পারে কিন্তু ভবিষ্যতে যদি মুসলমানরা না শোধরায় তবে এই আত্মতুষ্টি’র গ্লানি একদিন তাদের কোথায় নিয়ে গিয়ে দাঁড় করাবে সেটা আল্লাহ মালুম। তখন হয়তো এই বিদ্বেষটা “চাকর” এ সীমাবদ্ধ থাকবেনা, কুপমণ্ডূকতার চরম পরাকাষ্ঠা হিসেবে তখন হিন্দুদের নামের সাথে হয়তো আরও কিছু বিশেষণ যোগ করার চেষ্টা করা হবে।

    সেদিনের হিন্দুরা আজকের রকেটে করে মঙ্গলে যদি যায় যাক, তাই বলে মুসলমানরা পাছা চুলকানো বন্ধ রাখবে নাকি?

    1. মুসলমানরা জমজমের পানি খেয়ে
      মুসলমানরা জমজমের পানি খেয়ে ক্যান্সারের চিকিৎসা করবে তথস। তাছাড়া কোরানে মঙ্গল গ্রহের কথা স্পষ্ট করে লেখা নাই। মুহাম্মদকে শুধু পৃথিবীর নবী করা হয়েছে। তাই মঙ্গলে মুসলমানদের যাওয়ার কোন ইচ্ছে থাকার কথা না।

      1. শাখা খোলা যাবে? মঙ্গলে
        শাখা খোলা যাবে? মঙ্গলে কেনাকাটা করার জন্য আইএস ব্যাংক/ইস্লামি ব্যাংকের বুথ থাকলে সুবিধা হয়। মঙ্গলে আদি ও আসল কাবার শাখা কাবা-২ খোলার উদাত্ত আহ্বান জানালাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *