অবশেষে যৌনদাসী সাপ্লাইয়ের টেন্ডার পেলো বাংলাদেশ!

দুবাইয়ের অলিতে গলিতে যখন আফ্রিকান জানোয়ারদের যৌনক্ষুধা মিটিয়ে চলেছে বাংলাদেশের নারীরা, স্বদেশী মা-বোনদের কান্নায় যখন প্রতিনিয়ত আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে লেবাননে, তখন তার কোন কুলকিনারা না করে উল্টো সৌদি আরবে ‘হাউজ মেইড’ পাঠাবার নামে সেই বাংলাদেশের নিরীহ নারীদের ইজ্জ্বত বিক্রি করতে কি উঠে পড়ে লেগেছে আজ বাংলাদেশ সরকার? জঘন্য সব বিকৃত যৌন রুচীর অশিক্ষিত-বর্বর একশ্রেনীর সৌদি পুরুষদের ২৪ ঘন্টা সেক্স ভায়োলেন্সের মুখে বাংলার অজ পাড়াগাঁয়ের অবলা নারীরা নিজেদের কিভাবে কতটা সামাল দেবেন, তাই নিয়ে তোলপাড় চলছে এখন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝেও।


দুবাইয়ের অলিতে গলিতে যখন আফ্রিকান জানোয়ারদের যৌনক্ষুধা মিটিয়ে চলেছে বাংলাদেশের নারীরা, স্বদেশী মা-বোনদের কান্নায় যখন প্রতিনিয়ত আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে লেবাননে, তখন তার কোন কুলকিনারা না করে উল্টো সৌদি আরবে ‘হাউজ মেইড’ পাঠাবার নামে সেই বাংলাদেশের নিরীহ নারীদের ইজ্জ্বত বিক্রি করতে কি উঠে পড়ে লেগেছে আজ বাংলাদেশ সরকার? জঘন্য সব বিকৃত যৌন রুচীর অশিক্ষিত-বর্বর একশ্রেনীর সৌদি পুরুষদের ২৪ ঘন্টা সেক্স ভায়োলেন্সের মুখে বাংলার অজ পাড়াগাঁয়ের অবলা নারীরা নিজেদের কিভাবে কতটা সামাল দেবেন, তাই নিয়ে তোলপাড় চলছে এখন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝেও।

অব্যাহত ও ক্রমবর্ধমান যৌন নির্যাতনের যাবতীয় রেকর্ড আমলে নিয়ে ফিলিপাইন ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলংকা সরকার যেখানে সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মী পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিজে একজন নারী হওয়া সত্বেও মা-বোনদের ইজ্জ্বত রক্ষায় কেন নড়েচড়ে বসছেন না, এই প্রশ্ন এখন গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে। অন্যান্য দেশ ‘হাউজ মেইড’ পাঠানো স্থগিত রাখায় সৌদি আরব তার দেশের নাগরিকদের চাহিদা পূরণে সম্প্রতি বেছে নেয় বাংলাদেশকে। অথচ অধিকাংশ সৌদিরাই গৃহকর্মীদের ‘ট্রিট’ করেন দাস-দাসী হিসেবে এবং তাদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনকে ‘নিজস্ব শরীয়ত’ মোতাবেক ‘হালাল’ মনে করে থাকেন।

রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে সৌদি সরকার যখন বরাবরের ন্যায় এবারও সচেতন তার দেশের নাগরিকদের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে, তখন দেশটিতে ‘হাউজ মেইড’ মোড়কে যৌনদাসী সাপ্লাইয়ের টেন্ডার বুঝে নিয়ে আনন্দে বোগল বাজাচ্ছেন প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীও যেন এক প্রকার জেগে ঘুমোচ্ছেন ন্যাক্কারজনক এই ইস্যুতে। খন্দকার মোশাররফ প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয় হওয়ার সুবাদে সকল প্রকার জবাবদিহিতার উর্ধ্বে থাকায় সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহমুদ আলীর সুযোগ নেই কোন রোল প্লে করার – সেগুনবাগিচার বিশ্বস্ত সূত্র থেকে এমনটাই জানা গেছে।

সৌদিতে নারী গৃহকর্মী প্রেরণকে সরকারের ‘দায়িত্বহীনতা’ এবং ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দিয়ে সাবেক একজন রাষ্ট্রদূত বলেন, “পৃথিবীর নানা প্রান্তে কয়েক ডজন বাংলাদেশ দূতাবাসে যে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি হয় প্রতি বছর, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় সফরসঙ্গীদের বেহুদা বিশাল বহরের পেছনে রাষ্ট্রের যে কোটি কোটি টাকা জলে যায়, তা দিয়ে কিন্তু খুব সহজে বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই কর্মসংস্থান করা যেতো ২ লাখ নারীর”, একসময়ের প্রভাবশালী ঐ কূটনীতিক সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আহবান জানিয়ে আরো বলেন, “একাত্তরে মা-বোনদের ইজ্জ্বত হরণকারী রাজাকারদের বিচার করবেন অথচ আজ সেই নারীদেরই ৮শ’ রিয়ালে যৌনদাসী বানাবেন বিদেশে – কেন এই দ্বিমুখী নীতি”?

এদিকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে বছরের পর বছর বাসা-বাড়িতে ড্রাইভার ও হাউজ মেইডের কাজ করেছেন এমন বেশ ক’জন বাংলাদেশী নারী-পুরুষের সাথেও চলতি সপ্তাহে নতুন করে কথা হয়েছে। সঙ্গত কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আলাপকালে তারা জানিয়েছেন ভয়ংকর কিছু সত্য, অনিচ্ছা সত্ত্বেও যা প্রকাশ করতে হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের টনক নড়বে এই আশায়। প্রথমতঃ সৌদি বিবাহিত নারীরা তাদের নিজেদের মেয়ে সন্তানকেই নিরপদ মনে করেন না ঘরের স্বামী-ভাই-দেবর বা অন্য পুরুষের কাছ থেকে। অন্যদিকে অধিকাংশ সৌদিরা এতোটাই বিকৃত রুচীর যে, অতীতে ফিলিপাইন ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলংকান নারী গৃহকর্মীদের অধিকাংশদেরই তারা বাধ্য করেছেন বিকৃত সব সেক্সে।

যৌন নির্যাতন বলতে মূলতঃ জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনকে বোঝালেও বাসা-বাড়িতে বাবার হোটেলে দিনাতিপাত করা বেশির ভাগ সৌদিরা তাদের হাউজ মেইড তথা ভিনদেশী দাসীদের বাধ্য করেন সরাসরি পায়ুপথের সঙ্গমে তথা অ্যানাল সেক্সে। শুধু তাই নয়, সর্বোচ্চ রেটিং সম্পন্ন পর্নোগ্রাফিতে যা যা থাকে, ঠিক হুবুহ তা করানো হয় নারী গৃহকর্মীদের দিয়ে। সুরক্ষিত নিজগৃহে অন্ধকার জগতে তাদের লাল-নীল বাতি জ্বলে আরো বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে। অপেক্ষাকৃত কম বয়সী সৌদিরা তাদের বন্ধু-বান্ধবদের বিনোদন নিশ্চিত করতে বিদেশী গৃহকর্মীদের বাধ্য করেন গ্রুপ সেক্সের মতো কঠিন কাজেও। মারধর এড়াতে দিনের পর দিন বিকৃত ও অনিয়ন্ত্রিত যৌনাচারে ভয়ংকর সব রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন উক্ত নারী গৃহকর্মীরা।

জীবিকার তাগিদে ইচ্ছের বিরুদ্ধে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়া বাংলাদেশীরা জানান, “বাসা-বাড়িতে বিদেশী হাউজ মেইড যারা রাখেন তাদের শতকরা নব্বই ভাগই ঐ ক্যাটাগরির”। অনুসন্ধানে জানা যায়, ইতর প্রকৃতির এক শ্রেনীর সৌদিরা আবার উচ্চ মোহরানার বিনিময়ে সৌদি নারীকে বিয়ে করতে রাজি নন এবং সহজলভ্য হাউজ মেইডদের নিয়োগ দিয়ে জৈবিক চাহিদা মিটিয়ে থাকেন। সব মিলিয়ে এমনই এক ভয়াবহ পরিবেশ ও বিভীষিকাময় অবস্থাতেই নারী গৃহকর্মী প্রেরণের নামে যৌনদাসী পাঠাবার টেন্ডার স্বাক্ষর হলো ঢাকার প্রবাসী কল্যান ভবনে। সৌদি পাষন্ডদের দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত একজন বাংলাদেশী নারীর ক্ষোভ, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কি কন্যা সন্তান নেই ? মন্ত্রী সাহেবদের কি স্ত্রী-কন্যা নেই ঘরে ? যদি না থাকে তবে প্রতিবাদের আগুণে জ্বালিয়ে দেয়া হোক ইস্কটানের প্রবাসী কল্যান ভবন”।

(কলামিস্ট মাঈনুল ইসলাম নাসিমের লেখা থেকে নেয়া হয়েছে। )

১৮ thoughts on “অবশেষে যৌনদাসী সাপ্লাইয়ের টেন্ডার পেলো বাংলাদেশ!

  1. একাত্তরে মা-বোনদের ইজ্জ্বত

    একাত্তরে মা-বোনদের ইজ্জ্বত হরণকারী রাজাকারদের বিচার করবেন অথচ আজ সেই নারীদেরই ৮শ’ রিয়ালে যৌনদাসী বানাবেন বিদেশে – কেন এই দ্বিমুখী নীতি?

    সৌদি পাষন্ডদের দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত একজন বাংলাদেশী নারীর ক্ষোভ, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কি কন্যা সন্তান নেই ? মন্ত্রী সাহেবদের কি স্ত্রী-কন্যা নেই ঘরে ? যদি না থাকে তবে প্রতিবাদের আগুণে জ্বালিয়ে দেয়া হোক ইস্কটানের প্রবাসী কল্যান ভবন”।

    :থাম্বসআপ:

    আর ব্যাঙের ছাতার মত গজায় ওঠা নিউ-জপোর্টালগুলা জিরো-ডিগ্রির সেক্স নিয়া আকাশ বাতাস এক করে ফেলছে। অথচ দেশের এই নারীরা যে কি ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে চলেছে, সে ব্যাপারে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। নিউজ-পোর্টালগুলোতে এ বিষয়ে কোন লেখালেখি নাই বললেই চলে।

    মনে হয় সাত বছর পর সৌদি আবার এদেশ থেকে কর্মী নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই দীর্ঘ সাত বছরে হয়ত তাদের পাশবিকতার কথা অনেকেই ভুলে গেছে। তাই এখন এ বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বের সাথে হাইলাইট করা দরকার।

  2. আওয়ামী সরকারের কোষাগারে টান
    আওয়ামী সরকারের কোষাগারে টান পরেছে। তাই চামে তারা কিছু সৌদি রিয়াল কামানোর ধান্ধা করতেছে। এতে দেশের নারীদের কি হবে না হবে তাতে আপামনির কি আসে যায়।

    1. এইভাবে বইলেন না। সমস্যাটা
      এইভাবে বইলেন না। সমস্যাটা আউমিলিগ বা বিম্পির না, সমস্যাটা পাবলিকের। পাবলিকরে যতভাবে বিষয়টা বোঝানো যায়, বোঝানো দরকার এবং সেটাই কাজে আসবে। নেতাদেরকে গালি সমগ্র দিয়া দিলেও কিছু হবে না। কখনো হয়ও নাই।

  3. অদ্ভূত তো মুমিনও দেখি সৌদিতে
    অদ্ভূত তো মুমিনও দেখি সৌদিতে নারী শ্রমিক পাঠাতে নিরুৎসাহিত! সৌদিরা ইসলামী রীতি মতে দাসী ছহবত করে। মুমিন বলুক সৌদিদের দোষটা কোথায়?

    1. সৌদিরা ইসলামী রীতি মতে দাসী

      সৌদিরা ইসলামী রীতি মতে দাসী ছহবত করে। মুমিন বলুক সৌদিদের দোষটা কোথায়?

      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  4. মধ্যপ্রাচ্যের এই পশুগুলো
    মধ্যপ্রাচ্যের এই পশুগুলো ধর্মের নামে যৌন নির্যাতন করে গৃহকর্মীদের উপর। তথাকথিত দাসী নামের এই গৃহকর্মীরা ঘরের সকল পুরুষের নোংরা লালসার শিকার হয়। আমি বুঝি না, ধর্মের নামে বাবা ছেলে একই মহিলার সাথে দিনের পর দিন দৈহিক সম্পর্ক কিভাবে করতে পারে!

    সরকার সৌদি আরবের শ্রম বাজারে আবার প্রবেশের জন্য দেশের গরীব নারীদের পশুর হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। সৌদি এই পশুগুলো গৃহকর্মীদের উপর শুধু যৌন নির্যাতন করে ক্ষ্যান্ত হয় না। নিয়মিত শারিরীক নির্যাতনও করে। সরকারের উচিত মধ্যপ্রাচ্যের শ্রম বাজারে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণের জন্য দেনদরবার করা।

  5. আওয়ামী সরকারের সৌদিপ্রেম
    আওয়ামী সরকারের সৌদিপ্রেম দিনকে দিন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বাদশাহের মৃত্যুর পর শোক দিবস ঘোষণা থেকে শুরু করে এবার যৌন দাসী রপ্তানীর সুযোগ !!! বাহ … সৌদিদের যে স্বভাব তাতে ভবিষ্যতে ৮০০ রিয়ালে গেলমানও চাইতে পারে… এখন দেখার বিষয় আওয়ামী সরকার এই দাবীও মানে কিনা…

    1. সরকার দিবে কিনা জানি না, তবে
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      সরকার দিবে কিনা জানি না, তবে সৌদি শুয়োরগুলো চাইতেও পারে। বেহেস্তে সুদর্শন বালকের লোভ যদি আল্লাহ দেখাতে পারেন, মুমিনদের সেই জিনিসের প্রতি লোভ থাকাটা দোষের দেখি না।

      1. সৌদিরা চাইলে সরকার কি আর না
        সৌদিরা চাইলে সরকার কি আর না করতে পারে। এ তো পবিত্র(!) দেশের পবিত্র(!) নাগরিকদের খেদমতের অপূর্ব সুযোগ। ছাত্রলীগ -যুবলীগের কিছু নেতা কর্মীরে গেলমান হিসেবে রপ্তানী করার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করতে পারে। রেমেটেন্স বাড়বে , দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে। ভোটের রাজনীতিতেও আওয়ামী লীগের সুবিধা হবে। সৌদি মার্কেটে গেলমান রপ্তানীও অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে ভবিষ্যতে ।

  6. সৌদি মার্কেটে গেলমান রপ্তানীও

    সৌদি মার্কেটে গেলমান রপ্তানীও অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে ভবিষ্যতে ।

    :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

  7. আল্লার পছন্দের দেশে যদি
    আল্লার পছন্দের দেশে যদি নারীদেরকে খেয়ে দেয়া হয়, তাহলে আর কোথায় নিরাপত্তা? সৌদিতে নিশ্চয় নারীরা বিকিনি পরে ঘোরাফেরা করে না, বোরখাই পরে। তাহলে বোরখাও তাদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না???
    বড়ই আপসোসের ব্যাপার…

  8. সারা পৃথিবীতেই মেয়েদের
    সারা পৃথিবীতেই মেয়েদের দেহকেন্দ্রিক রমরমা ব্যবসা চলছে। সেদিক থেকে বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকা ঠিক নয়। লাস ভেগাসের ক্লাব, বার আর সেক্সশপগুলোতে ্প্রচুর ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, জাপান, ব্রিটিশ মেয়েরা সার্ভিস দিয়ে থাকে।
    অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশগুলো মেয়ে রপ্তানি করে ভাল একটা ইনকাম করতে পারে।
    তবে বাংলাদেশের অপুষ্ট, রুগ্ন, আলুথালু মেয়ে সাপ্লাই দিয়ে খুব বেশী লাভ হবে না। সেক্স কেন্দ্রিক বড় বড় বাজার ধরতে হলে শিক্ষিত , নাদুস-নুদুস মেয়ে সাপ্লাই দিতে হবে।
    বৃটেন প্রস্টিটিউশন থেকে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার আয় করে থাকে (লিংক)। বাংলাদেশেরও অনেক সম্ভাবনা আছে।

    1. ঠিক বলেছেন ভাই। এক্ষেত্রে
      ঠিক বলেছেন ভাই। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বেশ সম্ভবনাময় দেশ। আপসুস যৌনদাসী ইউরোপ-আমেরিকার নিচ্ছে না। ইসলামের পূণ্যভূমি সৌদিআরব নিচ্ছে। সৌদিদের কাছে এসব গৃহকর্মী বোরকা-হিজাব পড়েও নিস্তার পাবে না।

      1. আপসুস যৌনদাসী ইউরোপ-আমেরিকার

        আপসুস যৌনদাসী ইউরোপ-আমেরিকার নিচ্ছে না। ইসলামের পূণ্যভূমি সৌদিআরব নিচ্ছে। সৌদিদের কাছে এসব গৃহকর্মী বোরকা-হিজাব পড়েও নিস্তার পাবে না।

        ঠিক বলেছেন। তবে ইউরোপ আমেরিকাও নেবে। কোয়ালিটি জিনিস লাগবে। তাছাড়া ইউরোপ -আমেরিকায় ফ্রি-সেক্স আর খোলামেলা পরিবেশের কারনে , যৌনদাসীর ব্যাপারটা খুব একটা প্রচলিত নয়। প্রস্টিটিশন আর যৌনদাসীর তুলনা জাস্ট উনিশ-বিশ।

        1. প্রস্টিটিশন আর যৌনদাসীর তুলনা

          প্রস্টিটিশন আর যৌনদাসীর তুলনা জাস্ট উনিশ-বিশ।

          সেটা অবশ্য জানি। দুইটার মধ্যে পার্থক্য ১৯ঃ২০, একটা শরীয়ত সম্মত;অন্যটা শরিয়তবহির্ভুত। একটা সরাসরি উপভোগ্য, অন্যটা ঘুরিয়ে পেছিয়ে। ইসলাম ধর্ম পালন করা বেশ মজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *