নিষিদ্ধ ইশতেহার

জানি, কবিতা লিখতে পারিনা আমি
কবিতার ক’ও বুঝিনা।
তবু তুমি চাইলেই লিখে ফেলতে পারি একখানা মহাকাব্য।
একবার তাকাও আকাশের চাঁদের দিকে
তার জোসনা কি তোমার চেয়ে সুন্দর?
কিংবা মাঠের সেই ঘাসগুলো দেখো
যেখানে গভীর রাতে মুখোমুখি বসেছিলাম দু’জন,
সেই ঘাসগুলো তোমার চেয়ে কখনোই সজীব নয়।
তোমার জন্য কত রজনী কেটেছে বিনিদ্র
কত দিবস কেটেছে দুঃচিন্তায়
প্রতিটি মুহূর্ত কেটেছে কল্পনায়
অধীর অপেক্ষায় থাকতাম প্রতিটি ক্ষণ
তোমার পবিত্র কপালে চুমু আঁকবো বলে,
তুমি হয়তো কল্পনাও করতে পারবেনা।

ওই আকাশের তারা স্বাক্ষী,
স্বাক্ষী রাতের চাঁদ,
স্বাক্ষী প্রতিটি ধূলিকণা,
স্বাক্ষী মাঠের সবুজ ঘাস,
স্বাক্ষী নিঝুম রাত,

জানি, কবিতা লিখতে পারিনা আমি
কবিতার ক’ও বুঝিনা।
তবু তুমি চাইলেই লিখে ফেলতে পারি একখানা মহাকাব্য।
একবার তাকাও আকাশের চাঁদের দিকে
তার জোসনা কি তোমার চেয়ে সুন্দর?
কিংবা মাঠের সেই ঘাসগুলো দেখো
যেখানে গভীর রাতে মুখোমুখি বসেছিলাম দু’জন,
সেই ঘাসগুলো তোমার চেয়ে কখনোই সজীব নয়।
তোমার জন্য কত রজনী কেটেছে বিনিদ্র
কত দিবস কেটেছে দুঃচিন্তায়
প্রতিটি মুহূর্ত কেটেছে কল্পনায়
অধীর অপেক্ষায় থাকতাম প্রতিটি ক্ষণ
তোমার পবিত্র কপালে চুমু আঁকবো বলে,
তুমি হয়তো কল্পনাও করতে পারবেনা।

ওই আকাশের তারা স্বাক্ষী,
স্বাক্ষী রাতের চাঁদ,
স্বাক্ষী প্রতিটি ধূলিকণা,
স্বাক্ষী মাঠের সবুজ ঘাস,
স্বাক্ষী নিঝুম রাত,
স্বাক্ষী ভোরের আলো,
স্বাক্ষী আসমান,
স্বাক্ষী জমীন,
স্বাক্ষী তোমার মন,
স্বাক্ষী শিশিরের ফোঁটা,
স্বাক্ষী চোখের জল,
স্বাক্ষী জোনাকী পোঁকা,
স্বাক্ষী সিগারেটের ধোঁয়া,
স্বাক্ষী প্রতিটি চুম্বন।
তুমিই আমার মক্কা,
তুমিই আমার মদীনা,
তুমিই আমার হিন্দুস্থান,
তুমিই আমার ভালবাসার জেরুজালেম।
তোমার জন্য ছাড়তে পারি স্বর্গের মায়া
জ্বলতে পারি নরকে, অনন্তকাল ।
সাত সমুদ্র, তেরো নদী জানুক আমি তোমায় ভালবাসি।
প্রিয় বন্ধু আমার, তোমাকে স্মরণ করি প্রতিটি মুহূর্ত,
এই দেহের প্রতিটি রক্তকণিকা শুধু তোমাকেই চায় ।
একবার শুধু জড়িয়ে ধরে, ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কবীর সুমনের সুরে বলতে চাই,
“খোদার কসম জান, আমি ভালবেসেছি তোমায়!”

নিষিদ্ধ ভাবনার কথা ভেবে কেঁপে উঠুক তোমার ঠোঁট।
তোমার নরম মাংসল গালের চেয়ে কাঁপা কাঁপা ঠোঁটই আমার পছন্দের
তোমার ঠোঁটদুটো কেঁপে উঠুক একবার,
দুইবার অসংখ্যবার
সেই কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে এঁকে দিতে চাই ভালবাসার আল্পনা!
তোমার শিরদাঁড়া দিয়ে বয়ে যাক শীতল অনুভূতি।
তখন আবেশে জড়িয়ে না ধরলেও আমার কোন আপত্তি থাকবেনা।
তুমি চাইলে তোমার ঠোঁটে-গালে এঁকে দিবো শত সহস্র চুম্বন।

ভাবছো বুঝি, পাগল হয়ে গেছি আমি?
কি লিখে চলেছি ছাইপাশ!
তবে শুনে রেখো তোমার ভাবনা অমূলক নয়,
এটাই সত্যি, আজ আমি পাগল হয়ে গেছি
শুধু তোমার জন্য।
তোমার গায়ের গন্ধ ছাড়া আমার ঘুম আসেনা
তোমার বুকে মাথা না রাখলে নিজেকে নিরাপদ মনে হয় না
তোমাকে জড়িয়ে না ধরলে কিছুই ভাল লাগেনা।
কি আছে তোমার বুকে?
কি আছে গায়ের গন্ধে?
কি পাগল করেছো আমায়?
আজ তোমাকে বলতেই হবে,
কোন ভণিতা চলবেনা।
তোমাকে শুধু বারবার জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করে,
ইচ্ছা করে তোমার সঙ্গে উম্মাতাল আদিম খেলা খেলতে।
তোমার পুরো শরীর ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছা করে,
ইচ্ছা করে তোমার সঙ্গে চুমুর সাগরে হাবুডুবু খেতে।

মনে রেখো এটা শুধু কবিতা নয়
এটা একটা ইশতেহার!
নিষিদ্ধ কিন্তু পবিত্র ইশতেহার!
যে ইশতেহার কেউ কোনদিন পড়েনি,
দেখেনি।
ভালবাসার এই পবিত্র ইশতেহার শুধুই তোমার জন্য।

৫ thoughts on “নিষিদ্ধ ইশতেহার

    1. আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি।
      আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি। ভালবাসার ইসতেহারে কোটেশন হিসাবে জীবন বাবুর কবিতার ২/১টা লাইন না থাকলে পরিপূর্ণ হয় না। জীবন বাবুর মুরিদরা মনে কষ্ট পেতে পারে। এটিকে ইসতেহার হিসাবে মেনে নেবে না সহজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *