ISIS/ISIL এর জন্য সকল মুসলমান টেরোরিস্ট হয় কেমন করে?

ISIS/ISIL ইস্যু নিয়ে আজকাল ব্লগে এবং ফেসবুকে দেখা যায় নাস্তিক ভাইরা সকল মুসলিম কে টেরোরিস্ট গালিগালাজ করছে।
তাদের দাবী ISIS/ISIL একটি ইসলামিক সংগঠন অতএব সকল মুসলিমই টেরোরিস্ট।
আসলে তারা সেটাই তো দেখে আসছে যে সংগঠনের নামটি তো ইসলামি স্টেট অব ইরাক এন্ড সিরিয়া।
তারা তো ইসলামের নামে জিহাদ করে আসছে ।কিন্তু নাস্তিকরা একবার ও ভাবছেনা যে কথিত এই জিহাদিদের নীতি ইসলাম সাপোর্ট করে কিনা।
সিরিয়ার সেনাবাহীনির মাসুম সন্তানদের কথিত এই অনৈসলামিক জিহাদীরা যেভাবে পিছমোরা বেঁধে গুলি করে হত্যা করেছে সেটা কি ইসলাম সাপোর্ট করে ?

ISIS/ISIL ইস্যু নিয়ে আজকাল ব্লগে এবং ফেসবুকে দেখা যায় নাস্তিক ভাইরা সকল মুসলিম কে টেরোরিস্ট গালিগালাজ করছে।
তাদের দাবী ISIS/ISIL একটি ইসলামিক সংগঠন অতএব সকল মুসলিমই টেরোরিস্ট।
আসলে তারা সেটাই তো দেখে আসছে যে সংগঠনের নামটি তো ইসলামি স্টেট অব ইরাক এন্ড সিরিয়া।
তারা তো ইসলামের নামে জিহাদ করে আসছে ।কিন্তু নাস্তিকরা একবার ও ভাবছেনা যে কথিত এই জিহাদিদের নীতি ইসলাম সাপোর্ট করে কিনা।
সিরিয়ার সেনাবাহীনির মাসুম সন্তানদের কথিত এই অনৈসলামিক জিহাদীরা যেভাবে পিছমোরা বেঁধে গুলি করে হত্যা করেছে সেটা কি ইসলাম সাপোর্ট করে ?
ISIS এর কর্মকান্ড একদিনে ১৫০০শত শিয়া এবং খৃস্টান হত্যা করেছে কোন কারন ছাড়াই(যুদ্ধ তখন ছিলনা)!
ইসলাম কি বলেছে যে তুমি যুদ্ধ ছাড়া বিধর্মীকে হত্যা কর ?
তাছাড়া শিয়াও মুসলমানদের একটি গোত্র।
ইসলাম বলেনি যে তুমি নিজ গোত্র হত্যা কর ।
আবুবকর আলরাজি
যুদ্ধ বন্দিদের সাথে ISIS যে আচরন করে সেটা কি ইসলাম সাপোর্ট দেয় ?
ISIS/ISIL যুদ্ধ বন্দিদের হত্যা করছে অথচ ইসলাম যুদ্ধ বন্দিদের সাথে উত্তম আচরন করতে বলে।
ISIS (The Islamic State of Syria and Iraq) ’ এর যোদ্ধাদের রসদ, তাদের জানবাজ মুজাহিদদের মাসিক বেতন, অস্ত্র কেনার টাকা, এমনকি ‘মহান খলিফা‘র হাতের দামী রোলেক্স ঘড়িটার জোগাণও দিয়ে চলেছে সউদি আরব, কাতার ও আমিরাত!
তাদের সুবিধার্থে নাকি নারীকে পাঠানো হচ্ছে যৌন জিহাদ করতে অথচ ইসলামে যৌন জিহাদ নামে কোন শব্দ নেই ।অনেক আলেমের গবেষনায় যৌন জিহাদ মুতা বিবাহ কে বলে থাকে।
শিয়ার কিছু গোত্র এবং ওয়াহিবদের মাঝে এখনো মুতা বিবাহ্ চালু আছে কিন্তু ইসলামে মুতা বিবাহ বন্ধ করা হয়েছে সেই আবুবকর রা: এর আমলে ।
ছ-বি
তালেবান এবং আলকায়েদা পয়দা করছিলেন আমেরিকা।হিলারি তার একটা বক্তব্যে এটা প্রকাশ করেন যে আলকায়েদার জন্মদাতা তারা।
আলকায়েদার যে প্রশিক্ষন সেটা আমেরিকারই দেয়া ।
ISIS কে ?এদের পয়দা দাতা কারা এটা চিন্তার বিষয়।ISTISHON সেলিব্রেটি ব্লগার
“পারভেজ আলম” ভাইয়ের এই লেখাটায় দেখুন এর আলামত কিছু পান কিনা
আবুবকর বাগদাদী ইহুদি দম্পতির অনেকে প্রমাণ করেছেন সন্তান অতএব ISIS যে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অথবা মার্কিনদের পাঠানো পারুদ বোমা না সেটাও ভাবা যায়না।[খবরটি পড়ুন
]
এছাড়াও অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায় যে ISIS ইসরাইলের সিক্রেট এজেন্ট ।
গবেষনা:

ছ-বি
ISIS কি চায় ?

এক- ভঙ্গুর ইরাকের ভৌগলিক অখন্ডতাকে শেষ করে দেয়া। তেমনটা করতে পারলে, বিশেষ করে, কূর্দীস্থানকে আলাদা করতে পারলে ইসরাইলের জন্য পোয়াবারো। এই কূর্দীস্থান রাষ্ট্রের সাথে ইসরাইলের ইতোমধ্যেই গড়ে উঠা দহরম মহরম এখন অনেকটা ওপেন সিক্রেট! আর ইসরাইলের নেতিনিয়াহু তো ইতোমধ্যেই কূর্দীদের সাথে একত্রে কাজ করার ঘোষণা দিয়েই রেখেছে। কুর্দিস্থানের তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে কোনো কথা না বলাই ভালো। দুটি বন্ধু রাষ্ট্রের মধ্যে এরকম লেন দেন ব্যবসা বাণিজ্য হতেই পারে! আর কূর্দীস্থানকে দিয়ে তুরস্কের সাথে বোঝা পড়া করাটা ইসরাইলের পরবর্তি পরিকল্পনা, সে কথা এখন আর নাই বা আলোচনা করলাম।
দুই- ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে এবং সে লক্ষ্যে জিহাদ পরিচালনা করার মাধ্যমে ইসরাইলের সীমান্ত ঘেঁষে অন্যতম মুসলিম সামরিক শক্তি সিরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়া গেছে, এটা ইসরাইলের জন্য, নিউকনদের জন্য এক বিরাট আত্বতৃপ্তির ব্যপার বটে। সমস্য হলো; সিরিয়ার আসাদ এখনও মাটি কামড়ে টিকে আছে, এ ব্যাটাকে শেষ করে দিতে পারলেই ইসরাইল নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে স্বস্তি পেতে পারতো। সে কাজটা দ্রুত শেষ করতে হবে বৈকি!
তিন- একবার যদি ইরাকে এই খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা যায়, একবার যদি মহান খলীফাকে বাগদাদের ক্ষমতায় বসানো যায়, তা হলে খুব শীঘ্রই নাটকের পরবর্তি পর্ব মঞ্চায়ন শুরু করা সম্ভব। সেটা কী? সেটা হলো বর্তমানে মিটি মিটি প্রজ্বলমাণ শিয়া-সুন্নী বিরোধকে উস্কে দিয়ে বাগদাদের মহান সুন্নী খলীফাকে দিয়ে শীয়া ইরানের বিরুদ্ধে জিহাদে নামিয়ে দেয়া। পারমাণবিক শক্তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়া ইরান ইতোমধ্যেই সামরিক সক্ষমতায় সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে! তা ছাড়া তেল সরবরাহ‘সহ বৈশ্বিক বাণিজ্যের এক স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট হরমুজ প্রণালীর মুখে বসে থাকা ইরানকে শক্তিধর হতে দিলে বিশ্ব বেনীয়াদের লুটপাটে বিরাট বাধার সৃষ্টি হয়, অতএব তাকে শেষ করতে হবে। এ জন্য সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো শিয়া-সুন্নী লড়াই!
এতে করে দুটো লাভ হবে। এক; ইরান দূর্বল হবে। আর, দুই; দূর্বল হবে তলে তলে বিরাট সামরিক শক্তির আধার হয়ে উঠা সউদি আরবও!
এক্ষেত্রে টাকা পয়সা তেমন কোনে ব্যাপার না। টাকা তো দেবে সুন্নী কাতার, সউদি আরব আর আমিরাত। মনে আছে নিশ্চয়ই, সউদি আরব কী ভাবে জর্জ বুশ সিনিয়রের এক ধমকে সুড়সুড় করে সাদ্দাম হোসেনকে ইরান আক্রমণের জন্য ২৫.৭ বিলিয়ন ডলারের এক বিশাল অংক জুগিয়েছিলো!
আজও তারা সেটা করে যাচ্ছে।

এখন কথা হল এই ISIS এর জন্য আপনারা সকল মুসলিমকেই টেরোরিস্ট বলতে পারেননা।
পলপট,স্টালিনদের জন্য যেমন সকল নাস্তিকদের আমরা টেরোরিস্ট বলতে পারিনা তেমনি ঐ ISIS এর জন্য আপনারাও পারেননা সকল মুসলিমকে টেরোরিস্ট বলতে ।
ভিডিও:

৩২ thoughts on “ISIS/ISIL এর জন্য সকল মুসলমান টেরোরিস্ট হয় কেমন করে?

  1. আপনার পোস্টের কিছু কথার সাথে
    আপনার পোস্টের কিছু কথার সাথে একমত পোষণ করি।
    ইসলামের মূলনীতি’র সাথে বর্তমান ইসলামী জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রমের কোন সাদৃশ্যতা নেই। এরা ভ্রান্ত নীতিতে পরিচালিত, ইসলামী জিহাদের অপব্যাখ্যা ব্যবহার করে এরা ধর্মের নামে মানুষ হত্যাকে শিদ্ধ বলে প্রমাণ করতে চায়। কিন্তু পরিশুদ্ধ ইসলামে এ রকম কোন দলিল নেই। কতল করার জন্য যে সকল শরিয়া আইন আছে, সেসব আইন বাস্তবায়নের ধর্মীয় ভিত্তি তাদের হাতে নয়। সুস্পষ্ট আইন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, সুযোগ্য প্রয়োগকারী ছাড়া ইসলামী আইনের বরখেলাপ হতেই পারে, এর জন্য যে প্রয়োগ করছে সে দায়ী কিন্তু কোনক্রমেই সেই ইসলামী আইনকে দায়ী করা চলে না।

    তবে আপনার একটি কথার সাথে সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করছি।

    ………… অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায় যে ISIS ইসরাইলের সিক্রেট এজেন্ট

    এই সকল অভিযোগ মুলত ধর্মান্ধ উগ্রবাদীদের সমর্থন করার’ই নামান্তর। যেটা ঘটছে এবং যা ঘটছে সেটা স্বীকার করে নিয়ে সমস্যা’টার মুলে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিত, কোনক্রমেই অন্যের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে এই সকল উগ্রবাদীদেরকে সমর্থন করা মানে প্রকারান্তরে ইসলামকেই প্রশ্নবিদ্ধ করা।

    একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমানের এটা কোনভাবেই করা উচিত নয়।

    1. রাসেল ভাই আপনাকে ধন্যবাদ
      রাসেল ভাই আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

      অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায় যে ISIS ইসরাইলের সিক্রেট এজেন্ট

      এই উদ্বৃতিটুকু দেয়ার সাহস করেছি আমি এই তথ্যউপাত্তের উপর ভিত্তি করে,

      এছাড়াও পারভেজ আলম ভাইয়ের এই লেখাটিও আপনি পড়ে দেখতে পারেন:
      http://www.istishon.com/node/8995

  2. ঠিক আছে, মানলাম এসব সহীহ
    ঠিক আছে, মানলাম এসব সহীহ ইসলাম নয়। কিন্তু যারা সহীহ ইসলামপন্থী, ধর্মের নামে মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে তাদের উল্লেখযোগ্য কোন অবদান নেই কেন? শার্লি হেবদোর বিরুদ্ধে তারা যেমন জ্বলে উঠেছে ISIS বিরুদ্ধে তারা জ্বলে উঠছে না কেন? আপনার কি একবারও মনে হচ্ছে না মুসলমানরা নীরবে এসব সমর্থন করছে? IS আজকে যা করছে তা কোরানের নির্দেশ মতই করছে বলে তারা মনে করে। তারাও ধর্মযুদ্ধ করছে। এখন আপনি যদি বলেন এটা যুদ্ধ না সেটা ভিন্ন কথা। মুসলিমরা যতক্ষণ পর্যন্ত তীব্রভাবে IS এর এই হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে না দাঁড়াচ্ছে, এর দায়ভার মুসলমানদেরকে নিতে হবে।

    আর হ্যাঁ, সব কিছুতে ইহুদী-নাসারাদের ষড়যন্ত্র বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করা ঠিক না। ষড়যন্ত্র যাদেরই হোক, অপকর্ম সংগঠিত হচ্ছে মুসলমানদের মাধ্যমে। ধর্মের নামে। দায়ভারও মুসলমানদের এবং ইসলাম ধর্মের।

    1. কিন্তু যারা সহীহ ইসলামপন্থী,

      কিন্তু যারা সহীহ ইসলামপন্থী, ধর্মের নামে মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে তাদের উল্লেখযোগ্য কোন অবদান নেই কেন? শার্লি হেবদোর বিরুদ্ধে তারা যেমন জ্বলে উঠেছে ISIS বিরুদ্ধে তারা জ্বলে উঠছে না কেন?

      এর কারন হল, ধর্মের নামে জঙ্গিরা যতটা উন্মাদ হয়ে ওঠে ঠিক তারচে বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা নির্লিপ্ত হয়ে থাকে। এরা ভাবে, ইসলাম শান্তির ধর্ম, অতএব যে যা পারছে করুক আমি তজবি ঠেলছি তো ঠেলতেই থাকবো। পাঁচ অয়াক্ত নামাজ, জেনার দায়ে দোররা, আর তালাকের দায়ে হিল্লা দিয়েই এরা খুশি।তাই, কাঁচা কঞ্চি ছেড়ে নাঙ্গা তলোয়ার ধরার ক্ষমতা এদের নাই, এদের যোগ্যতা নেই একথা বলার যে, আমার ইসলামকে নিয়ে এ ধরনের সহিংসতা করার অধিকার তোমার নেই তাই আজ আমি তোমার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে গেলাম। এসো, ময়দানে সহি ইসলামের সাথে জঙ্গি ইসলামের লড়াই হয়ে যাক!

      এরা ঐ জাযাকাল্লাহ খায়রান পর্যন্ত ………… আল্লাহ আমাদের সঠিক ইসলামের পথে পরিচালিত হওয়ার তৌফিক দান করুন।

          1. সহী ইসলাম নহে বলে যারা
            সহী ইসলাম নহে বলে যারা উটপাখির মতো বালির ভেতর মাথা গুঁজে বসে থাকে, কিন্তু প্রতিবাদ করে না, তাদের এবং আইএসের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই। দুই গ্রুপই সমান অপরাধী।

    2. দুলাল ভাই আপনাকে ধন্যবাদ
      দুলাল ভাই আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
      আপনার কি অজানা যে বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রই আইএসএর বিপক্ষে ?

      শার্লি হেবদোর বিরুদ্ধে তারা যেমন জ্বলে উঠছে তেমনি IS এর বিপক্ষে তারা জ্বলে উঠছে না কেন?

      ISIS এর অস্ত্র হচ্ছে ধর্মের অপব্যবহার যার দ্বারা তাঁরা ধর্মপ্রিয় মানুষদের কাছে জিহাদি হয়ে উঠেছে মহানায়ক যাকে বলে।
      আর শার্লী হেবদোর অস্ত্র ধর্মীয় মহামানবের অবমাননা ।অতএব বুঝতেই পারছেন ?
      তাছাড়া একেবারেও যে জ্বলে উঠছেনা এই কথাটা ভুল।তারা যেইখানে ঘাটি গেড়েছে সেই সিরিয়ার মুসলমানরা প্রায় ৯৫% মুসলিম ISIS বিরোধী ।ISIS এর বিরোধ করায় প্রত্যহ সিরিয়ান সৈন্যরা আইএস এর গুলিতে মারা যাচ্ছে ।

  3. দারুণ পোস্ট।
    আইএস কোনো ইসলামী

    দারুণ পোস্ট।

    আইএস কোনো ইসলামী দল হতে পারেনা। নামের সাথে ইসলাম বা আল্লাহর নাম যুক্ত করলেই যে কেউ আল্লাহর সৈনিক হয়ে যায়না।

  4. পোস্টের চেয়েও মন্তব্যটা
    পোস্টের চেয়েও মন্তব্যটা তথ্যপূর্ণ এবং যৌক্তিক ।আমি আপনার সাথে সহমত।
    ISIS ধর্মকে মাধ্যম বানিয়ে সন্ত্রাসী করছে ,আর জিউশ লবি , মার্কিনরা ধর্মকে নয় তাদের দমন করার নামে বেসামরিক লোক হত্যা করছে যা নির্মম।
    আপনাকে ধন্যবাদ ।

  5. ISIS কত বড় সন্ত্রাশী সেটা আমি
    ISIS কত বড় সন্ত্রাশী সেটা আমি জানি না। কিন্তু আমেরিকা , বৃটেন আর ইহুদী জিয়নিস্ট লবি যে বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাশী চক্র সেটি নির্দিধায় বলতে পারি। ISIS এ পর্যন্ত ইরাকের কতজন মানুষ হত্যা করেছে? আর আমেরিকা এ পর্যন্ত কতজন নিরীহ ইরাকী হত্যা করেছে সেটি হিসাব করলেই সব বেরিয়ে আসবে।
    ২০০৩ সালে আমেরিকান মিত্র বাহিনীর হাতে ১,৩৩০০০ ইরাকী মারা গেছে। কি বিশ্বাস হয়? লিংক
    বর্তমানে ইরাকের ১.৫ মিলিওন শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে। অগনিত শিশু সম্পুর্ন এতিম।

    আমাদের সমস্যা হচ্ছে কেঊ যখন ড্রোন, F-16 , আর টমাহক বোমা ছুড়ে মুহুর্তে লাখ লাখ মানুষ হত্যা করে ফেলে , তখন সেটিকে আমদের কাছে আদৌ সন্ত্রাশ বলে মনে হয় না। আমেরিকা আর জিয়নিস্ট লবি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী গোষ্টি। আর ISIS, আল-কায়দা , বোকো হারাম – এরা হচ্ছে উপজাত।
    বড় বড় সন্ত্রাসীদের থামাতে পারলে ছোট ছোট সন্তাসীরা এমনিতেই থেমে যাবে।

    আসুন ইরাকের কিছু হতভাগ্য শিশুর ছবি দেখি.

    1. যে কোন হত্যাকান্ডই নিন্দাজনক
      যে কোন হত্যাকান্ডই নিন্দাজনক তা সে আমেরিকাই করুক আর আই এস আল কায়েদাই করুক। কিন্ত আমেরিকা-ইস্রাঈলের হত্যাকান্ড আর আই এসের হত্যাকান্ডের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য আছে। তা হল আমেরিকার ইরাক-আফগানিস্তানে বোমা হামলার মুল উদ্দেশ্য নিজেদের নিরাপত্তার নামে ঐ এলাকায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা অর্থাৎ তাদের উদ্দেশ্যটা পুরোপুরিই বস্তুগত। অপর দিকে আই এসের লড়াইটা সম্পূর্ণ আদর্শগত লড়াই । ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠা ও একটি পরিপূর্ণ খিলাফত ভিত্তিক ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য তারা লড়াই করছে । ইসলামের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনা ও গোটা দুনিয়াকে ইসলামের করতলে আনাই তাদের মুল উদ্দেশ্য। আর ইসলামে যে নিরীহ মানুষ হত্যাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, নিরীহ মানুষ হত্যা করা যে অন্যায় এই সত্যটি তারা খুব ভাল করেই জানে। কিন্ত তাদের ভাষায় তারা একটা বড় লক্ষ্যের জন্য লড়াই করছে তা হল সারা বিশ্বে ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠা। এই বড় লক্ষ্যের জন্য তাদের ভাষায় ছোট খাট এই সব হত্যাকান্ড কোন অপরাধ নয় , সিস্টেম লস। ইরাক আফগানিস্তানে যুদ্ধরত কোন ধর্মবিশ্বাসী আমেরিকান সৈন্যও নিশ্চিত নয় যে সে মৃত্যুর পর স্বর্গে যাবে না নরকে যাবে কিন্ত যুদ্ধরত প্রতিটি আই এস যোদ্ধাই নিশ্চিত যুদ্ধরত অবস্থায় মারা গেলে তার জান্নাত প্রাপ্তির ব্যাপারে। আদর্শিক লড়াইয়ের কারনে তাই আমেরিকা ইসরাইলের চেয়ে আই এস অনেক বেশি বিপদজনক ও মানব সভ্যতার জন্য অনেক বড় হুমকি। তবে যারা আই এসের কারণে সকল মুসলিমকেই টেররিষ্ট হিসেবে আখ্যায়িত করে তারাও আই এস যোদ্ধাদের মত মানসিক ভাবে অসুস্থ।

  6. আপনি যতক্ষন পশ্চিমা স্বার্থ
    আপনি যতক্ষন পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষা করবেন , ততক্ষন আপনি স্বাধীনতা কামী, শান্তি প্রিয়। যখনই আপনি তাদের বিরুদ্ধে যাবেন, তখনই আপনি সন্ত্রাসী- মৌলবাদী। নীচের ছবিটা দেখুন। একসময় ওসামা বিন লাদের ছিল আমেরিকার সবচেয়ে বড় বন্ধু, যতক্ষন সে সোভিয়েত ইঊনিয়নের সাথে যুদ্ধ করেছে। ওসামা বিন লাদেনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে সন্ত্রাসী বানিয়েছে আমেরিকা নিজেই–

    এই ওসামা বিন লাদেনই যখন – আফগানস্থানে আমেরিকার দখলদারীর বিরুদ্ধে রুখে দারায়, তখনই সে হয়ে যায় নাম্বার ওয়ান সন্ত্রাসী। যার ফলস্রুতিতে ৯/১১।
    আসলে আমাদেরকে বুঝতে হবে সমস্যাটা কোথায়।

  7. অপার্থিব@
    সৈন্যও নিশ্চিত নয়

    অপার্থিব@

    সৈন্যও নিশ্চিত নয় যে তারা মৃত্যুর পর স্বর্গে যাবে না নরকে যাবে কিন্ত যুদ্ধরত প্রতিটি আই এস যোদ্ধাই নিশ্চিত যুদ্ধরত অবস্থায়
    মারা গেলে তার জান্নাত প্রাপ্তির
    ব্যাপারে।

    দেখুন ,ইসলামে ব্যাথিত হলে পরে জবাব দেয়ার কথা বলা হয়েছে ,এবং ইসলাম সংগঠিত হওয়া প্রায় প্রতিটা যুদ্ধই আগে কাফিরদের দ্বারা হয়েছে ।কিন্তু আইএস গায়ে পরে যুদ্ধ করছে যা ইসলামের কোন দিকেই মিলছেনা ,না আগে না পরে ।ইসলামে যুদ্ধ চলাকালীন নারী ও শিশু হত্যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ কিন্তু আইএস তা করছে ।মুতা বিয়ে ইসলামে আবুবকর রাঃ এর আমল থেকেই নিষিদ্ধ কিন্তু আইএস তা করছে,ইসলামে যুদ্ধবন্দিদের সাথে উত্তম আচরন করতে বলা হয়েছে কিন্তু আইএস তাদের গলা কাটছে ।যারা জিহাদের কোন আইন মেনেই জিহাদ করেনা ,তারা যে জান্নাতের গ্যারান্টি পেয়েছে একথা আপনি কোথা থেকে পেলেন ?

    আদর্শিক লড়াইয়ের কারনে তাই আমেরিকা ইসরাইলের চেয়ে আই এস অনেক বেশি বিপদজনক ও মানব সভ্যতার জন্য অনেক বড় হুমকি।

    একেবারে অযৌক্তিক কথা এটুকু ।আমেরিকা ও ইসরাইল আইএসএর চেয়েও বেশি বিপদজনক ।বিশেষ করে আমেরিকা ।যে দেশেই খনিজ তেল পাওয়া যাবে ,আমেরিকা সেই তেল আত্মসাত্‍ করে নিতে চাইবে।যার দরুন প্রাণ দিতে হয় বেসামরিক সব মানুষদের।হাজার হাজার নারী ও শিশু হত্যা করায় আমেরিকা আইএস এর চেয়ে ৯৫গুন এগিয়ে,ইসরাইল ও কম নয় গাজার দিকে তাকালে দেখবেন যে তাঁরা বেসমারিক লোক নিহত করেছে যার মধ্যে নারী ও শিশু ৮০%।

    তবে যারা আই এসের কারণে সকল মুসলিমকেই টেররিষ্ট হিসেবে আখ্যায়িত করে তারাও আই এস যোদ্ধাদের মত মানসিক ভাবে অসুস্থ।

    সহমত ।

    1. ইসলামে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার
      ইসলামে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। আদেশ দেওয়া হয়েছে সারা বিশ্বকে ইসলামের ছায়াতলে আনার। সারা বিশ্বে বিশেষ করে বিধর্মী অধ্যুষিত দেশ গুলোতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উপায় মুলত দুটি। এক, জিযিয়া কর প্রদান করে ইসলামের খলিফার নিকট বশ্যতা স্বীকার করার শান্তিপূর্ণ প্রস্তাব। দ্বিতীয়ত অর্থাৎ যদি প্রথম প্রস্তাবে রাজী না হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ। আমেরিকা ইসরাইল যে জিজিয়া কর প্রদান করে আই এসের বশ্যতা স্বীকার করবে না এটা আই এস খুব ভাল করেই জানে। তাই তারা দ্বিতীয়টিকেই বেছে নিয়েছে। আর পৃথিবীর ইতিহাসে এমন কোন যুদ্ধ নেই যে সে যুদ্ধে নিরীহ মানুষ সাফার করে নি । ইসলামের শুরুর দিকে ইসলাম রক্ষা কিংবা প্রতিষ্ঠার জন্য যে যুদ্ধ গুলো হয়েছে এগুলোও তার বাইরে নয় । এটাও আই এস খুব ভাল করেই জানে। ইতিহাস যেহেতু রচনা করে বিজয়ীরা , হাদীস -সিরাতের গ্রন্থ গুলোতে তাই সে সময়ের সঠিক ইতিহাস কখনোই খুজে পাওয়া যাবে না , এই আশা করাও উচিত নয়। ইসলামের পিতা কিংবা স্বামী হারানো যুদ্ধ বন্দী নারীদের সুন্দর ভবিষ্যত (!) নিশ্চিতের স্বার্থে বিয়ে কিংবা দাসত্বের মাধ্যমে জিহাদীদের মাঝে বন্টনের ইতিহাস রয়েছে। আই এস তো সেটাও করছে। মুতা বিয়ে আবুবকর নিষিদ্ধ করলেও আই এস সেটা মানতে বাধ্য হবে কেন ? নবী কি তার মৃত্যুর পর আবু বকরকে এই সব নিয়ম রদ করার ক্ষমতা দিয়ে গিয়েছিল ? তাই আই এসের দৃষ্টিকোণ থেকে এসব কোন অপরাধ নয় । তারা ইসলামের অগ্নি পুরুষদের অনুকরণীয়(!) আদর্শকেই অনুসরন করছে। যেহেতু ইসলামী ধর্মমতে তারা একটি পবিত্র যুদ্ধে শামিল ,এই যুদ্ধে মারা গেলে তারা যে জান্নাতের বাসিন্দা হবে এটাও তাদের ব্যক্তিগত বিশ্বাস। এটা আমার কোন থিওরি নয় ।

      বস্তুগত কিংবা ক্ষমতা কেন্দ্রীক লড়াইয়ের চেয়ে যে আদর্শগত লড়াই যে অনেক শক্তিশালী তার স্বপক্ষে অনেক যুক্তি আছে। যেমন বস্তুগত লড়াইগুলো হয় সাময়িক যেমন তেলের বিকল্প কোন জ্বালানী আবিষ্কৃত হলে আমেরিকার আর ইরাকের প্রতি ততটা আগ্রহ নাও থাকতে পারে। অপরদিকে আদর্শ গত লড়াই চলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। অর্থ কিংবা ক্ষমতার লোভে সংঘটিত লড়াইয়ে কেউ কখনো আত্নঘাতী হয় না কিন্ত শক্তিশালী কোন আদর্শ প্রতিষ্ঠার লড়াই একজন মানুষকে আত্নঘাতী বানাতে পারে,এর নজির আশেপাশে খুজলেই পাবেন । চাইলে এরকম আরও অনেক কারন খোজা যায়। আমেরিকা ইসরাইলের চেয়ে কম মানুষ মারলেও ভবিষ্যৎ পৃথিবীর নিরাপত্তার স্বার্থে আই এসের এই আদর্শিক লড়াই তাই মানব সভ্যতার জন্য অনেক বেশি বিপদজনক।

      1. বস্তুগত কিংবা ক্ষমতা

        বস্তুগত কিংবা ক্ষমতা কেন্দ্রীক লড়াইয়ের চেয়ে যে আদর্শগত লড়াই যে অনেক শক্তিশালী তার স্বপক্ষে অনেক যুক্তি আছে। যেমন বস্তুগত লড়াইগুলো হয় সাময়িক যেমন তেলের বিকল্প কোন জ্বালানী আবিষ্কৃত হলে আমেরিকার আর ইরাকের প্রতি ততটা আগ্রহ নাও থাকতে পারে। অপরদিকে আদর্শ গত লড়াই চলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। অর্থ কিংবা ক্ষমতার লোভে সংঘটিত লড়াইয়ে কেউ কখনো আত্নঘাতী হয় না কিন্ত শক্তিশালী কোন আদর্শ প্রতিষ্ঠার লড়াই একজন মানুষকে আত্নঘাতী বানাতে পারে,এর নজির আশেপাশে খুজলেই পাবেন । চাইলে এরকম আরও অনেক কারন খোজা যায়। আমেরিকা ইসরাইলের চেয়ে কম মানুষ মারলেও ভবিষ্যৎ পৃথিবীর নিরাপত্তার স্বার্থে আই এসের এই আদর্শিক লড়াই তাই মানব সভ্যতার জন্য অনেক বেশি বিপদজনক।

        সহমত।

        কিন্তু মনে রাখতে হবে আলকায়েদা আমেরিকার মদদপুষ্ট ছিল।

      2. নবী কি তার মৃত্যুর পর আবু

        নবী কি তার মৃত্যুর পর আবু বকরকে এই সব নিয়ম রদ করার
        ক্ষমতা দিয়ে গিয়েছিল ? তাই আই
        এসের দৃষ্টিকোণ থেকে এসব কোন
        অপরাধ নয়

        নবী কখনো মুতা বিয়েকে সমার্থন কিংবা অসমর্থন করেছে কিনা সেটা সম্বন্ধে স্পষ্ট কোন ধারনা পাওয়া যায়না ।কিন্তু সুন্নিহ্ কিতাবগুলোতে মুতা বিয়ে সম্পূর্ণরুপে হারাম করা হয়েছে আবুবকরের আমল থেকে।যদি আইএস সত্যিকারের সুন্নিহ্ ইসলামপন্থি জিহাদি হতো তাহলে তাদের সর্বপ্রথম উচিত্‍ ছিল মুতা বিয়েকে বর্জ্যন করা ।(তারা নিজেদের সুন্নিহ্ জিহাদি বলে পরিচয় দেয় আর সুন্নিহ্ কিতাব গুলো তাদের মানতেই হবে) ।

        যেহেতু ইসলামী ধর্মমতে তারা একটি পবিত্র যুদ্ধে শামিল

        সহমত নয় ,তাদের যুদ্ধ ইসলামের কোন যুদ্ধের সাথে মিল নেই এবং সেসব যুদ্ধের আদর্শগত কোন মিল নেই তাদের যুদ্ধে ।

        সারা বিশ্বে বিশেষ করে বিধর্মী অধ্যুষিত দেশ গুলোতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উপায় মুলত দুটি।
        এক, জিযিয়া কর প্রদান করে ইসলামের খলিফার নিকট বশ্যতা স্বীকার করার শান্তিপূর্ণ প্রস্তাব। দ্বিতীয়ত অর্থাৎ যদি প্রথম প্রস্তাবে রাজী না হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ।আমেরিকা ইসরাইল যে জিজিয়া কর প্রদান করে আই এসের বশ্যতা স্বীকার করবে না
        এটা আই এস খুব ভাল করেই জানে

        এখন পর্যন্ত আইএস এবং তালেবান একমাত্র তাদের স্টেট ছাডা অন্যকোন স্টেটে ইসলামের পতাকা উড়াতে যায়নি।আমেরিকা ইসরাইলে তো প্রশ্নই আসেনা!তো আইএস যে তাদের কাছে জিজিয়া কর চাইতে পারে এমন ভাবাও বোকামী ।সারাবিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠা নয় বরংচ মুসলিমরা যেই অঞ্চলটা যুদ্ধে জয় করবে সেই অঞ্চলের বিধর্মীদের সাথে শান্তিচুক্তির মাধ্যম জিজিয়া কর।

        তেলের চেয়েও মূল্যবান জ্বালানী আবিষ্কৃত হলে আমেরিকার আর ইরাকের প্রতি ততটা আগ্রহ নাও থাকতে পারে।

        গ্যারান্টি কি ?
        খনিজ সম্পদের পাশাপাশি আমেরিকা সারা বিশ্বে নিজেদের কতৃত্ব ফলাতে চায় যার যার কারনে বর্তমান বিশ্বের প্রায় প্রতিটা অসুবিধার পাশের নামটা আমেরিকার।

        আমেরিকা ইসরাইলের চেয়ে কম মানুষ মারলেও ভবিষ্যৎ পৃথিবীর নিরাপত্তার স্বার্থে আইএসের এই আদর্শিক লড়াই তাই মানব সভ্যতার জন্য অনেক বেশি বিপদজনক।

        কিঞ্চিত সহমত।তবে এটুকুও মন্তব্যের সাথে যোগ করুন যে আমেরিকার খনিজ সম্পদে লোভাতুর দৃষ্টি ,ইসরাইল ও আমেরিকার সারা পৃথিবী চষে খাওয়ার ইচ্ছা যতক্ষনে না কমবে তবে তা মানবসভ্যতার জন্য বিরাট হুমকি ।

        1. নবী কখনো মুতা বিয়েকে সমার্থন

          নবী কখনো মুতা বিয়েকে সমার্থন কিংবা অসমর্থন করেছে কিনা সেটা সম্বন্ধে স্পষ্ট কোন ধারনা পাওয়া যায়না ।

          মুতা বিয়ের সমর্থনে বেশ কিছু হাদিস পাওয়া যায় । যেমনঃ

          Sahih al-Bukhari 5079—We used to participate in the holy battles led by Allah’s Messenger and we had nothing (no wives) with us. So we said, “Shall we get ourselves castrated?” He forbade us that and then allowed us to marry a woman temporarily by giving her even a garment and then he recited to us: “O you who believe! Make not unlawful the good things which Allah has made lawful for you.”

          Sahih Muslim 3248—Ibn Uraij reported: ‘Ati’ reported that Jabir b. Abdullah came to perform ‘Umra, and we came to his abode, and the people asked him about different things, and then they made a mention of temporary marriage, whereupon he said: Yes, we had been benefiting ourselves by this temporary marriage during the lifetime of the Holy Prophet and during the time of Abu Bakr and ‘Umar

          Sahih Muslim 3250—Abu Nadra reported: While I was in the company of Jabir b. Abdullah, a person came to him and said that Ibn ‘Abbas and Ibn Zubair differed on the two types of Mut’a (Tamattu’ of Hajj 1846 and Tamattu’ with women), whereupon Jabir said: We used to do these two during the lifetime of Allah’s Messenger. Umar then forbade us to do them, and so we did not revert to them.

          খুজলে হয়তো মুতা বিয়ের বিপক্ষেও অনেক হাদীস পাওয়া যাবে । আসলে ইসলামের আরও অনেক কিছুর মত এটাও একটি স্ববিরোধী ব্যাপার, যে যেভাবে নেয়। যারা এটার পক্ষে কিংবা বিপক্ষে দুপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী শুধু তারাই সঠিক এবং অপর পক্ষ ভুল । আর আবু বকর কিংবা ওমরের রদ করা কোন বিধান মানার ব্যাপারে যেহেতু আই এস বাধ্য নয় তাই উক্ত হাদীস অনুযায়ী তারা সঠিক পথেই আছে।

          তাদের যুদ্ধ ইসলামের কোন যুদ্ধের সাথে মিল নেই এবং সেসব যুদ্ধের আদর্শগত কোন মিল নেই তাদের যুদ্ধে ।

          ইসলামের স্বর্ণযুগের সময়কালীন যুদ্ধ আর বর্তমানে চলমান আইএসের যুদ্ধের মধ্যে আকার ও ব্যাপকতা নিয়ে পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্ত আদর্শ প্রায় এক । তা হল ইসলাম প্রতিষ্ঠা।
          হানাফী মাজহাবের আইন গ্রন্থ বাদাউস সানাই তে আছে, ‘জিহাদ হল সত্য দীনের প্রতি আহবান করা ও টা অগ্রাহ্যকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা।’ এই লিঙ্কটা দেখেন , এইখানে জিহাদের শ্রেনীবিভাগ করা আছে http://www.al-ihsan.net/FullText.aspx?subid=1&textid=2633
          এখন অনেকে হয়তো দিফায়ী বা প্রতিরক্ষামূলক জিহাদকে মুল জিহাদ বলে মনে করতে পারে এবং অন্যদের পথভ্রষ্ট বলে দাবী করতে পারে। আবার অপর পক্ষও একই দাবী করতে পারে।
          খেয়াল করলে দেখা যায় যে এটাও একটি স্ববিরোধী ব্যাপার। আসলে ধর্মে এরকম স্ববিরোধীতার অভাব নেই । এই সব স্ববিরধীতার কারনেই একই ধর্ম মেনে কেউ হয় মডারেট মুসলিম আবার কেউ হয় ভয়ানক টেররিষ্ট।

          এখন পর্যন্ত আইএস এবং তালেবান একমাত্র তাদের স্টেট ছাডা অন্যকোন স্টেটে ইসলামের পতাকা উড়াতে যায়নি।আমেরিকা ইসরাইলে তো প্রশ্নই আসেনা!তো আইএস যে তাদের কাছে জিজিয়া কর চাইতে পারে এমন ভাবাও বোকামী ।

          আই এস খুব ভাল করেই জানে তাদের বর্তমান শক্তিতে আমেরিকা ইসরাইল দখল করা সম্ভব নয় । তাইতো তারা এখন আগে তাদের ইসলামী সাম্রাজ্য বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য মুসলিম দেশগুলিতে। মক্কা দখলের পরিকল্পনাও তাদের খুব ভাল মত আছে কারন একবার মক্কা দখল করতে পারলে তাদের জন্য সারা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতিনিধি হওয়ার পথ অনেকটাই সুগম হবে । যারাই তাদের বিপক্ষে (হোক না সে শিয়া , সুন্নী অথবা কুর্দি মুসলিম) তাদেরকে মোনাফেক আখ্যা দিয়ে কঠোর হাতে দমন করছে তারা । কোরানে যেহেতু কাফিরদের চেয়েও মোনাফেকদের চরম বিপদজনক বলা হয়েছে তাই এটাকেও জাষ্টিফাই করার জন্য তাদের যুক্তির অভাব নেই । এই ভাবে শক্তিশালী একটি খিলাফত ভিত্তিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর তারা হয়তো আমেরিকা ইসরাইলের দিকে দৃষ্টি দিবে। কিছুদিন আগে হোয়াইট হাউস দখল করে ওবামার মুণ্ড কাটার হুমকি দিয়েছে তারা । এটাকে এত সহজ ভাবে উড়িয়ে দেয়ার উপায় নেই । এগুলো সবই তাদের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার অংশ। আমেরিকা দখল করার পর শান্তি চুক্তি করে আমেরিকান দের কাছ থেকে জিজিয়া কর আদায়ের পরিকল্পনাও তাদের থাকতে পারে বলা যায় না । হা হা হা…

          1. @অপার্থিব
            ইসলামের স্বর্ণযুগের

            @অপার্থিব

            ইসলামের স্বর্ণযুগের সময়কালীন যুদ্ধ আর বর্তমানে চলমান আইএসের যুদ্ধের মধ্যে আকার ও ব্যাপকতা নিয়ে পার্থক্য থাকতে পারে।কিন্ত আদর্শ প্রায় এক । তা হল ইসলাম প্রতিষ্ঠা।

            ইসলামি স্বর্নযুগ রাসুলুল্লাহ্ সাঃ এর আমলের যুদ্ধের আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক ।তাই সেটাও সহীহ ইসলামিক যুদ্ধ হয়েছে কিনা আমার সন্দেহ ।হ্যা আল ইহসান নেটের জিহাদ নিয়ে কয়েকটা আলোচনা আগেই আমার দেখা তবুও ধন্যবাদ আবারো পড়ায় আগ্রহী করার জন্য ।জিহাদ নিয়ে মোট ৫ টা কিতাব আমি রকমারি থেকে কিনেছি ,এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য “আল জিহাদ” বইটি পড়ে দেখতে পারেন সেই বইটি ছাড়াও বাকি ৫টি বইয়ের জিহাদের সাথে ISIS এর জিহাদ সাংঘর্ষিক ।হাদীসে উল্লেখযোগ্য জিহাদের আদর্শিক দিক দিয়ে দেখলে ISIS কে ভন্ড ছাড়া আর কিছু বলা যায়না ।ISIS ইসলামের নামে যুদ্ধ করে যাচ্ছে শুধু ইরাকি ধর্মান্ধদের মন গলানোর জন্য ।ISIS কে যারা সমার্থন করে তারা ধর্মাজ্ঞ এবং ধর্মান্ধ ।

            আসলে ইসলামের আরও অনেক কিছুর মত এটাও একটি স্ববিরোধী ব্যাপার, যে যেভাবে নেয়। যারা এটার পক্ষে কিংবা বিপক্ষে দুপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী শুধু তারাই সঠিক এবং অপর পক্ষ ভুল ।আর আবু বকর কিংবা ওমরের রদ করা কোন বিধান মানার ব্যাপারে যেহেতু আই এস বাধ্য নয় তাই উক্ত হাদীস অনুযায়ী তারা সঠিক

            বিষয়টিকে আমরা মদ খাওয়ার সাথে তুলনা করতে পারি। ইসলামে প্রথম যুগে মদ হারাম করা হয়নি। প্রচুর সাহাবী পাওয়া যাবে যারা এক সময় নিয়মিত মদ খেতেন। হয়ত রাসুল (সা) এর সামনে বসেই খেয়েছেন। কোন সাহাবী যদি এমন বর্ননা করতেন “আমি অমুক দিনে রাসুল (সাঃ) এর সামনে বসে মদ খেয়েছি” তখন তো সেটা একটা হাদিস হয়ে যেত। সেই কথাতে কি মদ হালাল হয়ে যেত? না হোত না। কারন পরবর্তীতে মদকে স্পস্ট ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। হাজার বছরের প্রচলিত মদকে রাসুল (সাঃ) প্রথম দিনেই যেমন বন্ধ করে দিতে পারেননি তেমনি হাজার বছরের মুতা বিয়েও প্রথম দিনেই বন্ধ করতে পারেননি। প্রথম দিকে রাসুল (সাঃ) মুতা বিয়েকে সম্মতি দিলেও পরবর্তীতে নিষেধ করেছেন। কাজেই মুতা বিয়ের পক্ষে কিছু হাদিস পাওয়া যাবে। ঠিক তেমনি পরবর্তীতে নিষেধ করার হাদিসও পাওয়া যাবে।
            যেমন:

            ১। আলী আবু তালিব থেকে বর্নীত –
            খাইবরের যুদ্ধের দিন আল্লাহর রাসুল মুতা বিয়ে ও গাধার মাংশ
            খাওয়া নিষেধ করেন Bukhari,
            Volume 5, Book 59,
            Number 527:

            ২। আলী আবু তালিব বলেছেন – খাইবর এর দিন আল্লাহর রাসুল
            অস্থায়ী বিয়ে ও গৃহ পালিত গাধার
            মাংশ খাওয়া হারাম করেন।
            Muslim, Book 21, Number 4763:

            ৩। সাবুরা ইবনে মাবাদ থেকে বর্নীত– আল্লাহর রাসুল মহিলাদের
            সাথে অস্থায়ী বিয়ে হারাম করেন।
            Abu Dawood, Book 11,
            Number 2068:

            ৪। সাবরা আল জাহানী বর্ননা করেন– আল্লাহর রাসুল বলেছেন – হে মানব সম্প্রদায়, আমি অস্থায়ী বিয়ের অনুমতি দিয়েছিলাম কিন্তু আল্লাহ সেটা (এখন) কেয়ামত পর্যন্ত নিষেধ করেছেন। অতএব যাদের কাছে এখন এমন অস্থায়ী স্ত্রী আছে তারা তাদেরকে মুক্ত কর,
            এবং তাদেরকে যে মোহরানা দিয়েছ সেটা ফেরত নিও না। Muslim,Book 008, Number 3255:

            ৫। আবদুল আল মালিক বর্ননা করেছেন– আল্লাহর রাসুল রাসুল
            অস্থায়ী বিয়ের অনুমতি দিয়েছিলেন কিন্তু মক্কা বিজয়ের দিন সেটা নিষেধ করে দেন। Muslim,Book 008, Number 3257:

            ৬। রাবী সাবরা বর্ননা করেছেন –আল্লাহর রাসুল চুক্তি (অস্থায়ী)
            করে বিয়ে করা বাতিল করেছিলেন।Muslim, Book 008, Number3259:

            ৭। রাবী সাবরা বর্ননা করেছেন –আল্লাহর রাসুল মক্কা বিজয়ের দিন অস্থায়ী বিয়ে নিষেধ করেন।
            Muslim, Book 008, Number 3260:

            ৮। সাবরা আল
            জাহানী বর্ননা করেছেন –আল্লাহর
            রাসুল চুক্তি করে অস্থায়ী বিয়ে বাতিল করেছিলেন এবং বলেছিলেন – শোন, আজ থেকে কেয়ামত পর্যন্ত তোমাদের জন্য অস্থায়ী বিয়ে বাতিল হল,যারা মোহরানা দিয়েছ তা ফেরত নিও
            না। Muslim, Book 008,
            Number3262:

            মক্কা দখলের পরিকল্পনাও তাদের খুব ভাল মত
            আছে

            জানিনা কতটুকু বাস্তব বলছেন ,তবে তারা যদি তাই করতে চায় সেটা তাদের ঘুমিয়ে সপ্ন দেখা ছাড়া অন্য কিছু নয় ।

          2. কাজেই মুতা বিয়ের পক্ষে কিছু

            কাজেই মুতা বিয়ের পক্ষে কিছু হাদিস পাওয়া যাবে। ঠিক তেমনি পরবর্তীতে নিষেধ করার হাদিসও পাওয়া যাবে।

            শুধু মুতা বিয়েই নয় , মদ্য পান , জিহাদ সহ আরও অনেক ক্ষেত্রে এরকম স্ববিরোধী কথা বার্তা বলা হয়েছে। দেখা যায় যে কোরআন হাদীসের মাধ্যমে কোন একটি বিধান চালু করা হয়েছে আবার অন্য কোন আয়াত কিংবা হাদীসের মাধ্যমে সে বিধান বাতিল করা হয়েছে।নানা সময়ে নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এসেছে। আসলে এটাই একজন দক্ষ রাষ্ট্র নায়কের প্রধান গুন । একজন দক্ষ রাষ্ট্র নায়ক যেমন সিচুয়েশন বুঝে ঘটনার বিভিন্ন পাশ্ব প্রতিক্রিয়া অনুধাবন করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করে এবং পরবর্তীতে তা পরিবর্তনও করে তেমনি ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা নবীও ঠিক একই কাজ করেছে। শুধু পার্থক্য হল এই বিধান বা আইন গুলোকে ঈশ্বর দ্বারা প্রণীত বলে দাবী করা হয়েছে এবং এই বিধানগুলি মেনে চলার পুরষ্কার হিসেবে পরকালে বেহেশত ও না মেনে চলার শাস্তি হিসেবে দোযখের ভয় দেখানো হয়েছে। এই বিধান গুলোর ঐশ্বরিকতা এবং সর্ব কালীনতা দাবীর কারনেই মুলত আজকে এই বিধানগুলো নিয়ে এত মত ভিন্নতা । তা না হলে অন্য অনেক বিখ্যাত ব্যাক্তিদের তৈরী বিধানের মত এগুলোও হয়তো কালের গহব্বরে হারিয়ে যেত কিংবা নানা ভাবে পরিবর্তিত হত । তাইতো এখনো যুদ্ধ বন্দী নারীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের স্বার্থে স্ত্রী কিংবা দাসী হিসেবে গ্রহন করার মত মধ্য যুগীয় চরম অমানবিক প্রথাকেও ঈশ্বরের আদেশের নামে জায়েয করার চেষ্টা করা হয় ।

            জানিনা কতটুকু বাস্তব বলছেন ,তবে তারা যদি তাই করতে চায় সেটা তাদের ঘুমিয়ে সপ্ন দেখা ছাড়া অন্য কিছু নয়

            আপাত দৃষ্টিতে এটাকে হয়তো হাস্যকর মনে হতে পারে কিন্ত এটাই তাদের প্রধান প্রাথমিক লক্ষ্য। মক্কা দখল না করতে পারলে তাদের একক খিলাফতী মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন চিরকালই স্বপ্ন থেকে যাবে। মধ্যপ্রাচ্যে একটি একক শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হলে তাদের সারা বিশ্বের ইসলাম প্রতিষ্ঠা কিংবা ইসরাইল দখল কোন পরিকল্পনাই সফল হবে না এটাও তারা খুব ভাল করেই জানে।

          3. আপনার দাবী অনুযায়ী ,নবীর
            আপনার দাবী অনুযায়ী ,নবীর সংবিধানিক আইনকে কোরাণে ভীতি সৃষ্টিকারী সূরা বানিয়ে দেয়া হয়েছে কিংবা হাদীস হিসেবে স্থান পেয়েছে?
            আমি হাদীসের ব্যাপারে সহমত পোষন করছি কিন্তু কোরাণের ব্যাপারে নয় ,হাদীস হল নবীর মুখ নিশৃত বাণী কাজেই হাদীসে নবীর আইনের কথাই বলা থাকবে ।কিন্তু আমরা(মুসলমানরা) কোরাণকে ঐশ্বরিক বাণী হিসেবে মানি কাজেই কোরাণের বাণী গুলোকে নবীর মুখ নিশৃত বাণী হিসেবে মানিনা ।আপনার দাবী যে কোরাণ নাকি স্ববিরোধী কথাবার্তায় ভর্তি ,কিন্তু আপনি একটি আয়াত ও রেফারেন্স হিসেবে দিলেন না ।কোরাণ নবীর বাণী হলে কোরাণে এমন একটা আয়াত হতনা যেখানে নবীকে খুবই কঠোর ভাবে একটা বিষয়ে নিষেধ করা হয়েছে ,তিনি যখন কোন সাহাবা গণের সহিত একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোকপাত করছেন ঠিক তখনই এক অন্ধ লোক মাঝখান দিয়ে আলোচনায় ব্যাঘাত ঘটালেন ,নবী ভ্রুকুচকালেন এবং আল্লাহ্ সাথে সাথেই এ বিষয়ে নবীর প্রতি আয়াত নাজিল করলেন যে আপনার এটা উচিত্‍ হয়নি ।নবী পরবর্তীতে ঐ অন্ধ সাহাবীকে গভর্নর পর্যন্ত বানিয়েছিলেন এজন্য যে তার জন্যই আল্লাহ্ নবীকে মনে রেখেছেন ।কোরাণ যদি নবীর বাণী হত তাহলে এই আয়াতটা নবী অনেক আগেই বাদ দিয়ে দিতেন ।আর নবীকে একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে মেনে নেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

          4. নবী না বলে গেছেন যে তিনি তার
            নবী না বলে গেছেন যে তিনি তার বান্দাদের জন্য দুটো জিনিস রেখে গেছেন এক হল কোরান আর দুই হল রাসুলের সুন্নত। কাজেই হাদীসের উপর পূর্ণ বিশ্বাস যদি না আনেন কিংবা অবৈজ্ঞানিক হাদীস গুলোকে জাল হাদীস বলে বাতিল করে দেন তাহলে তো আপনার ঈমানের উপরই প্রশ্ন আসবে!!!
            কোরানের স্ববিরোধী আয়াতের কিছু উদাহরন ঃ

            “Fight those who believe not in Allah nor the Last Day, nor hold that forbidden which has been forbidden by Allah and His Messenger, nor acknowledge the religion of Truth …..”(9:29)

            এর বিপরীত আয়াত ঃ

            “Tell those who believe, to forgive those who do not hope for the Days of Allah; It is for Him to recompense (for good or evil) each people according to what they have earned”(45:14)

            অবিশ্বাসী পিতামাতার প্রতি দৃষ্টি ভঙ্গি প্রসঙ্গেঃ

            (31:15)
            “But if they strive (Jahada) to make thee join in worship with Me things of which thou hast no knowledge, obey them not; yet bear them company in this life with justice (and consideration)…”

            এর বিপরীত আয়াত ঃ

            (9:23)
            “O ye who believe! Take not protectors your fathers and your brothers if they love infidelity above faith: If any of you do so, they do wrong”

            জানি এখন এই আয়াত গুলোর শানে নযুল , তাফসীর সহ আরও নানা প্রসঙ্গ টেনে এনে এগুলোকে এক করার চেষ্টা করবেন। করতে থাকেন সমস্যা নেই …

            অন্ধকে দেখে নবীর ভ্রু কুঁচকানোর আত্ন সমালোচনার যে উদাহরণটি দিলেন তা হাস্যকর। হাস্যকর এ কারনেই যে একজন উচু স্তরের বুদ্ধিমানের পক্ষে এটা মোটেও অস্বাভাবিক কিছুই নয় । বলা যায় যে বুদ্ধিমান আর বোকাদের মধ্যে বড় পার্থক্য গুলোর এটি একটি। লিও টলষ্টয় তার প্রথম জীবনে ১৩ বছর বয়সী এক মেয়েকে ধর্ষণ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে সেই মেয়েটি আত্নহত্যা করে। পরবর্তীতে বিখ্যাত হবার পরও টলষ্টয় এটি স্বীকার করেছেন এবং এর জন্য অনুতাপ প্রকাশ করেছেন। কাজেই অন্ধকে দেখে নবীর ভ্রু কুচকানোর আত্ন সমালোচনাতে এত অবাক হওয়ার কিছু নেই।

          5. নবী না বলে গেছেন যে তিনি তার

            নবী না বলে গেছেন যে তিনি তার বান্দাদের জন্য দুটো জিনিস রেখে গেছেন এক হল কোরান আর দুই হল রাসুলের সুন্নত।কাজেই হাদীসের উপর পূর্ণ বিশ্বাস যদি না আনেন কিংবা অবৈজ্ঞানিক হাদীস গুলোকে জাল হাদীস বলে বাতিল করে দেন তাহলে তো আপনার ঈমানের উপরই প্রশ্ন আসবে!!!

            দেখুন সব হাদীসকে বাতিল বলে গণ্য করা যাবেনা ,যেই হাদীসগুলো সর্বজন স্বীকৃত অর্থাত কোন আলেম জাল হিসেবে গণ্য করেনি সে হাদীসগুলো কখনোই কেউ বাদ দিতে পারবেনা তাহলে তাকে মুসলমান বলা যাবেনা ।আর কিছু হাদীস আছে যা আমাদের মাঝে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ঢুকে গেছে এবং তার লিস্ট বের হয়েছে (এখানে দেখুন জাল হাদীস এবং তা কিভাবে আসল: http://www.hadithbd.com ) এই হাদীসগুলো বৈজ্ঞানিক কিংবা অবৈজ্ঞানিক হোক মানা যাবেনা ।আপনি ভুল করেছেন ,নবীর কোন বান্দা নেই উম্মত আছে।সঠিক হাদীস অবৈজ্ঞানিক হোক আর বৈজ্ঞানিক হোক আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে।মুসলমান হতে হলে আগে চাই পূর্ণ বিশ্বাস।

            জানি এখন এই আয়াত গুলোর শানে নযুল , তাফসীর সহ আরও নানা প্রসঙ্গ টেনে এনে এগুলোকে এক করার চেষ্টা করবেন। করতে থাকেন সমস্যা নেই …

            হাহাহা তা বটে শানে নুযুল টানারই ছিল কিন্তু টানলাম না তাহলে আপনার ধারনাই যে সঠিক হবে।আপনি শানে নুযুল তফসীর ছাড়াই এই লিংক গুলোতে গিয়ে পড়ে আসতে পারেন সময় থাকলে:

            লিও টলষ্টয় তার প্রথম জীবনে ১৩ বছর বয়সী এক মেয়েকে ধর্ষণ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে সেই মেয়েটি আত্নহত্যা করে। পরবর্তীতে বিখ্যাত হবার পরও টলষ্টয় এটি স্বীকার করেছেন এবং এর জন্য অনুতাপ প্রকাশ করেছেন। কাজেই অন্ধকে দেখে নবীর ভ্রু কুচকানোর আত্ন সমালোচনাতে এত অবাক হওয়ার কিছু নেই।

            হাহাহাহাহাহা ।তার মানে আপনি বলতে চান যে নবী বিখ্যাত হওয়ার পর এই আত্মসমালোচনা কোরাণে করেছেন ?
            এটা কি একান্তই আপনার ধারনা ?
            আপনি বোঝাতে চান যে বিখ্যাত হলেই সে আত্মসমালোচনা করে এবং নবীও ঠিক সেটাই করেছেন।
            ওয়েল ,আপনার যুক্তি মেনে নিলাম।
            একটা উদাহারন:টমাস আলভা এডিসন তার সহকর্মী মেরীকে দেখে পছন্দ করে ফেল্ল,এরপর মুদ্রার মাধ্যমে সাংকেতিক ভাষায় বল্ল ,মেরী আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই ,মেরী রাজী হয়ে গেল।এরপর আবার পরকীয়ার কারনে মেরীকে ছেড়ে দেয় ,তো এই কথাটা এডিসন সাহেব কয়বার স্বীকার করেছেন ?
            আরেকটা উদাহরন:অভিজিত্‍ রায় দুই বাঙলার বিখ্যাত লেখক ,সর্বজন স্বীকৃত (মুসলিম বাদ),তো তিনি যে বন্যা আহমেদের সাথে পরকীয়া করতেন এবং এর দরুণ তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন এ কথা অভিজিত্‍ রায় কয়বার স্বীকার করেছেন ?

            কথা হোল,এই আয়াতটা যখন নাজিল হয়েছিল তখন নবীর ক্ষমতাই ছিলনা ,কিন্তু যখন ক্ষমতা এলো তখন এই বুড়োকেই আবার ঐ ঘটনার জন্য পরবর্তীতে গভর্নর করেছিল ব্যাপারে আপনার মতামত কি ?

          6. আপনি ভুল করেছেন ,নবীর কোন

            আপনি ভুল করেছেন ,নবীর কোন বান্দা নেই উম্মত আছে।

            শব্দ চয়েজে ভুল হয়েছিল ,স্বীকার করছি।

            আপনি বোঝাতে চান যে বিখ্যাত হলেই সে আত্মসমালোচনা করে এবং নবীও ঠিক সেটাই করেছেন।

            বিখ্যাত হওয়া কিংবা ক্ষমতাশীল হওয়ার সাথে আত্ন সমালোচনার কোন সম্পর্ক নেই । এটা নির্ভর করে ঐ ব্যাক্তির বুদ্ধির স্তর আর মানসিকতার উপর। আপনি এক কমেন্টে বলেছেন কোরান যদি নবীর লেখা হত তাহলে তাতে তার সমালোচনা থাকতো না। তার জবাবে আমি টলষ্টয়ের উদাহরন দিয়ে বলেছি একজন বুদ্ধিমান ও কিছুটা উচু মানসিকতার ব্যাক্তির পক্ষে এটা মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। তিনি নিজের বোধ দ্বারা চালিত হয়ে কিংবা বৃহৎ কোন রাজনৈতিক স্বার্থে আত্ন সমালোচনা করতেই পারেন । কিন্ত তাই বলে যে এটি এডিসন কিংবা অভিজিৎ রায় সহ সকল বিখ্যাত ব্যাক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমন তো কোন কথা নেই। সব বুদ্ধিমান ব্যাক্তির মানসিকতা তো সমান হয় না ।
            আপনার দেওয়া লিংক গুলো এই মুহূর্তে সময়ের অভাবে পড়তে পারছি না, পরে কোন এক সময় দেখা যাবে।

  8. মুসলিমরা যতক্ষণ পর্যন্ত
    মুসলিমরা যতক্ষণ পর্যন্ত তীব্রভাবে IS এর এই হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে না দাঁড়াচ্ছে, এর দায়ভার মুসলমানদেরকে নিতে হবে।

    1. আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের
      আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
      আপনার অজানা নয় যে বিশ্বের
      অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রই আইএসএর বিপক্ষে ।যাদের রাষ্ট্রে তারা এই কতৃত্ব ফলাতে চাইছে সেই ইরাকি ও সিরিয়ানরাই আইএস এর বিপক্ষে এবং প্রত্যহ তাদের সেনাবাহীনি মরছে এই বিরোধীতার জন্যই ।
      একমাত্র উগ্র ধর্মান্ধরাই আইএসএর পক্ষপাতি ।যাদের ধর্ম সম্বন্ধে কিঞ্চিত জ্ঞান নেই,জ্ঞান নেই জিহাদ সম্পর্কে,যারা মৌলবাদী তারা আইএস কে সমার্থন করে না করতে পারেনা।
      আপনি বাংলাদেশের মুসলিমদেরই দেখুন তারা সরাসরি আইএস এর বিপক্ষে ।
      আপনি গুগলে ISIS লিখে সার্চ দিন তাহলে একটা আশ্চর্যের বিষয় দেখবেন যে ISIS এর বিপক্ষের আর্টিকেলগুলো প্রায় সবই মুসলিমদের ।

    2. দায়ভার কখনই নেবে না। তারা
      দায়ভার কখনই নেবে না। তারা বলবে IS এর কাজগুলো ঠিক না। কিন্তু ইহুদি-নাসারারা এদেরকে এই পথে যেতে বাধ্য করছে। তারমানে নীরবে কিন্তু সমর্থন দিচ্ছে। এই ধর্মের শিক্ষাই হচ্ছে অমুসলিমদের ধ্বংস করা। হত্যা, খুন, কল্লাকর্তন এসব কোরানের নির্দেশ মতই করছে।

      1. তার মানে নিরব সমার্থন

        তার মানে নিরব সমার্থন করছে

        কেন মুসলমানরা ISIS ইস্যুতে চুপ?তাহলে তারা কি ISIS কে নিরবে সমার্থন করছে ?
        ওয়েল ,আমার মনে হয়:
        ১। মুসলিম বিদ্বেষী, বিশ্ব শাসনের
        জন্য হিস্টিরিয়া যাদের পেয়ে বসেছে – তারা মনের মাধুরীতে পবিত্রতম মানুষ, শয়তান ও
        ফেরেস্তার এক অদ্ভুত মিশ্রনের মাধ্যমে হলিউডের প্রযোজনা ও নির্দেশনার ন্যায় একটার পর
        একটা ঘটনা ঘটাচ্ছে আর
        সেটা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড
        স্ক্রনিং করছে – তাদের
        এ্যাজেন্ডা তথা ‘গণমানুষের
        এক্সটিংশান’ বাস্তবায়নের জন্য –
        যা সচেতন কিন্তু দুনিয়া বিমুখ,
        আখেরাত মুখি মুসলমান রা নিশ্চিত জানেন।

        ২। মুসলিম বিশ্ব সারাক্ষন সেই সব ঘটনার জন্য সহানুভূতি জানাবে,আত্মরক্ষামূলক কথা বলবে কিংবা ডিফেন্ড করবে – এটাই ঐ শাসক ও পরিচালক চক্রের প্রত্যাশা – যাতে করে মুসলিমের বিপক্ষে যে গণমানুষ আছে তাদের কাছে – বিষয়টা আরো বিশ্বাসযোগ্য হয়, বিপক্ষ কে তা প্রতীয়মান হয়?

        ৩। দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন মুসলিম রা –
        চুপ থাকাটাকেই যথার্থ মনে করছে।কারন দিনকে দিন তাদের
        কাছে এটা পরিষ্কার হচ্ছে যে – কোরান যথার্থই বলেছে, মোহাম্মদ
        সঃ ও যথার্থই বলেছেন দুনিয়ার মোহে পড়লে তার উম্মতের এই অবস্থা হবে। অন্যদিকে দুনিয়ায় আরো গাড়ী,আরো বাড়ী, আরো টাকা পয়সা, বেতনভাতা ও ক্ষমতার জন্য ব্যস্ত মুসলিমরা বিরক্ত হয়ে ভাবছেন – কেন
        তাদের ধর্মীয় লিডারশিপরা এসব
        ঘটনাকে যথাযথভাবে এ্যাড্রেস
        করতে পারছে না। কিন্তু তারা বুঝতে চাইছেন না যে ধর্মীয় লিডারশীপরা ও তাদের মত দুনিয়ার লোভে পড়ে গেছেন বলে এসব ঘটনার কোন কুল কিনারা করতে পারছেন না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *