গ্রেফতার হলে করণীয় কী? ব্লগারদের জন্য

ধর্মান্ধরা বিরোধিতা করেছিল পিথাগোরাসের, এনাকু সিমন্ডের মতো খ্যাতিনাম কৌতূহল প্রবণ দার্শনিকদের। তারা খ্রিস্টের জন্মের চারশ থেকে পাঁচশ বছর আগে বলেছিল “পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ, সূর্যকে ঘিরে আরো কিছু গ্রহ থাকতে পারে, যারাও সূর্যকে পৃথিবীর মত ঘুরে ঘুরে প্রদক্ষিণ করচ্ছে।” অবশ্যই তখনকার সময়ের জন্য ধর্ম বিরোধী মন্তব্য, তাই সইতে হয়েছে নির্যাতন। কিন্তু সময়ের দাবীতে ঠিক প্রমাণিত হল সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে প্রকৃত সম্পর্ক।


ধর্মান্ধরা বিরোধিতা করেছিল পিথাগোরাসের, এনাকু সিমন্ডের মতো খ্যাতিনাম কৌতূহল প্রবণ দার্শনিকদের। তারা খ্রিস্টের জন্মের চারশ থেকে পাঁচশ বছর আগে বলেছিল “পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ, সূর্যকে ঘিরে আরো কিছু গ্রহ থাকতে পারে, যারাও সূর্যকে পৃথিবীর মত ঘুরে ঘুরে প্রদক্ষিণ করচ্ছে।” অবশ্যই তখনকার সময়ের জন্য ধর্ম বিরোধী মন্তব্য, তাই সইতে হয়েছে নির্যাতন। কিন্তু সময়ের দাবীতে ঠিক প্রমাণিত হল সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে প্রকৃত সম্পর্ক।

খ্রিস্টের জন্মের বহু আগে এনাক্সোগোরাস ধারণা দিয়েছিলেন চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। তখনকার সময়ে এনাক্সোগোরাসের প্রতিটি মতবাদ বা আবিষ্কার ছিল ধর্ম বিরোধী। তিনি ছিলেন ধর্মবাদীদের কাছে ঘৃণিত, হয়েছিলেন নির্যাতিত। কিন্তু পরবর্তীতে উনাদের বাণীই সত্যি প্রমাণ হল। এখন হয়তো ধর্মান্ধরা বাংলাদেশ নাস্তিক তাড়াচ্ছে। তবে সময়ের দাবীতে প্রমাণিত হবে কে সঠিক আর ভুল। বিবর্তনের পর্যায়ে এসে জন্মেছি ধর্মান্ধ দেশে, তাই এখন পরিস্থিতির মোকাবেলা তো করতে হবে।

চলুন আলোচনা থেকে জেনে নি, কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে চাইলে ব্যক্তিবিশেষের কী কী প্রশ্নের জবাব দেওয়া বাধ্যতামূলক দিতে হবে এবং তার নুন্যতম যেসব তথ্য জানা দরকার সহ প্রাসঙ্গিক বিষয়াবলী।

পুলিশ যদি কোন ব্যক্তিকে রাস্তায়, বাড়িতে বা গাড়ি চালানোর সময় থামিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করে, সেক্ষেত্রে আপনি আপনার নাম ঠিকানা ও পেশা তাকে জানাতে পারেন। আপনি যদি ছাত্র হন তবে সেক্ষেত্রে আপনার পরিচয় পত্র চাইতে পারে। পরিচয়পত্র সাথে থাকা সাপেক্ষে আপনি তা দেখাতে পারেন। এইসব বিষয় ছাড়া পুলিশকে আপনার অন্য কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না। পুলিশকে তার পরিচয়পত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন এবং সব সময়ই পুলিশের নাম, পরিচয় পত্রের নাম্বার, এবং টহল গাড়ির পেট্রোল কারের নাম্বার নিয়ে নিবেন।

উপরের প্রশ্নগুলো ছাড়া পুলিশ যদি আপনাকে আরো প্রশ্ন জিজ্ঞাস করে, তাহলে আপনি পুলিশকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন আমি কি গ্রেফতার হলাম? যদি পুলিশ হাঁ বলে, তাহলে আপনি পুলিশকে আর কোনো প্রশ্নের উত্তর দেবেন না। এটা আপনার অধিকার। আপনি শুধু কোর্টেই জবাব দিতে বাধ্য। আর যদি পুলিশ বলে না, তাহলে আপনি যেকোনো সময় চলে যেতে পারেন।

গ্রেফতার হলে করনীয় কী?

যদি আপনি গ্রেফতার হন তাহলে প্রথমেই নিকটস্থ মানুষদেরকে জানান। যদি আপনার কোন হ্যান্ড ফোন থাকে আপনি আপনার বন্ধু, পরিবারের লোক বা উকিলকে জানাতে পারেন। গ্রেফতারের পর আপনাকে যতদূর সম্ভব সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যেতে পারে। আপনি আপনার পারিবারিক লোক অথবা আপনার আইনজীবীকে থানায় অথবা ডিবি অফিসে এসে আটকাদেশের যথার্থতা সম্পর্কে বা কোথায় আছেন জানতে বলবেন। গ্রেফতারের পর পুলিশ আপনাকে বলতে বাধ্য কেন আপনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তা আপানার আইনগত অধিকার।

পুলিশ অবশ্যই আপনাকে ২৪ ঘণ্টার বেশি লকআপে রাখতে পারবে না। এটা আপনার সাংবিধানিক অধিকার। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি যাকে হেফাজতে রাখা হয়েছে, তাকে অবশ্যই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে হাজির করতে হবে। তবে ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পর পুলিশ অবশ্যই রিমান্ডের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অনুমতি চাইবে। অন্যথায়, পুলিশ আপনাকে জামিন অথবা কোর্টে চালান দেবে।

আপনার পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত অন্য কিছু আপনি জেলখানার ভেতরে নিতে পারবেন না। আপনার জিনিষপত্র যখন পুলিশ নিয়ে যাবে, তখন অবশ্যই তার জন্য স্বাক্ষর দিতে হবে। আপনার যদি টাকা অথবা ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড থাকে, তবে আপনি গণনা করে নিশ্চিত হোন এবং জমা দিয়ে লিখিত নিতে পারেন।

সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, পুলিশের প্রশ্নে আপনার উত্তর কী হবে?

পুলিশের মৌখিক প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে আপনাকে সাবধান হতে হবে। আপনাকে প্রশ্ন করা হবে স্বাভাবিক এবং বন্ধুত্বসুলভ, তবে উত্তর দিতে আপনার থেকে সচেতনভাবে। প্রশ্ন হতে পারে আজকের আবাহাওয়া বা আপনার পরিবার সম্পর্কে। কিন্তু উত্তরগুলি দেওয়ার আগে আপনি অবশ্যই চিন্তা করবেন যেন এই উত্তরগুলিকে আদালাতে আপনার বিপক্ষে উত্থাপন করা না হয়। মনে রাখবেন, পুলিশের উদ্দেশ্য আপনাকে চালান দেওয়ার জন্য কারন খুঁজে বের করা। ফৌজদারি বিধি ৩৩ (১) ধারা মতে আপনি আলোচনা বা পরামর্শের জন্য আপনার সুবিধামত যেকোন আইনজীবীর সাথে কথা বলতে পারেন।

যদি কোন পুলিশ আপনার কোনো বর্ণনা জানতে চায়, তবে আপনি শুধু আপনার পরিচয় নাম ঠিকানা ইত্যাদি দিবেন এবং উক্ত পুলিশ অফিসারের নাম যেনে নিন। অন্য যেকোন প্রশ্নের উত্তর আপনি আপনার আইনজীবীসহ কোর্টে ছাড়া দিবেন না, এটা আপনার অধিকার। ফৌজদারি বিধি ৩৩(১) ধারা মতে আপনি আলোচনা বা পরামর্শের জন্য আপনার সুবিধামত যেকোন আইনজীবীর সাথে কথা বলতে পারেন। আপনি পুলিশের সাথে নিকট যা-ই বলুন না কেন, তা আপনার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে। অন্য যে কোন প্রশ্নের উত্তর নিবোক্তভাবে দিতে পারেন।

প্রশ্নঃ আপনার নাম?
উত্তরঃ কামাল উদ্দিন

প্রশ্নঃ আপনার পিতার নাম?
উত্তরঃ জামাল উদ্দিন

প্রশ্নঃ আপনাকে তো ধানমন্ডি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বিকেলে ধানমন্ডির কোথায় ছিলেন?
উত্তরঃ আমি শুধু কোর্টেই এই প্রশ্নের উত্তর দেব।

প্রশ্নঃ আপনি বিকেলে কীভাবে ধানমন্ডি গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ- আমি শুধু কোর্টেই এই প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনি বাসা থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন?
উত্তরঃ- আমি শুধু কোর্টেই এই প্রশ্নের উত্তর দেব।

বিঃদ্রঃ এই পোস্ট তৈরিতে টিআইবির তথ্য অফিস থেকে সহায়তা নেওয়া হয়েছে

১৬ thoughts on “গ্রেফতার হলে করণীয় কী? ব্লগারদের জন্য

  1. বাসস্থানের বাইরে
    বাসস্থানের বাইরে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করলে এরূপ অবস্থায় পড়ার সম্ভাবনা কম। তারপরও যদি পড়েন তাহলে অবশ্যই পোস্টে উল্লিখিত আইনের ব্যাখ্যাসমূহ মেনে চলার চেষ্টা করবেন। আশা করা যায় সুফল পাবেন। পোস্টটি সকল অন লাইন একটিভিস্টগণ বার বার পড়ে হৃদয়ঙ্গম করে নিতে পারেন। আপনার তথ্য সমৃদ্ধ পোস্টের জন্য অনলাইন একভিস্টসহ সমাজের সর্বস্তরের লোকজন উপকৃত হবেন বলে আমার ‍দৃঢ় বিশ্বাস। ধন্যবাদ আপনাকে…

  2. ধর্মান্ধরা বিরোধিতা করেছিল

    ধর্মান্ধরা বিরোধিতা করেছিল পিথাগোরাসের, এনাকু সিমন্ডের মতো খ্যাতিনাম কৌতূহল প্রবণ দার্শনিকদের। তারা খ্রিস্টের জন্মের চারশ থেকে পাঁচশ বছর আগে বলেছিল “পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ, সূর্যকে ঘিরে আরো কিছু গ্রহ থাকতে পারে, যারাও সূর্যকে পৃথিবীর মত ঘুরে ঘুরে প্রদক্ষিণ করচ্ছে।” অবশ্যই তখনকার সময়ের জন্য ধর্ম বিরোধী মন্তব্য, তাই সইতে হয়েছে নির্যাতন। কিন্তু সময়ের দাবীতে ঠিক প্রমাণিত হল সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে প্রকৃত সম্পর্ক।

    খ্রিস্টের জন্মের বহু আগে এনাক্সোগোরাস ধারণা দিয়েছিলেন চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। তখনকার সময়ে এনাক্সোগোরাসের প্রতিটি মতবাদ বা আবিষ্কার ছিল ধর্ম বিরোধী। তিনি ছিলেন ধর্মবাদীদের কাছে ঘৃণিত, হয়েছিলেন নির্যাতিত। কিন্তু পরবর্তীতে উনাদের বাণীই সত্যি প্রমাণ হল। এখন হয়তো ধর্মান্ধরা বাংলাদেশ নাস্তিক তাড়াচ্ছে। তবে সময়ের দাবীতে প্রমাণিত হবে কে সঠিক আর ভুল। বিবর্তনের পর্যায়ে এসে জন্মেছি ধর্মান্ধ দেশে, তাই এখন পরিস্থিতির মোকাবেলা তো করতে হবে।

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    পোস্টের শুরুতে দামী এই কথাগুলোর জন্য তোমাকে ধন্যবাদ সৈকত।

    গ্রেফতার হলে করনীয় সম্পর্কিত তোমার এই পোস্টটির তথ্য সব মহুর্তের জন্য আমাদের সকল নাগরিকের জানা থাকা আবশ্যক। একটা সভ্যদেশে সভ্য নাগরিক হিসাবে নিজেকে দেখতে চাইলে জীবনের চলার পথের প্রতিটা মহুর্তে আমাদের নাগরিক অধিকার কি, সেটা জানা উচিত এবং প্রয়োজনীয় মহুর্তে প্রয়োগ করা একজন সভ্য নাগরিকের দায়িত্ব। তাই এই পোস্টটি সকলের পড়ে পুলিশের সাথে আমাদের নাগরিক অধিকার সমূহের সাংঘর্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েনটা অন্তত আমাদের জানা থাকবে। সকলের জানার স্বার্থে পোস্টটির ব্যাপক শেয়ার হওয়া জরুরী। হয়ত ভাবতে পারি এই অধিকার সম্পর্কে আমরা কম বেশী জানি। জানার পরও জানাকে সাহস যোগানোর জন্য এই পোস্ট সবার একবার পড়া উচিত। শেয়ার দিলাম…..।

    চমৎকার পোস্টটির জন্য সৈকতকে আবারও ধন্যবাদ।

  3. গ্রেফতার হলে করনীয় সম্পর্কিত

    গ্রেফতার হলে করনীয় সম্পর্কিত তোমার এই পোস্টটির তথ্য সব মহুর্তের জন্য আমাদের সকল নাগরিকের জানা থাকা আবশ্যক। একটা সভ্যদেশে সভ্য নাগরিক হিসাবে নিজেকে দেখতে চাইলে জীবনের চলার পথের প্রতিটা মহুর্তে আমাদের নাগরিক অধিকার কি, সেটা জানা উচিত এবং প্রয়োজনীয় মহুর্তে প্রয়োগ করা একজন সভ্য নাগরিকের দায়িত্ব। তাই এই পোস্টটি সকলের পড়ে পুলিশের সাথে আমাদের নাগরিক অধিকার সমূহের সাংঘর্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েনটা অন্তত আমাদের জানা থাকবে। সকলের জানার স্বার্থে পোস্টটির ব্যাপক শেয়ার হওয়া জরুরী। হয়ত ভাবতে পারি এই অধিকার সম্পর্কে আমরা কম বেশী জানি। জানার পরও জানাকে সাহস যোগানোর জন্য এই পোস্ট সবার একবার পড়া উচিত।

    সহমত।

    গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

  4. তবে যাই কিছু বলেন, পুলিশ
    তবে যাই কিছু বলেন, পুলিশ দেখলে কিংবা পুলিশ কিছু জিজ্ঞাসা করলে ইতস্তত বোধ না করাটাই উত্তম। যদিও দাঁড় করিয়ে কিছু জানতে চায় তাহলে সাধারনভাবেই পরিস্কার কথা বলাটাই ভালো। পুলিশ অন্য সব সাধারন মানুষের মতই শুধু পোষাকটার কারনে তাদের আলাদা ক্ষমতা থাকে। আমরা আসলে পোষাকটার কারনেই তাদেরকে ভয় পাই। আর কিছু না।

  5. ধন্যবাদ পোস্টদাতাকে।একই সাথে
    ধন্যবাদ পোস্টদাতাকে।একই সাথে অনুরোধও করছি,বিজ্ঞানের বিষয়টা নিয়ে আলাদা একটা পোস্ট দেয়ার জন্য।

  6. পুলিশ যখনই ধরুক যাকেই ধরুক,
    পুলিশ যখনই ধরুক যাকেই ধরুক, তার প্রথম কাজ হচ্ছে সুন্দর ব্যবহার কেননা POLICE শব্দের প্রথম পি দিয়েই পোলাইট অর্থাৎ ভদ্র বলা হয়েছে। যখনই পুলিশ ধরবে বা কিছু জানতে চাইবে স্বাভাবিক থাকা দরকার এবং তাদের সহযোগিতা করা দরকার। যখনই বিপদে পড়বো সামনে থাকা পুলিশের সাহায্য চাইবো এবং পুলিশ সাহায্য করতে বাধ্য।

    1. যতটুকু দেখেছি আমতা আমতা না
      যতটুকু দেখেছি আমতা আমতা না করে সরাসরি কথা বললে প্রব্লেম একটু কম হয়, পুলিশের কাজ সন্দেহ জনক সব কিছুর বিপরীতে ।।

  7. ভাই,বাস্তবতা সম্পূর্ন
    ভাই,বাস্তবতা সম্পূর্ন ভিন্ন।

    গত দুদিন আগে আমিসহ আমার পাঁচ-ছয়জন বন্ধু ডি.বি. পুলিশের হয়রানির স্বীকার হয়েছিলাম।
    আমাদের এলাকার লেকের পাড়ে আমরা প্রতিদিনের মত গল্প করছিলাম হঠাত্‍ ৭-৮জন ডি.বি. আমাদের ঘির ধরে।তাদের মধ্যে একজন বললো চল,গাড়িতে ওঠ। গাড়িতে ওঠার কারণ জিজ্ঞাসা করায় দুটো অকথ্য গালাগালি ছাড়া কোন উত্তর মেলেনি।আমার এক বন্ধু একটু পাকানামো করে বলেছিল,”আপনারা যেটা করছেন সেটা তো মানহানি।”সে একথার প্রত্যুত্তরে পেয়েছিল পাইপের একটা বাড়ি।

    এরপর আমাদের গাড়ি করে এস.পি অফিসে নিয়ে আধঘন্টার মত রাখা হয় এবং আমাদের নাম,ঠিকানা,ফোন নাম্বার লিখে রাখে।এসবের পর এক ফ্রেন্ডের মামার কল্যানে এস.পি অফিস থেকে বের হতে সক্ষম হই।
    এভাবে আমাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে পরে জানতে পারি,লেকের পাড়ে কে বা কারা জুয়া খেলছিল এমন রির্পোট পেয়ে ডি.বি. তাদের না পেয়ে আমাদের তুলে নিয়ে যায়।

    যাইহোক,সৈকত ভাইয়া পোষ্ট খুব উপকারী ।অনেকের কাজে লাগবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *