আমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল :মিথ্যাভাষণ

এমেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বশেষ প্রতিবেদন এ উল্লেখ করেছে যে,
” At least 27 people have died during clashes between government and opposition supporters, arson attacks, or from shooting by security forces. At least two people were reported killed on 7 January when police opened fire on BNP supporters in the southern district of Noakhali. ”

এমেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বশেষ প্রতিবেদন এ উল্লেখ করেছে যে,
” At least 27 people have died during clashes between government and opposition supporters, arson attacks, or from shooting by security forces. At least two people were reported killed on 7 January when police opened fire on BNP supporters in the southern district of Noakhali. ”
এখানে এরা অত্যন্ত সুকৌশলে বিএনপি জোটের মানুষ পুড়িয়ে মারাকে উহ্য রেখে ২৭ জন মানুষের মৃত্যুকে সরকার ও বিরোধী দলের সংঘাত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মারা গেছে বলে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।দক্ষিনের নোয়াখালী জেলায় পুলিশ কর্তৃক গুলি করে হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করা আছে।কোথায় বলা নেই যে বিএনপি জামাত জোট প্রায় ১৭ জন মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে।
উপরন্তু তারা তাদের প্রতিবেদনে সরকারের প্রতি যে আহবান জানিয়েছে,
” Amnesty International is calling on the Bangladeshi authorities to ensure that law enforcement officials do not use excessive and unnecessary force and that where force is used, it is used in accordance with international standards.”
তার মানে দাঁড়ায় যে,আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাস দমনে তেমন কোন সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগ করবে না এবং যে শক্তি তারা প্রয়োগ করবে তা আন্তুর্জাতিক মানের হতে হবে।
এমেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এভাবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বহির্বিশ্বে ভূল বার্তা দিয়ে আসছে।যেভাবে তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করেছিল এখনো করছে।অতি সম্প্রতি ডেভিড বার্গম্যানের আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ বলে আন্তুর্জাতিক প্রচারণা চালিয়ে আসছে এই সংস্থা।
আমাদের দেশের টকশোজীবী এবং একটি বিশেষ পত্রিকা এই মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্টকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উপস্থাপন করে।এতে করে দেশের মানুষ বিভ্রান্ত হয়,বিদেশে ভূল ধারণা তৈরি করা হয় বাংলাদেশ সম্পর্কে।

আমাদের উচিৎ এদের বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশে ও বিদেশে সোচ্চার হওয়া।amnesty report

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *