বিজ্ঞানীরা নাকি কৃত্রিম প্রাণসৃষ্টি করেছেন! আসলেই কি তাই?

বিজ্ঞানীরা প্রাণ সৃষ্টির জন্য
দীর্ঘদিন
থেকে সাধনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অনেকে আবার
কৃত্রিমভাবে প্রাণ সৃষ্টি করার দাবিও
করেছেন! প্রকৃত অর্থে তারা আল্লাহর
সৃষ্ট প্রাণ থেকে ধার করে তার
কপি বানাবার
ক্ষেত্রে সফল হয়েছেন
বটে এবং তা অবশ্যই প্রশংসা পাবার
যোগ্য।
কিন্তু সত্যি বলতে- প্রাণ
জিনিসটা আসলে যে কি?
সে সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে।
তবে জীববিজ্ঞানীরা এ
বিষয়ে কয়েকটি মানদন্ড নির্ধারন
করেছেন-Even the biologists (people who
study life) have a tough time describing what life
is! But after
many years of studying living
things, from the mold on your old
tuna sandwich to monkeys in the

বিজ্ঞানীরা প্রাণ সৃষ্টির জন্য
দীর্ঘদিন
থেকে সাধনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অনেকে আবার
কৃত্রিমভাবে প্রাণ সৃষ্টি করার দাবিও
করেছেন! প্রকৃত অর্থে তারা আল্লাহর
সৃষ্ট প্রাণ থেকে ধার করে তার
কপি বানাবার
ক্ষেত্রে সফল হয়েছেন
বটে এবং তা অবশ্যই প্রশংসা পাবার
যোগ্য।
কিন্তু সত্যি বলতে- প্রাণ
জিনিসটা আসলে যে কি?
সে সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে।
তবে জীববিজ্ঞানীরা এ
বিষয়ে কয়েকটি মানদন্ড নির্ধারন
করেছেন-Even the biologists (people who
study life) have a tough time describing what life
is! But after
many years of studying living
things, from the mold on your old
tuna sandwich to monkeys in the
rainforest, biologists have
determined that all living things do
share some things in common:
1) Living things need to take in
energy
2) Living things get rid of waste
3) Living things grow and develop
4) Living things respond to their
environment
5) Living things reproduce and
pass their traits onto their
offspring
6) Over time, living things evolve
(change slowly) in response to
their environment
Therefore, in order for something
to be considered to “have life” as
we know it, it must possess these
characteristics.
আল-কোরআনে মহান
স্রষ্টা আল্লাহতায়ালা বলেন –
সূরা বনি ইস্রাঈল
(১৭:৮৫)তোমাকে ওরা রূহ্ সম্পর্কে প্রশ্ন
করে।বল, রূহ্ (প্রাণ/জীবন/
গায়েবী শক্তি) আমার প্রতিপালকের
আদেশঘটিত।এ
বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই
দেয়া হয়েছে।যেহেতু স্রষ্টা প্রাণ
সম্পর্কে মানুষকে সামান্য জ্ঞান দেয়ার
কথা বলেছেন।
সুতরাং জীববিজ্ঞানীরা
গবেষণা করে দেখলে হয়ত এ
সম্পর্কে সামান্য কিছু অগ্রগতী লাভ
করতে পারবেন- ‘ড. ক্রেইগ ভেনটার ‘, (the
biologist, J. Craig Venter Institute
in Rockville, Maryland and California)
জীববিজ্ঞানের গবেষনার জগতে বহুল
আলোচিত একটি নাম।
যিনি সিন্থেটিক জেনোম উৎপাদনের
ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে বিরাট সাফল্য অর্জন
করতে সক্ষম হয়েছেন।একজন বিজ্ঞানমনস্ক
মানুষ হিসেবে এই অসামান্য অবদানের
জন্য
তাকে ও তার দলকে সাধুবাদ জানাই।
তার
এই সাফল্য মানবজাতির জন্য কল্যাণ
বয়ে আনুক-এই কামনা সবারই।ভেন্টারের
গবেষণার এই বিপ্লবাত্বক
সাফল্যকে পুঁজি করে ইতিমধ্যে অনেকে
তাদের স্বার্থ হাসিলের পায়তারা শুরু
করেছে।
অনেকে বলে বেড়াচ্ছেন-
বিজ্ঞানীরা নাকি কৃত্রিমভাবে
প্রাণ সৃষ্টি করে ফেলেছেন!
এই ধরনের অপপ্রচারের ফলে অনেকে হয়ত
ভাবতে পারেন যে, কয়েক
দশক পর কেউ অক্কা পেলে কোন
সমস্যা নেই-বিজ্ঞানীরা আবার সেই
মৃতের মধ্যে প্রাণসঞ্চার
করে দিতে পারবেন। তখন সেই প্রাণ
কেনার মত
সামর্থ যাদের থাকবে তারা কেউ
মরবে না। কিন্তু আসলেই কি তাই? মানুষ
কল্পনা করতেই পারে-এতে দোষের কিছু
নেই।
কিন্তু তারও
তো একটা মাত্রা থাকা উচিত।
তাদের ধারনা ভুল। কৃত্রিম প্রাণ
আবিষ্কৃত হয় নাই বা নুতন প্রাণ সৃষ্টিও
করা হয় নাই। অলীক কল্পণায়
গা ভাসিয়ে নিজেরা যেমন
বিভ্রান্তিতে আছে, তেমনি অপরকেও
বিভ্রান্ত করে চলেছে।
বিভ্রান্তকারীরা জ্ঞানী সেজে
মিষ্টি কথার ছলে ধোঁকায
ফেলে তাদের দল ভারি করার
অপচেষ্টা করছে মাত্র।তাদের এই
ছলাকলা বুদ্ধিমানেরা ঠিকই
বুঝে নেবে।
Daniel Gibson and his colleagues
at the J. Craig Venter Institute in
Rockville, Maryland, synthesized
the genome of the bacterium
Mycoplasma mycoides, consisting
of about 1.1 million base pairs.
Having assembled the genome
inside a yeast cell, they
transplanted it into a cell from a
closely related species,
Mycoplasma capricolum. After the
newly made cell had divided, the
cells of the bacterial colony that it
formed contained only proteins
characteristic of M. mycoides.
উপরের লিংক থেকে কিছু অংশ
আপনাদের
সমীপে পেশ করলাম।সংক্ষেপে ও সহজ
কথায় বিষয়টি হলো –
প্রথমে আল্লাহর সৃষ্ট জীবন্ত
এককোষী bacterium Mycoplasma mycoides এর
“ডিএনএ” ব্লুপ্রিন্ট নকল কোরে বেশ
কয়েকটি ধাপে সেই অনুযায়ী synthetic
genome গঠন করা হয়।এক্ষেত্রে গবেষক
দলটি জীবন্ত ব্যাকটেরিয়ার
জেনোমের
কপি তৈরি করেন।তারা জেনেটিক
কোডের
অনুক্রম গঠন করেন এবং “সিন্থেসিস
মেশিনস” ব্যবহার কোরে সেই
অনুসারে রাসায়নিকভাবে তার
কপি তৈরি করেন।
এরপর সেটা স্রষ্টারই সৃষ্ট
আরেকটি নিকটতম প্রজাতির bacterium,
Mycoplasma capricolum এর জীবন্ত
কোষের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
এর ফলে bacterium, Mycoplasma
capricolum এর জীবন্ত কোষের
মধ্যে bacterium Mycoplasma mycoides এর
synthetic genome (ডিএনএ
ব্লুপ্রিন্ট) এর নির্দেশ মত প্রোটিন
তৈরি হতে থাকে।কোষটি যেহেতু
জীবন্ত
ও সিনথেটিক ক্রোমসোম
দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল,তাই
সেটা অসংখ্যবার বিভাজিত হওয়ার সময়
গঠিত নুতন কোষগুলোও
সিনথেটিক ক্রোমসোম
দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
কোষের অনুরূপ ছিল।ক্রোমসোম অসংখ্য
জীন বহন করে। বিভিন্ন জীন বিভিন্ন
কাজ করে। বেশ কিছু জীনের কাজ
সম্পর্কে জানতে পারলেও কোন জীন
বা জীনগুলো প্রাণসঞ্চারে মূখ্য
ভূমিকা পালন
করে তা কিন্তু
বিজ্ঞানীরা এখনো জানতে পারেন
নাই।
Dr Venter, who has been working
on synthetic life for a decade, told
The Times: “It is our final triumph.
This is the first synthetic cell. It’s
the first time we have started with
information in a computer, used
four bottles of chemicals to write
up a million letters of DNA
software, and actually got it to
boot up in a living organism.
The man-made genome was then
transplanted into a related
bacterium, Mycoplasma
capricolum. This “rebooted” the
cell so that it was controlled by
the synthetic genome,
transforming it into another
species. The cell has since divided
more than a billion times.
Ben Davis, who works on synthetic
biology at the University of Oxford,
said: “I still think we are quite a
long way away from artificial life.
“You could take this synthetic
genome and write in new genes
with known functions, but that is
not so different from molecular
biology at the moment.”
কাজটা বেশ কঠিন এবং প্রশংসার
যোগ্য।
বিজ্ঞানীরা কিন্তু
বলছেন-“লাইফটা আর্টিফিশিয়াল”।
জীবন্ত কোষের প্রোটিন তৈরির
প্রক্রিয়াকে synthetic genome
দ্বারা পরিচালিত করার
কারণে এটাকে “আর্টিফিশিয়াল
লাইফ” বলা হচ্ছে। প্রকৃত
অর্থে লাইফটা কিন্তু আর্টিফিশিয়াল
নয়।
বরং খুব জোর প্রোটিন তৈরির
প্রক্রিয়াটাকে আর্টিফিশিয়াল
বলা যেতে পারে।আল্লাহর সৃষ্ট
ব্যাকটেরিওফাজ নামক এক ধরনের
ভাইরাস যে প্রক্রিয়ায় জনন কার্য সম্পন্ন
করে ও বংশ বিস্তার
করে,এক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা অনেকটা
সেই পদ্ধতিকেই অনুসরন করেছেন।এই
আর্টিফিশিয়াল লাইফ বানানোর
প্রক্রিয়ায়
বিজ্ঞানীরা আংশিকভাবে সফল
হলেও পূর্ণাঙ্গ
সফলতা অর্জনের পথটা যে এখনও অনেক দূর
বাকী- তা কিন্তু তারা ঠিকই স্বীকার
করছেন। সুতরাং রিয়াল লাইফ অর্থাৎ
“প্রকৃত জীবন” বানানোর ধারে কাছেও
যে বিজ্ঞানীরা যেতে পারেনি তা
ঘোরে না থাকলে বুদ্ধিমান মাত্রই
বুঝতে পারার কথা।
কিন্তু কতিপয়
অপপ্রচারকারী বিষয়টাকে ঘোলা করে
সেই ঘোলা পানিতে মাছ
স্বীকারের ব্যার্থ চেষ্টা করছে। আর
তাদের
এই মিথ্যে জালে নেহায়েত দু-চার
বা দশটা পুঁটি মাছ যদি ধরা পরেও যায়-
তো যাকনা।
এভাবে কিছুদিন চলুক।ওরা জীবন হাতের
মুঠায় ভরার স্বপন দেখুক। আবার
ধোকা খেলে ঠিকই বোকা হবে।
আপনারা কিন্তু ভাই সাবধান।
আশাকরি নিজেরা বিষয়টি আরও ভাল
করে জানার চেষ্টা করবেন।
পদ্ধতিগত এই সাফল্য অর্জন ও তার সুষ্ঠ
প্রয়োগের মাধ্যমে যে মানবসমাজের
বেশ উপকার হতে পারে তা বলার
অপেক্ষা রাখেনা।বিজ্ঞানীদের
মতে-
*তারা এমন জীবাণূ উৎপাদনের
কথা ভাবছেন যেগুলো বাতাসের
কার্বনডাই-অক্সাইড শোষণ
করে তা থেকে হাইড্রোকার্বন
তৈরি করবে এবং তা রিফাইনারিতে
কাজে লাগানো
যাবে।
*প্রাণঘাতী রোগের ভ্যাকসিন
উৎপাদনকে তরান্বিত করা সম্ভব হবে।
*নুতন ধরনের রাসায়নিক ও খাদ্য উপাদান
তৈরিতেও খাজে লাগানো যাবে।
*ওষুধ উৎপাদনে, গ্রিনহাউস গ্যাস
বিশোষণে ও জ্বালানি সংকট
নিরসনে এ
পদ্ধতিকে কাজে লাগানো সম্ভব
হতে পারে।তবে অনেকে একে bioterror
or “bioerror” হিসেবে আখ্যায়িত
করেছেন। সুতরাং এর অপপ্রয়োগের
ফলে যে প্রাণীজগত ও জলবায়ুর
মারাত্মক
ক্ষতি হতে পারে তা অবশ্যই
মনে রাখতে হবে। কয়েক বছর আগে এই
অপপ্রচারকারীদের
সাগরেদরা ক্লোনিং নিয়ে অনেক
লাফালাফি করল। তখন
বলে বেড়াল-
বিজ্ঞানীরা নাকি একটা আস্ত
ভেড়ী সৃষ্টি করে ফেলেছে!
মানুষকে কিছুদিন
ঘোরের মধ্যে রাখা ছাড়া বা দু-
চারজনকে বিভ্রান্ত করা ছাড়া খুব
একটা সুবিধা করতে পারেনি।এখন সেই
গান শেষ। এইবার
কৃত্রিম প্রাণের গান ধরেছে।

৫ thoughts on “বিজ্ঞানীরা নাকি কৃত্রিম প্রাণসৃষ্টি করেছেন! আসলেই কি তাই?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *