বিরুদ্ধ শ্রোতে সাঁতার কাটা

বিজ্ঞানীরা নাম দিলেন – বিগ ব্যাং৷ হু, সেই হচ্ছে শুরু। তারপর আস্তে আস্তে বড়ো হওয়া, বিস্তৃত হওয়া। এখনো ক্রমেই বেড়ে চলেছে মহাবশ্বিটা। এভাবে বাড়তেও থাকবে ৷ অথচ বিশাল এ ব্যাপারটার কোথাও কোন অনিয়ম নেই । চুলচরো বিশ্লেষণ করুন, উপাত্তের পর উপাত্ত হাজির করুন; না, কোথাও কোন অনিয়ম পাবেন না। হ্মুদ্রতম কোন নিয়মভেঙ্গর ঘটনা থাকলে মহাবিশ্ব’র উদ্ভবই হতো না।

বিজ্ঞানীরা নাম দিলেন – বিগ ব্যাং৷ হু, সেই হচ্ছে শুরু। তারপর আস্তে আস্তে বড়ো হওয়া, বিস্তৃত হওয়া। এখনো ক্রমেই বেড়ে চলেছে মহাবশ্বিটা। এভাবে বাড়তেও থাকবে ৷ অথচ বিশাল এ ব্যাপারটার কোথাও কোন অনিয়ম নেই । চুলচরো বিশ্লেষণ করুন, উপাত্তের পর উপাত্ত হাজির করুন; না, কোথাও কোন অনিয়ম পাবেন না। হ্মুদ্রতম কোন নিয়মভেঙ্গর ঘটনা থাকলে মহাবিশ্ব’র উদ্ভবই হতো না।

এবং পৃথিবী। এর উদ্ভব, বিকাশ এবং ব্যাপ্তি – এই সবই চলছে নিয়মের ঘেরটোপে। কোটি কোটি বছর আগে আদিসমুদ্রে জন্ম নিলো এককোষী বড়ো ক্ষুদ্র এক অনুজীব, সেই সূত্র ধরে বিবর্তনের নিয়মে গড়ে উঠলো পুরো জীবজগতটা। দীর্ঘ এই প্রক্রিয়াটায় নিয়মের কোন হেরফের নেই – খোঁজ নিয়ে দেখতে পারে যে কেউ। স্বর্গীয় কোন খেয়ালেও বাধাগ্রস্ত হয় না ক্রমবিবর্তনের এই অব্যাহত ধারা। আর তাই জৈব কিংবা অজৈব – কোন জগতেই নেই খামখেয়ালিপনা, ছকবাঁধা প্রণালীর বাইরে এক পা-ও পড়ছে না কারো।

অথচ মানুষই একমাত্র, যে নিয়ম গড়ে এবং ভাঙেও। এবং নিয়ম ভাঙে বলেই সবার চে’ আলাদা, সবচে’ বেশি উজ্জল হয়েই আছে ও। কত বছর, কত যুগ, শতাব্দী যায়; মহাকালের সূতোয় টান পড়ে একসময় – কিন্তু ‘যে জীবন দোয়েলের, ফড়িঙের – মানুষের সাথে তার হয়নাকো দেখা……..’

কিন্তু অপ অনিয়ম যখন পরিণত নিয়মে; প্রিয় পৃথিবীতে যখন নেমে এসেছে ‘অদ্ভুত আঁধার এক’; গাঙ্গেয় ব-দ্বীপে ‘সবচে’ বেশি চোখে দেখা’ অন্ধের সংখ্যা বাড়ছে আশংকাজনকহারে – তখন জগদ্দল পাথরের মতো চেপে থাকা এই ‘নিয়ম’গুলোকে ভাঙতে গেলে সাঁতার কাটতে হবে বিরুদ্ধ শ্রোতে। অনিয়ম দিয়েই নিয়ম ভাঙতে হয়। আর তা করতে হয় নিয়মের মহাসড়ক ধরে চলা মহাজীবনকে এগিয়ে নেবার স্বার্থেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *