ফ্রান্স কেন বারবার মুহাম্মদ কে নিয়ে কার্টুন আঁকছে ?




ফ্রান্স ইউরোপ মহাদেশের একটি নগরকেন্দ্রীক রাষ্ট্র। ফ্রান্সের জনসংখ্যার প্রায় তিন-চতুর্থাংশই শহরে বাস করে। আয়তনের দিক থেকে ফ্রান্স ইউরোপ মহাদেশের মাঝে তৃতীয়। ফ্রান্সের শিল্প সাহিত্য বেশ উঁচুমানের। স্থাপত্য বিদ্যা, চিত্রকলা ও ফ্যাশনে ফ্রান্স সারা পৃথিবীর সেরা। সম্প্রতি ফ্রান্স রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে নিয়ে ব্যঙ্গ চিত্র অঙ্কন করে সারা পৃথিবীতে হইচই ফেলে দিয়েছে। আল্লাহর রাসূলকে নিয়ে অনেক আগে থেকেই ফ্রান্স ব্যঙ্গচিত্র আঁকছে। এখন আমরা দেখব ফ্রান্সের সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাদের দেশে রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে নিয়ে ব্যঙ্গ চিত্র অঙ্কন করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। ফ্রান্সের জনসংখ্যার শতকরা ৭ ভাগ মুসলমান হলেও ফ্রান্সের মুসলমানরা এখনো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ফ্রান্সের রাজনীতি, ব্যবসা বাণিজ্য ও শিল্প সাহিত্যে ফ্রান্সের মুসলমানদের কোন ভূমিকাই নেই। মুসলমানদের থেকে বরং ইহুদীদের ফ্রান্সে বেশী প্রভাব আছে। ইহুদীরা ফ্রান্স সরকারের বড় বড় পদ দখল করে আছে, আইন প্রণেতাও হিসাবে ইহুদীদের সংখ্যা অনেক। সেই তুলনায় মুসলমানদের ভূমিকা শূন্যের কোঠায়। ফ্রান্সের জনগন Nudism এ অভ্যস্ত। ফ্রী মিক্সিং ফ্রান্সে খুব স্বাভাবিক। ফ্রান্সের জনগন খুব কমই বৈবাহিক প্রথায় অভ্যস্ত। তারা বেশীরভাগই লিভ টুগেদারে অভ্যস্ত। ফ্রান্সের শিশুরা মায়ের পরিচয়ে বড় হয়। আচ্ছা কখনো কি দেখা গেছে ফ্রান্সের ৭ ভাগ মুসলমান ফ্রান্সের এই মূলধারার জনগনের চলাফেরায় হস্তক্ষেপ করেছে বা রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবর থেকে উঠে এসে ফ্রান্সের লোকদের কে বলেছে তোমরা আর Girl Friend দের কে নিয়ে বিছানায় শুতে পারবা না তোমরা বৈবাহিক প্রথায় অভ্যস্ত হয়। না কখনোই এরকম হয় নি। কয়েক বছর আগে ফ্রান্সে স্বাস্থ্য বীমা নিয়ে অনেক হইচই হয়েছিল। স্বাস্থ্য বীমা কোম্পানি গুলি ফ্রান্সের মানুষদের কে ঠিকঠাক মত চিকিৎসার অর্থ দেয় না, অনেক ঝামেলা করে যে অসুখটা যখন ধরা পরেছিল তখন তুমি আমাদের কে জানাও নি। তাই আমরা তোমার এই অসুখের চিকিৎসার খরচ বহন করতে পারবো না। পশ্চিমা বিশ্বের সবকিছুই বীমা নির্ভর। ফ্রান্সের অর্থনীতি হল পুজিবাদী system যেখানে ইউরোর মান নির্ভর করে ডলারের উপর। আর ইসলামী অর্থনীতিতে টাকার মান নির্ভর করে স্বর্ণের দামের উপর। ইসলামী অর্থনীতির ছিটাফোঁটাও ফ্রান্সে নেই। তাই ফ্রান্সের উচ্চমানের জীবনযাত্রায় ও দৈনন্দিন খরচে ইসলামের কোন ভূমিকা নেই। তাইলে আমরা দেখতে পেলাম ফ্রান্সের জীবনযাত্রা অর্থনীতিতে ইসলামের কোন বিন্দুমাত্রও ভূমিকা নেই। তাইলে কেন ফ্রান্স বারবার রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে নিয়ে ব্যঙ্গ চিত্র অঙ্কন করছে ? আপনি হয়ত এখন ইরাক আফগানিস্তানের কথা বলতে পারবেন। কিন্তু ইরাক আফগানিস্তানের সাথে ফ্রান্সের কোন সীমান্ত নেই। শুধু ইরাক আফগানিস্তান নয় কোন মুসলিম দেশের সাথেই ফ্রান্সের কোন সীমান্ত নেই। তাই ইরাক আফগানিস্তানের রাস্তাঘাটে বোমা ফুটে এই জন্য ফ্রান্সের নিরাপত্তা হুমকির মুখে এই কথা কোন পাগলেও বিশ্বাস করবে না। আর ফ্রান্সের ভিসা পাওয়া খুব কঠিন। আপনারা কি কখনো শুনেছেন আপনাদের পরিচিত কেউ পড়াশুনার জন্য ফ্রান্সে গেছে ? না শুনেন নি। ফ্রান্স খুব কম লোককেই ভিসা দেয়। তবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উপনিবেশ স্থাপন করার কারনে সেইসব দেশের অনেক মুসলমান অনেক আগে থেকেই ফ্রান্সে বসবাস করে। যেমন আলজেরিয়া মরক্কোর মুসলমানরা। এছাড়া আর কোন মুসলিম দেশের নাগরিকদের কে ফ্রান্সে তেমন একটা দেখা যায় না। তাই isis বা তালেবান কি করল সেটা নিয়ে ফ্রান্সের মাথা না ঘামালেও চলবে। তাইলে মোটা দাগে দেখা গেল ফ্রান্সের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় মুসলমানদের ১% ভূমিকাও নেই। তাইলে ফ্রান্স যে এই বারবার আল্লাহর রাসূলকে নিয়ে ব্যঙ্গ চিত্র অঙ্কন করছে এর পিছে শুধু ইসলাম বিদ্বেষ ছাড়া আর কোন কারন থাকার কথা না। বিভিন্ন মুসলিম দেশে যখন ফ্রান্স উপনিবেশ স্থাপন করেছিল তখনই ওইসব দেশের বহু মুসলিম নারীকে ফ্রান্স ধর্ষন করেছে, লাখ লাখ মুসলিম যুবককে তারা হত্যা করেছে। তাই ফ্রান্সের মুসলিম বিদ্বেষ অনেক পুরানো। উপনিবেশ যুগ শেষ হয়ে গেলেও ফ্রান্স তার সেই গোঁ ছাড়তে পারে নাই। তাই কোন প্রাসঙ্গিক কারন ছাড়াই ফ্রান্স বারবার রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে অপমান করছে আর আমরা তা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি।

আমার সবচেয়ে অবাক লাগছে ফ্রান্সের এই ঘটনায় সৌদি আরব কিন্তু একদম চুপ। একটা কথাও বলছে না ওরা এই ব্যাপারে। ইসলামের তেলের টাকায় খাওয়া দাওয়া করে পেট মোটা করা ছাড়া সৌদি বাদশাহর মনে হয় আর কোন কাজ নেই। একটি মুসলিম দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তাদের দেশের ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত কে ডেকে নিয়ে এসে ভৎসর্না করল না। বাংলাদেশে এত ইসলামী রাজনৈতিক দল কিন্তু কেউই ফ্রান্সের দূতাবাসের অভিমুখে একটা মিছিল বের করতে পারল না। কিন্তু হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলার সময় বা জশনে জুলুস করার জন্য বহু মুসলিমই রাজপথে নেমে পরে। আর এখন আল্লাহর রাসূলকে অপমান করা হচ্ছে আর বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলি দেখেও না দেখার ভান করছে। আমরা কোন মুখে আখিরাতের ময়দানে রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফায়াত কামনা করবো ?

শার্লী হেবদোর যেই সংখ্যায় রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে নিয়ে ব্যঙ্গ চিত্র আঁকা হয়েছে ঠিক সেই সংখ্যাতেই বাংলাদেশ কে অপমান করে একটি কার্টুন আঁকা হয়েছে। ফ্রান্স এই ছবিটা ছাপিয়েছে বাংলাদেশ কে নিয়ে যেখানে ছবির ক্যাপশনে উল্লেখ আছে – “দেখ অন্যদিকে বাংলাদেশে কি হচ্ছে ? আর বাংলাদেশের শ্রমিকরা বলছে আমরা মনেপ্রাণে তোমাদের সাথেই আছি। ” সেখানে দেখানো হয়েছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা হাফ প্যান্ট পরে খালি গায়ে Je suis Charlie স্টিকার যুক্ত জামা তৈরি করছে। এই ছবিটার মূল বক্তব্য হল এটা আমরা বাঙ্গালী মুসলমানরা তোমাদের কে ঘৃনা করলেও পেট বাঁচানোর দায়ে আমরা তোমাদের পত্রিকার শিরোনাম ওয়ালা জামা তৈরি করছি। প্রথম কথা হল বাংলাদেশে শার্লী হেবদোর পত্রিকার স্টিকার যুক্ত জামা তৈরি হয়েছে কিনা এটা এখনো আমরা নিশ্চিত না। আর হয়ে থাকলেও বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা এগুলি বুঝে না আমরা কোন কোম্পানির জামা তৈরি করছি। আর আমরা কম দামে জামা তৈরি করে বলেই তোমরা গোটা বিশেক বান্ধবীর সাথে ঘুরতে পারো। দাম কম বলেই তোমার বাংলাদেশ থেকে জিনিস কিন। এই একই জিনিস চায়না থেকে কিনতে হলে তোমাদের কে কয়েক গুন বেশী অর্থ দিতে হবে। তাই তোমরাই আমাদের প্রতি নির্ভরশীল আমরা না। যেই ছেলেটা আপনার বাসার ময়লা নেয় সে না আসলে কিন্তু আপনি অনেক সমস্যার মধ্যে পরবেন। ময়লার গাড়ি নিয়ে আসা ছেলেটা কিন্তু চাইলেই অন্য পেশায় চলে যেতে পারে। সে কিন্তু আপনার কাছ ঠেকা না আপনিই তার কাছে ঠেকা। ঠিক তেমনি ফ্রান্সের জনগন বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাছে ধরা আছে। আর বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা খালি গায়ে হাফ প্যান্ট পরে থাকে না। তারা মানসম্মত পোশাক পরেই গার্মেন্টসে কাজ করে। শার্লী হেবদো পত্রিকা যে এত চরম ভাবে বাংলাদেশকে অপমান করল বাংলাদেশের মুক্তমনা ( মিথ্যামনারা) কিন্তু একদম চুপ। দেশের অপমানকে তারা গায়েই মাখছে না। সারাদিন মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ করে গলা ফাটিয়ে ফেললেও শার্লী হেবদো পত্রিকায় বাংলাদেশের অপমান কে মুক্তমনারা গায়েই মাখছে না।

১০ thoughts on “ফ্রান্স কেন বারবার মুহাম্মদ কে নিয়ে কার্টুন আঁকছে ?

  1. গার্মেন্টস শ্রমিকদের খালি
    গার্মেন্টস শ্রমিকদের খালি গায়ে দেখানোর কারণট হয় আপনি বুঝে উঠতে পারেননি নয়ত সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেন খুবই হালকা একটা কথা দিয়ে ।

  2. হুম, আসলে এই ফেসবুক আর ব্লগে
    হুম, আসলে এই ফেসবুক আর ব্লগে প্রতিবাদ করে লাভ কি আমি জানিনা। আমাদের মোড়ল সৌদি বাদশা রা কেন চুপ বুঝি না।

  3. “ইসলামের তেলের টাকায় খাওয়া
    “ইসলামের তেলের টাকায় খাওয়া দাওয়া করে পেট মোটা করা ছাড়া সৌদি বাদশাহর মনে হয় আর কোন কাজ নেই।”

    এইটা খাঁটি কথা।

  4. ফ্রান্সের দৈনন্দিন
    ফ্রান্সের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় মুসলমানদের ১% ভূমিকাও নেই। তাইলে ফ্রান্স যে এই বারবার আল্লাহর রাসূলকে নিয়ে ব্যঙ্গ চিত্র অঙ্কন করছে এর পিছে শুধু ইসলাম বিদ্বেষ ছাড়া আর কোন কারন থাকার কথা না। বিভিন্ন মুসলিম দেশে যখন ফ্রান্স উপনিবেশ স্থাপন করেছিল তখনই ওইসব দেশের বহু মুসলিম নারীকে ফ্রান্স ধর্ষন করেছে, লাখ লাখ মুসলিম যুবককে তারা হত্যা করেছে। তাই ফ্রান্সের মুসলিম বিদ্বেষ অনেক পুরানো। উপনিবেশ যুগ শেষ হয়ে গেলেও ফ্রান্স তার সেই গোঁ ছাড়তে পারে নাই।

  5. আমার সবচেয়ে অবাক লাগছে

    আমার সবচেয়ে অবাক লাগছে ফ্রান্সের এই ঘটনায় সৌদি আরব কিন্তু একদম চুপ। একটা কথাও বলছে না ওরা এই ব্যাপারে। ইসলামের তেলের টাকায় খাওয়া দাওয়া করে পেট মোটা করা ছাড়া সৌদি বাদশাহর মনে হয় আর কোন কাজ নেই। একটি মুসলিম দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তাদের দেশের ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত কে ডেকে নিয়ে এসে ভৎসর্না করল না। বাংলাদেশে এত ইসলামী রাজনৈতিক দল কিন্তু কেউই ফ্রান্সের দূতাবাসের অভিমুখে একটা মিছিল বের করতে পারল না। কিন্তু হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলার সময় বা জশনে জুলুস করার জন্য বহু মুসলিমই রাজপথে নেমে পরে। আর এখন আল্লাহর রাসূলকে অপমান করা হচ্ছে আর বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলি দেখেও না দেখার ভান করছে।

    এখানেই ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারন ধার্মিক মুসলিমগণ। তারা জেনে গেছে, ধর্মের নামে ইসলামের নামে জামাতে ইসলাম যত আল কোরানের আইন চাই আর সৎ লোকের শাসন চাই বলে চিল্লাক না কেন, মুলত এদের মুল এজেন্ডা হল যেকোনো মূল্যে ক্ষমতা পাওয়া। সৌদি সরকার সারা বিশ্বের মুসলমানদের মেরে ফেললেও রা করবে না শুধু বছর শেষে কয়েক লাখ হজ্জযাত্রী পেলে, তেল বেঁচে আর মক্কা বেচে আয়াশে যদি দিন গুজরান করা যায় তাহলে অযথা আম্রিকা ইউরোপকে ঘাঁটিয়ে লাভ কি? আমেরিকা ফ্রান্সের দাদা হুজুরেরা তো ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর নমস্য, তাদের বিরুদ্ধে অঙ্গুলি তোলার ক্ষমতা এবং ঈমানী শক্তি ইসলাম বিশ্ব এখনও অর্জন করতে পারেনি তাই আপাতত তারা জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস, জ্বালাও পোড়াও করে তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করছে, নিশ্চিত থাকুন, যেদিন ইসলাম ছাড়া আর অন্য কোন ধর্মের অস্তিত্ব থাকবে না তখন শুধু রাষ্ট্রদূত নয় স্বয়ং সে সকল দেশের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীদের নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরানো হবে!

    বাংলাদেশে গনতন্ত্র এখন মৃত, সেটা রক্ষা করার জন্য হেফাজত জামাত জিহাদ ঘোষণা করেছে, আপাতত গনতন্ত্র কায়েম করাই তাদের মুল জেহাদ। কোরান আল্লাহ রাসুলের অপমান নিয়ে তাদের আপাতত মাথা ব্যাথা নেই বলেই তারা এই সব নন ইস্যু(!) কে নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাচ্ছে না। নাস্তিক জালেম এই বাকশালি আম্লিগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেই তারা এ দেশে ইসলাম কায়েম করবেন এবং তারপর ফ্রান্সের দুতাবাস অভিমুখে মৌন পদযাত্রা করা যায় কি না সেটা নিয়ে পর্যালোচনা করবেন।

    ক্ষমতা না থাকলে কি জামাতের নেতারা ইসলাম ধুয়ে ধুয়ে খাবেন? ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে যদি ক্ষমতায় না যাওয়া গেল তাহলে সেই ইসলামের মূল্য কি? অন্তত ফ্রান্সের দুতাবাস ঘেরাও করার জন্য হলেও জামাতকে একটিবারের জন্য ক্ষমতায় আনা দরকার! নারায়ে তাকবির……।

    1. দাদা কি আওয়ামী ওলামালীগের
      দাদা কি আওয়ামী ওলামালীগের বায়াত গ্রহন করছেন? ভাল। বুড়ো বয়সে আপনার জন্য আছে তাবলীগ। ফ্রান্সের দুতাবাস ঘেরাও আপনার দল থেকে করে দেখেন।

  6. আমার মন্তব্য পড়ে যদি আপনার
    আমার মন্তব্য পড়ে যদি আপনার মনে হয় আমি সেই সব ধর্মান্ধদের মতো, তাহলে কিছু বলার নাই।
    যদি আমাকে কারো কারো মতো কোরান হাদিসের বিরোধিতা করতে বলেন, কোরান পুড়তে বলেন অথবা কার্টুন এঁকে কোরান হাদিস আল্লাহ রাসুলের অবমাননা করতে বলেন তবে সেটাও আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আর আওয়ামী ওলামালীগের কথা বলছেন, আমি আওয়ামীলীগ করি এটা সবার জানা তাই ভবিষ্যতে কোরান সুন্নাহ যেটুকু মেনে মুসলমানের খাতায় নাম রাখা যায় সেটা চেষ্টা করব তবে মুসল্মানিত্ব রক্ষা করতে ওলামালীগেই যেতে হবে এমনটা মনে করিনা।তাবলীগে যাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।

    আমি ফ্রান্সের দুতাবাস ঘেরাও করার পক্ষে কথা বলিনি, আমি যেটা বলেছি,

    ক্ষমতা না থাকলে কি জামাতের নেতারা ইসলাম ধুয়ে ধুয়ে খাবেন? ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে যদি ক্ষমতায় না যাওয়া গেল তাহলে সেই ইসলামের মূল্য কি? অন্তত ফ্রান্সের দুতাবাস ঘেরাও করার জন্য হলেও জামাতকে একটিবারের জন্য ক্ষমতায় আনা দরকার! নারায়ে তাকবির……।

    এখানে আমার প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত টুকু আপনার অজানা থাকার কথা নয়। এবং আমার ইসলাম এতোটা ঠুনকো নয় যে কে কি করল সেটার প্রতিবাদ করে ধর্ম রক্ষা করতে হবে। ধর্ম বিশ্বাসের বিষয় এবং সে বিশ্বাস পালনের মধ্যেই একজন ঈমান্দারের পরিচয় নিহিত থাকে। একজন ঈমানদার কোন মানুষকে আঘাত তো দূরে থাকুক, ন্যুনতম কটু কথা’ও বলবে না। অবশ্য আধুনিক জামাতি ইমানদারদের কথা বললে সেটা অন্য বিষয়। আমার পক্ষে সে ধরনের ঈমান্দার হওয়াও সম্ভব নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *