তসলিমা নাসরিন কি একজন নাস্তিক??

অনেক দিন থেকেই ভাবছি তসলিমা নাসরিন (নারীবাদী লেখিকা) কে নিয়ে কিছু লিখব।আজ সুযোগ পেয়েছি তাই লিখলাম–

অনেক দিন থেকেই ভাবছি তসলিমা নাসরিন (নারীবাদী লেখিকা) কে নিয়ে কিছু লিখব।আজ সুযোগ পেয়েছি তাই লিখলাম–
তসলিমা নাসরিন ৯০ এর দশকে কুরআন শরীফ এর বাণী পরিবর্তন ও একজন নারী পুরুষের সমান বিয়ের (৪টি) অধিকার এর কথা বলে সমালোচনায় আসেন।এবং তাকে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত করা হয়।উনি নিজেকে নাস্তিক ও free thinker বলে দাবি করেন।আমরা নাস্তিক ও free thinker বলতে বুঝি যে তারা ঈশ্বর কে বিশ্বাস করেনা এবং সকল মুক্তভাবে সকল ধর্মের সমালোচনা করে।কিন্তু তসলিমা নাসরিন শুধু ইসলামের শাশ্বত বাণী গুলোর অপব্যাখ্যা এবং সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ (সা:)কে গালি গালাজ করেন।উনার চরিত্র নিয়েও বাজে মন্তব্য করেন।(২৫ বছরের সুদর্শন যুবক যাঁকে কিনা মক্কার সকল নারীই কামনা করত।সেই যুবকটি মক্কার সকল কুমারী নারীকে অগ্রাহ্য করে বিগতা যৌবনা ও ৩ সন্তানের মা ৪০ বছর বয়স্কা এক মধ্যবয়সী নারীকে বিয়ে করেন।তারপর একটানা ২৫ বছর সংসার করেন,তাদের ছেলেমেয়েও হল।সেই সুদর্শন যুবকটি তার জীবনের ২৫ বছর কাটিয়ে দিল এক প্রৌঢ়া রমনীর সাথে।উনি হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মুহাম্মদ (সা:)) আর তসলিমা নাসরিন যার কিনা নিজের চরিত্রেরই ঠিক নাই উনি আসছেন মুহাম্মদ (স:) চরিত্র নিয়ে কথা বলতে।)

উনি যদি free thinker হন তাহলে তো অন্য সব ধর্মের বিরুদ্ধেও তার কথা বলা উচিত ছিল।নাকি একজন free thinker এর বেশিষ্ট্য হল এটাই যে,সে কখনও হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না???
আসলে রাসূল (সা:) নিয়ে কুটুক্তি না করলে আমেরিকা,সুডেনে বাড়ি করা সম্ভব নয়,হয়ত এজন্যই!!
আমার মনে হয় তসলিমা নাসরিন নাস্তিক নয় ইসলাম বিদ্বেষি।এবং ভারতের হিন্দুদের এজেন্ট।
হয়ত একদিন ভারত সরকারই উনাকে মেরে মুসলমান মৌলবাদীদের উপর দোষ চাপাবেন।যেমনটা ফ্রান্স সরকার গত কয়েকদিন আগে শার্লির হ্যাবদোর কার্টুনিস্টদের হত্যা করে মুসলমানদের উপর দোষ চাপিয়ে ছিল।

৩২ thoughts on “তসলিমা নাসরিন কি একজন নাস্তিক??

  1. যখন রাজনৈতিক কোন মিছিলে কেউ
    যখন রাজনৈতিক কোন মিছিলে কেউ স্লোগান দেয় অমুক ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র তখনই আসল কাহিনী বুঝে যাই
    শাক দিয়ে মাছ আর কত ঢাকবেন ভাই
    এনাফ!!!!

  2. ২৫ বছরের যুবক মুহাম্মদ ৪০
    ২৫ বছরের যুবক মুহাম্মদ ৪০ বছরের রমনীকে বিয়ে করছে কি ইসলামের খেদমতে? নাকি টাকা-পঁয়সার কারনে? কথাটা আমি বলতাম না। কিন্তু আপনি পোস্টে যেভাবে ২৫ বছরের মুহাম্মদকে রাজপুত্র হিসাবে উল্লেখ করলেন, যেনো খাদিজাকে বিরাট বিপদ থেকে উদ্ধার করেছে আপনাদের নবীজি! ধনকুবের খাদিজাকে মুহাম্মদ বিয়ে করেছে কেন? একটা দয়া করে ব্যাখ্যা দেন। আপনাদের চুলকানি বেশি। খাদিজার টাকা-পঁয়সা মুহাম্মদের মক্কার রাজনীতিতে উত্থানে বড় সহায়ক ছিল। খাদিজাকে বিয়ে করে মুহাম্মদ রাজনৈতিক বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়েছে। সোজা কথা, টাকা-পঁয়সার কারনে মুহাম্মদ খাদিজাকেে বিয়ে করেছেন। ইসলামের ইতিহাস তাই বলে। আপনি মুহাম্মদকে নিয়ে কতটুকু পড়েছেন? আর তসলিমাকে কতটুকু পড়েছেন?

    1. ৪০ বছরের খাদিজা (রহ:)কে
      ৪০ বছরের খাদিজা (রহ:)কে অবশ্যই টাকা পয়সা ও ইসলামের খেদমতে বিয়ে করেছেন।
      কেননা খাদিজা (রহ:) কে বিয়ে করে সকল টাকা ইসলামের পথেই খরচ করেছেন।
      আর খাদিজা (রহঃ) নিজেই মুহাম্মদ (সা:) এর উপর মুগ্ধ হয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন।তখন আরবদের অবস্থা ছিল করুন ও ভয়াবহ।মুহাম্মদ (সাঃ) কাফেরদের হাত থেকে খাদিজা (রহ:)protect দেয়ার জন্য বিয়ে করেন।

      1. @ আরিফুল: হুমায়ুন আজাদ স্যার
        @ আরিফুল: হুমায়ুন আজাদ স্যার এর একটা প্রবচন উল্লেখ করছি-

        মহামতি সলোমনের নাকি তিন শো পত্নী, আর সাত হাজার উপপত্নী ছিলো। আমার মাত্র একটি পত্নী। তবু সলোমনের চরিত্র সম্পর্কে কারো কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু আমার চরিত্র নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।

        হুমায়ুন আজাদ যদি সলোমনের উদাহরণ না দিয়ে মুহাম্মদের পত্নীবৃন্দদের কথা উল্লেখ করতেন, একই অর্থ প্রকাশ পেতো। এমন একজন মানুষ, যে গৃহকর্মীকে ভোগ করার জন্যও ধর্মীয় বৈধতা দিয়ে গেছেন। তসলিমার সমালোচনায় মুখর মোল্লাদের দেখলে আমার হাসি পায়। তসলিমা অকপটে যা বলে গেছে, তা জায়গামতো লেগেছে বলেই মোল্লারা তার ওপর বেজার। এটাই আসল কথা। অন্যান্য ধর্মেও নারীকে খুব একটা ভালো পজিশন দেয় নাই। নারীবাদী তসলিমা সেসব নিয়েও বলেছেন। কই মোল্লারা ছাড়া অন্য ধর্মবাজরা তো সেসব নিয়ে মাথা ঘামায়নি!

        1. তসলিমার সমালোচনায় মুখর

          তসলিমার সমালোচনায় মুখর মোল্লাদের দেখলে আমার হাসি পায়। তসলিমা অকপটে যা বলে গেছে, তা জায়গামতো লেগেছে বলেই মোল্লারা তার ওপর বেজার।

          …কারণ তসলিমা আর থাবা বাবার মত লোকেরা আমার পীর । আমি মুসলমানদের হাজারো ত্রুটি দেখতে পাইলেও, ওনাদের কোন ত্রুটি দেখতে পাইনা; আর তা স্বীকার করা তো দূরের কথা। তোমরা আমাকে মৌলবাদী নাস্তিক, সুশীল নাস্তিক বা সুবিধাবাদী নাস্তিক যাই বলনা কেন, আমি আমার মতই ভন্ডামি, সুশীলতা ও তালগাছ লইয়া থাকিব — নাসুবাবা শওকত !

    2. ইকারাস ভাই মহানবীকে নিয়ে
      ইকারাস ভাই মহানবীকে নিয়ে ব্যাপক পড়েছেন মনে হচ্ছে হাহাহা।
      তো মহানবী যে খাদিজার অর্থ গ্রহণ না করে,বিলাস বহুল বাড়ি ত্যাগ করে মহানবীর কুড়ে ঘরে আসতে বলেছিলেন এ বিষয়টি বোধ হয় পড়া হয়নি ?

    3. খাদিজার টাকা-পঁয়সা মুহাম্মদের
      খাদিজার টাকা-পঁয়সা মুহাম্মদের মক্কার রাজনীতিতে উত্থানে বড় সহায়ক ছিল। খাদিজাকে বিয়ে করে মুহাম্মদ রাজনৈতিক বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়েছে।

  3. ভাই আপনি হয়ত ভুল করছেন।আমি
    ভাই আপনি হয়ত ভুল করছেন।আমি মুহাম্মদ (সাঃ)চরিত্র সমন্ধে কথা বলার জন্য এই উদাহরণ দিছি আর আপনি অর্থনীতি,রাজনীতি নিয়া কমেন্ট করছেন।

    আমি মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে যতটুকু পড়ছি তাই এনাফ।
    আর তসলিমা নাসরিন সমন্ধে তেমন কিছু জানিনা।শুধু এটুকুই বলতে পারি উনি একজন ইসলাম বিদ্বেষি এবং হিন্দুদের দালাল

  4. তসলিমা নাস রীন কেন অন্য
    তসলিমা নাস রীন কেন অন্য ধর্মের বিপক্ষে লেখেন না আর পিকে সিনেমাতে কেন শুধু হিন্দু ধর্মকে কটাক্ষ করা হয়েছে এই দুটি প্রশ্ন প্রায় কাছাকাছি । উত্তরও তাই । তা হল তসলিমা নাস রীনের টার্গেট পাঠক আর পিকের টার্গেট দর্শক উভয়ই সংখ্যা গরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী । তারপরও আপনি তসলিমা নাস রীনের দৃষ্টি ভঙ্গীর সমালোচনা করতেই পারেন , সেটা আপনার গণতান্ত্রীক অধিকার।

    তসলিমা নাসরিন নাস্তিক নয় ইসলাম বিদ্বেষি।এবং ভারতের হিন্দুদের এজেন্ট।

    শেষের তিনটি শব্দ আপনার মডারেট মুসলমানত্বের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সাম্প্রদায়িক মনোভাবটি বের করার জন্য যথেষ্ট।

    ফ্রান্স সরকার গত কয়েকদিন আগে শার্লির হ্যাবদোর কার্টুনিস্টদের হত্যা করে মুসলমানদের উপর দোষ চাপিয়ে ছিল।

    সাবাস, গোয়েন্দা কর্ম কর্তা কিংবা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে আপনার ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল । আপনি এই দুর্ভাগা জাতিটিকে নিরাশ করবেন না এই আশা রাখলাম ।

    1. ভাই পি কে মুভিতে তো সব সত্যি
      ভাই পি কে মুভিতে তো সব সত্যি জিনিষই তুলে ধরা হয়েছিল।
      কিন্তু তসলিমা নাসরিন তো ইসলামের কথা গুলো বিকৃত করে নিজের ইচ্ছামত ব্যাখ্যা দেয়।
      আর উনি যদি হিন্দুদের দালাল না হয় তাহলে হিন্দুর নিয়ে কেন কিছু বলে না।যেখানে হিন্দু ধর্ম পুরোটাই বানোয়াট!!

      1. পিকে মুভিতে হিন্দু ধর্মের
        পিকে মুভিতে হিন্দু ধর্মের সমালোচনা করে কিছু সত্য তুলে ধরলে আপনি তাতে মুগ্ধ হন আবার তসলিমা ইসলাম ধর্মের কিছু সমালোচনা করে কিছু সত্য তুলে ধরলে তাকে ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে আখ্যা দেন। তাই না ? আচ্ছা আপনার বলা কথা গুলোকে কোন হিন্দু ধর্মাবলম্বী (পিকে বিরোধী ) তো এভাবেও বলতে পারেন। যেমন

        তসলিমা নাস রিনের বইয়ে সব সত্যি জিনিষই তুলে ধরা হয়েছিল।
        কিন্তু রাজকুমার হিরানী পিকে মুভিতে হিন্দু ধর্মের কথা গুলো বিকৃত করে নিজের ইচ্ছামত ব্যাখ্যা দেয়।
        আর উনি যদি মুসলমানদের দালাল না হয় তাহলে মুসলমানদের নিয়ে কেন কিছু বলে না।যেখানে ইসলাম ধর্ম পুরোটাই বানোয়াট!!

        আসলে আপনি যে এইভাবে এক মুখি চিন্তা ভাবনা করেন তার দোষ আপনার নয়। হিন্দু ধর্ম , মুসল মান ধর্ম সহ সকল ধর্মই একজন মানুষকে খুব ছোট বেলা থেকেই শিক্ষা দেয় শুধু তার ধর্মই সেরা, এবং বাকি সব ধর্মই বুজরুকি । এভাবেই খুব ছোট বেলা থেকেই গড়ে উঠে তাদের মন স্তত্ব। তাইতো কারো কাছে শিবলিঙ্গে দুধ ঢালাকে হাস্যকর লাগে আবার কারো কাছে কাবা ঘরের চারপাশে চক্কর মারাকে। নিজের ধর্মকে সেরা বলে দাবী করাটাও আসলে টিভিতে প্রচারিত বিউটি ক্রিমের বিজ্ঞাপনের মত যার দাবী শুধু সেটিই আপনার গায়ের রংকে ফর্সা করে। এই ভাবে কিছু ভ্রান্ত প্রচার চালিয়েই টিকে আছে ধর্ম গুলো।

        1. ভাই আমি আমার পোষ্টের মাধ্যমে
          ভাই আমি আমার পোষ্টের মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছি যে উনি নাস্তিক নয়।হিন্দুদের হয়ে কাজ করেন।আর আপনি রাজকুমার হিরানির কথা তুলছেন।মাথায় কি গন্ডগোল হয়ছে।
          তুলছেন ভালকথা but ছবিটা তো পুরুপরি দেখবেন।এখানে সব ধর্মকে নিয়েই সমালোচনা করছে।
          আমার মনে হয় আপনার ছবিটা আরেকবার দেখা উচিৎ!!!

          1. পোষ্টে আপনার লেখার ভাষা
            পোষ্টে আপনার লেখার ভাষা দেখে আপনাকে সহজ ভাবে পিকের উদাহরন দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্ত আপনি সেটা না বুঝে উল্টো আমার মাথায় গন্ড গোল আছে কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তা বোধ করছেন। যাক আমার প্রতি আপনার দুশ্চিন্তা দেখে ভাল লাগলো। আমি আসলে বুঝাতে চেয়েছি যে আপনি তসলিমা সম্পর্কে যে অনূভুতি ব্যক্ত করছেন সেই একই অনূভুতি কোন হিন্দুও ব্যক্ত করতে পারে পিকে দেখে( যদিও পিকের মূল বক্তব্য সব ধর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য , তসলিমার লেখা বইও আসলে তাই) । কারন ধর্ম গুলো এরকমই একমুখী তীব্র ও অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ মুলক মনোভাব তৈরি করে তার অনুসারীদের মাঝে। একমুখী চিন্তা বাদ দিয়ে মুক্ত চিন্তা করতে শিখুন।

      1. আমি পিকে দেখেছি কয়েকবার। এই
        আমি পিকে দেখেছি কয়েকবার। এই মুভিতে গড়পড়তা সব ধর্মের অনৈতিকত দিকগুলো নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হিসাবে হয়ত হিন্দু ধর্মের অনৈতিকতা নিয়ে বেশি সমালোচনা হয়েছে। সেটাই স্বাভাবিক নয় কি? পিকে কোন একটা ধর্মকে টার্গেট করে নির্মাণ হয়নি। মুলত ধর্মীয় অসঙ্গতিকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে।

      2. পিকে ছবিতে সব ধর্মের অনৈতিক
        পিকে ছবিতে সব ধর্মের অনৈতিক দিকগুলো নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। কিন্ত এই ছবির টার্গেট দর্শক তথা ভারতের অধিকাংশ মানুষ হিন্দু হওয়ায় মুলত হিন্দু ধর্মের বুজরুকিগুলোকে তুলে ধরে ছবির মূল বক্ত্যব্যকে সব ধর্মের মানুষের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। তসলিমা নাস রীনের লেখার ক্ষেত্রেও এই কথাটি প্রযোজ্য। এটিই এই পোষ্টের লেখককে সহজ ভাবে বুঝানোর জন্য পিকের উদাহরন দিয়েছিলাম। এই সিম্পল জিনিসটাই যদি কেউ না বুঝে তাহলে আর কিইবা করার আছে। :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ:

        1. জনাব ,তসলিমা এখন ভারত থাকেন
          জনাব ,তসলিমা এখন ভারত থাকেন বাংলাদেশে নয়।পিকের তুলনা যদি দেন তাহলে তসলিমার হিন্দুধর্ম নিয়েই লেখা উচিত্‍।

          1. তসলিমা নাস রীনের জন্ম
            তসলিমা নাস রীনের জন্ম বাংলাদেশের একটি মুসলমান পরিবারে। তার বেড়ে ওঠা ,পড়াশোনা ,লেখক হিসেবে উত্থানও বাংলাদেশে। তার টার্গেট পাঠকও মুলত বাংলাদেশী। কাজেই তিনি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী সংখ্যা গরিষ্ঠ ধর্মের মানুষকে নিয়ে লিখবেন এটাই স্বাভাবিক । যে ধর্মকে তিনি কাছ থেকে দেখেছেন, যে ধর্মীয় পরিমন্ডলে তিনি বড় হয়েছেন সেটাকেই তিনি তার লেখার উপজীব্য করেছেন।আর লেখালেখির কারনে তাকে বাংলাদেশ ছাড়তে হওয়ায় তিনি হয়তো আরো বেশি করে ইসলাম ধর্ম নিয়ে লেখার উৎসাহ বোধ করে থাকতে পারেন। এটিই স্বাভাবিক। আর ভারতে হিন্দু ধর্মের সমালোচনা করে লেখার জন্য বহু লেখক আছে যেমন ডঃ প্রবীর ঘোষ, সুমিত্রা পদ্মভন ,সুব্রামানিয়াম চন্দ্রশেখর প্রমুখ কিন্ত লেখা লেখির জন্য তাদের কাউকেই তো তসলিমার মত দেশ ছাড়তে হয় নি।

          2. আরে ভাই ইসলামের বিরুদ্ধে না
            আরে ভাই ইসলামের বিরুদ্ধে না লেখলে এত বিলাশ বহুল ভাবে থাকা সম্ভব না।
            আর তসলিমা নাসরিন যদি ভারতে থেকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে লিখে তাহলে মোদি সরকার উনকে কি করবে তা আমাদের থেকে তসলিমা নাসরিনই ভাল জানেন।

  5. হাহাহা ।জনাব
    হাহাহা ।জনাব @অপার্থিব,তসলিমা ভয়ে লিখেননা ।প্রবীর ঘোষদের দেশ ছাড়া হতে হয়নি ,তবে বেশ বেগ পোহাতে হয়েছে ।সামান্য ইতিহাস লেখার দায়ে খোদ ভারতেই গোলাম আহমদ মোর্তজা সাহেবের ২টি ইতিহাসের বই বাতিল হয় ।জাত পাত নিয়ে সনাতনি হাউকাউ তুলে ধরায় আমির খানের একটা টিভি শো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল,মুনশি মেহের উল্লাহ্’র বই ও।শেষ টার্গেট হল পিকে।এসব তসলিমা দেখেননা ? শুধুমাত্র মুসলিম মৌলবাদীদের বিপক্ষেই তসলিমা লিখে যাচ্ছেন কিন্তু ভারতের মাটিতে সনাতনি এইসব মৌলবাদীদের বিপক্ষে না লেখার মানে কি ?
    ভারতের সনাতনি মৌলবাদীরাই তারে এসাইলাম দিছে,যারা দুঃখের দিনে তসলিমারে এসাইলাম দিছে তাগো বিপক্ষে লিখলে আবার সুইডেন যাওয়া লাগতে পারে এই ভয় তার মধ্যে কাজ করে ।তাই সনাতনি মৌলবাদের বিরুদ্ধে না লিইখা ইসলাম এন্টিপ্যাথেটিক হয়ে পেট চাপড়াচ্ছেন আর মাঙনা ভারতীয় অন্ন ধ্বংস করে চলছেন…

    1. যার জন্ম যে পরিবারে ,যে যে
      যার জন্ম যে পরিবারে ,যে যে বিষয়ে বেশি জানে , যে যে ধর্মীয় ও সামাজিক পরিমন্ডলে বড় হয়েছে সে সেই বিষয়েই লিখবে। বাংলাদেশে বসে কখনো আমেরিকায় না যেয়ে , আমেরিকান দের সম্পর্কে না জেনে কেউ তো আর আমেরিকানদের ধর্ম বিশ্বাস, জীবন যাত্রা ইত্যাদি নিয়ে লিখতে পারে না। মুসলিম উগ্র পন্থীদের আন্দোলনের কারনে তাকে দেশ ছাড়তে হওয়ায় তিনি ইসলাম ধর্ম নিয়ে লেখার আরও বেশি উৎসাহ বোধ করে থাকতে পারেন। এটিই স্বাভাবিক । আর তসলিমা হিন্দু মৌল বাদী দের নিয়ে লেখেন না এই কথাটি মোটেও সত্য নয়। আমি পত্রিকায় লেখা কলামে তাকে বিজেপির সমালোচনা করতে দেখেছি। মুসলমান নাম ধারী কেউ ভারতে বসে হিন্দু ধর্মের সমালোচনা করলে অনেক প্রভাবশালী হিন্দু মৌল বাদীর আতে ঘা লাগতে পারে এটিও তার মাথায় থাকতে পারে যেমনটা আমাদের দেশে হিন্দু নাম ধারী কেউ ইসলাম ধর্মের সমালোচনা করলে কেউ কেউ একেবারে রাগে ফুটতে থাকে। পরিষ্কার করে বললে বাংলাদেশে মুসলমান নাম ধারী কেউ নবীর সমালোচনা করলে হয় তাকে গালাগালি কিংবা সুযোগ পেলে কোপানো হবে কিন্ত হিন্দু নাম ধারী কেউ করলে নিশ্চিত ভাবে তার বাড়িতে এবং যে এলাকায় সে থাকে ঐ এলাকায় আরও কিছু হিন্দু বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হবে।সাম্প্রদায়ীকতার চেহারা পৃথিবীর সব দেশে ,সব ধর্মেই এক। ভয় পাওয়া মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা ,ভয় পাওয়া দোষের কিছু নয়। বিভিন্ন প্রতিকুল পরিবেশ মোকাবেলা করে তিনি যে লিখে যাচ্ছেন তার জন্য অবশ্যই তার সাধুবাদ প্রাপ্য।

      1. যার জন্ম যে পরিবারে ,যে যে

        যার জন্ম যে পরিবারে ,যে যে বিষয়ে বেশি জানে , যে যে ধর্মীয় ও সামাজিক পরিমন্ডলে বড় হয়েছে সে সেই বিষয়েই লিখবে।

        জনাব অপার্থিব@ এইটা কু যুক্তি বৈ অন্য কিছু না ।তাইলে বদ্ধমনা গ্রুজি অভিজিৎ রায় জন্মসূত্রে হিন্দু
        হইয়াও ইসলাম ধর্ম নিয়া বুলি কপচায় কেন? পাতিনাস্তিকীয়
        যুক্তি মোতাবেক জন্মসূত্রে হিন্দু
        অভিজিৎ এর হিন্দু ধর্ম সম্পর্কেই
        বেশি জানাশোনা থাকার কথা, তবুও সে কেন ইসলামের বিরোধিতা করে??
        আক্কাছ মালিক ঘরে বড়দিনের উত্‍সব করে তাইলে খৃষ্টধর্ম সম্বন্ধে তার জানার কথা বেশি (তার পরিচয় সে এমন ভাবে দেয় তাই সরাসরি খৃষ্টান কওন গেলনা) তাইলে ইসলামে তার এত খাউজানি কেন ?
        ব্লগার নীলয় নীল জন্মসূত্রে নাসারা অর্থাত্‍ খৃষ্টান তাইলে ইসলামে তার আপত্তি কোথায়?

        1. আপনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন
          আপনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তাদের ধর্মীয় পরিমন্ডল আলাদা হলেও সামাজিক পরিমন্ডল এক কারন তাদের প্রত্যেকের জন্মই বাংলাদেশে যে দেশের অধিকাংশ মানুষই মুসলমান । তাদের লেখার টার্গেট পাঠকের অধিকাংশই মুসলমান। হয়তো অনিচ্ছা স্বত্বেও তাদের মুসলিম সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখতে হয়েছে। ভিন্ন ধর্ম বা ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি কারো বাড়তি আগ্রহ থাকতেই পারে ,এটাও অস্বাভাবিক নয়।এসব কারনেই হয়তো তারা ইসলাম নিয়ে বেশি লিখে থাকতে পারেন, অবশ্য সঠিক উত্তর আমার চেয়ে তারাই ভাল দিতে পারবে। এছাড়াও কেউ কেউ হয়তো কোন বিশেষ ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ পোষণও করে থাকতে পারেন , এটাকেও উড়িয়ে দিচ্ছি না। কিন্ত প্রত্যেকেরই কোন ধর্ম কিংবা কোন প্রথা নিয়ে মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। আপনার সে মত ভাল না লাগলে তার সমালোচনা করুন। কিন্ত তার উপর হামলা কিংবা তাকে ইসলাম বিরোধী ট্যাগ দিয়ে দেশ ছাড়া করার অপচেষ্টাকে মধ্যযুগীয় বর্বরতা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না ।

          1. এছাড়াও কেউ কেউ হয়তো কোন বিশেষ

            এছাড়াও কেউ কেউ হয়তো কোন বিশেষ ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ পোষণও করে থাকতে পারেন

            বিশেষ কারনটা হল ইউরোপ আমেরিকায় এসাইলাম পাওয়ার লোভ।বাংলাদেশে শুধু ইসলাম ধর্ম নিয়ে লিখলেই ইউরোপ আমেরিকায় এসাইলাম পাওয়া যায়।

            কিন্ত তার উপর হামলা কিংবা তাকে ইসলাম বিরোধী ট্যাগ দিয়ে দেশ ছাড়া করার অপচেষ্টাকে মধ্যযুগীয় বর্বরতা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না ।

            ধরুন ১০কোটি মানুষ একটা ধর্ম পালন করে আর আপনি একাই এই ১০কোটির অনুভূতিতে আঘাত করলেন তো আপনাকে কি কোন সামাজিক জীব ভাবা যাইতে পারে ?
            রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়লে সমাজকর্মের অধ্যায় ধর্মের একটা বিশেষ স্থান আছে দেখতে পাবেন,কিন্তু দেখা যাইতেছে আপনি পলপটের মত ধার্মিকদের প্রতি বিদ্বেষ পোষন করে তাদের অনুভূতিতে আঘাত করতেছেন । সমাজ রক্ষা করতে আপনাকে তাড়ানো সমাজকর্মীর একটা কর্তব্য ।বাক স্বাধীনতার নামে ১০কোটির অনুভূতিতে আঘাত করাও মধ্যযুগীয় বর্বরতা বৈ অন্য কিছু না ।

  6. ঘরের কাজের মেয়ে আর দাসদাসী এক
    ঘরের কাজের মেয়ে আর দাসদাসী এক জিনিস না। ঘরের কাজের মেয়ে হচ্ছে আমাদের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী। আমরা তার জীবন ও সম্পদের মালিক না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *