অন্তত একটিবার কি আপনারা পারেন না সত্যতা যাচাই করে দেখতে? (সব সত্য লিখছি,যাচাই করে দেখতে পারেন)

আপনারা অনেকে দাবি করে থাকেন আওয়ামীলীগ নাকি ”জয় বাংলা,জয় বঙ্গুবন্ধু” স্লোগানটি জোড় করে তাদের পারিবারিক স্লোগান বানিয়ে নিজস্ব সম্পত্তির মত ব্যবহার করে। কিন্তু লজ্জাজনক কথা হল যে, আপনাদের সবাই এই দাবি সাধারণত ইতিহাস না জেনে অযুক্তিক ভাবে করে।আমি আজকে সত্যের জয় সর্বদা এই কথাটি স্মরণ করে,আপনাদের দাবির ভুল প্রমান করার জন্য সেই ব্রিটিশ শাসন আমলের পর থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামীলীগের সৃষ্টি সম্পৃক্ত সকল ঘটনা আপনাদের সবার সামনে তুলে ধরছি।


আপনারা অনেকে দাবি করে থাকেন আওয়ামীলীগ নাকি ”জয় বাংলা,জয় বঙ্গুবন্ধু” স্লোগানটি জোড় করে তাদের পারিবারিক স্লোগান বানিয়ে নিজস্ব সম্পত্তির মত ব্যবহার করে। কিন্তু লজ্জাজনক কথা হল যে, আপনাদের সবাই এই দাবি সাধারণত ইতিহাস না জেনে অযুক্তিক ভাবে করে।আমি আজকে সত্যের জয় সর্বদা এই কথাটি স্মরণ করে,আপনাদের দাবির ভুল প্রমান করার জন্য সেই ব্রিটিশ শাসন আমলের পর থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামীলীগের সৃষ্টি সম্পৃক্ত সকল ঘটনা আপনাদের সবার সামনে তুলে ধরছি।

আগেই বলে রাখি এই সকল ইতিহাসের একটি কথাও আমার নিজের মনের মাধুর্যের সাথে সৃষ্টি করে লেখা না।সকল ঘটনার সত্যতা উপযুক্তভাবে প্রমান পাওয়ার পর আমি এই সব ঘটনা আপনাদের কাছে তুলে ধরছি।যদি আমার লিখতে কোন ভুল হয় তাহলে আমাকে ক্ষমাস্বরূপ দৃষ্টিতে রেখে আমাকে জানাবেন আমি তা সংশোধন করে নিব।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ক্ষমতাসীন পাকিস্থান মুসলিম লীগের বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘পূর্ব পাকিস্থান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ যার সভাপতি ছিলেন মওলানা ভাসানী। কিন্তু তখন পীর সাহেব (সকল তথ্যে তার এই নাম এটি লেখা রয়েছে) উত্তর-পশ্চিম সিমান্তে একই নামের আর একটি দল গঠন করেন। এর পরবর্তী কয়েক মাসের মধ্যেই পীর সাহেব,মওলানা ভাসানী এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ারদীর তিনটি দল একত্রিত হয়ে গঠন করে ‘পাকিস্থান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ যা পূর্ব পাকিস্থানের জন্য এক বিরাট রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্তঃপ্রকাশ করতে থাকে।
এরপর ১৯৫১ সালের ২৭ মার্চ ‘যুবলীগ’ নামের একটি সংগঠন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকায় যুবকেরা একটি যুব সম্মেলনের ডাক দেয়। কিন্তু পাকিস্থান সরকার এই সম্মেলন প্রতিহত করার জন্য ঐ দিন ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। ফলে যুবকেরা নৌকা করে বুড়িগঙ্গা নদী পাড় হয়ে ‘জিঞ্জিরা’ গিয়ে সম্মেলন করার সিধান্ত নেয়। কিন্তু সম্মেলন সুরুর কিছু পূর্বে ঐখানে পুলিশ পৌঁছে বাধা দেওয়াই যুবকরা সেই সম্মেলন করেন বুড়িগঙ্গা নদীর উপর ভাসমান নৌকাতে। যার সম্পূর্ণ নেতৃত্ব দেন শেখ মুজিবুর রহমান। পরে এই যুবলীগ দলটি পাকিস্থানিদের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় হয়ে দাড়াতে থাকে। এই যুব আন্দোলনকে আদর্শে রেখে পূর্ব পাকিস্থানে অনেক ছোট ছোট আন্দোলনী দল গড়ে উঠতে থাকে। পরে এই সবগুলো দল মিলে ১৯৫৪ সালে মুসলিম লীগ বিরোধী ‘যুক্ত ফ্রন্ট’ গঠন করে। সেই সালে মুসলিম লীগকে নির্বাচনে হারিয়ে যুক্তফ্রন্ট ৯৭% ভোটে নির্বাচিত হয় এবং প্রধান মন্ত্রী হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ারদী। কিন্তু মাত্র ৩ মাসের মাথায় পাকিস্থান থেকে সাজানো নাটকের মাধ্যমে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুতো করে যুক্তফ্রন্টকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। এর পর ১৯৫৭ সালে সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙ্গে যায় আওয়ামী মুসলিম লিগ। সেই সময় যুবলীগের সংগ্রামী নেতা হিসেবে শেখ মুজিবুর রাহমান বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে থাকেন নানা আন্দোলনের। এর পর ১৯৬৬সালে দেশ যখন সম্পূর্ণ বিপর্যয়ের মুখে তখন শেখ মুজিব অত্যন্ত সাহসীকতার সাথে প্রকাশ্যে-৬ দফা দাবি ঘোষণা দেন এবং পাকিস্থান প্রশাসনের কাছে তা লিখিতভাবে পরিবেশন করে। যা ছিল বাংলার মানুষের একটি মাত্র মুক্তির সনদ। কিন্তু আগরতলা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এই ৬ দফাকে কেন্দ্র করে শেখ মুজিবকে আয়ুব সরকার ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে তার উপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। এর পর পূর্ব বাংলার সব দল রাস্তায় নেমে পরে আয়ুব বিরোধী আন্দোলনে। ফলে ১৯৬৯ সালের ২২ফেব্রুয়ারি গণআন্দোলনের চাপে পাকিস্থান সরকার শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিশোধের এক বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়। উপাধি দেওয়ার সাথে সাথে চারিদিক মুখরীত হতে থাকে “জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগানে। বঙ্গবন্ধুর মানে হল বাংলার বন্ধু। এর পর বাংলার প্রতিটি মানুষ তাকে একমাত্র বঙ্গবন্ধু নামে চিন্ত।
এর পর ১৯৭০ সালের নভেম্বরে পূর্ব-পাকিস্থের উপকূলে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে মারা যায় প্রায় দেড় লাখের মতো মানুষ। প্রায় খাদ্য শুন্যে তখন ভয়াবহ এক দুর্ভিক্ষ শুরু হয় দেশে। দেশের এমন পরিস্তিতিতে পশ্চিম-পাকিস্তান থেকে ত্রান এবং কেউ দেখতে আসেনি বলে, ‘ওরা কেউ দেখতে আসেনি’ এবং ‘কাঁদো দেশবাসী কাঁদো ‘ শিরনাম ‘আজাদি’ ও ‘পূর্বকোন’ পত্রিকায় প্রকাশিত হলে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে দেশবাসী। তাদের এতদিন ভিতরে দমে থাকা সকল ক্ষোভ তখন আন্দোলনের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে থাকে। তখন জনগণের অনুরোধে বঙ্গবন্ধু ‘আওয়ামীলীগ’ নামের একটি রাজনিতিক দল গঠন করে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহন করে। এর পরের ইতিহাস আর কিছু লিখলাম না,কারন আপনারা ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সালের কাহিনী সবাই জানেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর খালেদ মোশারফ ও খন্দকার মোশতাক ক্ষমতা দখলে নেন শুধু তাই নয় ২৩ আগস্ট শীর্ষ চার নেতা সহ ২৩ জনকে গ্রেফতার করে জিয়াউর রাহমানকে সেনাপ্রধান বানানো হয়। খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে ৩ নভেম্বর জেলখানাই হত্যা করা হয় দেশের শীর্ষ চার নেতাকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তারা ঘোষণা করে যে, বঙ্গবন্ধু নাম নিলে এবং তার মৃত্যুতে কোন বিক্ষোভ বা প্রতিবাদ করলে সাথে সাথে গুলি করা হবে সকলকে। জেল হত্যার পর তারা ৬ নভেম্বর ক্ষমতা তুলে দেয় জিয়াউর রাহমানের হাতে। শুধু তা নয়, নিষিদ্ধ করা হয় আওয়ামীলীগ নামের দলটিকেও। তখন ১৯৭৫ সালে জিয়া সরকারের আমলে নিষিদ্ধ ‘বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে জিয়াউর রাহমানকে চ্যালেঞ্জ করেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমান। এর পর দীর্ঘ ৮৩ দিন পর লাখো মানুষ বাঙ্গবন্ধুর বাড়িতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরে। ১৯৭৯ সালে জিয়া সরকারের বিরদ্ধে দশ দলের প্রবল আন্দোলন শুরু হয়। এবং বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ আবার চালু হয়। আপনারা হয়তো অনেকে জানেন না জিয়াউর রাহমানকে হত্যার নেতৃত্ব দানকারী জেনারেল মঞ্জুর কিন্তু একজন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডর ছিলেন। যিনি হয়তো আর সহ্য করতে পারছিলেন না।

যাই হোক ১৯৯১-এ খালেদা জিয়া নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি জয় বাংলা স্লোগান না দিয়ে দেন বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। যা ক্ষীপ্ত ও হতাশ করে তুলে সমগ্র জাতিকে। যদিও তিনি নির্বাচনের পূর্বে প্রতিস্রতি দিয়ে বলেছিল তিনি নাকি মুক্তিযুদ্ধের অনুসারী হয়ে দেশের জন্য নেতৃত্ব দিবেন। কিন্তু তিনি তা ভঙ্গ করেন তার প্রথম শপথ গ্রহনের সময়ই। সব চাইতে হাস্যকর ছিল, ২০০২ সালের নির্বাচনে তিনি বলেছেন আপনারা ধানে ভোট দিন ধান থেকে চাল হয়, নৌকায় চাল হয় না কোনদিন। আর বাংলার সহজ সরল মানুষ তা সত্য ভেবে তাদের ভোটও দেয়।
আওয়ামীলীগের মার্কা নৌকা দেওয়ার কারন ছিল, বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগ খুলেছিল বাংলার পূর্বের রাজনীতিক দল গুলোকে আদর্শে রেখে। আর মার্কা নৌকা দেন ১৯৫১ সালের যুব সম্মেলনের নৌকায় অনুষ্ঠিত ঐ সমাবেশকে স্মরণ করে। যার মানে হল “যতোই আসুক বাধা বিপত্তি যেখানেয় থাকি না কেন কোনদিন পিছু হাটা চলবে না।”

এখন আশা করি আপনারা সবাই বুঝতে পেরেছেন যে, কিভাবে বি.এন.পি ”জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু” এই স্বাধীনতার স্লোগানটি স্বীকার না করে তাকে বানিয়ে দিয়েছে আওয়ামীলীগের একটি দলীয় স্লোগান। যেই দলের সৃষ্টি করেছে বঙ্গবন্ধু সেই দলকে আপনারা বলেন এই স্লোগান না দিতে। মানুষের শুনা কথায় কান না দিয়ে অন্তত একবার কি আপনারা সত্যতা যাচাই করতে পারেন না?

জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।

৫২ thoughts on “অন্তত একটিবার কি আপনারা পারেন না সত্যতা যাচাই করে দেখতে? (সব সত্য লিখছি,যাচাই করে দেখতে পারেন)

  1. হ্যাটস অফফফফফফফফফফফফফফফ।
    কোন

    :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:
    হ্যাটস অফফফফফফফফফফফফফফফ।
    কোন কথা নাই শুধু বলব হাতুড়ে ভাই ইউ রক্স।
    :salute: :salute: :salute: :salute:

  2. হাতুড়ে ভাই বানানগুলো যদি একটু
    হাতুড়ে ভাই বানানগুলো যদি একটু ঠিক করে নিতেন তাহলে ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানাবো পোস্ট স্টিকি করবার।

  3. দারুণ লিখেছেন ভাইয়া।স্টিকি
    দারুণ লিখেছেন ভাইয়া।স্টিকি করার মত একটি লেখা।চালিয়ে যান আপনি আপনার আপন মহিমায় !!

  4. আপনারা সবাই জানেন এই দেশের ৯৫
    আপনারা সবাই জানেন এই দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ এখনো শুনা কথায় লাফ মারে নিজে জানার চেষ্টা করে না। আমি আপনাদের অনুরোধ করে বলছি অনলাইনে বা যে কোন মাধ্যমে সবার কাছে পৌছে দিন, যাতে অন্তত সবাই এটা বুঝতে পারে যে শুনা কাথার সত্যতার চাইতে নিজে জানার সত্যতা সর্বদা সঠিক।

    যে বিষয়েই হোক না কেন আমি সর্বদা আগে সত্যতা যাচাই করি তারপর মন্তব্য করি।

    1. ডাক্তার সাহেবের সাথে সহমত এবং
      ডাক্তার সাহেবের সাথে সহমত এবং এই লিখাটি শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবার অনুরোধ জানাচ্ছি।

  5. রাজাকার বিশেষজ্ঞ ও শিবির
    রাজাকার বিশেষজ্ঞ ও শিবির প্রতিষেধক নামের স্বার্থকতা আছে আপনার মধ্যে ! সময়োচিত পোস্টের জন্য ধন্যবাদ জানাই । পোস্টটি স্টিকি করার জন্য স্টেশণ মাষ্টারের নিকট দাবি জানাচ্ছি ।

  6. ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব আমাকে
    ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব আমাকে দুই গালে কষিয়ে দুইটা থাপ্পর লাগানোর জন্য।বিতর্কের সূত্রপাত “যারা জয় বঙ্গবন্ধু বলতে লজ্জা পান…..” পোস্টে আমার একটি মন্তব্যের পর থেকেই শুরু।শুরুটা যেহেতু আমাকে কেন্দ্র করে তাই শেষটাও আমাকেই করতে হবে।শ্রীঘ্রই নতুন পোস্টে আমি আমার বক্তব্য তুলে ধরব এবং তা অতি অবশ্যই যথাযথ প্রক্রিয়ায় যুক্তি,তর্ক আর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মাধ্যমে;কোন প্রকার চপেটাঘাতের মাধ্যমে নয়।
    তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।

    1. নাসির মোরশেদ ভাই সবার প্রথমে
      নাসির মোরশেদ ভাই সবার প্রথমে আমি আপনার কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আপনি আমার কথা বেয়াদপি হিসেবে নিবেন না। আমি আপনার বয়স এবং অভিজ্ঞতার দিক থেকে অনেক ছোট। আমি দ্বাদশ শ্রেণীর একজন ছাত্র মাত্র। সেই অনুযায়ী আমি আপনার থেকে অনেক কম অভিজ্ঞ। বিশ্বও অনেক কম দেখা।আমি আপনাদের বিভিন্ন পোষ্টের পড়া পড়ে আজকে লিখতে শিখেছি এবং শিখছি। আমি কখনো একটা জিনিস দেখতে পারি না তা হল, না জেনে তর্ক করা। আমি কথাটা তাদের বুঝাতে চেয়েছি কিন্তু এর ভুল মানে বের হওয়াতে আমি তা পরিবর্তন করে নিচ্ছি। :bow:

    2. এবার আসা যাক আপনার দ্বিতীয়
      এবার আসা যাক আপনার দ্বিতীয় প্রশঙ্গে
      আমি আপনাকে প্রথমে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, কারন আপনি ঐ কথাটা না বললে হয়তো আমার এত কিছু জানার আগ্রহ আসতোনা। সেই সাথে আমি আপনাকে আবারো সাধুবাদ জানাই আপানার পরবর্তী পোষ্টের জন্য।

      ইনশাআল্লাহ্‌ আপনার পরবর্তী পোষ্টের উপযুক্ত জবাব থাকবে আমার কাছে, এবং এর ফলে আমি আরও কিছু লেখার এবং সকলকে সঠিক তথ্য জানানোর সুযোগ পাব।কারন আমার কাছে যেই সকল তথ্য আছে তার ১০ ভাগের ১ ভাগও কিন্তু আমি প্রকাশ করতে পারিনি এই পোষ্টে।

      আমার বিশ্বাস সত্যের জয় হবে সর্বদা। :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  7. ডাক্তার সাহেব এবং নাসির
    ডাক্তার সাহেব এবং নাসির ভাইয়ের তর্ক যুদ্ধকে আমি সাধুবাদ জানাই।এর ফলে আমাদের সামনে উঠে আসুক অজানা অনেক তথ্য সেই শুভ কামনা রইল !!

  8. ডাক্তার সাব,একটা কতা কই
    ডাক্তার সাব,একটা কতা কই কুনুতা মনে লইয়েন না।আমি আফনের আগের পোস্টখানা পড়ছি,সেইখানে একখানা মন্তইব্যও করছি।দেখছুইন কি না জানি না।আমার কাছে মনে অইছে একটা বুল বুঝাবুঝি অইছে।মোরশেদ বাইয়ের কোনো মন্তইব্যে কিন্তু এলার্জি আছিন না বরং মনে অইছে একটা ক্ষোভ আছিন, ইডা এই জইন্য যে এত বছর পরে স্বাধীনতার নায়ক হইয়্যাও বঙ্গবন্ধুর প্রাপ্য সম্মানের জন্য কেন্ আমাগো আকুতি করতে অয়।আগের পোস্টে তার দ্বিতীয় মন্তইব্য পড়লেই তা বুঝন যায়।তিনি পারিবারিক সম্পত্তি বলতে কি বুঝাইছেন তা বলছেনও।আমার তো মনে অয় তিনি হক্ক কথাই কইছেন(ভাই,আমারে আবার ট্যাগাইয়েন না)।আমরা যারা বঙ্গবন্ধুকে মান্য করি,সম্মান করি তারা কি সবাই আওমীলীগের সবতাই সমর্থন করি?জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বইল্যা যখন নিজেরার একপক্ষ টেন্ডার লইয়্যা,চান্দার ভাগ লইয়্যা একজন আরেকজনরে মারে,জান লয় আমরা কি তা সাপোর্ট দেই?বিভিন্ন ক্যাম্পাসগুলাতে যারা বঙ্গবন্ধুর নামে স্লোগান তুইল্যা আকামগুলান করে তাগো কি আমরা সাপোর্ট দেই?বঙ্গবন্ধুর নামের এই যে অপব্যবহার,অপপ্রয়োগ এইটাই দলীয়করণ,এইডাই পারিবারিক সম্পত্তি।বিরোধী যারা তারা ত কইব না,বিরোধী কয় পারসেন্ট,তাগো ফিক্সড ভোট কত?আওমীলীগের ফিক্সড ভোট কত?বাকীরা কেন্ কয় না?আম মাইনষে ইতিহাস ঘাইট্যা বঙ্গবন্ধুর মূল্যায়ন করব না,এত বড় শিক্ষিত্ জাতি আমরা অহনও অইতাম পারি নাই।চোক্ষের সামনে যা ঘটবো তা ই বিশ্বাস করব।যাউক বাই,ম্যালা কতা কইছি,বুল অইলে ধরায় দিয়ুন।আর যা অইছে তা ক্ষ্যান্ত দেন।মোরশেদ বাইরে তার সৌজন্যতার প্রশংসা কইরা অনুরোধ করি আপনেও ক্ষ্যান্ত দেন।এইডা নিয়া আর নতুন কুনু পোস্টের দরকার আছে বইল্যা মনে অয় না।বিতর্ক ক্ষ্যান্তকরণে ডাক্তার সাব আর মোরশেদ বাইয়ের মন্তইব্য চাই।
    ধইন্যবাদ।সবাই বালা থাকুইন।
    জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

    1. কেরামত আলি আমি তো আপনারটা
      কেরামত আলি আমি তো আপনারটা পড়ছিলাম কিন্তু মনে হয় আপনি আমার গুলা পড়েন নাই।

      দেখেন কাউকে কিছু উদ্দেশ্য করে বললে এর মানে এই হয় না যে তাকে এ বলছি। তাকে উদ্দেশ্য করে আমি অন্য কাউকেও বলতে পারি।

      আর যাই হোক অন্তত সত্যতো চলে আসবে সামনে এভাবে চলতে থাকলে…

  9. একটু সংশোধনী…
    স্বৈরাচার

    একটু সংশোধনী…
    স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসেছিলেন ৯১ সালে, নির্বাচন হয়েছিলো ২৭শে ফেব্রুয়ারি ।।
    আরেকটা ব্যপার, ৭০’এর নির্বাচন নিয়ে মাওলানা ভাষানী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান -এর বিরোধ হয়েছিলো, ঐটা আসলে ভালো হইতো ।।
    মোটের উপর অনেক কিছু জানলাম, ধন্যবাদ ।।

    1. ধন্যবাদ আপনাকে, লিখতে ভুল
      ধন্যবাদ আপনাকে, লিখতে ভুল হয়ে গেছে। ঠিক করে দিচ্ছি। তবে আপনারও একটু ভুল হইছে। তা হল এরশাদের পতনের পর রাষ্ট্রপতিত্বে তত্ত্বাবধায়ক বিচারপতি শাহাবুদ্দিনের শাসনামলে নির্বাচন হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি আর ঘোষণা হয় ২৮ফেব্রুয়ারি। ২ মার্চ ছিল শুক্রবার আর ৩মার্চ শপথ বাক্য পাঠ করানু হয়। অর্থাৎ তিনি ৪ মার্চ থেকে ক্ষমতায় আসেন। অনেক জায়গায় ক্ষমতার সময় ৩ মার্চ লেখা আছে আবার অনেক জায়গায় টা ৪ মার্চ।। ঠিক আছে কিনা বলেন এখন………

  10. শুনেন আপনার আর একটা কথার
    শুনেন আপনার আর একটা কথার জবাবও আমি জানি। কিন্তু আমি তা পোষ্টে ইচ্ছা করে লিখি নাই। আর আমি যদি ঐ ঘঠনা বলি তাহলে আপনাদের অনেকের মনে মাউলানা ভাশানিকে নিয়ে সন্দেহ বা প্রশ্ন আসতে পারে। কিন্তু এর কারনটা ও বুঝছিলাম ১৯৭৪এর ঘটনা পড়ে। কিন্তু আমি যা বুঝছি তা হয়তো আপনাদের হাসাবে। আর আমি সম্পূর্ণ নিশ্চিতও না। তাই আমি উপযুক্ত প্রমান পেয়ে নিশ্চিত হয়ে ইনশাল্লাহ্‌ আবার একটা পোষ্ট দিব। যাই হোক না কেন সর্বদা সত্য এ দিব।

  11. আমি আফনার মন্তইব্যগুলান মনযোগ
    আমি আফনার মন্তইব্যগুলান মনযোগ দিয়াই পড়ছি।অইন্য কাউরে উদ্দেশ্য কইরা যদি কইয়্যা থাকুইন তাইলে তো বিতর্ক ডিসমিস।এইডা আগেই ইস্পষ্ট করতা পারতাইন।যাউগগা অহন মোরশেদ বাইয়ের মন্তইব্য পাইলে চূড়ান্ত ডিসমিস অইছে মোনে কইরা মোনডায় শান্তি পাইতাম।তবে ডাক্তার সাব আফনের ইতিহাস নির্ভর পোস্ট চালায়া যান।অনেক কিছু শিখনের আছে।
    ধইন্যবাদ

    1. শুনেন আমি চাই উনি লিখুক।
      শুনেন আমি চাই উনি লিখুক। তাহলে সবাই সত্য জানতে পারবে। আর এটা ঝগড়ার কথা না, এটা ধরতে গেলে এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ দুজনের জন্যই…আর আমি চাই না আমার চ্যালেঞ্জার এত তারাতারি হারি যাক তাও আবার আমি উনার বয়সেও ছোট।

  12. তথ্যসমৃদ্ধ লেখার জন্য
    তথ্যসমৃদ্ধ লেখার জন্য ধন্যবাদ। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    লেখার শুরুতেই পাঠকদের সম্বোধনে একবার “তুমি” একবার “আপনি”র ব্যবহার কিঞ্চিৎ বিরক্তির কারন হয়েছে। এটা খেয়াল রাখলে ভালো হয়।

      1. আমি সবার মন্তব্যগুলো আবার
        আমি সবার মন্তব্যগুলো আবার মনোযোগ দিয়ে পড়ে আসলাম। কারো যুক্তিই ফেলে দেওয়ার মতো নয়। একদিকে ৭৫ পরবর্তি প্রতিটি সরকার যেমন বঙ্গবন্ধুসহ দেশের প্রকৃত ইতিহাস থেকে একটা প্রজন্মকে অন্ধকারে রেখেছে, অন্যদিকে ৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী সরকার বঙ্গবন্ধুকে হঠাৎ করেই অতি প্রচারণার মধ্যে নিয়ে এসে বিরক্তির উৎপাদন করেছে। এই সবকিছু মিলিয়ে ব্যাপারটা জটিল আকার ধারন করেছে।

        তবে আশার বিষয় হচ্ছে, তথ্য প্রযুক্তির কল্যানে আজকের প্রজন্মকে কেউ আর ভুল ইতিহাস দিয়ে অন্ধকারে রাখতে পারবে না (যদিনা কেউ ব্রেইন ওয়াশড ছাগু হয়)। আমার ধারনা অতি শীঘ্রই বঙ্গবন্ধু তাঁর আপন মহিমায় প্রজন্মের চেতনায় উদ্ভাসিত হবেন, যার সূচনা হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। আওয়ামী লীগকে একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে- অতি ব্যবহারে মূল্যবান জিনিসও খেলো হয়ে যায়।

        1. আতিক ভাই এগুলা কিছুই হত না,
          আতিক ভাই এগুলা কিছুই হত না, কিন্তু যদি ৯১ এর সরকার চাইতো।
          আপনি হয়তো জানেন কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না।

          আমাকে বলেনতো কেউ ৯১এ অফিস আদালতে বঙ্গবন্ধুর ছবি না লাগিয়ে জিয়ার ছবি কেন লাগালো??? আরও মজার ব্যাপারতো ২০০২ এ জিয়ারও ছবি না লাগিয়ে তারেক এবং খালেদার ছবি লাগালো :ভেংচি: :ভেংচি:

          এটা বড় কথা না বড় কথা হল ওদের হাত কিভাবে পারল জাতির জনকের ছবি নামাতে???

          1. আরও মজার ব্যাপারতো ২০০২ এ

            আরও মজার ব্যাপারতো ২০০২ এ জিয়ারও ছবি না লাগিয়ে তারেক এবং খালেদার ছবি লাগালো

            :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

      2. এর কারন হল আমি যখন লিখতেছিলাম
        এর কারন হল আমি যখন লিখতেছিলাম তখন মাথা ছিল গরম রাগ হইতেছিল ঐগুলার উপর। কিন্তু আজকে মাথা ঠাণ্ডা তাই বদলালাম। ভাগ্য ভাল ছিল যে ঐ সময় কয়েকটাকে গালি দিয়ে দি নাই।

    1. ডাক্তার সাব পপুলা কারা
      ডাক্তার সাব পপুলা কারা :কনফিউজড: :কনফিউজড: :কনফিউজড: ডাক্তার কিন্তু হাতুড়ে জনরে কইছি

    1. ফেসবুকের ভাষায় উদাহারন দেই,
      ফেসবুকের ভাষায় উদাহারন দেই, যাদের পোষ্টে অর্ধলাইনের গালি দিলেও দেখবেন হাজার হাজার লাইক পরে তারা হল ফেমাস। :খুশি: :খুশি: :লইজ্জালাগে:

      কেউ ব্লগ আর ফেসবুকের পার্থক্য দেখায়েন না, আমি শুধু উদাহরণ হিসেবে বলছি।

  13. আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি যে
    আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি যে অনেকে হয়তো চাই না আমি লিখি… কারন অনেকে হয়তো বুঝতে পারছেন যে, আমি খুব তারাতারি কিছু দেশপ্রেমিকদেরও রাজাকারের তালিকায় ফালাবো। আমি শুধু উপযুক্ত প্রমানের জন্য অপেক্ষা করতেছি…

    আর যারা ভাবতেছে এই পুলা তো বেশী ভাব মারে তাহলে আমি বলবো আপনাদেরকে আম আমার এই ভাবের জন্য গর্ভিত হওয়া দরকার কারন আমি ৯৪ এ জন্ম নিয়েও ৭১ এর স্বাধীনতার চেতনাই আছি। যে মানুষের কথায় কান না দিয়ে নিজের রাস্তা নিজে বানাইয়ছে।

    1. আপনি লেখেন এটা অনেকেই চান না
      আপনি লেখেন এটা অনেকেই চান না এমন ধারনা কেন হোল বুঝলাম না। এরকম কোন নমুনা তো চোখে পড়ল না। আপনি যদি আশা করেন যে, আপনার বক্তব্যের বিরুদ্ধে কিছু বলা মানে আপনার ব্লগিং করা থামানো তাহলে ভুল করবেন। যদি আশা করেন সবাই শুধু আপনার লেখার এসে সহমত বলে যাবে, তাহলে ব্লগিং করার মানে কি? অযৌক্তিক কিছু যদি কেউ বলে, আপনি পাল্টা যুক্তি দিয়ে তা খণ্ডন করুন। এই ধরনের শিশুসুলভ মন্তব্য আশা করিনি আপনার কাছ থেকে।

    2. কে চাইলো আর চাইলো না সেটা
      কে চাইলো আর চাইলো না সেটা নিয়ে ভাবার সময় নাই, আমরা ব্লগার। ভয় পেয়ে লেখা থামায়ে দিতে পারি না। আপনি লেখা চালিয়ে যান আর কেউ সাথে না থাকুক ইস্টিশন ব্লগ আশা করি আপনার সাথেই থাকবে।

      1. সহমত।
        লেখা থামানোর প্রশ্নই

        সহমত।
        লেখা থামানোর প্রশ্নই আসে না,যুক্তি চলবে তর্ক চলবে এর মধ্য দিয়েই আমরা সঠিকতার সন্ধান পাবো।তবে তা যেন কিছুতেই শিষ্টাচার লঙ্ঘনের কারণ না হয়ে দাড়ায়।কে হারল,কে জিতল সেটা বড় কথা নয় বড় কথা হল কি হারল আর কি জিতল।

        1. নাসির ভাই আজকের পোষ্ট দিচ্ছি
          নাসির ভাই আজকের পোষ্ট দিচ্ছি আর একটা…হার জিতের কথা উনারা তুলছে আমি চাইছিলাম তর্ক করে যেতে। কারন তর্কের মাধ্যমে বের হয় অজানা তথ্য। আমি চায়ছিলাম আপানাকে রাগিয়ে রাখতে টাতে আমি লেখার জন্য চ্যালেঞ্জ পাই। কিন্তু আমি এখন চ্যালেঞ্জ ছাড়া লিখব।

  14. ভাই সব ব্লগে হবে এমন কোন কথা
    ভাই সব ব্লগে হবে এমন কোন কথা আছে??? অন্য কোথাও আমার এই পোষ্ট কি শেয়ার হয় নাই???
    তাই আমি মন্তব্যটা আলাদা দিছিলাম।।

  15. মোরশেদ বাইরে অনুরুধ কইরা কই
    মোরশেদ বাইরে অনুরুধ কইরা কই যেহেতু ডাক্তার সাব আফনের অবিযোগের পরে মন্তইব্যে দুঃখু প্রকাশ কইরা তার পোস্টতাতে সংশোধনী আনছে অহন আফনেরও উচিত্‍ আফনের মন্তইব্য সম্পাদনা করনের।আর যেহেতু ডাক্তার সাব চ্যালেঞ্জ ছাড়া সঠিক ইতিহাস চর্চার গোষণা দিছেন তাই তারে সাধুবাদ জানাই।আর আপনেরেও কই একটা মন্তইব্যে যে যে জায়গায় ভুল বুঝাবুঝি অইছে তা উল্লেখ করুইন,ইতিহাসের সাথে বিরোধ না থাকলে ভুল বুঝাবুঝি লইয়্যা নতুন পোস্টের মানে অয় না।আফনের মন্তইব্য পইড়া অন্তত আমার মনে অয় নাই বিরোধটা ইতিহাসের লগে।অধম কেরামতের কতাডা ইকটু বাইব্যা দেইকখেন।আর একখান কতা,আমার জন্মকালীন ত্রুটি আমার নাকটা ইকটু বেশি লাম্বা।তাই সুযোগ পাইলেই কেরামতি কইরা নাক গলাই।আমার নাক গলানিতে ডাক্তার সাব এবং মোরশেদ বাই যুদি বিরক্ত অইন ইডার দোষ আমার না,যিনি আমার নাকটা লাম্বা বানাইছেন দোষটা তার।সুতরাং বিরক্ত অইলে তার উপ্রে অয়ুন আমার উপ্রে না।

    1. জনাব কেরামত আলী,আপনার
      জনাব কেরামত আলী,আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।আমিও আমার মন্তব্য সম্পাদনা করে নিচ্ছি।
      একটা কথা বলি,কিছু মনে করবেন না প্লিজ।ভুল বুঝাবুঝি থেকেই হোক আর যে কারণেই হোক ডাক্তার সাহেব আর আমার মাঝে একটা বিতর্ক চলছে,তবে সেটা ঝগড়া না।এটা নিয়ে আপনার কৌতুহল থাকতেই পারে।কিন্তু পোস্ট দেয়া প্রয়োজন কি প্রয়োজন না সেটা তো আপনি নির্ধারন করে দিতে পারেন না।আমি যদি প্রয়োজন মনে করি দেব আর যদি প্রয়োজন মনে না করি দেব না,সেটাতো একান্তই আমার ব্যাপার।যাই হোক,আপনার লম্বা নাকের পেছনে আপনার হাত না থাকতে পারে কিন্তু নাকটাকে নিজের হেফাজতে রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনার।আপনার অনেক কথাই সঠিক তবে এমনভাবে নাক গলানো উচিত নয় যা বিরক্তির উদ্রেক করে।অহেতুক ত্যানা প্যাচানোর কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।আশা করছি আমি যা বলতে চেয়েছি তা বুঝতে পেরেছেন।আমার কথা যদি আপনার মনোঃকষ্টের কারণ হয় তবে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

      1. হা এটা ঝগড়া না এটা যুক্তি
        হা এটা ঝগড়া না এটা যুক্তি তর্ক… উনি উনার পোষ্ট দিবে আমার সহমত থাকলে আমি সম্মতি প্রকাশ করবো, না থাকলে দ্বিমত প্রকাশ করে পোষ্ট দিবো। তবে এর ফলে আমি আর নাসির ভাইয়ের সাথে সাথে আপনারাও জানতে পারবেন অনেক অজানা তথ্য। সাথে অনেকের ভুলও দূর হবে।

        নাসির ভাই ঠিক আছে নাকি বলেন…

  16. যেই পোষ্টের শেয়ার হওয়ার কথা
    যেই পোষ্টের শেয়ার হওয়ার কথা অন্তত শতাধিক তা হল ১৫ আর যেই পোষ্টের শেয়ার ৫ থেকে ১০টা ও বেশী হয়ে যায় তা হয় হাজারবার শেয়ার। :মানেকি:

    মানে এখন সত্য সবার কাছে পৌছাতে হলে আমাকে আগে ফেমাস হইতে হবে>>>>> :হাসি: :হাসি: :হাসি:

    নাকি বিনোদন আর তামশার শক্তি সত্যের চেয়ে বেশী মনে করবো??

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *