শার্লি এব্দো আন্ডার অ্যাটাক

রাসুল [সাঃ] কে অবমাননা করে কার্টুন তৈরি করা ফরাসি ম্যাগাজিন “শার্লি এব্দো” এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আক্রমন চালাচ্ছে “সাইবার ৭১” এর নবীন ক্রুরা…
উল্লেখ্য, ওয়েবসাইটটি চলমান প্রক্রিয়ায় থাকায় হ্যাক করার চাইতে ড্যামেজ করে দেবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই শিক্ষার্থী বিভাগের ক্রুরা আক্রমন চালানো শুরু করে।

ইনশাল্লাহ অতি শীঘ্রই সাইটটিকে ড্যামেজ করে দেওয়া হবে।

কৃতজ্ঞতায়,
“সাইবার ৭১”

৮৮ thoughts on “শার্লি এব্দো আন্ডার অ্যাটাক

  1. বাল ছিঁড়ে আঁটি বাঁধার পর
    বাল ছিঁড়ে আঁটি বাঁধার পর সেগুলোর ছবি নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েন। শার্লির কাটুর্নিস্টদের মুতের ফ্যানায় ভাইসা গেলে শিক্ষার্থীদেরকে উদ্ধার করার জন্য উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার দরকার পড়বে, এটা মনে রাইখেন।

    :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum:

  2. অনুভুতির নাম করে এতগুলো মানুষ
    অনুভুতির নাম করে এতগুলো মানুষ মেরে ফেলার পরও এদের মধ্যে অনুশোচনা নাই। ধর্মের উন্মাদনা বড়ই আজব জিনিস।

  3. মুসলমাদের উচিত ছিলো শার্লী
    মুসলমাদের উচিত ছিলো শার্লী হেবদোর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ গড়ে তোলা। কিন্তু এইভাবে বোমা মেরে মানুষ হত্যা সাপোর্ট করা যায়না কোনো ভাবেই।

  4. বোকচোদ মুসলিমরা ‘প্রতিবাদ’
    বোকচোদ মুসলিমরা ‘প্রতিবাদ’ বলতে কল্লা কাটা আর বোমা-গুলি’ই বোঝে। যার ফলাফল ৬০ হাজার সার্কুলেশনের পত্রিকা এখন একদিনেই কয়েক মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়ে যায়।
    😀 😀 😀

    1. ভাই আপনার আচরণ এবং মন্তব্য
      ভাই আপনার আচরণ এবং মন্তব্য খুবই মনোমুগ্ধকর। আপনি আর আমার পোস্টে কমেন্ট না করলে বেজায় খুশি হবো

      1. আপনি আর আমার পোস্টে কমেন্ট না

        আপনি আর আমার পোস্টে কমেন্ট না করলে বেজায় খুশি হবো

        আপনিও এই সব বাল ছাল না লিখলে আমরাও বেজায় খুশি হব।

  5. এটাই ওদের পলিসি,মুসলিমদের
    এটাই ওদের পলিসি,মুসলিমদের ক্ষ্যাপীয়ে দিয়ে সার্থ হাসিল করা। শওকত ভাই,নিরপেক্ষ ভাবে একটা কথা বলেন। শার্লী হেবদো নবীর ব্যাঙ্গচিত্র আঁকার কাজটা কি ঠিক করছে?

      1. তাহলে সভ্য জাতি কে ? যেই
        তাহলে সভ্য জাতি কে ? যেই জাতির অনুভুতিতে আঘাত করলে চুপ করে থাকে ???
        ভাই সভ্যতা পরে শিখাইয়েন, আগে যান সভ্যতা আর কাপুরুষতার মধ্যে পার্থক্যটা রপ্ত করেন ।

    1. মিঃ সুজন,
      ক্ষেপলে মানুষ মারতে

      মিঃ সুজন,

      ক্ষেপলে মানুষ মারতে হবে কেন? এটা কোন ধরনের প্রতিবাদ। এই কার্টুন পত্রিকা কি শুধু মুসলমানদের ঈমানদন্ড নিয়ে কার্টুন করে? নাকি অন্যান্য ধর্ম নিয়েও করে? ফ্রান্সের সরকারকে নিয়ে তারা অসংখ্য কার্টুন করেছে। কই, অন্য ধর্মালম্বীরা চার্লির বিরুদ্ধে জেহাদ শুরু করে নাই। মুসলমান ভন্ডরা, হুজুর নামের ধর্ম ব্যবসায়ীরা অন্য ধর্ম নিয়ে যখন আজেবাজে ওয়াজ করে প্রতিবাদের ভাষা এমন হয় না। শুধুমাত্র মুসলমানরা কথায় কথায় হত্যা, বোমাবাজি, কল্লা ফেলে দেওয়ার মত প্রতিবাদ করে কেন? এই ধর্মের দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে বলে এই হানাহানি? থুতু দেই এমন ধর্মানুভুতির উপর।

      1. মানুষ হত্যাকে তো আমিও
        মানুষ হত্যাকে তো আমিও সাপোর্ট করি নাই। ভণ্ডদের ওয়াজ শোনে আপনে যদি এর জন্য পুরো ইসলাম ধর্মকে দায়ী করেন সেটা তো ঠিক না। আর আপনার মুখের ভাষাও ঐ ভণ্ডদের চেয়ে কোনো অংশে কমনা। দুনিয়াতে কী মুহাম্মদ সা. ছাড়া আঁকার আর কোনো বিষয় নাই?

        1. আরে ভাই আমিতো বললাম, মুহাম্মদ
          আরে ভাই আমিতো বললাম, মুহাম্মদ ছাড়া্ও অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের নিয়ে তারা কার্টুন করে। সেই সব ধর্ম কার্টুন করার কারণে আঘাত প্রাপ্ত কি হয় না? আর আপনি বার বার বলছেন কয়েকজন হুজুরের দায় পুরো ধর্ম কেন নেব? কয়েকজন না, জুমার খুতবায় সব হুজুর অন্য ধর্মালম্বীদের ব্যবচ্ছেদ করে।

          মুহাম্মদের অনুসারীরা করলে কোন দোষ নাই। অন্যরা করলে দোষ। মৃহাম্মদ কোন হরিদাস পাল হয়ে গেছে?

          1. ইকারাস: গতকাল সন্ধ্যা থেকে
            ইকারাস: গতকাল সন্ধ্যা থেকে বাসার পেছনের মসজিদে শুরু হয়েছে ওয়াজ। মাইক লাগিয়ে ভরিয়ে ফেলা হয়েছে চারপাশ। বিশেষ করে এলাকায় একটা হিন্দু পাড়া আছে, অফিস থেকে ফেরার পথে বাজার করতে গিয়ে দেখি, ওই দিকে মুখ করে কয়েকটি মাইক বসানো হয়েছে। দেখলেই বোঝা যায় বিষয়টা পুরোপুরি উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বাসায় ঢুকে বুঝতে পারলাম আজকে আর শান্তি নাই। প্রচন্ড শব্দে ওয়াজ হচ্ছে। স্ত্রী অসুস্থ অনেকদিন ধরে। উচ্চস্বরে বাজতে থাকা মাইকের আওয়াজে সে আরো অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড রাগ আর আক্রোশ নিয়ে ঘরে বসে ছিলাম। আমি যদি মুমিনদের মতো অসহিষ্ণু হতাম, গিয়ে সেখানে কোপাকুপি শুরু করে দিতাম হয়তো। কিন্তু শুয়োর সহ্য করতে না পারলে তো কাদায় নেমে শুয়োরের সাথে ধ্বস্তাধস্তি করা সম্ভব না, তাই চুপ করে ছিলাম। রাত গড়াতে থাকে, আর হুজুরদের গলাও চড়তে থাকে।
            হুজুরের বয়ান ছিলো এমন- অনেকেই মিলাদুন্নবী সহ্য করতে পারে না, নবীরে সাধারণ মানুষের মতো তুলনা দেন…. তাদের উপ্রে লানত।
            এটা সুস্পষ্ট হুজুর কাদের প্রতি ইঙ্গিত করেছে। জামাত শিবিরের প্রতি। কিন্তু ভাসুরের নামটা মুখে আনার সৎসাহস ছিলো না তার। এমন ধারা তাদের ইসলামী জোশ।
            যাই হোক, এরপর ইহুদি নাসারাদের বদনাম সহ গৎবাঁধা ইসলামি মুজেজার বয়ান.. ইত্যাদি চলতে থাকে রাত দু’টো পর্যন্ত। একদিকে অসুস্থ স্ত্রী, অন্যদিকে অসহায়ের মতো গুম হয়ে থাকা আমি আর ঘুমাতে পারিনি।
            কোন সভ্য সমাজে এমন শ্রবণসীমার চাইতে অধিক মাত্রায় মাইক বাজানোর অনুমতি পায় না। কিন্তু আমাদের দেশে ইসলামের নামে সবই সম্ভব। পরীক্ষার্থী-রোগীদের কথা বাদ দিলাম, সুস্থ মানুষই অসুস্থ হয়ে যায় এদের উৎপাতে। কিন্তু কিছু বলতে গেলে বলবে ইসলাম প্রচারে বাধা দেয়া হচ্ছে !!!
            এই শুয়োরের বাচ্চাদের মৃত্যু কামনা করেছিলাম কাল মন থেকে।

          2. ধর্মীয় শুয়োরগুলো জানে তাদের
            ধর্মীয় শুয়োরগুলো জানে তাদের ধর্মটা ভুয়া। তাই সামন্য সমালোচনা সহ্য করতে পারেনা। আর সুজনদের মত ধর্মীয় বলদ আছে বলেই এরা সাহস পায়। ওয়াজ ছাড়া আজ শুক্রবার বাংলাদেশের এমন কোন মসজিদ নাই যেখানে অন্য ধর্মীয় গোস্টিকে গালিগালাজ করা হবেনা, এমনকি মোনাজাত নাামের ফিনিসিং দোয়াতেও থাকে অসংখ্য গালিগালাজ। আবার এরাই বলে দু’একজনের জন্য কি ইসলাম খারাপ?

          3. একটা ঝুড়িতে পঁচা আলু একটাই
            একটা ঝুড়িতে পঁচা আলু একটাই যথেষ্ট, বাকিগুলোর বারোটা বাজাতে। নাইজেরিয়াতে এই বোকচোদ হারাম যারা ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রায় ৮ হাজার মানুষ হত্যা করেছে, আজ পর্যন্ত বাঙলাদেশের কোন মসজিদের খুতবায়, ওয়াজে সরাসরি ইসলামী জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে স্পেসিফিক কোন বক্তব্য দিয়েছে কেউ? আমি অন্ততঃ শুনিনি। কোন পত্রিকায়ও আসেনি। সহজেই বোঝা যায়, এরা সবই মৌন সমর্থক।
            একটু আগে দেখলাম, আইএস জঙ্গীরা একটা ভিডিও ছেড়েছে। যেখানে ছোট একটা বাচ্চা ছেলের হাতে দু’জন রাশিয়ান সৈন্যের মাথায় গুলি করে হত্যা করানো হয়েছে। ওই ছোট শিশুটি ইসলাম সম্পর্কে কতটুকু জানে? তার মাথায় শত্রু খতমের মন্ত্রবীজ ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। এই ছেলে কখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে আর? একই ঘটনা ঘটছে দেশের মাদ্রাসাগুলোতে।
            ইসলাম শিশুদের শিশুত্বটুকুও বিনষ্ট করছে। তাদের অপাপবিদ্ধ মস্তিষ্কের ভেতর ঢুকিয়ে দিচ্ছে মানুষ হত্যা করার ভাইরাস কোডিং। এটা আরো প্রোটোটাইপ জন্ম দিয়ে যাচ্ছে।

          4. ধর্মীয় শুয়োরগুলো জানে তাদের

            ধর্মীয় শুয়োরগুলো জানে তাদের ধর্মটা ভুয়া। তাই সামন্য সমালোচনা সহ্য করতে পারেনা। আর সুজনদের মত ধর্মীয় বলদ আছে বলেই এরা সাহস পায়।

            আহা ! উগ্র নাস্তিক ছুপা লীগার ইকারাসের কি সুন্দর ভাষার ব্যবহার আর কী সহনশীলতা !

          5. ভাই জুমার খুতবায় অন্যান্য
            ভাই জুমার খুতবায় অন্যান্য ধর্মের ভুল ভুলত্রুটিগুলো মুসলিমদের কাছে তুলে ধরা হয় । তবে কোন মুসলিম পরিচালিত দৈনিকে কখনোই অন্য ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করা হয় না । তবে আপনি যদি দেওয়ানবাগের আস্তানায় যেয়ে জুম্মার খুতবা শুনেন তাহলে সেটা ভিন্ন বিষয় :মাথাঠুকি:

          6. ভাই জুমার খুতবায় অন্যান্য

            ভাই জুমার খুতবায় অন্যান্য ধর্মের ভুল ভুলত্রুটিগুলো মুসলিমদের কাছে তুলে ধরা হয় ।

            অন্য ধর্মের ভুলত্রুটি ধরায় দেয়ার কি দরকার? যারা মসজিদে গেসে, তারা কি মুসলিম না? নাকি সন্দেহ আছে, যে কোন সময় ধর্মত্যাগ করে হিন্দু বৌদ্ধ হয়ে যেতে পারে!

          7. শার্লি হেবদো কার্টুনের
            শার্লি হেবদো কার্টুনের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের ভুলত্রুটি ধরায়া দেয়। আপনারা করলে দোষ নাই, অন্যরা করলে এত দোষ খুঁজেন কেন?

          8. যদি সত্যি ভুল ত্রুটি ধরায় দেয়
            যদি সত্যি ভুল ত্রুটি ধরায় দেয় তবে তাদের কোন দোষ নাই । তবে ভাই কি ভুলত্রুটি ধরায় দিসে কাইন্ডলি একটু জেনে বলবেন । অপেক্ষায় থাকলাম জানার ।

          9. আপনারও বাবা নাহয় দাদা নাহয়
            আপনারও বাবা নাহয় দাদা নাহয় কোন এক পূর্বপুরুষ মুসলমান ছিল তবে আপনার এই বেহাল অবস্থা কেন !!!! সন্দেহ টা আপনাকে করা হয় নি বলেই বোধহয় !!! যাই হোক “চোর না মানে ধর্মের কাহিনি”

          10. জি কার্টুন আঁকাতেই এই অবস্থা
            জি কার্টুন আঁকাতেই এই অবস্থা । কারন তাদের উদ্দ্যেশ্য যদি সৎ-ই হত তবে কার্টুন একে নয় বরং তাদের কাছে ইসলামের যেই বিষয়টা অস্পষ্ট সেটা অন্যভাবেই বলতে পারত । আর আমি তো দেখতেসি অবস্থা মুসলমানদের চেয়ে আপনাদেরই বেশী খারাপ ।

          11. হুজুররা অন্য ধর্মের ভুলত্রুটি
            হুজুররা অন্য ধর্মের ভুলত্রুটি ধরায়া দেয়,যাতে মুসলিমরা অন্য ধর্মের লোকদের কাছে এই ভুলগুলো তুইলা ধইরা,ইসলামের দাওয়াত দিতে পারে। বুঝছেন মিয়া সাব!

      2. ভাই মনে হয় ধর্ম ব্যবসায়িদের
        ভাই মনে হয় ধর্ম ব্যবসায়িদের ওয়াজ শুনে অভ্যস্ত । কোন দিন কোন হুজুর, আলেম এর ওয়াজ শুনেন নি । আর কার্টুন দিয়ে যদি ইসলামের দুর্বলতাই প্রকাশ পায়, তাহলে তো নাস্তিকদের উচিত বিজ্ঞান ছেড়ে দল বেধে কার্টুন আকা শুরু করা ।

          1. যারা সর্বকালের সর্বোৎকৃষ্ট
            যারা সর্বকালের সর্বোৎকৃষ্ট হুজুর নবি(সা) কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র বানানোর পক্ষে । কুরানের ওয়াজ এখন পর্যন্ত যাদের কানে পৌছায় নাই তাদেরকে আবার অন্যান্য হুজুরদের নাম বলে কি হবে !!!

          2. ইকারাচ আপনার কতা শুনিয়া হেসে
            ইকারাচ আপনার কতা শুনিয়া হেসে দিলুম। আপানাদের কাছে কোরান-হাদিস থেকে যেটাই বলা হয় সেটাইতো অশ্লীল গালিগালাজ তাইনা? কোরানের আয়াত শুনলেই তো আপনাদের মাথায় ঠাটা পরে? হুজুরতো আপনারে গীতা-শীতা-মীতা থেকে কাহানী শুনাইবো না। সুতরাং হুজুর যেটাই বলবে সেটাই গালিগালাজ। হুজুর খুঁইজা আর কী দরকার? কে একজন যেন বলছিলো,”এভরি নাস্তিক ইজ এ ছুপা হিন্দু!” কথাটা বোধহয় সত্যি। নইলে এ পর্যন্ত কোনো নাস্তিককে হিন্দু ধর্ম নিয়া কিছু কইতে শুনলাম না ক্যান? ইসলামে মদ,মাগীবাজী ইত্যাদি হারাম,অন্যান্য ধর্মে হালাল। তাই ইসলাম খুব খারাপ ধর্ম। তাইনা ভাই?

          3. ভাই সুজন আপনার সাথে আরেকটু
            ভাই সুজন আপনার সাথে আরেকটু যোগ করি । অন্যান্য ধর্মে মদ, বেশ্যাবৃত্তি হালাল কিনা সঠিক জানা নেই তবে একটা ধর্ম আছে যেখানে সমস্ত গর্হিত কাজই উত্তম-হালাল, প্রশংসনীয় । আর সেই অপূর্ব ধর্মের নাম হল “মানবধর্ম” ।

    2. @ সুজন: তুর্কিরা কিছুদিন আগে
      @ সুজন: তুর্কিরা কিছুদিন আগে ইহুদিদের নিয়ে ব্যঙ্গ চিত্র এঁকে সেটা নিয়ে ব্যাপক হাউকাউ করেছিলো, ইসরাইলিরা গিয়ে তুর্কিতে কতজন মানুষ মেরে এসেছে, এ ব্যাপারে কোন তথ্য আছে আপনার কাছে?

      কার্টুন আঁকলে কি নবীর ‘ফুল’ এর মতো চরিত্র পরিবর্তিত হয়ে যায়? আপনাদের নুনুভূতি থুক্কু অনুভূতি পাঁপড়ের মতো ক্যান? বাতাস লাগলেই কুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে?

    3. শার্লী হেবদো নবীর

      শার্লী হেবদো নবীর ব্যাঙ্গচিত্র আঁকার কাজটা কি ঠিক করছে?

      না, ঠিক করেনি। কিন্তু আপনাদের ক্রমাগত ধর্মান্ধতা এবং আক্রমণ তাদেরকে নিত্য নতুন কার্টুন আঁকতে উৎসাহিত করেছে।
      বলতে পারেন, একমাত্র আপনারাই তাদের অনুপ্রেরণা!

  6. আপনেগর মনোমুগ্ধকর বাণীগুলো
    আপনেগর মনোমুগ্ধকর বাণীগুলো খুবই খুবসুরাত হইসে। আপনেরা শুধু কিছু মিস গাইডেড জঙ্গীর কাজ-কারবার দিয়া ইসলামের বিচার করেন। কোরান-হাদিসের সব কথাই গালিগালাজ আর আপনেগর মুখের কতা মধুর বাণী। মি.ইকারাস অপনে প্রায় সময় আস্তিকদের বলদ শুয়োরের জাত ইত্যাদি বলিয়া থাকেন। আপনার বাপ-দাদা চৌদ্দগোষ্টীই কী নাস্তিক আসিলো? আপনের পূর্বপুরুষদের মইধ্যে কেউ আস্তিক থাকলে আপনেও তো শুয়োরের জাত হয়ে গেলেন। শওকত ছাব,ভাবির কথা শুনিয়া কষ্ট পাইলাম।

  7. আস্তিক নয়, যুক্তিহীন
    আস্তিক নয়, যুক্তিহীন ধার্মিকদের বলদ হিসাবে দেখি। সেটা শুধু আপনাকে না, আমার পরিবারের কেউ যদি বক ধার্মিকদের মত আচরণ করে, তাকেও বলদ মনে করি। বাংলাদেশে ধার্মিক বলদ প্রতিটা পরিবারেই আছে।

    1. ও যুক্তির পাহাড় মহাশয় ! এই
      ও যুক্তির পাহাড় মহাশয় ! এই পর্যন্ত আপনি কি কি যুক্তি ফলাইলেন শুনি ! ধার্মিকরা বলদ, ধার্মিকরা শুয়োর, নবীজী(সাঁ) কি হরিদাশ পাল নাকি(নাউজুবিল্লাহ) ! এগুলা আপনার যুক্তি ????
      অবশ্য ঠিকই আছে, মানব ধর্মের জারজদের কাছ থেকে এর থেকে আর ভালো কিছু আশা করা যায় না ।

      1. মানব ধর্মের জারজদের কাছ থেকে

        মানব ধর্মের জারজদের কাছ থেকে এর থেকে আর ভালো কিছু আশা করা যায় না ।

        বাহ! আপনি তো খুব উচু বংশের লোক হে। তা এতো দিন কোথায় ছিলেন ওস্তাদ, এতো দিন কোথায় ছিলেন?

          1. এতোদিন ইনি নিজের বংশ পরিচয়

            এতোদিন ইনি নিজের বংশ পরিচয় উদ্ধার করতে ব্যস্ত ছিলেন।

            তা’ও কি খুঁজে পাওয়া সম্ভব?
            আফটার অল, বাপে যা কিছু চালান করছিল সেটা তো ইনডোরে!
            আউট ডোরে কিছু থাকলে না সেটা’র ডি এন এ টেস্ট করে পরিচয় উদ্ধার করবে!
            এটা কোয়াইট ইম্পচিবল………।

            অনাদিকাল এ তালাশ চলবে, মাগার কে কাহার বাবা তাহা খুজিয়া পাওয়া সুম্ভাব না!

          2. আহারে যুক্তিবান !!! কি সুন্দর
            :তালিয়া: :হাহাপগে: :হাহাপগে: আহারে যুক্তিবান !!! কি সুন্দর !!! মচতকার । আপনারা বলিয়া যান যত চান, তাতে যদি নিজের কলঙ্ক অন্যের উপর কিছুটা চাপানো যায় তাহাতেই বা আপনাদের জন্য কম কি ! মারাত্মক, তালিয়া ফর ইউ হারাম কা কালিয়া । :হাহাপগে:

  8. ভাই শওকত খান কে বলছিঃ
    আগেও

    ভাই শওকত খান কে বলছিঃ

    আগেও বলেছি এখনও বলছি, দয়া করে অত্যন্ত দয়া করে আপনি আমার পোস্টে কমেন্ট করবেন না। আপনি নিজে যা ইচ্ছে হয় তাই নিয়ে পোস্ট দেন আমার পোস্টে আর মন্তব্য গলাইতে আইসেন না।

    1. @ হজরত মুহাম্মাদ: ব্লগে এ
      @ হজরত মুহাম্মাদ: ব্লগে এ ধরনের নিয়ম চালু আছে, এটা তো জানতাম না !!! মতামত সহ্য করতে না পারলে ফেসবুকেই পড়ে থাকেন, ব্লগে কি করতে আসছেন? ফেসবুকে ইশঠাঠাশ মাইরা কমেন্টস প্রাইভেসি দিয়ে রাখেন। ব্লগে পোষ্ট দিলে হাততালি/গলাধাক্কা সব কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়।

      1. শুনলেন তো আহসান ভাই ।
        শুনলেন তো আহসান ভাই । প্রস্তুত হইয়া যান বাতিলদের মুখোমুখি হওয়ার । আশা করছি আপনি এইসব জারজদের নাভি গালিয়ে এগিয়ে যাবেন ।

        1. আশা করছি আপনি এইসব জারজদের

          আশা করছি আপনি এইসব জারজদের নাভি গালিয়ে এগিয়ে যাবেন ।

          জিহাদের ডাক দিছেন বলে মনে হচ্ছে?
          নাস্তিকরা না হয় খারাপ। এদের ব্যবহার ভালোনা। আদব-কায়দা জানেনা। তা আপনার মত ধার্মিকরা দেখি আরো বেশি অসভ্য। কথাটি বলতে বাধ্য হলাম। ধর্ম আপনাকে সহনশীল করতে পারে নাই। তারমানে এটা বাতিল জিনিস। এই ম্যাসেজগুলো আপনারা আপনাদের আচরণ ও বিশ্বাসে ফুটিয়ে তুলেন বলেই ধর্মের সমালোচনা হয়। নিজেদের দুর্বলতার কারণে সমালোচনাকে ভয় পেয়ে জিহাদে নিয়োজিত হন। যতই এসব জিহাদ চালিয়ে যাবেন ততই অতলে হারিয়ে যাবেন। ধর্মিক হয়ে যদি নিজে সহনশীল আচরণ না করতে পারেন, অন্য থেকে সহনশীল আচরণ আশা করা কি ঠিক?

          1. তা আপনার মত ধার্মিকরা দেখি

            তা আপনার মত ধার্মিকরা দেখি আরো বেশি অসভ্য

            সবাই কি আপনার আমার মতো এদের বানী শুনে সভ্য হয়ে থাকবে?

            সমালোচনাকে ভয় পেয়ে জিহাদে নিয়োজিত হন

            নুর ভাই, আপনার কি মনে হচ্ছে যে এখানে আদৌ সমালোচনা হচ্ছে?
            উপরোক্ত মন্তব্যগুলো কি আপনি সমালোচনার কাতারে ফেলতে পারবেন?

          2. অপছন্দের মন্তব্যকারীদের
            অপছন্দের মন্তব্যকারীদের তালিকা করে কল্লা কাটা শুরু করতে পারেন। ধর্মে এই নির্দেশ দেওয়া আছে। বিশ্বের মুমিন ভাইরা একই কাজে কামিয়াব হচ্ছে।

          3. সহনশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
            সহনশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দুলাল ভাই ! উপরে আপনাদের মানবধর্মের ধর্মগ্রন্থ থেকে মানবধর্মীয়রা যখন অমূল্য মন্ত্র জপছিল তখন তাদের মাঝে ২ জন মুসলমান ভাইয়ের সহনশীলতা বোধহয় আপনার দৃষ্টিগোচর হয় নাই ???
            আর জিহাদের যে ডেফিনেসন এর ছবক আপনি দিচ্ছেন তার আগে জিহাদ আসলে কি তা জেনে নিন । ফর ইউর কাইন্ড ইনফরমেসন উপরে যারা(মুসলিম ভাইরা) আপনাদের মানবধর্মের মন্ত্র শুনার পরেও সহনশীলতা দেখিয়েছে, ওইটাও কিন্তু জিহাদেরই অন্তরভুক্ত । আহসান ভাই যে আপনাদের কাছে আবেদনের সুরে বলেছিল, আর কোন কমেন্ট না করার জন্য পাছে তর্ক বাড়ে । সেটাও জিহাদের অংশ ছিল । ভাই অত্যধিক সহনশীলতা কিন্তু কাপুরুষতা , বীরত্ব নয় । আপনাদের অবিশ্বাসে আমরা প্রথমে কোন আঘাত করি না, করেন কিন্তু আপনারাই আমাদের বিশ্বাসে । যদি আমরা মুসলমানরা নাস্তিকদের প্রথম আঘাত করতাম কিংবা আপনারা জিহাদ বলতে যা বুঝান তার ডাক দিতাম, তবে এই দেশে আর একটা নাস্তিকও গলা উঁচায় মুসলমানদের গালাগাল তো দুরের কথা চোখ তুলে তাকানোরও সাহস পেত না । আর কতটা সহনশীলতা আপনারা আশা করেন তা আপনারাই ভালো জানেন ।
            তবে আপনাকে ধন্যবাদ সত্য কিছু কথা “নাস্তিকরা না হয় খারাপ। এদের ব্যবহার ভালোনা। আদব-কায়দা জানেনা।” পরিশীলিতভাবে বলার জন্য, যা আপনাদের মাঝে বিরল ।

          4. দারুণ বলেছেন শাফায়াত ভাই,আসলে
            দারুণ বলেছেন শাফায়াত ভাই,আসলে কী জানেন,নাস্তিক হওয়ার কারণে এরা সবসময় একধরণের হীনমন্যতায় ভোগে। যা তাদের কথা-বার্তা এবং আচরণের মধ্যে ফুটে ওঠে।

        2. ভাই শাফায়াত, এদের সাথে তর্ক
          ভাই শাফায়াত, এদের সাথে তর্ক তো দূরে থাক এমনি কথা বলতে গেলেও গালি গালাজ না করে উপায় থাকে নাহ। এরা যদি এদের যুক্তি গুলো তুলে ধরত তাহলে অনেক আগেই এদের সাথে সম্প্রিত্ত হতাম। এরা তারা করেনি। শুরু করলো গালি গালাজ। এরা ওই গালি গালাজ ছাড়া আর কিছু পারবেও না।

          1. জি সত্যি তাই । মন্তব্য দেখলেই
            জি সত্যি তাই । মন্তব্য দেখলেই বুঝা যায় :তালিয়া:
            ধন্যবাদ আপনার সৎ সাহস এর জন্য ।

  9. এখানে আমি আমার অবস্থানটা
    এখানে আমি আমার অবস্থানটা পরিষ্কার করাটা জরুরী মনে করছি।

    আমি নিঃসন্দেহে নাস্তিক নই এমনকি তথাকথিত উগ্র আস্তিক হওয়ার মতো যোগ্যতাও আমার নেই। আমি মোটামুটিভাবে একজন শুনে শুনে মুসলমান টাইপের মানুষ যে বিশ্বাস করে আল্লাহ এক, হজরত মুহম্মদ (সাঃ) আল্লাহর প্রেরিত রাসুল। কোরান নির্ভুল একটি ধর্ম গ্রন্থ এবং কমবেশি জাল হাদিস ছাড়া অধিকাংশ সহি হাদিসের উপর আমার পূর্ণমাত্রা’র আস্থা এবং বিশ্বাস আছে।

    আমি নাস্তিক হতে পারিনি কারন ওরা শুধু প্রশ্নটাই করতে পারে, আমি অতি আস্তিক হতে পারিনি কারন আমি শুধু শুধু উত্তর টা জেনে খুশি থাকতে পারিনা। আমি সেই মুসলমান হওয়ার চেষ্টা করছি যে এক সাথে প্রশ্ন করতে জানে এবং সেই প্রশ্নের একটা গ্রহণযোগ্য উত্তর খোঁজার চেষ্টা করে। একারনেই নাক মুখ গুঁজে কিছু বিশ্বাস করা এবং সেই সাথে অবিশ্বাস করা কোনটাই আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। আমার ঈমানী শক্তি অতটা প্রখর নয়, আবার ধর্মকে অস্বীকার করার মতো বিদ্যা অর্জন’ও আমি করতে পারিনি।

    নাস্তিক’রা যে কারনে আস্তিকদের ধর্মীয় শুয়োর, আস্তিক শুয়োর, যুক্তিহীন ধার্মিক বলদ বলে গালি দ্যায় ঠিক একই কারনে অতি-আস্তিকেরাও নাস্তিকদের “মানব ধর্মের জারজ” বলে গালি দিতে দ্বিধা করেনা। আমি কোন পক্ষকেই আন্তরিকভাবে সমর্থন করিনা। এটা সত্য যে, কিছু নাস্তিকদের সাথে কোন না কোন ভাবে কোথাও না কোথাও মতের একটু আধটু মিল দেখা যায় কিন্তু আমি অতি ধর্মান্ধ আস্তিক এবং কট্টর নাস্তিকদের একচোখেই দেখি। এরা প্রত্যেককেই ধর্মের নামে মিথ্যার বেসাতি করে। এক পক্ষ প্রতিষ্ঠার নামে আর আরেক পক্ষ বানচালের নামে। প্রকৃতপক্ষে, ইসলাম যুক্তিভিত্তিক বিশ্বাসের বিষয়, যে চাইবে মানবে আর যে চাইবেনা তাকে মানতে বাধ্য করাও ইসলাম অবৈধ করছে।

    আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে বলি। আমি, ইসলামের যে বিষয়কে নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয় তার উত্তর খুঁজে সেটার যৌক্তিকতা প্রমানের চেষ্টা করি। তবে যেখান থেকে প্রশ্নের উদ্ভব সেখান থেকে উত্তর খুজিনা, উত্তর খুঁজি মেধা’র কাছে বিবেকের কাছে, জ্ঞানের কাছে। অতি আস্তিকদের চেয়ে আমার পার্থক্য এখানেই। ওরা যেখান থেকে প্রশ্ন ওঠে সেখানেই উত্তর খুঁজে। ওরা এটা বোঝেনা যে প্রশ্নপত্রে উত্তর থাকেনা, উত্তর লেখা থাকে অন্য কোথাও, আর সেটার নাম বিজ্ঞান, বিবেক, চিন্তাশক্তি, মেধা, সৃষ্টিশীলতা এবং পরিশীলিত চিন্তাধারা। ন্যাংটাকাল থেকে মুখস্ত বিদ্যা রপ্ত করা ইসলামী চিন্তাবিদ’দের এই গুন গুলো একদম থাকেনা। এমন অনেক ইসলামী চিন্তাবিদ আছেন যারা বাংলায় লিখতে পড়তে জানেনা টিপসহি দিয়ে ইসলামী জ্ঞানের ভাণ্ডার খুলে বসেন। আবার আমার নাস্তিক বন্ধুদের অনেকেই এমনি ইসলমী গবেষক যে কোরান শিক্ষা না করেও কোরানের কোথায় জের জবরের ভুল ত্রুটি আছে সেটার নাড়ী নক্ষত্র জানেন কিন্তু অধিকাংশই কোরান পড়তে জানেন না! তারা এটা বোঝেন না যে, কোন কিছুর সমালোচনা করতে গেলে তার উপর কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। আদা’র ব্যাপারির যেমন জাহাজের খবর নেওয়া সাজে না তেমনি কোরান না জেনে কোরানের সমালোচনাও নাস্তিকের মানায় না। ইসলাম ধর্মকে জানতে হলে দুটি বিষয়ে সম্মখ জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, একটা কোরান পড়তে এবং সেটার মর্মোদ্ধার করতে পারার ক্ষমতা এবং অন্যটি হল বিজ্ঞান বিষয়ে বিষদ জ্ঞান থাকা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য ইসলামী চিন্তাবাদি’রা কোরান বুঝলেও( যদিও কতটা বোঝেন সে সম্পর্কে আমি কিছু দ্বিধান্বিত) বিজ্ঞান বোঝেন না আবার উগ্র নাস্তিকেরা বিজ্ঞান জানলেও কোরান জানেন না। কনফ্লিক্ট এর শুরুটাই হয়েছে এখান থেকে, প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা ভাবে কোরান এবং বিজ্ঞানকে এবসলিউট ভাবেন কিন্তু কেহই একটা দিয়ে আরেকটাকে সিদ্ধ করার উপায় খোঁজেন না । আমরা যেটার ব্যাখ্যা খুঁজে পাই সেটাকে বিশ্বাস করি কিন্তু যেটার ব্যাখ্যা পাইনা সেটাকেই অবিশ্বাস করা শুরু করি কিন্তু মানুষের জ্ঞানের অতীত কিছু থাকবেই যেটা জানার জন্য মানুষ নিরন্তর ছুটে মরবে সেটা মানতে পারিনা। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এই নিরন্তর ছুটে চলার নাম উদ্ভাবনী শক্তি আর ইসলামের ক্ষেত্রে অতি ধার্মিকেরা এটার নাম দিয়েছেন নাস্তিকতা। মূর্খতার কত রুপ! জানার ইচ্ছার নাম নাকি নাস্তিকতা।

    আমি কোরান এবং হাদিসের এরকম কমপক্ষে দুটি বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে পারি ( স্মরন রাখুন, আমি প্রশ্ন তুলতে চেয়েছি কিন্তু সন্দেহ করতে চাইনি) যেটার উত্তর আমি জানি কিন্তু খোদ ইসলামী চিন্তাবিদেরা’ও এ সম্পর্কে কখনও চিন্তা করেছেন বলেও দেখিনি। আবার নাস্তিকেরাও এ বিষয়ে কখনও প্রশ্ন তুলেচেন সেটাও জানি না। যদি কেউ নিজেকে ইসলামী জ্ঞানবিশারদ ভেবে থাকেন তবে তাকে বাহাস’এর আমন্ত্রন জানালাম। আসুন, একবার আলোচনা করে দেখি আপনারা কতো বড় ইসলামী চিন্তাবিদ! লাগবেন বাজি?

    দুই লাইনের একটা ব্লগে সত্তর লাইনের মন্তব্যটা হয়তো বিরক্তিকর কিন্তু এতোটা বিষদ না লিখলে মতামতটুকু অসম্পূর্ণ থাকত বলেই দীর্ঘ একটা রচনা লিখতে হল। কেউ বিরক্ত হলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

    1. @আইজুদ্দিন
      এখানে আমি আমার

      @আইজুদ্দিন

      এখানে আমি আমার অবস্থানটা পরিষ্কার করাটা জরুরী মনে করছি

      আপনার অবস্থান সম্পর্কে আমরা দারুনভাবে অবগত

      কিন্তু মানুষের জ্ঞানের অতীত কিছু থাকবেই

      আমরা এই অতীতকেই বিশ্বাস করি
      সেই সাথে বিশ্বাস করি ভবিষ্যৎ বলেও কিছু আছে…

      বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এই নিরন্তর ছুটে চলার নাম উদ্ভাবনী শক্তি আর ইসলামের ক্ষেত্রে অতি ধার্মিকেরা এটার নাম দিয়েছেন নাস্তিকতা

      আপনারা এখানে কোন উদ্ভাবনী শক্তি দেখিয়েছেন তা স্পষ্ট।
      হ্যা গালি গালাজ অবশ্যই কোন না কোন শক্তির মধ্যেই পরে…

      জানার ইচ্ছার নাম নাকি নাস্তিকতা

      আপনি এখানে কোন ‘বাল ছাল’ (আপনার প্রথম মন্তব্য থেকে) জানতে চেয়েছেন তা আপনিই জানেন

      আমি কোরান এবং হাদিসের এরকম কমপক্ষে দুটি বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে পারি ( স্মরন রাখুন, আমি প্রশ্ন তুলতে চেয়েছি কিন্তু সন্দেহ করতে চাইনি) যেটার উত্তর আমি জানি কিন্তু খোদ ইসলামী চিন্তাবিদেরা’ও এ সম্পর্কে কখনও চিন্তা করেছেন বলেও দেখিনি। আবার নাস্তিকেরাও এ বিষয়ে কখনও প্রশ্ন তুলেচেন সেটাও জানি না

      আপনি প্রশ্ন তুলতেই পারেন; তার উত্তর দিতে এখানে বসিনি বা ব্লগিং করতেও আসিনি। আর আপনি কি প্রশ্ন করতে পারেন তা সম্বন্ধে আপনার বিগত মন্তব্য থেকে কিছুটা না অনেককিছু আঁচ করা যায়।
      আপনি উত্তর জানলে আবার তার উত্তর জানানোর কোনো প্রয়োজনবোধ করছি না। পাণ্ডিত্য জাহির করতে গেলেও সেই মাপের মানুষ লাগে আর আপনি তো একজন আইজুদ্দিন… :কথাইবলমুনা:

      যদি কেউ নিজেকে ইসলামী জ্ঞানবিশারদ ভেবে থাকেন তবে তাকে বাহাস’এর আমন্ত্রন জানালাম

      নিজেকে কখনই ইসলামী জ্ঞানবিশারদ ভাবি না। ভাবি ইসলামীবিদ…
      আপনার বাহাস পরিপূর্ণ ভাবে প্রত্যাখ্যান করলাম।

      লাগবেন বাজি?

      আমরা আমাদের বিশ্বাস নিয়ে কখনই বাজি ধরি নাহ। বিশ্বাস বাজি ধরার মতো কোন বস্তু নাহ…

      পুনশ্চঃ আপনার গত মন্তব্যের মতো এই মন্তব্যেও বরাবরের মতো বিরক্ত

      1. নারায়ে তকবীর, আল্লাহু আকবর
        নারায়ে তকবীর, আল্লাহু আকবর ছাড়া আপনি সব কিছুতেই যে বিরক্ত হওয়ার মানুষ সেটা আগেই জানা হয়ে গেছে। তাছাড়া আপনার মত বক ধার্মিকের বিরক্ত হওয়া নিয়ে কিছু যায় আসেনা। গুগুলের লেটেস্ট রিপোর্টটাতো দেখেছেন? আপনার মত বক ধার্মিকদের অনলাইনে সময় দেওয়ার জায়গা সম্পর্কে রিপোর্ট গুগুল প্রতিবছর প্রকাশ করে। আমরা বুঝতে পারি আপনাদের চরিত্র কতটা পবিত্র!

        1. নারায়ে তকবীর, আল্লাহু আকবর

          নারায়ে তকবীর, আল্লাহু আকবর ছাড়া আপনি সব কিছুতেই যে বিরক্ত হওয়ার মানুষ সেটা আগেই জানা হয়ে গেছে

          আপনি যে আগেই জেনেছেন সেটা এখন জেনে খুশি হলাম।

          আপনার দেখি গুগোল রিপোর্টে অঢেল বিশ্বাস :ঘুমপাইতেছে:

          1. গুগুলের রিপোর্টে বিশ্বাস না
            গুগুলের রিপোর্টে বিশ্বাস না হওয়ার কোন কারণ আছে কি? নাকি বলবেন এটা ইহুদি নাস্তিকদের প্রতিষ্ঠান। এরা ইসলামের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। ভাইজান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পুরাই ওদের।

      2. আহসান মুহাম্মাদ ভাই, অপরিচিত
        আহসান মুহাম্মাদ ভাই, অপরিচিত কাউকে সম্বোধন করলে তার নামের সাথে ভাই দাদা আঙ্কেল স্যার জনাব ইত্যাদি লাগালে সেটাতে ভদ্রতা প্রকাশ পায়, এটা পারিবারিক শিক্ষার অংশ। সম্ভবত এটা আপনাকে শিখানো হয় নাই। এরপর কাউকে নাম ধরে সম্বোধন করতে চাইলে সেটা মাথায় রাখবেন, এখানে আমার আপনার চাইতে অনেক গুণী এবং জ্ঞানী ব্লগ লেখেন এবং মন্তব্য করেন, তাদেরকে অসম্মান করার অধিকার আপনার নাই।

        আপনি বলেছেন আপনি আমার অবস্থান সম্পর্কে অবগত, আমি বলি আপনার মগজে এখনও এতোটা মেধা তৈরি হয় নাই। গাধাদের মগজ থাকলেও তারা একমাত্র মুলো ছাড়া কিছু চেনে না, আপনার কাছ থেকেও এর বেশি আশা করি নাই।

        মানুষের জ্ঞানের অতীত বলতে যা কিছু সেটাই বিজ্ঞানের অনুসন্ধিৎসা এবং একই সাথে ধর্মের সারাংশ, এটা খুঁজে পাওয়ার জন্য সাধনা প্রয়োজন। এতেও মাথা লাগে।

        ধর্মের সার এবং একই সাথে অসারতা প্রমানের জন্য কিছু ইন্টেলেকচুয়ালিটি থাকার প্রয়োজন যা দিয়ে মানুষ ধর্মকে প্রমাণ এবং অপ্রমান করার চেষ্টা করতে থাকবে, আমি উগ্র ধর্মান্ধ আর কট্টর নাস্তিকদের মধ্যে এটা দেখতে পাই না।

        আমি বলেছি ” যদি কেউ নিজেকে ইসলামী জ্ঞানবিশারদ ভেবে থাকেন তবে তাকে বাহাস’এর আমন্ত্রন জানালাম” এই কেউ বলতে আমি আপনার মতো গাছ-বলদকে বোঝায় নি, তাই আপনাকে বাহাসে আমন্ত্রন জানানোর প্রশ্নই আসেনা। বাহাসের জন্য আপনার বাবা হুজুর দাদা হুজুরদের আমন্ত্রন জানিয়েছি, পারলে তাদেরকে গিয়ে বলুন। আমি এখনও এক পায়ে খাঁড়া।

        আপনি পারলে এই পোস্টে গিয়ে ল্যাদানো বন্ধ করে কিছু তথ্য তত্ত্ব সমৃদ্ধ আলোচনা করে আসুন। আমার মন্তব্যগুলো পড়লেও কিছু সওয়াব হাসিল করতে পারবেন ইনশাল্লাহ!

        পরিশেষেঃ ইস্টিশনে এবার সম্ভবত পোস্ট সেন্সর করার প্রয়োজনীয়তা দেখা যাচ্ছে। মডারেশন প্যানেলের কাছে প্রত্যাশা রাখলাম, ছাগল ভেড়া গাধা গরু’র প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হোক না হলে ইস্টিশনের যাত্রী মহোদয় মহোদয়া’রা যে অচিরেই অতিষ্ঠ হয়ে উঠবেন তা বলা বাহুল্য।

        যারা মন্তব্যের অর্থ এবং ভাব সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান রাখে না, যারা মন্তব্যে কি ইঙ্গিত করা হয়েছে তা’ই বুঝতে পারেনা অন্তত তাদেরকে ব্লগিং করার সুবিধা প্রদান করার পক্ষে আমি ঘোর বিরোধী। আশা করি, আমার প্রস্তাবটি বিবেচনা করবেন।

        1. এখানে আমার আপনার চাইতে অনেক

          এখানে আমার আপনার চাইতে অনেক গুণী এবং জ্ঞানী ব্লগ লেখেন এবং মন্তব্য করেন, তাদেরকে অসম্মান করার অধিকার আপনার নাই।

          যারা গুণী ও জ্ঞানী ব্লগার তাদের অবশ্যই আমি সম্মান ও শ্রদ্ধা করি। আপনাকে আমার কোন দিক দিয়েই জ্ঞানী গুণী ব্লগার মনে হয়নি। এখনও যে আপনার সাথে আপনার মতো কোন অশালীন ভাষা ব্যাতিত কথা বলছি এটাই বেশি হয়ে যাচ্ছে। আমার সব মন্তব্যেই সবাইকে ভাই বলে সম্বোধন করা আছে যাদের কে আমি মনে করি জ্ঞানী গুণী।

          মানুষের জ্ঞানের অতীত বলতে যা কিছু সেটাই বিজ্ঞানের অনুসন্ধিৎসা এবং একই সাথে ধর্মের সারাংশ, এটা খুঁজে পাওয়ার জন্য সাধনা প্রয়োজন। এতেও মাথা লাগে।

          এহ আসছে আমার সাধনাবিদ! মাথাবিদ ! মাথা মোটা ছাড়া কিছুই মনে হয়না আপনাকে

          আপনি এই বললেন আমাকে বাহাসের আমন্ত্রণ জানাননি আবার বলছেন ওই ব্যাপুক তথ্য সমৃদ্ধ পোস্টে তত্ত সমৃদ্ধ আলোচনা করে আসতে। :হাহাপগে:
          একটু পর আবার বাবা দাদাকে টানবেন। শুনে রাখুন আমার বাপ দাদা কখনই আপনাদের মতো মাথা মোটাদের সাথে তর্কে জরাবে না। যেমন আমি জরাইনি। জরানোর মতো ব্যাক্তিত্ত আপনার কাছে পাইনি। এখনও অর্জন করতে পারেননি।

          ইস্টিশনে এবার সম্ভবত পোস্ট সেন্সর করার প্রয়োজনীয়তা দেখা যাচ্ছে

          সহমত। আমারও আবেদন রইলো। আপনার মতো মাথা মোটা ব্লগার যেখানে মন্তব্য করা শুরু করবে সেখানে পোস্ট এমনিতেই সেন্সর করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিবে। :মাথাঠুকি:

          1. এখনও যে আপনার সাথে আপনার মতো

            এখনও যে আপনার সাথে আপনার মতো কোন অশালীন ভাষা ব্যাতিত কথা বলছি এটাই বেশি হয়ে যাচ্ছে।

            মাথা মোটা ছাড়া কিছুই মনে হয়না আপনাকে

            মূর্খ গোঁয়ার জানোয়ারদের কাছ থেকে এর বেশি কিছু আমি আশা করি না। তোর কানের নীচে দুটো দিতে পারলে শান্তি পেতাম কিন্তু ভেবে দেখলাম, গু’এ হাত দিলে নিজেরই গা মাখবে। গা বাঁচাতে ছুটলাম, তোর মতো বলদের সাথে তর্ক চলেনা। রাস্তার ঘেয়ো কুকুরদের আমি তুই ছাড়া অন্য কিছু বলে সম্বোধন করা উচিত মনে করছি না তাই সে সম্পর্কে প্রশ্ন করাটা নেহায়েত অন্যায়।

            এইসব ধর্মান্ধ কুকুরদের ইস্টিশন থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করা হোক।

          2. হে হে হে
            জানতাম মহাশয়

            হে হে হে :তালিয়া:
            জানতাম মহাশয় সামান্য কটূক্তি করলেই আপনার কাছ থেকে অমূল্য বানী আসতে থাকবে। হয়েছেও তাই। জানতাম, এই সামান্য মাথা মোটা বললেই আপনার তত্ত ও জ্ঞান সমৃদ্ধ মাথা থেকে অশালিন, গালি গালাজ ছাড়া আর কিছুই বের হবে নাহ। বের হয়ওনি। আপনারা কীসব মন্তব্য করে কত বিশ্রী বিশ্রী কথা বললেন; একটা ‘অসভ্য’ পর্যন্তও গালি দেইনি। আর আপনাকে সামান্য মাথা মোটা বলায় কীসব শালীন মন্তব্য ছুঁড়ছেন…
            হ্যা আমাকে ধর্মান্ধ বলতেই পারেন। ধর্মে অন্ধ বলেই মুখ থেকে খই ফোটে না আপনাদের মতো। আর এটাই আমার ঈমান

            যান। আগে নিজেকে শুধরান। মুখ থেকে খইয়ের মতো বুলি মারা বন্ধ করুন। এতো হট টেম্পার নিয়ে মানব ধর্মের ডাক দিবেন কিভাবে? :মুগ্ধৈছি:
            আর যদি আপনাদের ধর্মে গালি গালাজ অ্যালাউড হয় তো চালিয়ে যেতে থাকেন। নিজের অস্তিত্ব জানুন আগে। তারপর আইসেন তর্কে। বিদায়…

          3. ভদ্র লোকের জন্য ভদ্র ভাষার
            ভদ্র লোকের জন্য ভদ্র ভাষার ব্যবহার করতে জানি কিন্তু তোর মতো শুয়োরের জন্য ভদ্র ভাষা ব্যবহার করা ভাষার অপলাপ মাত্র। গিয়া বাঁশের কেল্লায় ল্যাদা, এখানে আইসা ইস্টিশন মাখাইস না।

          4. ল্যাদানো কাকে বলে দেখায়া দিবো

            ল্যাদানো কাকে বলে দেখায়া দিবো নে পোস্ট দিয়ে…

            এখন কি করি?
            আমার কয়েক গাছি বাল যে ঝরঝর করে পড়ে ফরফর করে উড়ে গেল!

          1. আপনি ঠিক কোন দল থেকে ভোল
            আপনি ঠিক কোন দল থেকে ভোল পাল্টানো বা কিসের ভিত্তিতে বোল পাল্টানোর কথা বলছেন তা আমি বুঝতে পারিনি।

            আপনি যদি রাজনৈতিক দলের কথা বলেন তবে নিশ্চিত থাকুন আমি আওয়ামী সমর্থক এবং এ দলের একজন গর্বিত সমর্থক হয়ে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।

            যদি ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা বলেন তাহলে বলব আমি ধর্মান্ধ আস্তিক এবং কট্টর নাস্তিক উভয়ের ঘোর বিরোধী।
            আমার এমন কোন বক্তব্য নেই যেটা থেকে মনে হতে পারে যে আমি ধর্মান্ধ, অথবা আমি এমন কোন মন্তব্য করিনি যে থাকে কেউ আমাকে উগ্র নাস্তিক ভাবতে পারে। আমি সেই সহনশীল মুসলিমদের দলে যারা ধর্মের জন্য গুলি করে মানুষ হত্যা সমর্থন করেনা বা আমি সেই সকল অনুসন্ধিৎসু মানুষদের দলে যারা নাস্তিকতার নামে কোরান হাদিস নবী রাসুলদের নামে মিথ্যাচার করেনা।

            আমার রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় পরিচয় এটাই, যা পূর্বাপর এক এবং অভিন্ন। সুতরাং বোল পাল্টানো বা ভোল পাল্টানোর প্রশ্নই ওঠে না।
            আপনার কেন বোল পাল্টানো বা ভোল পাল্টানোর কথা মনে এলো সেটা জানিয়ে বাধিত করবেন আশা করি।

    2. এটা সত্য যে, কিছু নাস্তিকদের

      এটা সত্য যে, কিছু নাস্তিকদের সাথে কোন না কোন ভাবে কোথাও না কোথাও মতের একটু আধটু মিল দেখা যায় কিন্তু আমি অতি ধর্মান্ধ আস্তিক এবং কট্টর নাস্তিকদের একচোখেই দেখি। এরা প্রত্যেককেই ধর্মের নামে মিথ্যার বেসাতি করে। এক পক্ষ প্রতিষ্ঠার নামে আর আরেক পক্ষ বানচালের নামে।

      সহমত !

  10. শার্লী এবদো বাঙ্গালী
    শার্লী এবদো বাঙ্গালী গার্মেন্টস কর্মীদের অপমান করেছে ফারাবীর কাছ শুনলাম এ বিষয়ে আপনি কি বলেন ইকারাস ভাই?
    ও আরেকটি কথা ,ইসলাম শিশুদের শিশুত্ব নষ্ট করেনি ,এ ক্ষেত্রে উগ্রপন্থি ISIS কে দায়ী করা চলে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *