শার্লী হেবদোর হত্যাকান্ড টি আসলে কারা ঘটিয়েছে ?


আপনারা কখনো কি শুনছেন খুনী খুন করার পর তার আইডি কার্ড ফেলে যাবে এবং চিল্লায় চিল্লায়ে নিজ সংগঠনের নাম বলবে ? ফ্রান্সের শার্লী এবদো পত্রিকায় যে হতাহতের ঘটনাটা ঘটলো সেখানে নাকি খুনীরা তাদের আইডি কার্ড ফেলে গিয়েছিল এবং খুন করার পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় চিল্লায় চিল্লায়ে বলেছিল আমরা আল কায়েদা করি আমরা তালেবান করি। যারা প্যারিসের মত একটা জায়গায় এতবড় ঘটনা ঘটিয়ে ফেলল তারা কি এতই বোকা যে ঘর থেকে বের হবার সময় তারা তাদের আইডি কার্ড ঘরে না রেখে এসে সাথে করে নিয়ে আসবে আবার তা গাড়িতে ফেলে যাবে। শার্লী এবদো পত্রিকা নিয়ে তো সেই ২০০৬ সাল থেকেই ঝামেলা হচ্ছে। তখন থেকেই ঐ পত্রিকার সম্পাদক কার্টুনিস্টরা বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে ছিল। তো পুলিশ কি তখন ঘাস কাটছিল যখন বন্দুকধারীরা তাদের কে আক্রমন করতে এসেছিল ? মাত্র ২ জন বন্দুকধারী কিভাবে গুনে গুনে ১০ জন সাংবাদিককে হত্যা করল যারা সবাই একইদিন একই সময়ে পত্রিকার অফিসে ছিল। আর হ্যা সেদিন পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক চলছিল আর ঠিক সেইদিনই আক্রমন হল। বাইরের লোকেদের তো তা জানার কথা না কোনদিন সেই পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক হবে। প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক কোনদিন হবে এটা কি বাইরের কোন লোকের জানার কথা ? কই সালমান রুশদীকে তো কখনো লন্ডনের মুসলমানরা হত্যা করতে পারে নাই। কারন সালমান রুশদি লন্ডনের পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তায় থাকে। তসলিমা নাসরিনের উপরেও তো অনেকদিন ধরে ভারতের মুসলমানরা ক্ষ্যাপা। কিন্তু আজ পর্যন্ত ভারতের মুসলমানরা তসলিমা নাসরিনের টিকিটাও স্পর্শ করতে পারে নাই কারন ভারত সরকার বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে তসলিমা নাসরিন কে বাচিয়ে রেখেছে। তো তসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদীর মত শার্লী এবদো পত্রিকার সম্পাদক কার্টুনিস্টরাও তো বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে ছিল। যেই ২ ভাইকে ফ্রান্স সরকার এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে হত্যা করেছে এদের মাঝে শেরিফ কোশী আগেই ফ্রান্সের এক কারাগারে ৩ বছর জেল খাটছে। তাই খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে পুলিশ এদের সম্পর্কে জানত এবং তারা আগে থেকেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিল। তাইলে কিভাবে এই ২ ভাই সাইদ কোশী ও শরীফ কোশী প্যারিসের মত জায়গায় কালশনিকভ রাইফেল ও রকেট লাঞ্চার জোগাড় করল। যারা আগে থেকেই ৩ বছর জেল খাটল তাদের পক্ষে কি সম্ভব রকেট লাঞ্চার জোগাড় করা ? আমরাও তো বাংলা ভাই শায়খ আবদুর রহমান কে গ্রেফতার করেছিলাম কই আমরা তো তাদেরকে গুলি কর মারি নাই। বরং আমরা তাদেরকে গ্রেফতার করে জেএমবিদের আস্তানা খুজে বের করেছি। তাইলে ফ্রান্স সরকার কেন সাথে সাথে সাইদ কোশী ও শরীফ কোশী কে গুলি করে হত্যা করে ফেলল ? যেই আগুন পুরা টুইন টাওয়ার কে পুড়িয়ে ফেলল সেই আগুন নাকি টুইন টাওয়ারে হামলাকারী টেরোরিষ্টদের পাসপোর্ট পুড়াতে পারে নাই। টুইন টাওয়ার হামলায় কোন কোন জঙ্গী জড়িত ছিল তাদের নাম ঠিকানা নাকি সেই উদ্ধার হওয়া পাসপোর্ট থেকেই পাওয়া গিয়েছিল। twin tower এর হামলাটা ছিল একটা সাজানো নাটক। সামান্য ২ টা বিমানের আঘাতে স্টিলের তৈরি এতবড় বিল্ডিং মোমের মত গলে পরবে না। আমেরিকার প্রকৌশলী বিজ্ঞানীরাই প্রমান করেছেন যে স্বয়ংক্রিয় ভাবে টুইন টাওয়ারের ভিতরেই বিস্ফোরক রেখে টুইন টাওয়ার কে ধবংস করা হয়েছে এই ওয়েবসাইটে www.911truth.org টুইন টাওয়ার হামলা যে একটা সাজানো নাটক এরপক্ষে ১৪৮ টা প্রমান উপস্থাপন করা হয়েছে।

ইউরোপের মুসলমানদের যদি সত্যিই শার্লী হেবদো পত্রিকা কার্যালয় আক্রমন করার সামর্থ্য থাকত তাইলে অনেক আগেই সালমান রুশদীর লাশ পরত। এখানে উল্লেখ্য সালমান রুশদী ও শার্লী হেবদো পত্রিকা ২ টাই বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তার মাঝে ছিল। ফ্রান্স সরকার চাইছে বলেই শার্লী হেবদো পত্রিকার সাংবাদিকরা নিহত হয়েছে আর ইংল্যান্ড সরকার এখনো বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে সালমান রুশদীকে বাচিয়ে রেখেছে। তবে আমার মনে হচ্ছে তসলিমা নাসরিনকেও অতিশীঘ্র নরেন্দ্র মোদী হত্যা করে তারপর এর দোষ চাপাবে দিল্লীার মুসলমানদের উপর।

শার্লী হেবদো পত্রিকা অফিসে তো সিসি ক্যামেরা ছিল। তো সিসি ক্যামেরায় অবশ্যই হত্যার দৃশ্য ধারন করা থাকবে। আমরা সেই দৃশ্য দেখতে চাই। শার্লি হেব্দোর সব থেকে গাজাখুরি দৃশ্যটি ছিলো যখন কথিত টেরোরিস্টরা নিচ দিক দিয়ে হেটে যাচ্ছিল তখন অনেক নিরাপত্তা কর্মী বিল্ডিং এর ছাদ থেকে তাদের পর্যবেক্ষণ করছিলো। তারা কিন্তু তখন ইচ্ছা করলেই তাদের থামিয়ে দিতে পারত। এরপর কথিত টেরোরিস্টদের দুই জন এক দিকে চলে গেল আর বাকি দুইজন আরেক দিকে গেলো। তারপর হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হল। চলে যাওয়ার সময় তারা আবার তাদের আইডি কার্ডও রেখে গেলো । এ থেকেই প্রমানিত হয় যে পুরো ঘটনাটি 9/11 এর মত একটি সাজানো ঘটনা ছিলো। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল ফ্রান্স সরকার যেই ভিডিওটা ছাড়ছে সেখানে এক টেরোরিস্টরা আহমেদ মারাবাটের মাথায় গুলি করছে কিন্তু আহমেদ মারাবাটের মাথা থেকে কোন রক্ত বের হয় নি। এই ঘটনাটা যে ইসরাঈল করেছে এর সব প্রমান এখানে

ফ্রান্সের মুসলমানদের ক্ষমতা থাকলে সেই ২০০৬ সালেই শার্লী হেবদো পত্রিকা অফিসে আক্রমন করত। ফ্রান্সের মুসলমানরা সব সময়ই অনেক চাপে থাকে। তাদের পক্ষে অস্ত্র হাতে নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া সম্ভব না। শার্লী হেবদো পত্রিকার প্রধান সম্পাদক স্তিফান শার্বোনিয়ে, কার্টুনিষ্ট জর্জ ওলিন্সকি, কার্টুনিস্ট জঁ কবু এই ৩ জনই ফ্রান্সের খুবই আলোচিত সাংবাদিক। ফ্রান্স সরকার তাদেরকে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে বাচিয়ে রেখেছিল অনেকটা আমাদের তসলিমা নাসরিন ও সালমান রুশদীর মত। কিন্তু মাত্র ২ জন মুখোশধারী বন্দুকধারী পুরা ফরাসি প্রতিরক্ষা ব্যুহ্য কে তছনছ করে দিল ঠিক সুপারম্যানের মত ! হ্যা অনেক ফ্রান্সের নাগরিক এখন বুঝতে পারছে এই ঘটনায় ইসরাঈলের হাত আছে। তাই ফ্রান্স সরকার এখন ইহুদি নিয়ন্ত্রিত স্কুল কলেজ গুলিতে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে। ফ্রান্সের ঘটনাটা যে ইসরাঈলের করা তা এখানে প্রমান করা হয়েছে। শার্লী হেবদোর যেই ভিডিওটা ফ্রান্স সরকার ছেড়েছে এখানে কোন রক্তপাতের দৃশ্য নাই। মানুষের মাথায় গুলি করার পরেও তার মাথা থেকে রক্ত বের হবে না এটা তো পুরাই আজগুবি। ঘটনাটা যে পরিকল্পিত এবং CIA রা করেছে এ কথা শুধু আমার না এ কথা White House এর সাবেক Official ডঃ পল ক্রেইগ রবার্টসের। তিনি বিষয়টির কারণ,উদ্দেশ্য ইত্যাদি বিশ্লেষণ করেছেন। বিস্তারিত http://goo.gl/xrZ43O এবং http://goo.gl/jFPt5z

ইউরোপের সবচেয়ে বেশী মুসলমান আছে ফ্রান্সে ৫০ লাখ। এদের মধ্যে অর্ধেকই ফরাসী ধর্মান্তরিত মুসলিম। এই ৫০ লাখ মুসলমানদের কে চাকুরি বাকুরি থেকে বঞ্চিত করতেই ফ্রান্স সরকার এই সাজানো নাটকটা মঞ্চায়িত করল। আর একজন খুনী নাকী যেচে গেয়ে আত্মসমর্পন করেছে। জীবনে কখনো শুনছেন খুনী পালিয়ে না গেয়ে নিজে থেকে আত্মসমর্পন করে। সে যদি সত্যিই খুনী হত তাইলে তো সে ঐ ২ জনের সাথে পালিয়েই যেত। অর্থ্যাত্‍ খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে এই কার্টুনিস্টদের হত্যার পিছে ফ্রান্স সরকার জড়িত। ফ্রান্স কিছুদিন আগে ফিলিস্তিন কে স্বীকৃতি দিয়েছে। তখনই ইসরাঈল বলেছিল ফ্রান্স এই কাজটা ঠিক করে নাই। আর ইসরাঈলের এজেন্টরা তো এর আগেও বিভিন্ন জনের নামে ভুয়া পাসপোর্ট বানিয়ে ব্যবহার করেছিল এবং ধরাও পরেছিল। খুনীরা এতগুলি লোক খুন করে প্যারিস নগরী থেকে পালিয়ে গেল কিন্তু প্যারিসের পুলিশরা ব্যারিকেড দিয়ে বা চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের কে ধরতে পারল না এর কারন কি ? তারা নাকি আবার দেশের উত্তরাঞ্চলের দিকে পালিয়ে এক প্রিন্টিং প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের কে জিম্মি করে। তো তারা যে গাড়ি করে এতদূর চলে গেল ফ্রান্সের একটা পুলিশও তাদের কে ধরতে পারল না ইচ্ছা করেও ধরল না এটাই তো এখন মূল প্রশ্ন। অবস্থাদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে ফ্রান্সের পুলিশই চেয়েছিল এরকম একটা ঘটনা ঘটুক।

শার্লী এবদোর ঘটনায় একজন মুসলিম পুলিশ অফিসার মারা গেছে। উনার নাম হল আহমেদ মেরাবাত। উনি আলজেরীয় বংশোদ্ভদ একজন মুসলিম। এতবড় একটা পত্রিকা অফিসের সামনে মাত্র ২ জন পুলিশ অফিসার ছিল এটাও তো একটা সন্দেহজনক ব্যাপার। শার্লী হেবদো পত্রিকা আহমেদ মেরাবাতের বিশ্বাস কে সব সময় কটাক্ষ করলেও আহমেদ মেরাবাত শার্লী এবদো পত্রিকার নিরাপত্তা রক্ষার্থেই জীবন দিল। ১২ জন নিহত হবার ঘটনায় যেহেতু একজন মুসলমান মারা গেছে তাই খুব সহজেই বুঝতে পারছেন ফ্রান্সে এখন কি পরিমানে মুসলিম বাড়ছে। হ্যা সেই ৮০ এর দশক থেকেই ফ্রান্সে বহু লোক মুসলমান হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রায়ই ফরাসি জামাত আসে। কাকরাইল মসজিদে যেয়ে দেখেন বহু ফরাসী মুসলমান বাংলার চাষাভুষা কৃষকের সাথে এক সাথে বসে দ্বীন ইসলাম শিখছে। ফ্রান্সের বহু গীর্জা এখন মসজিদে রুপান্তরিত হয়েছে। পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র ফ্রান্সেই বোরখা পড়লে মোটা অংকের ইউরো জরিমানা দিতে হয়। তাও আমাদের ফরাসী বোনরা হিজাব ছাড়ছ না। হান্টিংটন যেই সভ্যতার সংঘাতের কথা বলেছিলেন সেই সভ্যতার সংঘাত এখন জার্মানী, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডে জড়িয়ে পরেছে। ফ্রান্সে আছে ৫০ লাখ মুসলমান। জার্মানীতে আছে ৪০ লাখ মুসলমান আর ইংল্যান্ডে আছে ৩০ লাখ মুসলমান। এটা সরকারী হিসাব। বাস্তবে আরো বেশী হতে পারে। এই ইউরোপের মুসলমানদের মাঝে অর্ধেকই হচ্ছে সাদা চামড়ার মুসলমান যারা আঙ্গুল উচিয়ে তাদের দেশের পুজাবাদি system এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ইউরোপের মাটিতে খিলাফত কায়েম করতে চায়। আর এই সাদা চামড়ার মুসলমানদের কে হেনেস্থা করতেই এখন ইউরোপ সরকার নতুন নতুন জঙ্গী নাটকের আবির্ভাব ঘটাচ্ছে। Communism কে পচানোর জন্য CIA ইউরোপে হামলা করে রাশিয়ার দোষ দিত। Cmmunism এর এখন আর সেই শক্তি নাই। পাশ্চাত্যের পুজিবাঁদি অর্থনীতির এখন একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামের আদর্শিক মতবাদ। আর এটা সবার জানা যে পাশ্চাত্যে ক্রমবর্ধমানভাবে ইসলামের অগ্রসরতার কারন পাশ্চাত্য কেমন নোংরাভাবে ইসলাম ফোবিয়ায় ভূগছে। তাই এখন ইসলাম বিরুধী সেন্টিমেন্টকে উসকে দেয়ার জন্য তারা এ ধরনের হামলাকেই বেছে নিয়েছে।

৩৬ thoughts on “শার্লী হেবদোর হত্যাকান্ড টি আসলে কারা ঘটিয়েছে ?

  1. শার্লী হেবদো পত্রিকা অফিসে তো
    শার্লী হেবদো পত্রিকা অফিসে তো সিসি ক্যামেরা ছিল। তো সিসি ক্যামেরায় অবশ্যই হত্যার সেই দৃশ্য ধারন করা থাকবে। আমরা সেই দৃশ্য দেখতে চাই।

  2. আল কায়েদা প্রধান আজ ১১
    আল কায়েদা প্রধান আজ ১১ মিনিটের ভিডিও বার্তায় হত্যার সাথে তাদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। এটাও কি ইহুদীরা করিয়েছে? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদিদের অবস্থা যে রকম হয়েছিল, ভবিষ্যতে মুসলমানদের অবস্থা সেই রকম হওয়ার পথে। নাম বদলানোর হিড়িক পড়ে যাবে কিছু দিনের মধ্যে।

  3. সারা দুনিয়ার মোল্লাতন্ত্রের
    সারা দুনিয়ার মোল্লাতন্ত্রের ধারক বাহক সাম্রাজ্যবাদীরাই। জায়নবাদ আর ইসলামী মোল্লাবাদ, আর নাস্তিক মোল্লাবাদ, সবগুলোর হোতাই ওরা। এই পোস্টের লেখক, তথাকথিত ফারাবি, সে নিজেও একজন সাম্রাজ্যবাদের অনুচর। তার সেনাবাহিনী ডাকার ঘটনা আমাদের মনে আছে। সেনাবাহিনীকে তার মিত্র মনে হয় কিসের ভিত্তিতে? এর সঙ্গে আছে মৌলবাদের আন্তর্জাতিক কানেকশন- যার দেখভাল বর্তমানে আমেরিকাই করে।

    সাম্রাজ্যবাদের এসব ঘেরাটোপ থেকে বেরুতে হলে আমাদের প্রথমে সাম্রাজ্যবাদের দালালদের সাফ করা দরকার, তাদের শক্তিহীন করে দেয়া দরকার। এরপর আঘাত করা দরকার সাম্রাজ্যবাদের ভীতে। তাকে পরাস্ত করা গেলেই পৃথিবীতে শান্তি আসবে। উভয় কাজের জন্য দরকার বিপুল জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। বিপ্লবীদের আজ এই কর্তব্যটা বুঝতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দল, নয় রাজাকার; আস্তিক, নয় নাস্তিক; এই দলাদলির মধ্যে গিয়ে কোনো এক পক্ষে হেলে পড়াটা আমাদের কাজ নয়।

      1. ইকারাসের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত
        ইকারাসের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত মনে হয় মতিয়া চৌধুরীদের মত আওয়ামী লীগ !

        সে মনে হয় ভাবে যে, আওয়ামী লীগ থাকলে হুজুর গোষ্ঠী কখনোই মাথাচাড়া দিতে পারবেনা। তার ভয় হাম্বালীগ ক্ষমতায় না থাকলে সে এরকম মুসলমান/আস্তিক/ছাগু ব্যাশিং করতে পারবেনা। তার কাছে মুসলমান/আস্তিক/ছাগু ব্যাশিংটাই যেন মেইন, সবকিছুর উরধে। বিএনপি আমলেই যে হুজি নেতাদের ধরা এবং দ্রুত বিচার হয়েছিল, সেটা তার মাথায় নাই।

        আসলে আনিস রায়হান ছাত্রলীগের হাতে যেভাবে প্রহৃত হয়েছিল একবার, সেরকম দুর্ভাগ্য তো আর তার হয়নি। তাই বোধহয়… !

    1. #আনিস রায়হান,
      সাম্রাজ্যবাদের

      #আনিস রায়হান,

      সাম্রাজ্যবাদের এসব ঘেরাটোপ থেকে বেরুতে হলে আমাদের প্রথমে সাম্রাজ্যবাদের দালালদের সাফ করা দরকার

      মানে কল্লাটা কাটতে হবে! খুব ভাল। বামেরা যে এখন বামাতী হয়ে গেছে এটা তাহলে মিথ্যে নয়। ইসলাম ধমটাই তো আমেরিকা-ইউরোপ সাম্রাজ্যবাদীদের সৃষ্টি তাই না ভাই?
      #ফারাবী, নবীচি-কে নিয়ে বেজ্জতী কাটুন আঁকা হলো- ইসলামের বিধান কি এই বিষয়ে?

      1. আনিস ভাই ‘রেভল্যুশনিস্ট’
        আনিস ভাই ‘রেভল্যুশনিস্ট’ (বিপ্লবি চেতনার মানুষ) ! তাই উনি এভাবেই বলতে হয়তো ভালবাসেন।

        আমি ‘ রিফরমিস্ট ‘ ; তাই আমি হয়তো ঐভাবে কথা বলিনা। তবে, সাম্রাজ্যবাদ যে অনেক বড় একটা বাঁধা বা অপশক্তি তাতে কোন সন্দেহ নাই !

      2. # সুষুপ্ত পাঠক: সহমত জানালাম।
        # সুষুপ্ত পাঠক: সহমত জানালাম। বামরা এখন ভন্ডতর হয়ে গেছে। তারা অচিরেই হেপচুতিয়াদের সাথে জোট বেঁধে ফেললেও অবাক হবো না।

        1. হাম্বালীগের বিরুদ্ধে দাড়ালেই
          হাম্বালীগের বিরুদ্ধে দাড়ালেই সব বাম ভন্ড হয়ে যায় ! ভালো তো, ভালো না !

          আর গেকারাস হাম্বালীগের পাশে দাড়াইলে সে হয় সৎ বাম ! 😀

          1. মান্না ভোটে খাড়াইলে ১০০টা ভোট
            মান্না ভোটে খাড়াইলে ১০০টা ভোট পাইব নি? আর সাম্রাজ্যবাদের দালালের লিস্টে ডঃ কামাল, মান্নারা প্রথম কাতারে পড়ে। আনিস ভাই কি দয়া করে বলবেন এরা সাম্রাজ্যবাদের দালালদের লিষ্টে পড়ে কিনা?

          2. ইকারাস সাহেব, আপনার জন্যই
            ইকারাস সাহেব, আপনার জন্যই বলছি, প্রেসক্লাবে আমাদের ৫ই জানুয়ারীতে অধিবেশনে আনু মুহাম্মদ স্যারের একটা লেটেস্ট প্রবন্ধ পাঠ করা হয়েছে। আর মৌলিক বাংলার সাথেও আমাদের অনেক ভাল একটা যোগাযোগ রয়েছে। এরপরও কি আমাদের সাম্রাজ্যবাদের দালাল বলে আপনার মনে হইতেছে?

      3. ফ্রাবি: বিশাল জ্ঞানগর্ভ
        ফ্রাবি: বিশাল জ্ঞানগর্ভ পোষ্ট। পুরোটা পড়ার পর জ্ঞানের আধিক্যে কোষ্টকাঠিন্য দেখা দিয়েছে। আপনি কি জানেন, আপনার মতো বিশ্লেষকের আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমান দর কতো? আপনি দেশে কি করেন? আপনি জুরিখে গিয়ে একটা অফিস খুলতে পারেন। সাইনবোর্ড লাগানো থাকবে- এখানে জঙ্গীদের যাবতীয় কর্মকান্ডের চমৎকার বিশ্লেষণ করা হয়।

        * একটা বিষয় জানার ইচ্ছা। অনেকদিন ধরে দেখেছি অনলাইনে- টুইন টাওয়ার ধ্বংসের বিষয়টা নাকি কোরানে কোন সূরার কোন আয়াতে আগে থেকেই লেখা ছিলো। তাহলে বিষয়টা কি দাঁড়ালো? কোরান লিখেছে- এয়াহুদি-কেরেস্তান-নাসারা-নাস্তিকরা। তাই না? কোরান ঘেঁটে বের করেন শার্লি হেব্দোর অফিসে হামলা করসে কে!

  4. শেহজাদ আমানের কাছে জানতে
    শেহজাদ আমানের কাছে জানতে চাচ্ছি- ফ্রান্সের এই হত্যাকান্ডের সাথে মুসলিম সন্ত্রাসীরা জড়িত ছিল বলে বিশ্বাস করেন কিনা? হুদাই তর্ক করে কোন লাভ নাই। আজকে সমগ্র বিশ্ব যেভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে মুসলিম জঙ্গীবাদের কারণে, সেটাকে অস্বীকার করার কোন জো নেই। কারা করাচ্ছে তার চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে কারা করছে।

    1. আজকে সমগ্র বিশ্ব যেভাবে

      আজকে সমগ্র বিশ্ব যেভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে মুসলিম জঙ্গীবাদের কারণে, সেটাকে অস্বীকার করার কোন জো নেই।

      পুরোপুরি সহমত !

      কারা করাচ্ছে তার চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে কারা করছে।

      এইক্ষেত্রেও সহমত !

      শেহজাদ আমানের কাছে জানতে চাচ্ছি- ফ্রান্সের এই হত্যাকান্ডের সাথে মুসলিম সন্ত্রাসীরা জড়িত ছিল বলে বিশ্বাস করেন কিনা?

      এখন পর্যন্ত যা তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাতে মুসলিম জঙ্গীদেরকেই দায়ী করতে হবে সবার আগে ! যারা নাইজেরিয়া বা পাকিস্তানে খুনের নহর বইয়ে দিতে পারে, তারা ফ্রান্সেও পারে ।

  5. ফারাবী হাজির যথারীতি ফারাবীয়
    ফারাবী হাজির যথারীতি ফারাবীয় ত্বত্ত নিয়ে। ফারাবীর মত হুজুরেরাই শুক্রবারের নামাযে কিংবা ওয়াজে বসে আবেগ ঘন ভাষায় সারা বিশ্বের মুসলমানদের নির্যাতন , নবীর বেইজ্জতির কথা বলে মুসল মান দের মধ্যে ঈমানি জোশ পয়দা করে। আর ঈমানি জোশে আক্রান্ত মুসল মানেরা প্রতিশোধ হিসেবে কোন ঘৃণ্য সহিংসতা করলে এরাই আবার আমেরিকা ইসরাইলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে সাধু সাজার চেষ্টা করে । হায় রে , ফারাবিয় মুসলমানের মন বড় বিচিত্র!!!

  6. আর ঈমানি জোশে আক্রান্ত মুসল

    আর ঈমানি জোশে আক্রান্ত মুসল মানেরা প্রতিশোধ হিসেবে কোন ঘৃণ্য সহিংসতা করলে এরাই আবার আমেরিকা ইসরাইলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে সাধু সাজার চেষ্টা করে ।

    মুল কথাটি বলেছেন। :থাম্বসআপ:

    1. ফারাবিয় মুসলমানরা এগুলো বুঝলে
      ফারাবিয় মুসলমানরা এগুলো বুঝলে তো। এদেশের মুসল মানরা প্রতি ওয়াক্ত নামাযে আমেরিকা ধ্বংস কামনা করে আবার নিজে কিংবা নিজের ছেলে-মেয়ে ডিভি লটারি বা ষ্টুডেন্ট ভিসায় যখন আমেরিকায় যাবার চান্স পায় তখন আবার খুশি হয়ে মসজিদে মিলাদ দেয় । হায় রে বাঙ্গালী মুসলমান !!!

  7. পুরা নেট খুজেও গৌতম বুদ্ধ বা
    পুরা নেট খুজেও গৌতম বুদ্ধ বা শ্রীকৃষ্ণের বিরুদ্ধে একটা ভাল ওয়েবসাইট খুজে পাওয়া যায় না। এতেই বুঝা যায় শ্রীকৃষ্ণ বা গৌতম বুদ্ধের জ্ঞানের গভীরতা কতটুকু ছিল। মানুষ যাকে Threat মনে করে তাকে নিয়েই তো লেখালিখি করে। যেহেতু রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনদর্শন এই ভোগবাদী সমাজের জন্য হুমকি স্বরুপ তাই পশ্চিমা বিশ্ব একযোগে আল্লাহর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে। কারন ইসলাম বিজয়ী হলে তো আর পুজিবাদী System দ্বারা এই পৃথিবী চলবে না। তাই তখন আর আমরাও আগের মত এত ভোগ বিলাস করতে পারবো না। তাই আস মুহাম্মদকে পঁচাই।

  8. লুক্স ভাইয়ের একটা স্ট্যাটাস
    লুক্স ভাইয়ের একটা স্ট্যাটাস এই আবালদের জন্য প্রযোজ্য:

    বিশ্বের সেরা সেরা, সুদক্ষ আর মহাজ্ঞানী সব টেরর এক্সপার্টরা থাকেন বাঙলাদেশে। নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ার হামলা, লন্ডনের মেট্রো হামলা, প্যারিসের শার্লি এবদো অফিসে হামলা সহ বিশ্বের যে কোনো সময়ের যে কোনো সন্ত্রাসী হামলার পেছনে কাদের হাত? কারা হামলা করেছে? এবং হামলাকারীদের উদ্দেশ্যইবা কি?- তার গোপন সব রহস্য তারা একটা ভিডিও ক্লিপ দেখে বা একটা বাঙলা পত্রিকার হেড লাইন পড়েই বলে দিতে পারেন।
    শুধু নিজের দেশের নিরিহ মানুষকে পুড়িয়ে মারার পেছনে কাদের হাত- সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

        1. যারা তার মুরীদ আছে আপনার মতো,
          যারা তার মুরীদ আছে আপনার মতো, তারাই মূর্ছা যায়! আমার যোগ্যতা লুক্স মিয়ার চাইতে কম নয়। আমি তার নাম শুইনা কি করতাম ?

          1. আমার যোগ্যতা লুক্স মিয়ার

            আমার যোগ্যতা লুক্স মিয়ার চাইতে কম নয়।

            ৩৩ মুরীদঅলা পীরের ভয়ে আমরা নিয়মিত তিনবেলা খাওয়ার পর নিয়ম করে মূর্ছাও খাই। অকা?

  9. দেখে-শুনে মনে হচ্ছে ঘটনা যদি
    দেখে-শুনে মনে হচ্ছে ঘটনা যদি সত্যিই এরকম হতো। তাহলে আমাদের নাস্টিক ভায়েরা বড়ই অখুশী হতেন! মুসলিমরা করায় তেনারা দারুণ হ্যাপী হয়েছেন।

  10. শার্লী হেবদোর হত্যাকান্ড টি
    শার্লী হেবদোর হত্যাকান্ড টি আসলে কারা ঘটিয়েছে ?

    এই প্রশ্নের ঊত্তর খোজার আগে আমার মনে হয় নীচের প্রশ্নের ঊত্তর আগে খোজা প্রয়োজন–
    ১/ ইরাকে ১,৩৩০০০ মুসলিম কারা হত্যা করেছে?
    ২/ আফগানস্থানে ১৮০০০ নিরীহ মানুষ কারা মেরেছে?
    ৩/ ফিলিস্তিনের জায়গা কারা অবৈধ ভাবে দখল করে রেখেছে?
    ৪/ গাজায় কারা সম্প্রতি ১৮০০ মানুষ (তার মধ্যে ৩০০ জন শিশু) হত্যা করেছে?
    ৫/ কাদের কারনে ইরাকের ১৫ লক্ষ শিশু বর্তমানে অপুষ্টিতে ভুগছে?

    উপরের প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে যাদের নাম পাওয়া যাবে, তারা ওসামা বিন লাদেন, মোল্লা ওমর, আল-কায়দা, বোকো-হারাম অথবা আইসিস এর চাইতেও অনেক বড় মাপের টেররিস্ট।
    বড় ধরনের টেররিসম কমিয়ে আনতে পারলে ছোট-খাট টেররিসম কমে আসতে বাধ্য।

    1. বাহ ! দোহারকি দেয়ার জন্য ছাগু
      বাহ ! দোহারকি দেয়ার জন্য ছাগু স্যাঙ্গাতও আছে দেখছি !
      :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:

    2. twin tower এর হামলাটা ছিল

      twin tower এর হামলাটা ছিল একটা সাজানো নাটক। সামান্য ২ টা বিমানের আঘাতে স্টিলের তৈরি এতবড় বিল্ডিং মোমের মত গলে পরবে না। আমেরিকার প্রকৌশলী বিজ্ঞানীরাই প্রমান করেছেন যে স্বয়ংক্রিয় ভাবে টুইন টাওয়ারের ভিতরেই বিস্ফোরক রেখে টুইন টাওয়ার কে ধবংস করা হয়েছে এই ওয়েবসাইটে http://www.911truth.org টুইন টাওয়ার হামলা যে একটা সাজানো নাটক এরপক্ষে ১৪৮ টা প্রমান উপস্থাপন করা হয়েছে।

      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :শুনতেচাইনা:

      পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র ফ্রান্সেই বোরখা পড়লে মোটা অংকের ইউরো জরিমানা দিতে হয়। তাও আমাদের ফরাসী বোনরা হিজাব ছাড়ছ না।

      ঝানতামনা তো!!! :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :bum: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:

      ফ্রান্সে আছে ৫০ লাখ মুসলমান। জার্মানীতে আছে ৪০ লাখ মুসলমান আর ইংল্যান্ডে আছে ৩০ লাখ মুসলমান। এটা সরকারী হিসাব। বাস্তবে আরো বেশী হতে পারে। এই ইউরোপের মুসলমানদের মাঝে অর্ধেকই হচ্ছে সাদা চামড়ার মুসলমান যারা আঙ্গুল উচিয়ে তাদের দেশের পুজাবাদি system এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ইউরোপের মাটিতে খিলাফত কায়েম করতে চায়। আর এই সাদা চামড়ার মুসলমানদের কে হেনেস্থা করতেই এখন ইউরোপ সরকার নতুন নতুন জঙ্গী নাটকের আবির্ভাব ঘটাচ্ছে। Communism কে পচানোর জন্য CIA ইউরোপে হামলা করে রাশিয়ার দোষ দিত। Cmmunism এর এখন আর সেই শক্তি নাই।

      :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি:
      হালায় তো দেহি সবকিছু জানে !!!! :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ:
      আর সাদা চামড়া মুসলমান গুলা যে খিলাফত কায়েম করতে চায় , ওরাও কি হিজবুতি নাকি ? :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি:
      আইচ্ছা ,কন দেহি ,ডিক চেনির বিচিতে খাউজানি হইলে কি মলম লাগাইত ?
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *