বদলে যাওয়ার গল্প-১

আস্তে আস্তে সিকারেটে টান দিচ্ছে ভাদ্র । অনেকদিন পরে সে ঢাকা যাচ্ছে । সিকারেট টানতে টানতেই হঠাতই তার মেঘার কথা মনে পড়ে গেল। আজ যদি মেঘা থাকত তার পাশে তবে সে তাকে অবশ্যই ধুমপান করতে দিত না। বলত, দেখ তুমি যদি ওটা আর একবারও হাতে নেও তবে কিন্তু আমিও ধুমপান করা শুরু করব, তুমি কি চাও যে আমি ওটা হাতে নিই??আসলেই আজব এই মেয়েটা! ! নিজের থেকেও সে ভাদ্রকে বেশি ভালবাসে এবং আজীবন ভালবেসেই যাবে । এই ভালবাসা কখনো এতটুকুও কমবে না বরং বাড়তেই থাকবে। ভাদ্রও তাকে ভালবাসে খুব , খুব বলাটা হয়ত ভুল হয়ে যাবে , সে তো নিজের থেকেও বেশি ভালবাসে তাকে। আজ ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাসে তারা একে অপরের থেকে দুরে। ভাদ্র জানে সে এজীবনে কখনো পাবে না মেঘাকে কিন্তু সে বিশ্বাস করে যে, কখনো না কখনো সে পাবেই মেঘাকে তা ইহকালে না হলেও পরকালে!!
হঠাত ভাদ্র একটা ব্যাথা অনুভব করল তবে সেটা ঠোটে , কারন তার সিকারেটের গোরাটা যে পুরে গিয়ে তার ঠোটে লেগেছে ।

৬ thoughts on “বদলে যাওয়ার গল্প-১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *