আবার উত্তপ্ত পাহাড়, শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ণই একমাত্র মুক্তি

গতকাল পাহাড়ী জেলা রাঙামাটি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শহরে সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল ৭টা পর্যন্ত সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারি করা হয়েছে। যা একই সূচীতে আজকেও বলবৎ আছে, হয়ত আগামী কয়েকদিন চলবে। কারফিউ চলাকালীন সময়ে প্রসাশনকে দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যথারীতি রাঙামাটির সর্বত্ব পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। কার্যত সেনাবাহিনী আবার পুর্বের ভুমিকায় চলে যাচ্ছে। স্বাধীন ভুখন্ডের স্বাধীন নাগরিকরা তাদের ভুমির দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য আজ রাষ্ট্রের নির্যাতনের শিকার। এবারের ইস্যু রাঙামাটিতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপন। শান্তিচুক্তি অনুযায়ী পাহাড়ীদের মৌলিক দাবীগুলোর মধ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপন কতটা যৌক্তিক ও অগ্রাধিকারযোগ্য?

আমরা চাই বাংলাদেশে প্রতিটা জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থাকুক। বিভাগীয় শহরগুলোতে একের অধিক থাকা উচিত। কিন্তু সেটা হওয়া উচিত পর্যায়ক্রমে জেলার জনসংখ্যা, অবকাঠামোগত সুবিধা, সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির হার বিবেচনা করে। সরকারের কাছে জিজ্ঞাসা- ৬৪ জেলার মধ্যে তিন পার্বত্য জেলা বাদ দিয়ে বাকি ৬১টি জেলায় কি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তবে কেন সমস্যাসঙ্কুল জনোষ্টির এ অঞ্চলে এবং পার্বত্য জনগোষ্টির সাথে সরকারের করা মৌলিক চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন না করে এখানকার অধিবাসীদের নিজেদের ভুমি থেকে উচ্ছেদ করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করা হচ্ছে? কাদের স্বার্থ এখানে রক্ষা করা হচ্ছে?

একটা অঞ্চলে বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার পরিকল্পনা করা হলে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সূচক পর্যালোচনা করে বাস্তবায়ন করা হয়। রাঙামাটিতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কোন সূচকের উপর নির্ভর করে স্থাপন করা হচ্ছে? যে রাঙামাটির স্থানীয় জনগোস্টির অধিকাংশই প্রাইমারী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, তারা কিভাবে মেডিকেলে পড়বে? তাদেরকে এই ধরনের বিশেষায়িত শিক্ষা গ্রহন করার উপযুক্ত না করে এই মেডিকেল কলেজ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কাদের জন্য? সমগ্র রাঙামাটিতে পাহাড়ী ও বাঙালী মিলে মোট কতজন শিক্ষিত? এসব ডাটা কি সাধারণ মানুষের কাছে নাই? যারা রাঙামাটি শহরে গিয়েছে, তারা ভালোভাবেই জানেন রাঙামাটি জেলার আর্থ-সামাজিক অবস্থা। সেখানে এসব বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীতা কতটুকু আছে তা সহজেই অনুমান করা যায়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে গিয়ে বরাবরের মত স্থানীয়দের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা কতটা মানবিক হয়েছে? কেউ বলতে পারবেন?


পাহাড়ীদের বিরুদ্ধে বাঙালী আর সেনাবাহিনীর মহড়া

অতীতে এই অঞ্চলে যতগুলো উন্নয়ন কাজ হয়েছে সবগুলোতে পাহাড়ীরা হারিয়েছে তাদের ভুমির অধিকার। হারিয়েছে চাষের জমি। তারা হয়েছে উদ্ধাস্তু। ছিটকে গিয়েছে অর্থনৈতিক ধারা থেকে। পশুর মত বনে-জঙ্গলে প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে সংগ্রাম করতে হচ্ছে বেঁচে থাকার জন্য। একটি জনগোষ্টি যখন তার অস্তিত্ব সংকটে ভোগে তখন তার কাছে মৌলিক চাহিদা হয় ভুমির মালিকানা। তিন পাহাড়ের জনগোষ্টি স্বাধীনতার পর থেকে ভুমিচ্যুত হওয়ার আশংকা নিয়েই প্রতিনয়ত আতংকের মধ্যে দিন পার করছে।

শান্তিচুক্তি হওয়ার পর পাহাড়ী আদিবাসীদের মধ্যে ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র এই জনগোষ্টি আশার আলো দেখেছিল। বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের স্বাদ তারা অনেক দিন পরে হলেও পেতে যাচ্ছে ভেবে তাদের জীবনযাত্রায় চাঞ্চল্য এসেছিল। কিন্তু সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি শাসকগোষ্টির চুক্তি বাস্তবায়নে চরম অনীহার কারণে। পাহাড়ী জনগোষ্টির অধিকার প্রতিষ্ঠা রাষ্ট্রের কোন অনুগ্রহ নয়, ভুমির জনগণের সাংবিধানিক অধিকার এটি। জনগণের এই অধিকার সুরক্ষা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের। রাষ্ট্রের কাছে ঢাকার জনগণ আর রাঙামাটির পাহাড়ে জনগণের মাঝে কোন পার্থক্য থাকার কথা নয়। স্বাধীণতার ৪২ বছর পরও ছোট্ট একটা দেশের বিভিন্ন জনগোষ্টির জীবনযাত্রায় এতটা পার্থক্য থাকবে কেন?

রাঙামাটিতে প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজের চেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের ভুমির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। প্রতিটা গ্রামে ভালো মানের প্রাইমারী স্কুল ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করা, এরপর কলেজ, তারপর বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, প্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়।


একজন বাঙালী নারীর কান্নার সাথে এই আদিবাসির কান্নার কি কোন পার্থক্য আছে? কান্নার জলের স্বাদ কি ভিন্ন?

চেতনার ব্যবসায়ীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেন। সেই চেতনায় কি আছে জানেন বলে মনে হয় না। পাকিস্তানীরা আমাদের সাথে যে ধরনের আচরণ করেছে, সেই একই আচরণ কি আমরা তিন পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সাথে করছিনা? শোষনের বিরুদ্ধে, নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য যদি আমরা মুক্তিযুদ্ধ করতে পারি, একই ভূখন্ডে সেই শোষনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে কেন পারব না?

সর্বপরি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাব, দ্রুত পার্বত্য শান্তিচুক্তির শতভাগ বাস্তবায়ন করা হোক। ভুমি কমিশন গঠন করে পাহাড়ীদের ভুমির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হোক। শান্তি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া যে কোন ধরনের উন্নয়ন কর্মসূচীকে পাহাড়ীরা কখনই ভালো চোখে দেখবে না।

গত বছর কোন একটা চ্যানেলে মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর 420 নামের একটা সিরিয়াল দেখেছিলাম। টিভিতে ২/৩টা পর্ব দেখে ভাল লাগার পর ইউটিউব থেকে পরে এক বসায় দেখেছিলাম। সিরিয়ালে দুই নায়ক থাকে পাড়ার ধান্ধাবাজ। তারা বিভিন্ন ধরনের ধান্ধাবাজি ও মাস্তানী করে বেড়ায় সারাদিন। পুরান ঢাকার একটা চারতলা ভবনের বাসার ছাদে চিলেকোঠায় একটা ছোট্ট রুম ভাড়া নিয়ে তারা থাকত। বাড়িওয়ালা একা থাকত একতলায়। এক পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের প্যাচে ফেলে বাড়ীওয়ালাকে তাদের ভাড়াটিয়া বানায়। কিছুদিন পর নিয়মিত ভাড়া দিতে না পারায় উচ্ছেদ করা হয় বাড়ীওয়ালাকে। বাংলাদেশে পাহাড়ীরা বাঙালীর কাছে নাটকের ঐ বাড়িওয়ালার মত হয়ে গেছে নয় কি?

একটা শ্লোক বলে শেষ করছি-

পরের জায়গা, পরের জমি
ঘর বানায়া আমি রই…..
আমিতো ভাই ঘরের মালিক নই।

১৬ thoughts on “আবার উত্তপ্ত পাহাড়, শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ণই একমাত্র মুক্তি

  1. খবরে দেখিলাম সেনাবাহিনির গাড়ি
    খবরে দেখিলাম সেনাবাহিনির গাড়ি গুলি রাস্তায় দাড়িয়ে, পাহারায় তারা।
    শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করা উচিত

  2. উন্নয়নের নামে পাহাড়ীদের
    উন্নয়নের নামে পাহাড়ীদের উচ্ছেদ করে আওয়ামী বাঙালিদের পূণর্বাসন করা হবে। যেখানে প্রাইমারি স্কুল নাই অনেক এলাকায়, সেখানে মেডিকেল কলেজ! বড়ই হাস্যকর উন্নয়ন এটি। চুদুরবুদুর বাদ দিয়ে শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন করা হোক।

  3. কিছু দিন আগে পত্রিকায় কিছু
    কিছু দিন আগে পত্রিকায় কিছু ছবিতে দেখেছিলাম পাহাড়ি শিশু দের পাহাড়, খাল নদী ডিঙ্গিয়ে স্কুলে যাওয়ার দৃশ্য। নুন্যতমপ্রাথমিক শিক্ষাকে সহজলভ্য না করে মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। জানি না এখানে পাহাড়িদের জন্য কত পারসেন্ট আসন সংরক্ষিত থাকবে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় যে পাহাড়িরা ঘরছাড়া হয়েছিল তাদেরই যখন ঠিক মত পুনর্বাসন করা হয় নি সেখানে আবার নুতুন করে উচ্ছেদ করা ঘোরতর অন্যায়।

  4. পাহাড়ের সমস্যাটা সরকারের উচিৎ
    পাহাড়ের সমস্যাটা সরকারের উচিৎ আরও বিচক্ষণতার সাথে ট্যাকল দেওয়া। কোনোভাবেই যেন পাহাড়িরা বঞ্চিত না হয় এবং নিজেদের এই ভূখণ্ডে অরক্ষিত মনে না করে। তাদের দাবীটা যৌক্তিক। আগে সেখানে যথেষ্ট পরিমানে মানসম্মত প্রাইমারী এবং হায়ার সেকেন্ডারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা জরুরী। আপাতত মেডিকেল কলেজগুলো অন্য জেলায় করা যেতে পারে। পাহাড়ের ইস্যুটা একটি সেন্সিটিভ ইস্যু এবং গুরুত্বপুর্নও বটে। আরও মনে রাখা দরকার এই দেশে ঘোলা জলে মাছ শিকার করায় পটু মানুষ এবং গ্রুপের অভাব কোন কালেই ছিলোনা।

  5. সরকার আছে সরকারের জায়গায়।
    সরকার আছে সরকারের জায়গায়। তাদের কি আর সময় আছে পাহাড়িদের দুঃখ দুর্দশা শোনবার? বালুর ট্রাক, ইটের ট্রাক আর ফোনকলের রাজনীতি করেই তো সময় কেটে যাচ্ছে।

  6. য়াদিবাসী সঙ্কটের সমাধান করতে
    য়াদিবাসী সঙ্কটের সমাধান করতে হলে উগ্র জাতীয়তাবাদের সঙ্গে লড়তে হবে, বাঙালী ও আদিবাসী উভয়কেই। আর এই মূহূর্তের নিপীড়ন বন্ধের একটাই রাস্তা- আদিবাসী ও বাঙালী জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ।

    1. য়াদিবাসী সঙ্কটের সমাধান করতে

      য়াদিবাসী সঙ্কটের সমাধান করতে হলে উগ্র জাতীয়তাবাদের সঙ্গে লড়তে হবে, বাঙালী ও আদিবাসী উভয়কেই।

      উগ্র জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় কথা বইলা আমি নেতিবাচক বিভিন্ন ট্যাগ খাইছি। বিভিন্ন বাংলা ব্লগের অন্যতম মূল উপাদানই তো ছাগু পোন্দানো আর মৌলবাদ বিরোধিতার নামে উগ্র জাতীয়তাবাদীদের তোষণ। তাই, কি দরকার উগ্র জাতীয়তাবাদের সাথে লড়ে? 😀

  7. পাকিস্তানীরা তাদের বীজ বপন
    পাকিস্তানীরা তাদের বীজ বপন করে দিয়ে গিয়েছিল চেতনাধারীদের মাথায়
    সেই বীজ থেকে গাছ হয়ে এখন ফল দিচ্ছে পাহাড়ীদের

    লজ্জা!! লজ্জা!!

  8. যেখানে নাই উল্লেখযোগ্য
    যেখানে নাই উল্লেখযোগ্য প্রাইমারী স্কুল আর হাই স্কুল সেখানে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়বে কারা? যদি বাহিরের ছাত্রছারীরা প্রধান হয় তাহলে তিন পার্বত্য জেলার বাহিরেই তা প্রতিষ্ঠা করা যায়। এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড়িদের জায়গা দখল চলছে এরপর যাবে ডেভলপার কোম্পানি তারপর যাবে শফি হুজুর আলিয়া মাদ্রাসা করতে।

    1. এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে

      এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড়িদের জায়গা দখল চলছে এরপর যাবে ডেভলপার কোম্পানি তারপর যাবে শফি হুজুর আলিয়া মাদ্রাসা করতে।

      পাহাড়ীরা এই রকম মনে করছে। মনে না করার কোন কারণও নাই। অতীতে পাহাড়ীদের উপর এই ধরনের আচরণ হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায়।

  9. নূরনবী দুলাল, আপনি যা
    নূরনবী দুলাল, আপনি যা লিখেছেন, তার অধিকাংশ কথা মিথ্যে। এনিওয়ে, সময় পেলে লিখতাম। তবে আপনি যে প্রথম ছবিটি ব্যবহার করেছেন, সেখানে একটি ছেলে পেছনে ছুরি ধরে রেখেছিল, সে চাকমা ছেলে। তার আশেপাশের সবাই চাকমা। ছবিটি চাকমাদের বিখ্যাত পেইজ জুম্মল্যান্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। https://www.facebook.com/327524104096965/photos/a.327549974094378.1073741828.327524104096965/359184090930966/?type=1 এই ছেলেটি সহ বহু চাকমা ছেলেপেলে সেদিন অস্ত্র হাতে ছিল। দেশীয় অস্ত্র হাতে হামলা করেছে ব্যংক, মসজিদ, সরকারী প্রতিষ্ঠান, বাঙালি মার্কেট, দোকান ও বাড়িতে। এমনকি অনেকগুলো পুড়িয়ে দিয়েছে। যে ১৫ জন আহত হয়েছে দুইদিনের সংঘর্ষে, এদের সবাই বাঙালি। 🙂 এনিওয়ে ভিডিওটা দেখতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=9-zYV8aT1d4

    1. ছবিটি হয়ত মিথ্যা হতে পারে।
      ছবিটি হয়ত মিথ্যা হতে পারে। এটি সংগৃহীত ছবি। কিন্তু কি কি মিথ্যা বলেছি, সত্যটা যদি আপনি উন্মোচন করতে তাহলে আলোচনায় সুবিধা হত। পাহাড়ীদের নিয়ে সমস্যা আমাদের অনেক পুরানো। আলাপ-আলোচনায় সত্যটা উঠে আসুক। যত বেশি সত্য উঠে আসবে, সমস্যার সমাধান তত সহজ হবে।

      আমি চাই আমার সবগুলো কথা মিথ্যে প্রমাণিত হোক। কিন্তু যতক্ষণ প্রমাণিত না হচ্ছে ততক্ষণ আপনি যেটাকে মিথ্যে বলছেন সেটাই চরম সত্য হয়ে আছে।

  10. আমরা চাই, যেন তারাতারি শান্তি
    আমরা চাই, যেন তারাতারি শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ত করা হয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *