আর কত তসলিমা নাসরিন প্রয়োজন তোমাদের????

একটু আগে সেলুনে গিয়েছিলাম ছোট ভাইকে নিয়ে ও চুল কাটাবে বলে। সেখানে গিয়ে দেখি ”বাংলাদেশ প্রতিদিন” পত্রিকা পড়ে আছে আজকের। তো পত্রিকা হাতে নিয়ে উল্টাতে উল্টাতে সাহিত্যের পাতায় গিয়ে দেখি আমাদের দেশের গর্বিত কন্যা ”তসলিমা নাসরিন” যিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের prostitute হয়ে আমাদের দেশকে অন্য এক লেভেলে তুলে নিয়ে গেছেন, তার লেখা। এর আগেও ১৮টি পর্ব প্রকাশিত হয়েছে। আজকের টা উনিশ তম পর্ব। আমি প্রথম লাইন টা পড়তে গিয়ে দেখি বুঝতে পারছি না। কারন, এর আগের কাহিনীটা জানা নেই।


একটু আগে সেলুনে গিয়েছিলাম ছোট ভাইকে নিয়ে ও চুল কাটাবে বলে। সেখানে গিয়ে দেখি ”বাংলাদেশ প্রতিদিন” পত্রিকা পড়ে আছে আজকের। তো পত্রিকা হাতে নিয়ে উল্টাতে উল্টাতে সাহিত্যের পাতায় গিয়ে দেখি আমাদের দেশের গর্বিত কন্যা ”তসলিমা নাসরিন” যিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের prostitute হয়ে আমাদের দেশকে অন্য এক লেভেলে তুলে নিয়ে গেছেন, তার লেখা। এর আগেও ১৮টি পর্ব প্রকাশিত হয়েছে। আজকের টা উনিশ তম পর্ব। আমি প্রথম লাইন টা পড়তে গিয়ে দেখি বুঝতে পারছি না। কারন, এর আগের কাহিনীটা জানা নেই।

তো ধরুন এখন যদি আমি না হয়ে আমার ছোট ভাই সেই গল্প টা পড়তে গিয়ে না বুঝত। তার যদি সাহিত্য বিষয়ে আগ্রহ থাকতো। তবে সে বাসায় এসেই বাসার আগের পত্রিকাগুলো আগে বাসার বারান্দার কোনা থেকে বের করতো। তারপর আগের ১৮ টা পর্ব পড়ে আজকের টা শেষ করতো। তার লেখা যদি ভালো লেগে যায় তবে আর দশ জনের মতোই লেখক কে নিয়ে আগ্রহ জাগত, আর পরবর্তীতে তার সম্পর্কে জানার জন্য তার অন্যান্য বই, ইন্টারনেট, অন্যদের কাছে প্রশ্ন করে জেনে নিত। তখন সে কি জানতো??? সে কি জানতো না যে কে এই ”তসলিমা নাসরিন”!! তিনি কি কি কর্মকাণ্ড করে বেড়ান। আমি বই পড়ি। তাই সে স্বাভাবিক ভাবেই আমাকে প্রশ্ন টা আগে করতো। তো আমাকে যখন আমার ছোট ভাই এই মহিলার বিষয়ে প্রশ্ন করতো। তখন আমাকে বলতে হতো যে উনি ভারতে থাকেন। এ কথা বলার পর আর সবার মতো কি আমার ছোট ভাই তার সরল মনে জানতে চাইত না যে কেন বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত লেখক অন্য দেশে থাকেন?? তখন আমি কি বলবো??? তখন কি বলবো যে বাংলাদেশ থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়েছে। এ কথা বলার পর সে তো আরও আগ্রহী হয়ে উঠবে কেন এই লেখক কে বের করে দেয়া হল। ধীরে ধীরে জানবে তার কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে। তখন তার যে সরল মন একজন ভালো লেখকের ভক্তরুপে রূপ নিয়েছিল তার কি হবে। এই অল্প বয়সে তার ওপর ওই জঘন্য আচরনের প্রভাব টা কতটা ভয়ানক টা আমরা কি কেউ জানিনা???

আজকের এই লেখা টা শুধু আমার একজন ছোট ভাই আর একজন তসলিমা এর জন্য নয়। সারা বাংলাদেশ এমনকি মানুষ ভাই যারা আমাদের পরে আমাদের দেখতে দেখতে জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে আর সমস্ত তস্লিমাদের কথা ভেবে। কি হবে তাদের? কেউ এ কথা ভেবেছেন। নাকি শুধু পত্রিকার ভালো ব্যাবসা টাই সব। আমি মেনে নিলাম উনি ভালো লেখেন। না হলে তো আর তার বই প্রকাশিত হতো না। আবার পত্রিকা সহ বিভিন্ন জায়গায় তার লেখাও দেখতে পেতাম না। সেই ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার পরই তিনি উধাও হয়ে যেতেন। না আজও তাকে আমাদের দেখতে হয়। বাধ্য হয়ে তাকে স্মরণ করতে হয় কোন না কোন কারনে। কিই হবে আমাদের সমাজের। সুন্দর মন নিয়ে যারা প্রস্তুত হতে থাকে যে তারা নজরুলের লেখা পড়ে তাঁর মতোই বিদ্রোহী হয়ে দেশকে সন্ত্রাস মুক্ত করবে। রবিন্দ্রানাথ পড়ে যারা ভাবেন সমাজ টাকে এক করে সবাই এক সাথে বাঁচবেন। জসিমুদ্দিনের লেখায় মুগ্ধ হয়ে দেশের ঐতাহ্য কে ভালবাসবেন। কিন্তু না তারা এখন তসলিমা নাসরিনের লেখা পড়ে তার জীবনী জেনে হয়ে উঠবে একজন চরিত্রহীন ব্যাক্তি। তারা এখন জাগবে সমাজকে কলুষিত করা যায় কীভাবে!!!

সেই সব বড় মানুষদের অনুরধ করছি আমাদের পরবর্তী সমাজকে রক্ষা করুন। একবার বহিষ্তকার যখন তাকে করাই হয়েছে তার কথা না হয় পরবর্তীরা নাই জানলো!! মতো মানুষদের হাত থেকে বাঁচান। তাদের অক্সিজেন রূপে তুলে দিন বিদ্রোহী আর মৃত্যুক্ষুধা। তুলে দিন নকশি কাঁথার মাঠ আর সুজন বাদিয়ার ঘাট। হাতে দিন লালসালু আর হাজার বছর ধরের মতো উপন্যাস। তুলে ধরুন নাটক কবর। দেখবেন চরিত্রহীন আর একটিও ২য় বার জন্মাবেনা। বরংচ, সবার মাঝে জেগে উঠবে দেশ প্রেম আর সাম্যের বাণী। যদিও ”বিশ্ব সাহিত্য” বর্তমানে শিক্ষার্থীদের হাতে এসব বই তুলে দেয়ার চেষ্টা করছে। তারপরও সম্পূর্ণ রূপে একাজ হয়ে উঠছে না। কাজেই আমাদের কেই মাঠে নামতে হবে। কাজ করতে হবে দেশ গঠনে।

না আমি কাউকে মাঠে নামতে বলছি না। বলছিনা মাইক বাজিয়ে অথবা সেমিনার করতে। আমাদের ছোট্ট একটু ভুমিকাই এ কাজ সম্পূর্ণ করতে পারে। আপনি বছরে অনেক দাওয়াত খেতে যান বিশেস করে জন্মদিনের পার্টি তো অনেক। সেখানে অনেক মুল্যবানে উপহার কেও হার মানাতে পারে আপনার ১০০ টাকা দিয়ে কেনা উপহার একটি বই। আপনি আপনার পরিবারের ছোট সদস্যদের মাঝে মুক্ত হস্তে লেখায় অনুপ্রানিত করতে তাদের কে উপহারের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা গড়ে তুলুন। তাদেরকে বই উপহার দিন। আর বই পড়তে আগ্রহী করে তুলুন। আমি নিজেও একাজ গুলো করি। আজ পর্যন্ত নিজে যতগুল জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছি কাউকে বই ছাড়া কিছু দেই নি। আমার ছোট ভাই বোনদের লিখতে বলি উপহার দেব বলে। শুধু এমন আমিই না। এমন মানুষ অনেক আছেন। আমাদের হুমায়ুন স্যারের বাবাও স্যার এবং তার ভাই বোনদের মাঝে লেখার প্রতিযোগিতা করতেন। গড়ে তুলেছিলেন পারিবারিক পাঠাগার। আমার কলেজের স্যার ” নরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস”। উনি তার ছেলে মেয়েদের মাঝে কে কত বই পড়লো সে হিসাব করে টাকা দেন। সেদিন আমাদের ক্লাসে এসে বললেন গত ছুটিতে তার প্রায় ২৫০০ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে এর পেছনে। আর তার লাভ হয়েছে এর পেছেনে লাখ টাকারও বেশি। আমাদের সবাইকে এভাবেই ছোট্ট ছোট্ট উদ্যোগে এগিয়ে চলতে হবে। পত্রিকা সহ সকলকেই একটু সচেতন হতে হবে। শুধু আর্থিক লাভেব কথা চিন্তা করলে চলবে না। আমার কলেজের সেই স্যারের মতো অন্য লাভের কথা ভাবতে হবে। চলুন ছড়িয়ে দেই এ জাগরন। আমাদের পরবর্তীদের যোগ্য করার লক্ষ্যে। কারন, আমরাই বাংলাদেশ। – মুনতাসির সিয়াম

৭০ thoughts on “আর কত তসলিমা নাসরিন প্রয়োজন তোমাদের????

  1. আমাদের আরও তসলিমা লাগবে,সাথে
    আমাদের আরও তসলিমা লাগবে,সাথে কিছু সানি লিওন,পুনম পাণ্ডেও লাগবে! আর তসলিমার বইগুলো জাতীয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

    1. তসলিমা একাই তো ১০০ জনের সমান।
      তসলিমা একাই তো ১০০ জনের সমান। আর ৯৯ তা হলে আমি কথা দিচ্ছি এরপর তসলিমারা না আমরা দেশ থেকে বিতাড়িত হবো।

        1. আসলে শাহরীয়ার ভাই এভাবে বলাটা
          আসলে শাহরীয়ার ভাই এভাবে বলাটা ঠিক হয়ে নাই।
          দুলাল ভাই এই ব্লোগের প্রথম থেকই আছেন।আপনি আন্য কিছু বিষয়ে উপস্থত করতে পারতেন।কখন লিমিট পার করিয়েন না।

          1. আমিতো শুধু ১টা প্রশ্ন করেছি।
            আমিতো শুধু ১টা প্রশ্ন করেছি। সিনিয়র যারা আছেন তাদেরও উচিত জুনিয়রদের কে অহেতুক খুঁচা মেরে কথা না বলা। ওকে মনে থাকবে ধন্যবাদ।

          1. মহানবীর শিক্ষা কি সেটা সুজন
            মহানবীর শিক্ষা কি সেটা সুজন নামের উজবুককে বলেন। যে ১৩টা বিয়ে করে, পালিত ছেলের বউকে এবং ৯ বছরের কণ্যা শিশুকে বৃদ্ধ বয়সে বিয়ে করতে পারে তার শিক্ষা আমার দরকার নাই।

          2. ধর্মহীনরা যদি এতোটাই আদবওয়ালা
            ধর্মহীনরা যদি এতোটাই আদবওয়ালা হয়। তাহলে ইকারাস মুসলমানদের নবীর ব্যাপারে কিছু না জেনেই যে এমন অশোভণ মন্তব্য করলো সেটা কতটা আদবের কাজ হলো?

          3. না জেনে? শাহরীয়ার সুজন: নবীর
            না জেনে? শাহরীয়ার সুজন: নবীর জীবনী ভালো করে পড়ে দেখেন। মহম্মদের মতো এমন কু-উদাহরণ আর কোন ধর্ম প্রচারক দেখাতে পারেনি। মহম্মদ সেসব আবার লিগালাইজ করার জন্য হাদিসও পয়দা করতো।

        1. সব কথার মাঝে ধর্মকে টেনে আনা
          সব কথার মাঝে ধর্মকে টেনে আনা তোমার মতো গর্দভদের কাজ। এখানে কী কারো ধর্ম নিয়ে কথা হয়েছে। দুলাল ভাই এর আগে একাধিকবার আমাকে খুঁচা মেরে মন্তব্য করেছেন। তাই আমিও তাকে খুঁচা মেরে একটা প্রশ্ন করেছি। এখানে বেয়াদবির কি হলো? তোমাদের আবার আদব-লেহাজও আছে নাকি?

      1. এক তসলিমা নাসরিন নিয়ে সবার এত
        এক তসলিমা নাসরিন নিয়ে সবার এত ভয় কেন? তসলিমা নাসরিনের লেখা যদি পছন্দ না হয় বর্জন করেন। যার ভাল লাগবে সে তসলিমা পড়বে। তাসলিমা কাউকে তার লেখা পড়তে বাধ্য করছে না।

        1. আমার লেখাটা ভালো করে পড়ে
          আমার লেখাটা ভালো করে পড়ে দেইখেন ইকারাস। আমি বলেছি আমার সে লেখা একজন ছোট ভাই, একজন তসলিমা আর একটি বাংলাদেশ পত্রিকা নিয়ে না। সকল ছোট ভাই, সকল তসলিমা আর সকল লোভি ব্যাবসায়ি দের কে নিয়ে। তসলিমাকে ভয় নাই। তার প্রতি ঘৃণা নয়। মানুস্কে আবার কীসের ঘৃণা? তসলিমার কর্মকাণ্ড আর লোভী ব্যাবসায়িদের কে নিয়ে আছে শুধু ঘৃণা।

          আর লেখা পড়তে বাধ্য করছে না। কিন্তু যে বাচ্চা গুলো তার সম্পর্কে জানে না। তার লেখা যেভাবে জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বাচ্চারা সরল মনে পড়াটা স্বাভাবিক নয় কি।? যদি না হয় আপনার ফোন নামার সবাইকে দিয়ে রাইখেন কোন কিছু পড়ার আগে ঠিক না ভুল আপনার কাছে ফোন করে জেনে নিবে। ভাই লেখার মানে টা বুঝেন আগে। আগে নিজে ভালো ভাবে আমার লেখা পড়েন। বুঝবেন আমার কথাটা কি নিয়ে।

  2. আরো ৯৯টা তসলিমা নাসরিন

    আরো ৯৯টা তসলিমা নাসরিন হলেই
    হবে

    এইট তো ভাল কথা না।আপনি কী বুঝাতে চাচ্ছে? আর ভাই তাহলে এই দেশে আ.লিগ,বি এন পি মতো বড় বড় দল গুলই থাকতে পাড়বে না।

  3. মুহাম্মদী ধর্মের
    শিক্ষা।

    মুহাম্মদী ধর্মের
    শিক্ষা।

    এইটা কোন জায়েগায়ে পাইছেন। :O

    যে যার মত ব্যবহার করতে পারে,কিন্তুু ধর্মে এই কথা বলে নাই যে অপনি খরাপ ব্যবহার করেন।সকল ধর্মেই শান্তির কথা বলেছ।এখনে ধর্ম কি আপনারে কী কিছু করছে……সব কিছুতে ধর্ম নিয়ে টানাটানি করিয়েন না, আগে নিজের ধর্ম ঠিক ভাবে পালন করেন, আর আপনার আলু খেক মন্তব্য কম করে করুন। 😉

      1. হাতের ৫টি আঙ্গুল যেমন সমান
        হাতের ৫টি আঙ্গুল যেমন সমান না, তেমনি সব ধার্মিস এক না।আর এই ২/১আলু মত ধার্মিস জন্যে আপনি পুরো ইসলাম জাতিকে অপমানিত করতে পারেন না।আর একটি কথা মনে রাখবেন মাথায়ে টুপি,মুখে দাড়ি আর গায়ে পাঞ্জাবী থাকলে সবাই ধার্মিস বা হুজুর হয়ে না।

      2. ধর্ম নিয়ে কথা না বলাই ভালো
        ধর্ম নিয়ে কথা না বলাই ভালো এরকম লেখায়। আর ধর্ম নিয়ে কথা বলার আগে দেখতে হবে আপনি নিজে কি ১০০ ভাগ ধর্ম পালন করেন???

  4. মহানবীর ১৩জন বিবি ছিলেন ,এবং
    মহানবীর ১৩জন বিবি ছিলেন ,এবং তিনি ৯বছর বয়সী আয়েশাকে বিয়ে করেছেন এই ইস্যু দিয়ে তার আদর্শ মাপা যায়না ইকারাস ভাই ।এই পোস্টে যার আলোচনা করা হয়েছে তিনি নিজেও তো ছেলের বয়সী যুবকের সহিত লিভ টুগেদার করেছেন ,মামার সাথে করেছেন ।তো এই তথকথিত নারীবাদীর আদর্শ আমরা তার লিভটুগেদার দিয়ে নির্বাচন করব ?
    মহানবী বিভিন্ন কারনে ১৩টি বিয়ে করেছিলেন এটা কি অস্বীকার করতে পারবেন ?
    তার স্ত্রী আয়েশার সঠিক বয়স কোনটি তা নিয়ে আলেমদের মতপার্থক্য আছে ।

    1. * ছেলের বয়সী যুবকের সহিত
      *

      * ছেলের বয়সী যুবকের সহিত
      * মামার সাথে
      এখানে যুবক আর মামা খারাপ না হয়ে তসলিমাই খারাপ হয়ে গেলো !! বাহ.. বলদ গাছে ধরে না, যত্রতত্রও পাওয়া যায়।

      1. খারাপ উভয় পক্ষই। কিন্তু সে
        খারাপ উভয় পক্ষই। কিন্তু সে অন্য পক্ষ্য তো আর এই কর্মকাণ্ড মুলক লেখা প্রচার করে বেড়ান না। কে বলছে তারা খারাপ না? অবশ্যই খারাপ। কিন্তু এতে তসলিমার দোষ টাও ঢেকে থাকবে না।

        1. @ মুনতাসীর ঃ আপনার কথা উগ্র
          @ মুনতাসীর ঃ আপনার কথা উগ্র আওয়ামী নাস্তিকেরা মানবে বলে মনে হয়না; কারণ তারা মুহাম্মদের দোষত্রুটি নিয়ে বাচ্চা-পোলাপানের মত সবসময় লাফালাফি করে, কিন্তু, তসলিমা কিন্তু তাদের কাছে আবার আদর্শ ব্যক্তি। যার কারণে, তারা কখনো তসলিমার সমালোচনা করে না।

          এই ধরণের ভন্ড ও অভিসপ্ত লোকদের সম্পরকে আমার আর বলার কিছু নাই !

          1. ভাই কেউ আমার কথা মানুক আর না
            ভাই কেউ আমার কথা মানুক আর না মানুক। আমি পরওয়া করি না। সত্যি এবং ন্যায্য কথা বলবই ইনশাল্লাহ।

  5. মহানবী ১৩টা বিয়ে করলে যাদের
    মহানবী ১৩টা বিয়ে করলে যাদের চোখে খারাপ হয়ে যায় ,আর তসলিমা অর্ধশত যুবকের সাথে যৌনমিলন করলেও যাদের কাছে ভাল , তাদের তো মহা বলদের দল ডাকা যায় ।
    শোনেন ভাই ,যদি মেয়ের ইচ্ছা না হয় তাইলে তার সাথে কেউ জোড় পূর্বক যৌনমিলন করলে সেইটা হয় ধর্ষন ,কিন্তু তসলিমার পুরাই ইচ্ছা ছিল মামা আর ছেলের বয়সী যুবকের সাথে যৌনমিলন করার।তাইলে মামা আর যুবকের দোষ কোথায় ?
    দোষ তো মুক্তমনার মহিলা নবী তসলিমারই কারন সে তো কোন প্রতিবাদ করেনাই বরংচ উপভোগ করছে….

    1. শনেন ভাই দোষ উভয় পক্ষরই আছে।
      শনেন ভাই দোষ উভয় পক্ষরই আছে। মামা আর যুবকের ও বোঝা উচিত ছিল সম্পর্কের দিকটা কি তাদের তসলিমার সাথে। তাদের সমান দোষ আছে। দোষ তসলিমার একার নয়। কিন্তু দোষ তো আছে তসলিমার। সেও সমান অপরাধি। আর এটাই কথা এখানে। তার কথা আলচিত হয় এজন্যই যে সে তার সেসব ঘ্রিন্য কাজগুল বিক্রি করে বেরাচ্ছেন। আর তসলিমাও এখানে একা দোষী না। তার সাথে দোষী হচ্ছে তারা যারা টাকার লোভে এসব অমানবিক ভাবে প্রকাশের সুযোগ দিচ্ছে। আর সমাজকে নষ্ট করছে।

    2. মানুষ পাগল হয়ে গেছে নাকি।
      মানুষ পাগল হয়ে গেছে নাকি। তসলিমা এর সাথে নবীর কথা আনছেন। আরে একজন মুমিন এর সাথেও আমাদের নবীর তুলনা করা যাবে না। আর আর রাসুল যা করেছেন কারনে করেছেন। পৃথিবীকে ঠিক পথে আনার জন্য করেছেন। নষ্ট করার জন্য না। গড়ার জন্য করেছেন। তাঁর সাথে কারোর তুলনা ঠিক না।

    3. মামা আর যুবকের দোষ টা হল
      মামা আর যুবকের দোষ টা হল তারাও তসলিমা যেমন সম্পর্কের মর্যাদা না বুঝে সে জঘন্য কাজ করেছে। মামা আর যুবকও একই কাজ করেছে। ভাই এক হাতে তালি বাজে না। তসলিমা হাজার চাইলেও মামা আর যুবকের মনেও যদি একই পাপ না থাকতো ১জন কেন ১ কোটি তসলিমা মিলেও সেই মামা আর যুবক কে প্ররোচনায় ফেলতে পারতো না। উভয়ের মত ছিল। যদি না থাকতো তাহলে সেই মামা আর যুবক তসলিমার বিরুদ্ধে থাকতেন বলে যে তসলিমা তাদের rape করেছে। জানেন তো পুরুষ রাও নারী দ্বারা এ হয়রানী ভুগে থাকে। না জানলে জেনে রাখুন। কিন্তু তারা করেনি। গপন এ রয়ে গেছেন। এক হাতে তালি বাজে না। তসলিমা সম্পর্কের অমর্যাদা করে যে কাজ করেছে। যুবক আর মামাও টাই করেছে। তাহলে দোষী তো উভয়ই।

  6. পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল

    পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল মূর্খরা সব শোন,
    মানুষ এনেছে গ্রন্থ, গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোন।

    নজরুল পড়তে গিয়ে যদি এইটা পড়ে পোলাপাইন সব কুরান মুহাম্মদের লিখা মনে করে বসে থাকে তাইলে তাইলে তো বিপদ ভাইজান

    আর ছোট ভাই যদি জিগায়,

    ভাইয়া, মহানবী এত খ্রাপ কেন? নিজের পুত্রবধূরে ক্যামনে বিয়া করল?

    কি জবাব দিবেন ভাই?

    1. “পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল ,

      “পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল , মূর্খেরা বলি শোন , মানুষ এনেছে গ্রন্থ , মানুষ আনেনি কোন ।

      হাহাহা কবিতার শেষের দিকটা লেখবে কে ?নাকি পুরো কবিতাটি পড়া হয়নি মিঃ নীল ?

      এই মাঠে হ’ল মেষের রাখাল
      নবীরা খোদার মিতা।
      এই হৃদয়ের ধ্যান-গুহা-
      মাঝে বসিয়া শাক্যমুনি
      ত্যজিল রাজ্য মানবের মহা-
      বেদনার ডাক শুনি’।
      ॥এই কন্দরে আরব-দুলাল
      শুনিতেন আহবান,
      এইখানে বসি’ গাহিলেন
      তিনি কোরানের সাম-গান!

      মিথ্যা শুনিনি ভাই,
      এই হৃদয়ের চেয়ে বড়
      কোনো মন্দির-কাবা নাই।

      লেখক আপতত গ্যালারিতে বসুন আর ছোট ভাইকে বুঝান,

      “ভাইয়া, মহানবী এত খ্রাপ
      কেন? নিজের
      পুত্রবধূরে ক্যামনে বিয়া করল?
      কি জবাব দিবেন ভাই?

      ভাই মহানবীর কোন আপন পুত্র ছিলনা ,জায়েদ ছিল তার ক্রীতদাস ,আর ক্রিতদাস থেকে রাসুল সাঃ তাঁকে পুত্রের স্থান দিয়েছেন ।তার পালকপুত্র জায়েদের স্ত্রী জায়েদ কতৃক তালাক প্রাপ্ত হওয়ার পর তিনি বিয়ে করেছিলেন কোন এক কারনে।এখন শুধু মহানবীর বেলায় আইন ঘুরাতে হবে স্ত্রী তালাক প্রাপ্ত হওয়ার পরও স্ত্রী বলে গণ্য হয়। কি বলেন আপনি?

      1. আহারে কি অবলীলায় নবীজির গুনের
        আহারে কি অবলীলায় নবীজির গুনের কথাটা বলে ফেললেন
        জায়েদ পালক পুত্র। কিন্তু আপন পুত্র নয়। তাই এই বিয়ে করাই যায়
        পালক পুত্রের বউ কোন ভাবেই পুত্রবধূ হতে পারে না
        নেভার এভার

        ভাই মাথা ঠাণ্ডা করে ভাবেন
        আর ভাইরে বইলেন
        পালক পুত্রের বউরে বিয়া করা যায়েজ
        মাগার ছেলের বয়সী যুবকের সাথে লিভ টুগেদার করা খুবই খারাপ

        1. ভাই নবি যে যাকেই বিয়ে করুক সে
          ভাই নবি যে যাকেই বিয়ে করুক সে ধর্মের জন্য করেছেন। এখন আপনার বয়স ২৫ আর আপনি ৪০ বছরের মহিলাকে বিয়ে করে বললেন নবি করেছিলেন। আপনার আর নবীর উদ্দেশ্য কি এক? নবি যা করতেন আমরা কি সবই করি। নবি তো কোনদিন ব্লগে লিখেন নাই। আপনিও কি বাদ দিবেন। সজল ভাই বাংলাদেশে কি আজকাল আবালের গাছ জন্মাচ্ছে নাকি? একটু জানান না প্লিস। আমি ব্যাবসা করবো সেই গাছ নিয়ে। বিয়ে আর লিভ টুগেদার কি এক জিনিস? মিয়া আযাইরা। এখন বলেন যে হিন্দু ধর্মের শাস্ত্রে লিভ টুগেদার আছে। আর ইসলাম বাদ দিয়া ওইটাই মাইনেন।
          mrs

          1. নবীর সময়ের সাথে এখন সে কাজ
            নবীর সময়ের সাথে এখন সে কাজ করলে তো চলবে না ভাই। পরিস্থিথি তখন যা ছিল এখন তার .০ ভাগও নেই। আর নবীর সাথে কাকে তুলনা দেন। তসলিমা ধুয়া তুলসি পাতা হলেও নবীর সাথে তার তুলনা করা যাবে না। কারোরই তুলনা হবে না। আযাইরা যুক্তিহীন কথা বললেই তো জিতে যাবেন না। জানেন তো ফালতু প্যাচাল পারা লোকদের মানুষ ফটকা বাজ বল ডাকে। আপনি দেখি তাই। মিয়া তখন আরবে যা অবস্থা ছিল জানেন? তার সাথে তুলনা দিতে আসছেন। আসলে এসব জীন গত সমস্যা। যা বাবা মায়ের কাছ থেকে আসে। আপনার পরিবারের লকজন এর চরিত্র ঠিক আছে তো। যে নবিরে বাদ দিয়ে তসলিমার পক্ষ্যে লাফাইতেছেন। যদি পরিবারের সবার চরিত্র ঠিক থাকে তাহলে আপনার ডি এন এ টেস্ট কোরআন অতি তাড়াতাড়ি।

          2. আপনার যুক্তির ঠ্যালায় তো পড়ে
            আপনার যুক্তির ঠ্যালায় তো পড়ে যাচ্ছি
            শুনুন জনাব তসলিমার লিখা বুঝার ক্ষমতা আপনার নাই সেটা আপনার সমস্যা, তাই বলে তার লিখা প্রকাশ করা বন্ধ করে দিতে হবে এইটা মামুর বাড়ির আব্দার।
            দেখা গেল একজনের কোরআন ভালো লাগে না, মুহাম্মদের চরিত্র ভালো লাগে না। এখন সে যদি দাবি তোলে কোরআন বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে!!!!!!!!১
            মানবেন????

            ডি এন এ টেস্ট কোরআন


            এইটা আবার কোন কোরআন ভাই???

        2. হাহাহা এই প্রসঙ্গ উঠেছিল
          হাহাহা এই প্রসঙ্গ উঠেছিল আপনার এক জাত ভাইয়ের কথায় ।তিনি মহানবীর ১৩টা বিয়ে নিয়ে চিন্তিত অথচ তসলিমার অর্ধশতধিক লিভটুগেদারকে অমায়িক ভাবে দেখছেন।আপনাদের চোখে ক্রীতদাসের স্ত্রী বিয়ে করাটা একদম জঘণ্য মনে হয় অথচ অর্ধশতাধিক লিভটুগেদার করার পর ও তাকে দেবী মনে হয় যা হাস্যকর ।

      2. ভাই নবি যে যাকেই বিয়ে করুক সে
        ভাই নবি যে যাকেই বিয়ে করুক সে ধর্মের জন্য করেছেন। এখন আপনার বয়স ২৫ আর আপনি ৪০ বছরের মহিলাকে বিয়ে করে বললেন নবি করেছিলেন। আপনার আর নবীর উদ্দেশ্য কি এক? নবি যা করতেন আমরা কি সবই করি। নবি তো কোনদিন ব্লগে লিখেন নাই। আপনিও কি বাদ দিবেন। সজল ভাই বাংলাদেশে কি আজকাল আবালের গাছ জন্মাচ্ছে নাকি? একটু জানান না প্লিস। আমি ব্যাবসা করবো সেই গাছ নিয়ে।

  7. তসলিমা নাসরিনের উপর আপনার
    তসলিমা নাসরিনের উপর আপনার অতলান্ত ঘৃণাই মূলত এই পোস্টের উদ্দেশ্য। ব্যাপারটা দুঃখজনক। মনে দুটো প্রশ্ন জেগেছে –
    ১) আপনি আসলেই ধর্মগ্রন্থের বাইরে আর কোন বই পড়েছেন?
    ২) বই পড়ে আদৌ কিছু শিখেছেন ?
    সেদিন একটা মজার গল্প শুনলাম – এক ব্যক্তি লাইব্রেরীর সব বই পড়ে শেষ করেছে, একারণে তাকে সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে। তো তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সন্দেহ হলে। জানতে চাইলো এটা কীভাবে সম্ভব। তখন জানা গেলো এই সংবর্ধনা ও পুরুষকারের লোভে সে নিয়মিত বই নিতো, তাছাড়া লোকে জানবে তার সব বই পড়া হয়েছে এই আর কি।

    সবকিছু পড়েন, বুঝে শুনে পড়েন। যুক্তি -বুদ্ধি দিয়ে পড়েন। সংস্কারমুক্ত হয়ে পড়েন। অহেতুক তসলিমা বা অন্য কাউকে নিয়ে হাবিজাবি লেখার দরকার পড়বে না।

    1. এরা না পড়েই তসলিমা নিয়ে কথা
      এরা না পড়েই তসলিমা নিয়ে কথা বলছে। এদের পড়ার জোর বুখারী শরীফ পর্যন্ত। আর পাশ দেওয়ার জন্য একাডমেকি বই।

      1. আপনি কি তসলিমার গুন গাইলেন
        আপনি কি তসলিমার গুন গাইলেন নাকি দোষ? একটু বুঝিয়ে বলেন ভাইজান। ফেসবুকে তো একজন আমাকে তসলিমার দুঃখের ইতিহাস বলে আমাকে করে দিল অসহায়। আপনি কোনটা বলছেন?

      2. তো যারা নবীর নবীর নামে এসব
        তো যারা নবীর নবীর নামে এসব কথা বলছেন তারা পাঠ্য বই আর ইসলামি বই পড়েন নি। অন্যান্য বড় বড় বই পাঠকারী আপনারা। তো সেটা পড়েই বা কি লাভ? যখন সে বই আপনাকে শেখায় নি নবি আর ধর্মের ব্যাপারে ঠিক ভুল। তসলিমার বই বেশি বেশি করে পড়েন। দেখবেন একটা সাচ্চা এখনো যতটা বাকি আছে পুরোটাই অমানুস হয়ে যাবেন।

    2. তসলিমার কে আমি ঘৃণা করি না।
      তসলিমার কে আমি ঘৃণা করি না। আমার পোস্ট টা পড়েন ঠিকমত। আমি তার জঘন্য কাজ, আর কিছু নাম করা প্রতিষ্ঠান যারা অর্থ লালসায়িত হয়ে এডাল্ট জিনিস সবার মাঝে প্রকাশিত করছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে বলেছি। আর আমি বই পরেছি কিনা তা আমি ভালো জানি। আর শুনুন ভাইজান না বুঝে প্যাচাল পারলেই আপনি বিজ্ঞ লোক হবেন না। তসলিমাকে নিয়ে কেন কোন মানুস কে নিয়েই আমার সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে মন্দ কাজ আর জঘন্যতা কে। আপনি তসলিমার ভক্ত হলেও আমার সমস্যা নাই। আপনার যদি বয়স হয় আপনি তার লেখা পড়েন। আমি কিছু বলি নাই। বলছি কেন সেসব লেখা যেগুল সব বয়সে অনুপযগি তা সবার মাঝে প্রকাশিত হবে। এতার জন্য সবাই দায়ী। আপনি আগের কমেন্টে দেখবেন আমি বারবার তসলিমার পক্ষ্য নিয়ে বলেছি দোষ তসলিমারও আছে। কিন্তু তার সাথে সেই জঘন্য কাজের সাথে তার মামা আর যুবক ও সমান দায়ী। আমি যা সঠিক তাই বলি। যেটা জানি না তা না জেনে বলিনা। তসলিমার পক্ষ্যে কথা বলেছি। এর মানে এ না যে তার দোষ নাই হয়ে গেল। উচিত কথা বলি দেখে ভালো লাগে না আপনাদের।

  8. taslima nasrin!who the hell
    taslima nasrin!who the hell is she?উনি রাস্তায় মেয়েদের প্রসাব করার আমন্ত্রণ জানান।পলিয়াড্রাই ট্যাবু লিভ টুগেদার এসব নিয়ে কথা বলাই উনার কাজ।যাইহোক যাদের মনে হয় তসলিমা তাকে নিয়ে এত মাতামাতির কি আছে আপনাদের উদ্দেশ্যটা কি?যাকে অপছন্দ করেন তাকে নিয়ে বলার মানে কি?আপনি কাছে তাসলিমা নাস্তিকতা ঘৃণিত।সেটা আপনার একান্ত ব্যাক্তিগত।আপনার লিখায় আপনি আপনার ব্যাক্তিগত বিশ্বাস আপনি সকলের উপর চাপাতে চেয়েছেন ঠিক নাস্তিকদের মনোভাব এক তাদের বিশ্বস ধর্ম বলে কিছু নেই এসব অন্ধবিশ্বাস তারা নিজেদের এই বিশ্বাস অন্যের উপর চাপাতে চান।তাসলিমা নাসরীনের উদ্দেশ্য যেমন ভন্ড কিছু ধর্মীয়গুরুরা ধর্মকে হাতিয়ার বানিয়ে ধর্মীয় কিছু কুসংস্কার ও ব্যাক্তিগত বিশ্বাসকে প্রচলনের প্রচেষ্টা করেন ঠিক তাসলিমা নাসরীন ও নিজের ভন্ডামীর নতুন দোকান বসানোর প্রচেষ্টারত। আপনিও কিন্তু ঠিক একই মনোভাব পোষণ করেছেন।তাসলিমা নাসরীনদের প্রতি ব্যাক্তিগত ঘৃণা প্রকাশ করে কোন লাভ নেই।এতে আপনিও একি ঘাটের প্রাণী হয়ে যাবেন।তাসলিমার ব্যাক্তিত্যকে নয় তার লিখা বা বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে হবে।

    1. আপনি ঠিক বলছেন ভাই। আমি আমার
      আপনি ঠিক বলছেন ভাই। আমি আমার লেখা আর কমেন্টে এক বারের জন্যও বলি নাই যে তসলিমাকে ঘৃণা করি। আমি তার কাজকরমগুলকে আর সেইসব কাজকে প্রশ্রয় দাতা দের বিরুদ্ধে বলেছি যারা অর্থের লোভে দেশের কথা না ভেবে জঘন্য লেখা গুলকে সব বয়সের মানুষের মাঝে তুলে দিচ্ছে। কিন্তু পাবলিক তো বোঝে না কিছু। না পড়েই লেখা তসলিমার গন্ধ পাইছে বলে আসছে দালালি করতে। আমি আবারও বলছি কোন মানুষকেই আমি ঘৃণা করি না। আমি মানুস্কে ভালবাসি তার কর্মের জন্য।

  9. সেইসব
    কাজকে প্রশ্রয় দাতা

    সেইসব
    কাজকে প্রশ্রয় দাতা দের
    বিরুদ্ধে বলেছি যারা অর্থের
    লোভে দেশের কথা না ভেবে জঘন্য
    নেখা গুলকে সব বয়সের মানুষের
    মাঝে তুলে দিচ্ছে।

    ভাই নেখা কি?

    1. লেখা হবে। আসল বক্তব্য টা
      লেখা হবে। আসল বক্তব্য টা দেখুন। যারা কিছু জানে না বোঝে না। তারাই এসব ছোট খাটো ভুল ধরে সেটা নিয়েই বসে থাকে। আসল জিনিস টা তার মাথাকে ঘাটায় না। কারন, তার সেই নির্বোধ ঘিলুতে সেই আসল বিষয় টা ঢুকবে না। আর সে নিজের অক্ষমতা টাকে ঢাকতে গিয়ে আপনার মতো মানুষরা এসব করে থাকেন।

  10. আমি সেটা বলছি না। আমি বলছি
    আমি সেটা বলছি না। আমি বলছি তাদের যুক্তির উপর আপনি বেশ্যাকে বেশ্যা বলে আবার যার স্বভাব কুকুরের মত তাকে কুকুর বলেন সে আপনার কথা শুনবে না বরংচ সে আক্রোশিত হবে এবং আক্রামনাত্মক হবে।আপনি তাদের বুঝিয়ে দিন ধর্ম ও জীবনাদর্শ কী।তাদের কে বলুন সত্যপথের কথা।যারা নাস্তিক তারাও কোন না কোন বাবা মায়ের সন্তান।হয়তো বাবা শাসনের অভাব কিংবা মমতাহীনতা অবহেলা বা সমাজ পরিবেশ তাদের বিগড়ে দিয়েছে।তাই তাদের আগে ঠিকমুল্য কোথায়।আপনি তাদের যুক্তি প্রশ্ন করলে তারা পাল্টা যুক্তি দিবে।এতে দাদের মনোভাব বেপরোয়া হবে।ধর্মের কোন যুক্তি নেই ভাল ঠিক বোঝাতে যুক্তি লাগে না।আপনি দ্বীন ও ধর্ম কেন আলোর পথ সেটা বুঝিয়ে বলুন ব্যাখ্যা দিন।তাসলিমা নাসরীনদের পাল্টা যুক্তি দেিখয়ে কোন লাভ নেই।

  11. তসলিমা ভালো হোক বা খারাপ হোক
    তসলিমা ভালো হোক বা খারাপ হোক ;তার চরিত্র মুহাম্মদের চেয়ে ১০০ গুন ভালো সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *