ইতিহাসে বিএনপি এবং নাস্তিকতা।


পৃথিবীর যে কোন দেশের একটা ইতিহাস থাকে। যে ইতিহাসে থাকে সেই দেশের বীরদের ত্যাগ,লড়াই,সংগ্রামের কাহিনী। একটা ছোট শিশু এই ইতিহাস পড়ে নিজেকে নিজেকে প্রস্তুত করতে থাকে সেই বীর হওয়ার জন্য। নিজেকে ক্রমেই তৈরী করতে চায় সেই ইতিহাসের অংশ হওয়ার জন্য। দেশকে ভালবাসার জন্য যে প্রেম দরকার, সেই প্রেম আসে সেই ইতিহাস থেকে।

এই দেশের অজপাড়া গাঁয়ের ও নানা রকম মিথ আছে। প্রতিটা গ্রামের তরুনরা নিজের গ্রামের বীরত্ব গাঁথা বলতে পছন্দ করে। দেশের ব্যপারে এই আগ্রহ অনেক গুন বেশি। তরুন প্রজন্ম যদি গর্ব করার জন্য কিছুই না পায় তবে বাঁচবে কি নিয়ে? যদি অহংকার করার মতো কোন ইতিহাস না থাকে তবে নিজেকে মেলে ধরবে কি বলে? ইতিহাস স্বপ্ন দেখাতে শেখায়। আর স্বপ্নের বীজ যদি না থাকে তাহলে জাতির বেঁচে থাকা অনিশ্চিত হয়ে যাবে। একটা স্বপ্ন হীন জাতি তো আর দেশ বাঁচিয়ে রাখাতে পারেনা। বাঁচিয়ে রাখার কোন প্রয়োজনও অনুভব করতে পারবে না।

আমাদের এমনই এক মহান ইতিহাস হলো মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ কথাটা বলার সময় আমি,আপনি বুকের ভেতরে কেমন যেন একটা কম্পন অনুভব করি। মাথাটা আপনাআপনি উঁচু হয়ে উঠে। এই মুক্তিযুদ্ধে কথা বলতে আমরা অহংকার করি। এখন এই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বলতে গেলে শেখ মুজিব সহ জাতীয় চার নেতার কথা চলে আসবে। চলে আসবে ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মদানের কথা। উঠে আসবে এই দেশের রাজাকারদের অত্যাচারের কথা। এদের বাদ দিলে সেটা আর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস হবে না।আর এদের স্বীকার করে নিলে বিএনপি উদ্ভবের হটকারী ইতিহাস স্পষ্ট হয়ে উঠে

কারণটা খুবই স্পষ্ট। ইতিহাস ঘাঁটাঘাঁটি করলে তার অস্তিত্ব তো আর থাকে না।বিএনপি কখনোই একটা স্বপ্নময় তরুন প্রজন্ম তৈরী করতে পারবে না। অনলাইনে এখনো পর্যন্ত এমন একজন বিএনপির কর্মীকে পাইনি যার সাথে রাজনৈতিক বিষয়ে আলাপ করা যেতে পারে। নতুন প্রজন্ম নিয়ে বিএনপির কোন আশা নাই।শাহবাগ তরুণদের তাই তার এত হিংসা। বিএনপি চাইলে শাহবাগের মতো দশটা প্রজন্ম চত্ত্বর তৈরী করুক,কিন্তু শাহবাগের আন্দোলন কেন বন্ধ করতে হবে?

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যেভাবে দাপট দেখিয়ে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলতে পছন্দ করে। নিজেকে জয় বাংলার স্লোগানে মুখরিত করতে পছন্দ করে। নিজেকে একজন মুক্তিযুদ্ধে পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করে। বিএনপি কিন্তু তা পারে না। (ধর্মীয় একটা পরিচয় ব্যবহার করে ধর্ম ভিত্তিক দল গুলো এক ধরনের অবস্থান তৈরী করেছে )কিন্তু বিএনপির তো কোন টাই নাই। না আছে ধর্মের সাথে তার দীর্ঘ কোন সম্পর্ক না আছে ইতিহাসের সাথে।

বাংলাদেশের একটা বড় দল যে কিনা ইতিহাস বলতে লজ্জা পায়। যার কোন গৌরবময় ইতিহাস নাই।।তাই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিএনপি এক ধরনের নিরবতা পালন করে।ইতিহাসকে তার অনেক ভয়। বিএনপি তার পুরনো চরিত্রের কথা নতুন করে মনে করতে চায় না।তাই তার চোখ সরিয়ে নেয় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে। বিএনপির সকল বুদ্ধিজীবীরা ১৯৭৩/১৯৭৪ থেকে ইতিহাস বলতে পছন্দ করেন।মুক্তি যুদ্ধের কথা উঠলেই শেখ মুজিবরের রক্ষাবাহিনীর বিষয়ে…ব্লা ব্লা শুরু করে। তার পর আসে বাকশাল…।তার আগে যেন কিছুই ছিলনা। এই ভয় থেকে বিএনপি চায় তার দলের তরুনরা যেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি না করুক। যতই না জানবে ততই বিএনপির জন্য মঙ্গল। “যত বেশি পড়ে,তত বেশি জানে, তত কম মানে” । ইতিহাস থেকে চোখ ফিরিয়ে নিতে চায় সব তরুণদের। অল্প কিছু ভুল ইতিহাস তৈরী করে চাপিয়ে দিতে চেয়েছে অনেক বার। কিন্তু ইতিহাস তো আর বই ছাপালেই হয়না।

রাজাকারে বিচার প্রশ্নে তাদের এই ইতিহাস নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠে। প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি বলে আওয়ামী লীগেও রাজাকার আছে। কেবল এক দলের রাজাকারের বিচার….ব্লা ব্লা ব্লা…।এই সব বাজে অজুহাতের অনেক উত্তর করা হয়েছে।

ইতিহাসকে মুকাবেলা করতে হয় ইতিহাস দিয়ে। কিন্তু বিএনপির তো নির্লজ্জ মিথ্যা চারের ইতিহাস।একজন সামরিক বাহিনীর লোকের অন্যায্য ভাবে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস। এটা দিয়ে তো আর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মোকাবিলা করা যায় না।তাই তারা করে মিথ্যাচার।রাজনীতি মোকাবিলা করতে হয় রাজনীতি দিয়ে,কিন্তু বিএনপিতে রাজনীতি বোঝার মতো কেন লোক নাই। তাই তারা রাজনীতির বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে চায় ধর্ম। জনতার জাগরণকে মোকাবিলা করতে হয় জনতার জাগরণ দিয়ে কিন্তু ভীতু,অদক্ষ একটা দলনেতার পক্ষে তা সম্ভব না। তাই নাস্তিক বলে বিভাজন করার চেষ্টা করছে।

ধরুন আমি হিন্দুকে গালি দিলাম মালাউন বলে। একজন বৌদ্ধ কে বললাম চামার। একজন খ্রীষ্টান/ইহুদি কে বললাম ইহুদি নাসারা। তখন আপনি আমাকে কি বলবেন? নিশ্চয় সাম্প্রদায়িক? একজন সাম্প্রদায়িক মানুষ যেহেতু তার ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মকে সহ্য করতে পারেনা। তাই সুযোগ পেলেই সে অন্য ধর্মের উপাসনালয় আক্রমন করে। সুযোগ পেলে ভিন্ন ধর্মালম্বীদের হত্যা,লুট,ধর্ষণ করতে পারে। ইতিহাস থেকে এটা প্রমাণিত।

খালেদা জিয়া শাহবাগের তরুণদের বলছে নাস্তিক। তিনি হয়তো গালি হিসেবেই শব্দটা ব্যবহার করেছেন। এখন কথা হলো ভিন্নমতাবলম্বী হিসেবে নাস্তিক হতেই পারে। তাতে খালেদা জিয়ার সমস্যা কোথায়? এই দেশে কি নাস্তিক থাকতে পারবে না? নাকি কেবল আস্তিকেরাই থাকবে?

‘কথা হলো সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তির হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রীস্টান হওয়ার স্বাধীনতা যদি থাকে ( যা আছেও) তাহলে নাস্তিক হওয়ারও স্বাধীনতা আছে। সবাই যখন হিন্দু হয় না, সবাই যখন মুসলামান হয় না- কেউ মুসলিম হয় ,কেউ হিন্দু,কেউ বৌদ্ধ আবার কেউ ইহুদী বা খ্রীষ্টান হয় , তেমনই কেউ কেউ নাস্তিক হয়। এটা আদৌ কোন সমস্যা নয়”
-রইসউদ্দিন আরিফ

সব ধর্মের লোক থাকতে পারলে নাস্তিক কি দুষ করলো? নাস্তিকেরা কি এই দেশের নাগরিক হতে পারবে না? সংবিধানে কি এমন কোন শর্ত আছে? নাকি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় এমন কিছু ছিল? তাহলে হঠাৎ করে নাস্তিক কেন আপনার কাছে সমস্যা মনে হচ্ছে? ম্যাডম আপনি যে একটা সাম্প্রদায়িক মানুষ তা এই দুই দিনে প্রমাণ করলেন। আপনার দল আপনাকে সমর্থন করে প্রমাণ করলো বিএনপি একটা সাম্প্রদায়িক দল। জামাতের সাথে আপনাদের পার্থক্য কেবল ওরা ধূর্ত আর আপনারা বোকা। লুটপাট আপনারাও করেন কিন্তু দক্ষতার সাথে করতে পারেন না।

সামনের নির্বাচনে ধর্মের ধুয়া তুলে হয়তো ক্ষমতায় আসা সম্ভব। কিন্তু এই দলটাকে ইতিহাসের কাছে আর এক দশক টিকিয়ে রাখা খুবই কঠিন। আর প্রজন্ম চত্ত্বরের আন্দোলনের বিরোধিতা করে বিএনপির কফিনের শেষ পেরেকটাই হয়তো মেরেছেন। এখন বোনাস আয়ু নিয়ে কত দিন বাঁচে তাই দেখার বিষয়।

৪৩ thoughts on “ইতিহাসে বিএনপি এবং নাস্তিকতা।

  1. বি এন পি এখন হাস্যকর দলে
    বি এন পি এখন হাস্যকর দলে পরিনত হয়েছে। আর বেশি দিন বাকি নেই জামাতের মত এরা শুধুই নেতা কর্মী সর্বস্ব দলে পরিনত হবে। সমর্থক বলতে কিছুই থাকবেনা।

    1. আমার ধারনা আপনার উল্টো। এই

      আমার ধারনা আপনার উল্টো। এই দলটা নেতৃত্বহীন দলে পরিনত হবে। ভোট থাকবে কিন্তু দল থাকবে না।

  2. ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকে
    ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকে সুবিধাবাদীদের এদিক ওদিক থেকে ভাড়া করে এনে একটা দল স্বল্প কালে টিকে থাকতে পারে বটে কিন্তু আখেরে টিকে না। এন্টি আওয়ামী সেন্টিমেন্টই বিএনপির পুঁজি- এটি আমাদের রাজনৈতিক দেউলিয়ত্ব প্রমাণ করে। একটি আদর্শ ভিত্তিক গণমুখী তৃতীয় শক্তির উদ্ভব খুবই জরুরি।

    1. প্রথম দলের প্রধান বিষয় ছিল
      প্রথম দলের প্রধান বিষয় ছিল এন্টি ইন্ডিয়া। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই ঔষধ বাজেয়াপ্ত হয়ে গেছে। এন্টি আওয়ামীলীগ বিষয়টাও হয়তো কিছুদিন পর কাজে দেবে না। তাই এখন এন্টি অইসলামী তকমা নিচ্ছে।

  3. দারুন যুক্তি কথা। ধন্যবাদ।
    দারুন যুক্তি কথা। ধন্যবাদ। :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: তবে মোট কথা সকল যুদ্ধাপরাধিদের যথাযথ বিচার হওয়া অবসম্ভাবি সেটা যে দলেরই হোক না কেন এখানে যদি আওয়ামিলিগেরও থাকে তাকেও এই বিচারের আওতাধিন আনা প্রয়োজন। যেটা দেশের অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্য আওয়ামিলিগেও এই রকম যুদ্ধাপরাধী রয়েছে।

    1. থাকতেই পারে। আমি অনেক আশা
      থাকতেই পারে। আমি অনেক আশা প্রকাশ করেছি বিএনপি রাজাকারের একটা তালিকা তৈরী করুক। আমরা দেখতে পেতাম এখন যাদের বিচার হচ্ছে। তারা বিএনপির চোখে রাজাকার কিনা।এবং বাকিদের বিএনপি বিচার করবে এমন আশা আশার ছিল। কিন্তু বিএনপি চতুর উত্তরই করে যাচ্ছে।

  4. জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভাল
    জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভাল !!
    বিএনপি’র জন্মই তো অন্যান্য দলের অপরিপক্ক, ঘুনে ধরা, ক্ষমতালোভী কিছু কর্মী নিয়ে আর কিছু যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে। এদের থেকে আর কি আসা করা যায় ? এদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা থাকলে বর্তমান ক্ষমতাশীন দলের বিরুদ্ধে আন্দোলনের বহু ইস্যু পেয়েও রাজনৈতিক মাঠ চাঙ্গা করতে পারেনি। শাহবাগের গণজাগরণ তৈরী হয়েছিল সরকারের বিরুদ্ধে সেটাও তারা গ্রহণ করতে পারেনি! না পারারই কথা, কারণ তারা তো ক্ষমতায় যেতে চায় এন্টি ভারত, এন্টি ইসলাম ইত্যাদি গুজব ছড়িয়ে ! কিন্তু এটা ২০১৩ সস্তা গুজবে আর কাজ হবে না। তাই বলছি এখনও সময় আছে, সঠিক রাজনীতির পথে আসুন নইলে খবর আছে…

    1. দল থেকে নতুন দল তৈরী হবে এটা
      দল থেকে নতুন দল তৈরী হবে এটা খারাপ কিছু না। ৭৪/৭৫ পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে কোন ভিন্নমতাবলম্বীরা নতুন দল করতেই পারে। কিন্তু শিকড়কে অস্বীকার করা কোন কারন ছিল না। তারা তাই করার চেষ্টা করেছে।

      আর সকল এন্টি হুজুগ সময় শেষ বাতিল হবেই।

  5. দল থেকে নতুন তৈরী হতে বাধা
    দল থেকে নতুন তৈরী হতে বাধা নাই । সেটা হতে হবে অবশ্যই পূর্বের দলের চেয়ে আদর্শগত ভাবে শ্রেয়তর। সেটা যদি হয় বালির বাঁধের উপর ভিত্তি করে তাহলে নতুন দল টিকবে কি করে? বিএনপি কোন শ্রেয়তর ভিত্তির উপর তৈরী হলো ? তাদের শ্রেয়তর আদর্শ যদি হয়, যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করা, ভাঙ্গা সুটকেস আর ছেঁড়া গেঞ্জি থেকে হাজার কোটি টাকার পাহাড় গড়ার তাহলে আর যাই হোক এ দল দিয়ে দেশের আপামোর জনসাধারণের কোন উপকার আশা করা যায় না। রাজনীতি দেশ ও জাতির উন্নয়নের জন্য কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু বর্তমান সময়ে পুরা জাতি একতাবদ্ধ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে আর বিএনপি বিপক্ষে ! এই হলো শ্রেয়তর আদর্শের দল বিএনপি………..

    1. আদর্শ যেহেতু বিএনপির নাই, দল
      আদর্শ যেহেতু বিএনপির নাই, দল রক্ষাও তাদের হয়তো জরুরি না। “যা পাও হাত পাতিয়া নাও,বাকির খাতায় শুন্য থাক” । বিএনপি হলো যত পার লুট করে নাও পরে কি হবে তা চিন্তা করার কিছু নাই। লুটের ক্ষেত্রে অবশ্য লীগও সমান তালে আছে।

  6. ইতিহাস স্বপ্ন দেখাতে শেখায়।

    ইতিহাস স্বপ্ন দেখাতে শেখায়। আর স্বপ্নের বীজ যদি না থাকে তাহলে জাতির বেঁচে থাকা অনিশ্চিত হয়ে যাবে।

    সহমত

  7. যাই বলেন না কেন, বিএনপি
    যাই বলেন না কেন, বিএনপি আমাদের এক মাইনকার চিপায় ফেলে দিছে। একদিকে বিচারের দাবী থেকে সরে গিয়ে আমরা সবাই ধর্ম নিয়ে কুতর্কে ব্যস্ত। অন্যদিকে ভোটের খেলার গুটিও ওলটপালট হয়ে গেছে। আগে মানুষ আওয়ামী লীগের উপর বিরক্ত হয়ে বিএনপিকে ভোট দিত। এখন কাকে দেবে? এই জিনিসটা আওয়ামী লীগও বুঝতে পারছে যে আমাদের যাওয়ার আর জায়গা নাই। তাই তারাও এখন আমাদের নিয়ে ফুটবল খেলবে বলাই বাহুল্য। :মাথাঠুকি:

    1. আরেকটা বিষয় আতিক ভাই। আমার
      আরেকটা বিষয় আতিক ভাই। আমার মনে হয় জামাতের তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ভয় পেয়েছে বিএনপি।

    2. আমরাই প্রথম প্রজন্ম যারা একটি

      আমরাই প্রথম প্রজন্ম যারা একটি স্বাধীন দেশে জন্ম নিয়ে বেড়ে উঠছি। আশা করতে পারি স্বাধীন দেশের স্বাধীন নতুন প্রজন্ম একদিন সত্যিকারের স্বাধীনতা আনতে পারবে।

  8. ১৯৫২-২০১৩, আমরা আমাদের
    ১৯৫২-২০১৩, আমরা আমাদের মুক্তির জন্য আন্দোলন করেই কাটাইলাম। মুক্তির দেখা পাইলাম না। আর কতদিন আমাদের মুক্তির আকাঙ্খায় কাটাইতে হইবে? পৃথিবীর আর কোন জাতি কি মুক্তির জন্য এত দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে? এখন খুব ক্লান্ত লাগে। মুক্তির সূর্য্যটাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে ইদানিং।

  9. ফুটবল খেলবে এটা স্পষ্ট তবে
    ফুটবল খেলবে এটা স্পষ্ট তবে ফাউলের জন্য রেডকার্ড কিন্তু রেফারির হাতেই।আর বেশি মাথা গরম হলে দু চারটা আত্মঘাতী গোল করেও ফেলতে পারে।

  10. দারুণ লিখেছেন ভাইয়া !!
    সত্যিই

    দারুণ লিখেছেন ভাইয়া !!
    সত্যিই বোনাস আয়ু নিয়ে বি.এন.পি. আর কত দিন বাঁচে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

  11. আগে মানুষ আওয়ামী লীগের উপর

    আগে মানুষ আওয়ামী লীগের উপর বিরক্ত হয়ে বিএনপিকে ভোট দিত। এখন কাকে দেবে? এই জিনিসটা আওয়ামী লীগও বুঝতে পারছে যে আমাদের যাওয়ার আর জায়গা নাই। তাই তারাও এখন আমাদের নিয়ে ফুটবল খেলবে বলাই বাহুল্য।

    সহমত।

    1. যারা গাছেরটা খায় আবার তলারটার
      যারা গাছেরটা খায় আবার তলারটার জন্যও লোভ করে এরা অতি লোভী । অতি লোভ পতনের কারন হয়। আওয়ামীলীগ সাবধান না হলে পতন রোধ করা যাবে না।

  12. পোস্টটিকে ইস্টিকি করবার জন্য
    পোস্টটিকে ইস্টিকি করবার জন্য প্রথমেই ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।

    দারুন লিখেছেন ভাই, এককথায় চমৎকার ভাবে গুছিয়ে বাঁশ দেওয়ার জন্য আপনাকে :salute:

    নতুন করে যোগ করবার কিছু নেই তেমন একটা তবে শেখ মুজিব না লিখে বঙ্গবন্ধু লিখলে ভালো হতো, কেননা উনি বঙ্গবন্ধু হিসেবেই সম্মানিত (অনেকেই ভাবতে পারেন কিনবা বলতে পারেন বঙ্গবন্ধু বললে পোস্টদাতাকে আওয়ামী ট্যাগ দেওয়া হবে, তাদের উদ্দেশ্যেই বলি ইতিহাস স্বীকার করার সৎ সাহস থাকলে এক্ষেত্রে আপোষ করবার কি দরকার?)

    ডাইনসোর ভাইকে অনুরোধ করবো পোস্টটি পুনরায় পড়ে কোথাও যদি সংশোধনের দরকার পড়ে তাহলে করে নিতে পারেন।

    1. তবে শেখ মুজিব না লিখে

      তবে শেখ মুজিব না লিখে বঙ্গবন্ধু লিখলে ভালো হতো

      আপনি পুরো লাইনটা খেয়াল করেন।

      শেখ মুজিবরের রক্ষাবাহিনীর বিষয়ে…ব্লা ব্লা শুরু করে।

      এখানে রক্ষীবাহিনী কে নেগেটিভ ভাবে দেখানো হয়েছে। আমি আবার পড়ে দেখলাম। এখানে বঙ্গবন্ধু ব্যবহার করাটা ভাল লাগেনি। আর এই অংশটা সমালোচকদের মুখের কথা থেকে কোট করার মতো করে আনা হয়েছে। শেখ মুজিব নিয়ে আমার কোন এলার্জি নাই।
      ১৭মার্চ ফেসবুকে একটা স্টাটাস দিয়েছিলাম। কিছুটা প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় দিয়ে দিলাম।

      একজন খাঁটি আওয়ামীলীগের কর্মী আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বললো। আপনি জয় বাংলা বলেন কিন্তু জয় বঙ্গবন্ধু বলতে আপত্তি কেন?
      বিনয়ের সঙ্গে বলাম আপনার প্রিয় নেতা কে কখনো জয় বঙ্গবন্ধু বলতে শুনেছেন? আপনার নেতা যেটা বলে না সেটা আমাকে কেন বলার জন্য চাপ দিচ্ছেন? হা হা হা…..
      শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু বলার মাঝে কোন সংকোচ থাকা উচিত নয়। আমারও নেই। কিন্তু একাত্তুরের স্লোগান জয় বাংলার প্রাণের তাগিদ থেকে কিন্তু জয় বঙ্গবন্ধু এসেছে একজন নেতাকে ভালবাসার জায়গা থেকে। তাই জয় বাংলা এবং জয় বঙ্গবন্ধু বিপরীতার্থক যেমন নয় তেমনই সমর্থক বলা যায় না। দুইটা আলাদা আলাদা অব্স্থান আছে। দুইটার আছে আলাদা আলাদা মর্যাদা।

      1. এলার্জি নাই শুনে খুশি
        এলার্জি নাই শুনে খুশি হলাম,জাতির পিতার নামে এলার্জি রেখে নিজের জন্ম পরিচয় অস্বীকার করা উচিৎও নয়।

        তবে এখন একটা কথা বলছি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গে,ভুল হলে মাফ করবেন।আপনাকে খাঁটো করার জন্য বলছি না।
        আমার জানা মতে বঙ্গবন্ধু তার নাম লিখতেন এভাবে–”শেখ মুজিবর রহমান”

        বিষয়টা কি একটু দেখবেন? হয়তো আমাদের অসাবধানতার জন্য নতুন প্রজন্ম ভুল বানানে উনাকে চিনবে,বলাত যাই না কিছুই।

        1. এখানে রক্ষীবাহিনী কে নেগেটিভ

          এখানে রক্ষীবাহিনী কে নেগেটিভ ভাবে দেখানো হয়েছে।

          রক্ষীবাহিনীকে নেগেটিভ দেখানোর কারণটা বলবেন?

          পড়ে দেখতে বলেছিলান কেননা কিছু লাইনের অর্থ যথাযথভাবে আমি মিলাতে পারছিলাম না

          যতই না জানবে ততই বিএনপির জন্য মঙ্গল।

          এরকম গুটিকয়েক লাইন/শব্দ আছে, যদি এগুলো পরিষ্কার এবং সহজ বোধগম্য করতেন ভালো হত।

          1. রক্ষীবাহিনীকে নেগেটিভ দেখানোর

            রক্ষীবাহিনীকে নেগেটিভ দেখানোর কারণটা বলবেন?

            এই বাক্যটা বলা হয়েছে রক্ষীবাহিনী নিয়ে যে বিভ্রান্তি আছে তাদের কথাকে কোট করে বলা । বঙ্গবন্ধুর শেষ সময়টাকে রক্ষীবাহিনীর আমল বলে তাদের ব্যপারে বলা হয়েছে।

            এই ধরনের লেখায় খুব বেশি নিয়ে লিখা সম্ভব হয় নাই। বিষয়টাতো এই সময়ে আমার ক্ষোভ থেকে লেখা। এই কারনে কিছু খাপছাড়া শব্দ বা বাক্য আছে।

            ধন্যবাদ।

    1. আরেফিন রুমি একটা বউ থাকতে আর
      আরেফিন রুমি একটা বউ থাকতে আর একটা বিয়ে করে নিন্দিত হচ্ছে। তার পর আরেফিন রুমির মন্তব্য হলো ইসলাম ধর্ম মতো দুইটা বিয়ে করা যায়। তাই যখনই প্রয়োজন পরবে তখনই স্বার্থবাদীরা ধর্মকে টেনে আনবে।

  13. শেখ মুজিব না লিখে বঙ্গবন্ধু

    শেখ মুজিব না লিখে বঙ্গবন্ধু লিখলে ভালো হতো, কেননা উনি বঙ্গবন্ধু হিসেবেই সম্মানিত (অনেকেই ভাবতে পারেন কিনবা বলতে পারেন বঙ্গবন্ধু বললে পোস্টদাতাকে আওয়ামী ট্যাগ দেওয়া হবে, তাদের উদ্দেশ্যেই বলি ইতিহাস স্বীকার করার সৎ সাহস থাকলে এক্ষেত্রে আপোষ করবার কি দরকার?)

    ডাইনসোর ভাইকে অনুরোধ করবো পোস্টটি পুনরায় পড়ে কোথাও যদি সংশোধনের দরকার পড়ে তাহলে করে নিতে পারেন।

    সুমিতদার সাথে একমত পোষণ করছি !! উনাকে বঙ্গবন্ধু নামেই সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের সকলের উচিত,যাই হোক ডাইনোসর ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ এরকম একটি অসাধারণ লেখা আমাদের উপহার দেবার জন্য।একই সাথে ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এটিকে ইস্টিকি করবার জন্য।

  14. ‘কথা হলো সমাজের প্রত্যেক
    ‘কথা হলো সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তির হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রীস্টান হওয়ার স্বাধীনতা যদি থাকে ( যা আছেও) তাহলে নাস্তিক হওয়ারও স্বাধীনতা আছে। সবাই যখন হিন্দু হয় না, সবাই যখন মুসলামান হয় না- কেউ মুসলিম হয় ,কেউ হিন্দু,কেউ বৌদ্ধ আবার কেউ ইহুদী বা খ্রীষ্টান হয় , তেমনই কেউ কেউ নাস্তিক হয়। এটা আদৌ কোন সমস্যা নয়”
    -রইসউদ্দিন আরিফ – :থাম্বসআপ:

    1. এই অংশটা “আন্ডারগ্রাউন্ড
      এই অংশটা “আন্ডারগ্রাউন্ড জীবন” বই থেকে নেয়া। তৃতীয় খন্ডটা পড়ে ভাল লেগেছে তাই বাকি দুইটা যোগাড় করার চেষ্টা করছি।

  15. ডাইনোসর রকস। সুনামগঞ্জে আপনার
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    ডাইনোসর রকস। সুনামগঞ্জে আপনার বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছিল, সেখান থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য আপনাকে শুভেচ্ছা। হেফাজত মামলা করে জামায়াতকে হেফাজত করার উদ্যোগ ভেস্তে গেল। আপনার উপরও আমাদের প্রত্যাশা আরো বেড়ে গেল।

  16. ডাইনোসর ভাই, আপনি তো এখন
    ডাইনোসর ভাই, আপনি তো এখন নাটোরে। আমাদের কোথায় যেতে হয় দেখা যাক, অপেক্ষায় আছি, কবে ডাক পড়ে…… এই হলো আমাদের ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম হানীর স্বাধীনতা! স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করলেও আদালতে যেতে হয়!

    1. স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করলেও

      স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করলেও আদালতে যেতে হয়!

      অথচ পশ্চাতদেশ পত্রিকা অপপ্রচার চালিয়ে সারাদেশের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে। তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগে কোন মামলা হয় নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *