আস্তিক ও নাস্তিকতায় বিজ্ঞানীরা

সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে শুধু সাধারন আস্তিক ও নাস্তিক জন সাধারনের নয়, মতোবিরোধ ছিলো কিংবদন্তী মহাবিজ্ঞানী ও মনিষীদের মাঝেও! বিভিন্ন ধরনের মানসিকতা কাজ করেছিলো তাদের ভিতরেও!

এমনও অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী এবং মনিষী ছিলেন যারা নাস্তিক্যবাদের পক্ষে এমন কিছু দূর্বল ও ভিত্তিহীন উক্তি করে গেছেন যার জবাব দেয়ার জন্য সাধারন একজন আস্তিক মানুষই যথেষ্ট!
তবুও তারা বিজ্ঞানী বলে কথা! তাই বিজ্ঞানীদের নাস্তিক্যবাদী উক্তির জবাব বিজ্ঞানীদের আস্তিকতার উক্তির দ্বারাই দিচ্ছি!!

“আমাদের অজ্ঞতার নাম ঈশ্বর, আর যা আমরা জানি, সেটা বিজ্ঞান”
— রবার্ট গ্রীন


সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে শুধু সাধারন আস্তিক ও নাস্তিক জন সাধারনের নয়, মতোবিরোধ ছিলো কিংবদন্তী মহাবিজ্ঞানী ও মনিষীদের মাঝেও! বিভিন্ন ধরনের মানসিকতা কাজ করেছিলো তাদের ভিতরেও!

এমনও অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী এবং মনিষী ছিলেন যারা নাস্তিক্যবাদের পক্ষে এমন কিছু দূর্বল ও ভিত্তিহীন উক্তি করে গেছেন যার জবাব দেয়ার জন্য সাধারন একজন আস্তিক মানুষই যথেষ্ট!
তবুও তারা বিজ্ঞানী বলে কথা! তাই বিজ্ঞানীদের নাস্তিক্যবাদী উক্তির জবাব বিজ্ঞানীদের আস্তিকতার উক্তির দ্বারাই দিচ্ছি!!

“আমাদের অজ্ঞতার নাম ঈশ্বর, আর যা আমরা জানি, সেটা বিজ্ঞান”
— রবার্ট গ্রীন

বিজ্ঞানী গ্রীন সাহেব সৃষ্টিকর্তা আর ধর্ম কে বিজ্ঞান থেকে আলাদা করে ফেলেছেন! অথচ আরেক মহাবিজ্ঞানী বলে গেছেন-

“ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান পঙ্গু, আর বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ”
— আইন্সটাইন

এদিকে আমাদের দেশের কুখ্যাত এক নাস্তিক লেখক কি বলেছে দেখুন-

“একটি ধর্মান্ধের মুখের দিকে তাকালেই বোঝা যায় আল্লাহ অমন লোককে পছন্দ করতে পারে না”
— হুমায়ুন আজাদ

অথচ অন্যদিকে এর জবাব হতে পারে এমন আরেক উক্তি দিয়ে আরেক দার্শনিক বলেন-

“ইসলাম একমাত্র ধর্ম, যা সকল যুগে সকল মানুষের ধর্ম অর্থাৎ বিশ্বজনীন ধর্মরূপে গণ্য হতে পারে”
— জর্জ বানার্ডশ

আবার এদিকে মুসলিম হওয়া সত্বেও এক শাসক দ্বীন-ই-ইলাহী নামক বহু ধর্ম মিলে এক ধর্ম সৃষ্টি করতে চাইছিলেন। আর তার মতে-

“প্রত্যেক ধর্মেই অনেক ভাল জিনিস আছে। এই সকল ধর্মের মধ্যে যা সুন্দর তা গ্রহন করে যা নিকৃষ্ট তা ত্যাগ করবো”
— আকবর নামা

আকবর সাহেব মুসলিম হয়েও যেটা বুঝলেন না সেটাই উপলব্ধি করতে পারলেন উপমহাদেশেরই আরেক নোবেল বিজয়ী হিন্দু সাহিত্যিক-

“মুসলমান একটি বিশেষ ধর্ম, কিন্তু হিন্দু কোন বিশেষ ধর্ম নহে। হিন্দু ভারতবর্ষের ইতিহাসের একটি জাতিগত পরিণাম”
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আরেক মহা থেকে মহা পন্ডিত কি বলতেছে দেখেন-

“সাধারণের কাছে ধর্ম সত্য, জ্ঞানীদের কাছে মিথ্যা আর শাসকদের কাছে উপকারী”
— সেনেকা

আচ্ছা এই পন্ডিত যে বললো জ্ঞানীদের কাছে ধর্ম মিথ্যা তবে কি আইনস্টাইন জ্ঞানীদের মধ্যে পড়েনই না! মহাবিজ্ঞানী আইনস্টাইন কি তাহলে সাধারনই ছিলেন(!)
তা না হলে কিভাবে তিনি ধর্মের পক্ষে কথা বলেন-

“ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান পঙ্গু, আর বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ”
— আইন্সটাইন

আরেক দার্শনিকের উক্তি দেখেন! ধর্ম কে আবর্জনা মনে করে এই শিয়াল পন্ডিত-

“আমাদের বুদ্ধিবৃত্তির আঁতুড়ঘরের উচ্ছিষ্টের নাম ধর্ম। যখনই আমরা যুক্তি আর বিজ্ঞানকে দিকনির্দেশক হিসেবে গ্রহণ করবো, তা বিলীন হয়ে যাবে”
— বারট্রান্ড রাসেল

অথচ তার এই ধারনার বিপরীতে আবার আরেক দার্শনিক কি সুন্দর ভাবে ধর্ম আর বিজ্ঞানের মধ্যে সামঞ্জস্যমূলক উক্তি করে গেছেন-

“বিজ্ঞান অন্বেষণ করে, ধর্ম ব্যাখ্যা করে। বিজ্ঞান দেয় জ্ঞান, যা ক্ষমতা; ধর্ম দেয় চিন্তা, যা নিয়ন্ত্রণ”
— লুথার কিং

পরিশেষে আমাদের দেশের স্বনামধন্য একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, ভাষাবীদ উপরের সব বিজ্ঞানী আর মনিষীদের এবং সাধারন সকল মানুষদের উদ্দেশ্য করে বলে গেছেন-

“ধর্ম নিয়ে যারা কোন্দল করে, ধর্মের ধর্মই তারা জানে না”
— ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ

১ thought on “আস্তিক ও নাস্তিকতায় বিজ্ঞানীরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *