মুভি রিভিউঃ ROAR: The tigers of Sundarban

সিনেমাটোগ্রাফিক ভাল নিঃসন্দেহে ,কিন্তু সাউন্ড ও ভিজুয়াল ইফেক্ট ততটা যথেষ্ট নয় যখন সেটা হাইলাইট করে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত বিপন্ন প্রজাতিকে।

সিনেমাটোগ্রাফিক ভাল নিঃসন্দেহে ,কিন্তু সাউন্ড ও ভিজুয়াল ইফেক্ট ততটা যথেষ্ট নয় যখন সেটা হাইলাইট করে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত বিপন্ন প্রজাতিকে।
মুভির স্টোরিলাইন মোটামুটি ভুল তথ্যে ভর্তি। যাতে দেখানো হয়েছে সুন্দরবনের সব বাঘ মানুষখেকো। প্লট হচ্ছে সুন্দরবনে এক ফটোগ্রাফার একটি সাদা বাঘের বাচ্চা খুঁজে পায় পোচারের ফাঁদ থেকে। সেটাকে সে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। মা বাঘটি ক্যাম্পের চারপাশে ঘোরাঘুরি করে সেই ফটোগ্রাফারকে মেরে বাচ্চা নিয়ে বনে পালিয়ে যায়। ফটোগ্রাফার এর ভাই এক কমান্ডো অফিসার ,যিনি এক দল কমান্ডোকে সাথে নিয়ে মনস্থির করেন ভাইয়ের দেহ উদ্ধার করবেন এবং মা বাঘটিকে মারবেন। এভাবেই গল্প এগিয়ে যায়। তারা ফাঁদ পাতে তাদেরই একজন বোটম্যানকে দিয়ে কিন্তু অনেক বাঘ দ্বারা আক্রান্ত হয়। এতে তাদের কয়েকজনের মৃত্যু ও হয়।
যদিও মুভিতে একদল পোচারের কথাও বলা হয়েছে। তারপর ও সবচেয়ে হৃদয় বিদারক এই যে ,মুভি দেখে মনে হবে সুন্দরবনের বাঘেরা হরিণ বা অন্য প্রানী শিকার করেনা। শুধুই মানুষ শিকার করে। এতে করে দর্শক এক ভুল তথ্য পাচ্ছে .বিশেষত যখন বাংলাদেশ এবং ভারত যৌথভাবে কাজ করছে এই বিপন্ন প্রজাতি রক্ষায়।
চোখের সামনেই যেখানে “Life of Pie” দেখিয়ে দিচ্ছে কিভাবে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার এক সারভাইভাল এর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে .এভাবে মুভির মাধ্যমে বিপন্ন এক প্রজাতিকে মানুষের শত্রু রূপে না দেখালেও চলত……

১ thought on “মুভি রিভিউঃ ROAR: The tigers of Sundarban

  1. হুম মুভিটা দেখেছি। আর ঠিকি
    হুম মুভিটা দেখেছি। আর ঠিকি বলেছেন এই মুভিতে বাঘকে সুন্দর বনের সবচে বড় ভীলেন বানিয়ে দেয়া হয়েছে। রিভিউ ভালো লাগলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *