৯-১০ম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শিক্ষা সচিবের কবিতা !!! বাদ পড়েছে “বঙ্গবাণী” ও “মাগো ওরা বলে”

১:-
“যে সবে বঙ্গেত
জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী।
সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন
জানি॥”



১:-
“যে সবে বঙ্গেত
জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী।
সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন
জানি॥”

২:-
“মাগো, ওরা বলে,
সবার কথা কেড়ে নেবে
তোমার কোলে শুয়ে
গল্প শুনতে দেবে না
বলো, মা, তাই কি হয় ?”

৩:-
“গ্রেনেড উঠেছে হাতে…কবিতার
হাতে রাইফেল
এবার বাঘের থাবা, ভোজ
হবে আজ প্রতিশোধে
যার সঙ্গে যে রকম, সে রকম
খেলবে বাঙালি
খেলেছি,মেরেছি সুখে…কান
কেটে দিয়েছি তোদের”

উপরের ১ ও ২ নং পঙক্তিগুলোর সাথে ৩ নং পঙক্তিগুলো তুলনায় আসার মত যোগ্যতা রাখে কিনা তা নিয়ে আমি সন্দিহান এবং যথেষ্টই সন্দিহান॥
উল্লেখ্য যে ১ম পঙক্তিগুলো ‘আবদুল হাকিম’ রচিত “বঙ্গবাণী” কবিতার, ২য় পঙক্তিগুলো ‘আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ’ রচিত “মাগো, ওরা বলে” কবিতার অংশ আর ৩য় পঙক্তিগুলো ‘ড. কামাল আবদুল নাসের’ রচিত “সাহসী জননী বাংলা” কবিতার অংশ॥

জাতীয় পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা বোর্ড মাধ্যমিক স্তরের ৯ম-১০ম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে এই বৈপ্লবিক(!!!!) পরিবর্তন এনেছে॥ “বঙ্গবাণী” এবং “মাগো, ওরা বলে” এই কবিতা দুটো বাদ দেয়া হয়েছে। আর যুক্ত হয়েছে “শিক্ষা সচিব” ড. কামাল আবদুল নাসের রচিত “সাহসী জননী বাংলা”।
সে যাই হোক, আমি কবিও না তাই এত বেশি বুঝি না তবে এটুকু বুঝি অল্প কথায় গভীর ভাব সরলতার সাথে প্রকাশ বা উপলদ্ধি করাটা কবিতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
কৃত্রিম কবি হওয়ার প্রয়াস কিছু লোকের আছে…কেউ কেউ কৃত্রিম কবি হওয়ার আকাঙ্খায় থেকে অবশেষে ছড়াকার হয়ে যায়, আবার কেউ কবি না হয়ে কপি হয়ে যায়, কারো কারো কবিতা সাহিত্যে পঁচন ধরানোর জন্য যথেষ্ট।
অথচ পথে-ঘাটে খেয়ে না খেয়ে অর্ধশিক্ষিত বা স্বল্পশিক্ষিত আউলাচুলো আমাদের জাতীয় কবি॥ কারন একটাই, কবিতা বিষয়টা ভেতর থেকে আসে, আসতে হয়, ভেতর থেকে না আসলে সেটা কবিতা হয় না। কবিতা ভেতরেও থাকতে হয়, ভেতরে না থাকলে কবিতা আসবে কোথা থেকে ?
যখন “বঙ্গবাণী” কবিতাটা পড়ি, গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে লোমকূপগুলো, অস্বাভাবিক রক্তসন্ঞালন চলতে থাকে, দেশপ্রেমের নিথর ইন্দ্রীয়গুলো সক্রিয় হতে শুরু করে॥
যখন “মাগো, ওরা বলে” পড়ি তখন বুকের ভেতরে সেই অপেক্ষমান মা’য়ের আর্ত চিত্‍কার যেন বাজতে থাকে। ঐ মা’য়ের বুকের ধন স্নেহের সন্তান হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য রক্তকণাগুলো অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মত উশৃঙ্খলতায় মত্ত হতে চায়॥
“সাহসী জননী বাংলা” পড়তে গেলে নিজেকেই কেমন জানি উদভ্রান্ত লাগে। মুক্তিযুদ্ধ আর ৭১ এর কিছু শব্দের এলোমেলো বিন্যাস মানেই কবিতা নয়॥ কবি শিক্ষা সচিব এই কবিতার মাধ্যমে কি বুঝাতে চেয়েছেন অর্থাত্‍ মূলভাব কি অথবা এর আদৌ কোন মূলভাব থাকতে পারে কিনা আমার বোধগম্য হচ্ছে না॥অথচ এই কবিতাটা ৯ম-১০ম শ্রেণীর পাঠ্য।
*** ৩ টি কবিতারই লিঙ্ক দিয়ে দিলাম ***

৪৬ thoughts on “৯-১০ম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শিক্ষা সচিবের কবিতা !!! বাদ পড়েছে “বঙ্গবাণী” ও “মাগো ওরা বলে”

  1. //” গ্রেনেড উঠেছে
    //” গ্রেনেড উঠেছে হাতে…কবিতার
    হাতে রাইফেল
    এবার বাঘের থাবা, ভোজ
    হবে আজ প্রতিশোধে
    যার সঙ্গে যে রকম, সে রকম
    খেলবে বাঙালি
    খেলেছি,মেরেছি সুখে…কান
    কেটে দিয়েছি তোদের”//

    আমি যদিও কবিতা বুঝিনা, তবে এটুকু বুঝতে পারছি আবালে চালায় পাঠ্যবই অধিদপ্তর। নাইন টেনের ছাত্রদেরকে অমিত্রাক্ষর কবিতা (সচিব সাহেবেরটির মত) কিভাবে পড়ানো আর বুঝানো হবে বুঝতে পারছিনা।

  2. এরপর বিএনপি ক্ষমতায় আসলে
    এরপর বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তারেক জিয়ার কপিতা ছাপা হবে পাঠ্য বইয়ে। তারপরের টার্মে পুতুল আর জয়ের কপিতা ছাপবে আম্বা সরকার। এরপর…………… :মাথাঠুকি:

    1. ব্যাক্তি কোন বিষয় না, মূল হল
      ব্যাক্তি কোন বিষয় না, মূল হল ব্যাক্তির কাজ॥ কিন্তু কাজইতো প্রশ্নবিদ্ধ॥ এরকম নিন্মমানের, এলোমেলো, অপাঠ্য লেখাকে যদি এভাবে সাহিত্য বলে চালিয়ে দেয়া হয় তাহলে আগামী প্রজন্মের কাছে সাহিত্যের কোন সংগা থাকবে না।

    1. ঠিকই বলেছেন॥ এভাবে চলতে থাকলে
      ঠিকই বলেছেন॥ এভাবে চলতে থাকলে রাজনীতির মত সাহিত্যও নষ্টদের অধিকারে যাবে একসময়॥

  3. সচিবের প্যাঁদানি খাওয়ার টাইম
    সচিবের প্যাঁদানি খাওয়ার টাইম চলে আসছে…আমার তো ৩নং কবিতার লাইন পরে :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: অবস্থা

  4. গাধা মানে আসলেই গাধা।
    আমি

    গাধা মানে আসলেই গাধা।
    আমি ব্যাখ্যা দিতেছি শুনেন, ৯-১০ম শ্রেণীতে সৃজনশীল নামের একটি পদ্ধতি বর্তমানে চালু আছে। যার ফলে মাগো ওরা বলে এটি থেকে কোন ভাবেই সৃজনশীল প্রশ্ন করা যায় না। কারন সৃজনশীল হল নিজের ভাবনার উপর। কিন্তু এখনে অন্যের ভাবনার কথা প্রকাশ পেয়েছে।

    যেমন আমরা যখন সৃজনশীল পরীক্ষা দেই ২০১১তে তখন আমাদের পদ্য ১৯ থাকলেও ১২ ছাড়া অন্যদুলা পরতে হয়নী। তাই সৃজনশীল প্রশ্ন করা যাবে না এমন সব পদ্য বাদ দেও হয়ছে এখন। যাতে কেউ সাজেশন বানাতে না পারে।

    1. আর বঙ্গবাণী সৃজনশীল লেভেলের
      আর বঙ্গবাণী সৃজনশীল লেভেলের জন্য মারাত্মক কঠিন একটি কবিতা। এই কবিতার সৃজনশীল উত্তর করতে গেলে খাতা শেষ হয়ে যায় প্রায়। আর সৃজনশীলে পূর্ণ ব্যাক্ত প্রকাশ না হলে নম্বার কম দেয়। তাই এটি বাদ দেওয়া হয়ছে।।
      যেই বিষয়েই হোক কেউ না জানি শুনি ক্যা ক্যা করলে মাথার মেজাজ যে এত খারাপ হয়। মূর্খ কথাকার…

      1. আর ৩ নাম্বার কবিতাটা হল
        আর ৩ নাম্বার কবিতাটা হল সৃজনশীলের জন্য পারফেক্ট একটা কবিতা। কারন সৃজনশীলে উলটা জিনিষের আসল মানে বের করায়ই হল সৃজনশীল।

        যেমন বলি ‘গ্রেনেড উঠেছে হাতে…কবিতার
        হাতে রাইফেল’ এর মানে হল আজ যে সকল হাত লিখার মাধ্যমে সংগ্রামী হওয়ার কথা,সেই সকল হাত আজ মানুষের প্রানের পিপাসী। তাদের হাতে কলমের পরিবর্তে উঠে এসেছে গোলা বারুদ বা রাইফেল।এর থেকে পারফেক্ট সৃজনশীল আর হতে পারে না।
        সো এখন কি বুঝছেন সৃজনশীল মানেটা কি?? না বুঝে থাকলে এইসব মক্কল জ্ঞানিদের হাল বাল কথায় কান না দিয়ে আগে নিজে জানার চেষ্টা করুন।

    2. “গাধা মানে আসলেই গাধা” একদম
      “গাধা মানে আসলেই গাধা” একদম হক কথা বলেছেন। গাধা না হলে কেউ নিজেকে গাধা বলে না, এর জলজ্যান্ত উদাহরণ আপনি আর আমি। আমি গাধা তাই আমার নামও গাধা আর আপনি বুদ্ধিমান তাই আপনে গাধা নন॥

      /৯ম-১০ম শ্রেণীতে সৃজনশীল নামে একটি পদ্ধতি চালু আছে/
      আপনি এটাও জানেন যে ৯ম-১০ম শ্রেণীতে “মানবিক” নামে একটা শাখা আছে।

      /মাগো ওরা বলে থেকে এটি থেকে কোনভাবেই সৃজনশীল প্রশ্ন করা যায় না/
      তাহলে “ভূগোল, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত এগুলো পড়া বাদ দিয়া দেই। কেননা এগুলোতে তো সূত্র আর সূত্র। এখানে সৃজনশীল হতে হলে তো সূত্র নিজে বানিয়ে বিজ্ঞানচর্চা করতে হবে। তাছাড়া “ইতিহাস” পড়া তো আরো আগেই বাদ দেয়া উচিত্‍ কেননা ইতিহাসের মধ্যেতো সৃজনশীল বলতে কিচ্ছু নাই।

      /১৯টা পদ্য থাকলেও ১২টা ছাড়া অন্যগুলা পড়তে হয় নাই/
      আপনার সে “পড়া” যে নিছক পরীক্ষা পাশের জন্য ছিল তা হয়ত আপনি জানেন না। আর এটাও হয়ত জানেন না যে ২০১৩ সালে প্রণীত ৯ম-১০ম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে বেশ কিছু গল্প কবিতা আছে যেগুলো থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসবে না॥ তাহলে আপনার তথাকথিত সৃজনশীল(!) মতে এই অতিরিক্ত গল্প কবিতাগুলো পাঠ্য করার কারন কি ? এই গাধা মন জানিতে চায়….

      /যাতে কেউ সাজেশন না করতে পারে/
      এটা কি হবার কথা ? এই পৃথিবীতে যতদিন পরীক্ষা আছে ততদিন সাজেশন থাকবেই॥ প্রাইভেট টিউটর সাজেশন দিবে, কোচিং মাস্টার সাজেশন দিবে, স্কুল শিক্ষক সাজেশন দিবে, শিক্ষার্থীরা নিজে সাজেশন করে এবং এসব সাজেশন থেকে আগেও কমন পড়েছে এখনো পড়ছে ভবিষ্যতেও পড়বে॥ প্রশ্নতো বইয়ের ভেতর থেকেই করতে হবে, তাহলে সাজেশন করবেনা কেন আর কমন পড়বেনা কেন!! একটা কাজ করা যায়, আকাশ থেকে “ওহী”র মাধ্যমে যদি প্রশ্ন নাজিল করা যায় তাহলে হয়ত কেউ সাজেশন করতে পারবে না॥ এটা চেষ্টা করতে পারেন….
      সাজেশন বা দিকনির্দেশনা ছাড়া কিভাবে একটা ৯ম-১০ম শ্রেণীর ছাত্র পড়াশুনা বা এই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাসময় পার করবে ? এই গাধা মন জানতে চায়..

    3. /বঙ্গবাণী সৃজনশীল লেভেলের
      /বঙ্গবাণী সৃজনশীল লেভেলের জন্য মারাত্মক কঠিন একটি কবিতা/
      আপনি “সৃজনশীল লেভেল”ও চাইবেন আবার “কঠিনে”ও সমস্যা..!!

      /এই কবিতার সৃজনশীল উত্তর লিখতে গেলে খাতা শেষ হয়ে যায়/
      যে কবিতা লিখতে এক পৃষ্ঠার অর্ধেকটাই যথেষ্ট সে কবিতা থেকে সৃজনশীল উত্তর দিতে গিয়ে যদি কারো খাতা শেষ হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে তার লেখার মত আর কিছুই নাই..তাই দিস্তা দিস্তা কাগজে খালি সৃজনশীল লেখতেছে।

      /আর সৃজনশীলে পূর্ণ ব্যাক্ত প্রকাশ না পেলে নাম্বার দেয়া হয়না/
      কথা সত্য কিন্তু কিন্তু সৃজনশীল উত্তর মানেই যে উপন্যাসের মত টেনেহিচড়ে লম্বা করা আর লিখতে লিখতে খাতা শেষ করা তা আপনার মত বুদ্ধিমান(! যেহেতু আপনি গাধা নয়!) এর মন্তব্য না দেখলে জানতামইনা..যাই হোক, বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর_ সবার আমি ছাত্র…

      /যে বিষয়েই হোক কেউ না জানি শুনি ক্যা ক্যা করলে মাথাটা এত গরম হয়। মূর্খ কোথাকার/
      ঠিক এই অনুভূতিটাই এখন কাজ করছে এই গাধা মনে….

      ৩নং কবিতাটা নিয়ে কোন মন্তব্য করার রুচিই নাই।

      /সৃজনশীলে উল্টা জিনিসের আসল মানে বের করায়ই হল সৃজনশীল/
      হাসুম না কান্দুম ?!?

  5. ভাই একখান কথা কই, আউল ফাউল
    ভাই একখান কথা কই, আউল ফাউল কথা কইয়ে মাইনসেরে বেকুব না বানায় হাছা কথা কইয়া সবাইরে রাস্তা দেখায়তে পারেন না??? যেইটা জানেন না ঐটানিইয়া মে মে কইরা বিজ্ঞ হওয়ার চেষ্টা কেন করেন? আর যেই হক্কল ভাই ও বইনেরা না জাইনা বিজ্ঞ সাজার লাই লম্বা লম্বা কমেন্ট করছেন যদি আপনাগো বিন্দু মাত্র শরম বোধ থাকে তাইলে এখনো আমর কথা বিলিভ করার আগে সত্যতা জানি নে। তার পর ঠিক করেন গাইল কারে দিবেন।

    1. /ভাই একখান কথা কই,
      /ভাই একখান কথা কই, আউল
      ফাউল
      কথা কইয়ে মাইনসেরে বেকুব
      না বানায়
      হাছা কথা কইয়া সবাইরে রাস্তা দে
      খায়তে পারেন না??? যেইটা জানেন
      না ঐটানিইয়া মে মে কইরা বিজ্ঞ হওয়ার চেষ্টা কেন করেন ?/
      ভাই আপনেরেও এই একই কথা কই, কি দরকার এত ফুটানি মারার ?

      /আর যে সকল ভাই ও বোনেরা না জাইনা বিজ্ঞ সাজার লাই কমেন্ট করছেন যদি আপনাগো বিন্দুমাত্র শরমবোধ থাকে তাইলে এখনো আমর কথা বিলিভ করার আগে সত্য জানি নে। তারপর ঠিক করেন গাইল কারে দিবেন/
      আপনাকে বড় বলে বড় সে নয়, লোকে যাকে বড় বলে বড় সে হয়॥ বিজ্ঞ সাজার জন্য কে ভুদাইয়ের মত কমেন্ট করছে তা জনগণ দেখছে। আর “কমেন্ট” এর সাথে “শরমবোধ” শব্দটা যেভাবে জুড়ে দিয়েছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে :আপনার কাছ থেকে শরমবোধের সার্টিফিকেট পাওয়া যায়: তা তো হতেই পারে খালে বেগম যখন নাস্তিক সার্টিফিকেট দেয়া শুরু করছে তখন আপনার মত হাতুড়ি যদি শরমবোধের সার্টিফিকেট না দিতে পারেন তাহলে জাতির অজ্ঞতার ষোলকলা পূর্ণ হয়না। আর সত্য যাচাইয়ের জন্য প্রথম তিনটি মন্তব্যে ৩ টি কবিতারই লিঙ্ক দিয়েছি। আশা করি আপনি বাদে সবাই পড়েছে। আবারো বলছি কবিতা ৩টা(যদিও ২টা কবিতা আর একটা হল হাইব্রিড কাঁঠাল পাতা) পড়ুন.. কমেন্ট করতেই হবে. একজনের পোষ্টে গিয়ে হুদাই ল্যাদাতে হবে. আবার ল্যাদানির জবাব না দিলে “লেজ গুটাইয়া পালাইছো” টাইপ কথাবার্তা শুনতে হয়..এই যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগের ফলেই আজো দেশটা ১০০ ভাগ সেনিটেশনযুক্ত হতে পারল না। এরপর থেকে ল্যাদানোর জন্য নির্দিষ্ট স্থান ব্যাবহার করুন..ভাল থাকবেন

  6. অপেক্ষায় আছি মেশিনম্যানের
    অপেক্ষায় আছি মেশিনম্যানের চন্দ্র বিজয় নিয়ে গুলাপি ম্যাডামের লেখা কবিতা পাঠ্যবইয়ে দেখার !!

  7. ধৈর্য্য ধরেন আর গোলাবি বেগমকে
    ধৈর্য্য ধরেন আর গোলাবি বেগমকে ভোট দেন, তাহলেই অল্প দিনের মধ্যেই চন্দ্র বিজয়ের কাহিনী পাঠ্য বইয়ে বাধ্যতামূলকভাবে আসবে……….গ্যারান্টি………সাথে তার পোলা দুইডা আলাদিনের চেরাগ নিয়ে হাজির হবে……

    1. তবে সবাই “হাতুরি ডাক্তার” এর
      তবে সবাই “হাতুরি ডাক্তার” এর কাছ থেকে ‘শরমবোধের’ সার্টিফিকেট আর ‘সৃজনশীলতা’র সংগা শিইখ্যা রাইখেন আর যদি পারেন তাইলে খালে বেগমের কাছ থাইক্যা “আস্তিক” সার্টিফিকেটটাও….

  8. হাতুড়ি ডাক্তার, আপনার
    হাতুড়ি ডাক্তার, আপনার যুক্তিগুলো হাস্যকর। সৃজনশীল পদ্ধতির জন্য কবিতাগুলো বাদ দেওয়া হইছে, শুনে হাহাপগে। :হাহাপগে:

    1. আতিক ভাই, ফেসবুকটা
      আতিক ভাই, ফেসবুকটা দালাল-বাটপারে ভরে গেছে তাই ব্লগে নিক খুলছি, এখনতো দেখি এখানেও কাঁঠাল পাতার ব্যাপক চাহিদা….

  9. হাতুরে আসলেই একটা কাঠাল পাতার
    হাতুরে আসলেই একটা কাঠাল পাতার মাল।নিজেরে খুব বড় পণ্ডিত ভাবে সে।নাম্বার ওয়ান সরকারি ছাগু।

  10. ভাই দল আমিও সমর্থন করি এবং
    ভাই দল আমিও সমর্থন করি এবং প্রত্যক্ষ/সক্রিয় রাজনীতিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করি। দলীয় মিছিল হল মিছিলের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করি অর্থাত্‍ স্লোগান দেই॥কিন্তু “ব্যাক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়” এটা শুধু মুখে বললে হবে না, কাজে দেখাতে হবে। হাতুরি সাহেবের বিষয়টা হল, উনি দলের ভাল-মন্দ সবকিছুকে অনন্য উচ্চতার ভাল মানের সার্টিফিকেট দিতে চাচ্ছেন…

  11. হাতুড়ি ডাক্তার ভাইয়ের
    হাতুড়ি ডাক্তার ভাইয়ের কমেন্ট পড়ার সময় মনে হচ্ছিল উনি বিদ্রুপাত্মক অর্থে লিখছেন। পরবর্তী প্রতিমন্তব্যগুলো পড়ে আমি কনফিউজড হয়ে গেলাম।

    মাগো ওরা বলে কবিতাটা যে বাদ দিয়েছে সে একটা হারামজাদা। বঙ্গবাণী কবিতাটির উপজীব্যের চেয়েও যে জিনিসটি বেশি অর্থবোধক ছিল তা হল বাংলা ভাষার বিবর্তনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার চিত্র। যে এটা বাদ দিয়েছে সেও একটা হারামজাদা।

    আগের বইটা যে খুব ভালো ছিল তাও বলতে পারছি না। অভিযাত্রিক, জয়যাত্রা,পুর্বাশারআলো, সাত সাগরের মাঝির মত প্রায় একই অর্থবোধক কবিতা সেই বইতে ছিল।

    সচিব সাহেবের বালছালটি কেন বইয়ে এসেছে এটা নিয়ে আসলে কি বাক বিতন্ডার কোন সুযোগ আছে? প্রায়ার্থক ভাবে এরশাদ সাহেব কেন কবি হতে চেয়েছিলেন এটার কি কোন উত্তরের প্রয়োজন আছে?

    যে দেশের ইতিহাস বই এতকাল যাবত বেশ্যার মত প্রতি পাঁচ রাত অন্তর অন্তর খদ্দের বদল করেছে সেই দেশের পাঠক্রম নির্ধারকরা এতদিন যে বাংলা বিষয়ে তাদের পচা সর্দি যুক্ত নাক গলান নি এতেই তো আমার খুশিতে মাঝা মাঝে ম্যা ম্যা করতে ইচ্ছে করে।

  12. “মাগো ওরা বলে কবিতাটা যে
    “মাগো ওরা বলে কবিতাটা যে বাদ
    দিয়েছে সে একটা হারামজাদা।
    বঙ্গবাণী কবিতাটির উপজীব্যের
    চেয়েও
    যে জিনিসটি বেশি অর্থবোধক
    ছিল তা হল বাংলা ভাষার
    বিবর্তনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার
    চিত্র। যে এটা বাদ দিয়েছে সেও
    একটা হারামজাদা।”
    কিছু পাবলিক এই সাধারণ বিষয়টা বুঝতে গিয়াও ত্যানা প্যাঁচায়।

  13. আমি জানি আমি আপনাদের সাথে
    আমি জানি আমি আপনাদের সাথে কথায় পারব না কারন আমার চাইতে আপনাদের সংখ্যা অনেক বেশী। কিন্তু আমি যা জানি তা বলছি খালি। আমি জানি আমার কথায় আপনারা হাঁসা-হাঁসি করবেন খালি। তারপরও আপনাদের কথাগুলার জবাব আমি দিব কারন আমি জানি বলে আমি বলবো। বলার আগে আমি আপনাদের একটা অনুরোধ করবো অন্তত এই বিষয়টি নিয়ে, দয়া করে স্কুলের অভিজ্ঞ কোন বাংলা শিক্ষক বা সৃজনশীলের উপর প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত কোন শিক্ষকের সাথে একবার কথা বলেন দেখেন খালি। এর পর আপনাদের যদি ইচ্ছা হয় তাহলে আমাকে জুতা মারিয়েন। কোন জিনিস জানার পর মন্তব্য করলে তো কেউ আর খারাপ হয় না।
    শুনেন ১৯টা গদ্য থেকে ১২টা আমি করি নাই। আপনি হয়তো জানেন না বোর্ড সৃজনশীলের ধারনা না পেয়ে ১৩টি গদ্য রাখে ২০০৯এর নবম শ্রেণীর ২য় সাময়িক পরীক্ষার পর। এর পর দশম শ্রেণীতে সারাদেশের ছাত্রদের অনুরোধে বঙ্গবাণীও বাদ দেওয়া হয়। কারন ২০০৮ সালের ছাত্ররা যারা ২০১০সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয় তারা মারাত্মক সমস্যায় পরছিল এই বঙ্গবাণীর জন্য। আপনারা সৃজনশীলের একটু ধারণা নিলে বুঝতে পারবেন।

    1. আর যখন পদার্থ রসায়নে যেই
      আর যখন পদার্থ রসায়নে যেই থিউরি আছে আগে ছাত্ররা তা মুখস্থ করত কিন্তু এখন তাদের বাধ্য হয়ে বুঝতে হচ্ছে। ধরতে গেলে মুখস্ত বলতে এখন কিছু নাই। ফেমন আগে ছেলেরা যেমন আগে ছেলেরা মুখস্থ করত আর পরিক্ষায় আসতো f = ma প্রতিপাদন কর। কিন্তু এখন প্রশ্ন করে এখানে ভর ও ত্বরনের যথাযথ প্রমান পেয়েছে কি না তা তোমার মতের মাধ্যমে প্রকাশ কর। কেউ হ্যাঁ মোট দিলে সে তার যুক্তি দিবে আর না মত দিলে তার যুক্তি দিবে। যথাযথ যুক্তি দিয়ে তার জ্ঞান প্রকাশ করাবে। এর উপর শিক্ষক নম্বার দিবে।
      আমি জানি এই গুলা পড়ার পরও এর দ্বিমত দিবেন অনেকে। আমি এর বেশী আর বুঝাতে পারব না। আপনারা চাইলে বোর্ড বা অভিজ্ঞ কোন শিক্ষকের কাছে থেকে আরও ভাল ধারণা পাবেন।

      1. আমি শুধু একটা জিনিস বুঝতেছিনা
        আমি শুধু একটা জিনিস বুঝতেছিনা এসব কবিতা পড়ার জন্য আমাদের বোর্ড বইয়ের উপর কেন নির্ভরশীল হতে হবে?? আমরা বোর্ড বই থেকে তো শুধু ছোট খাট ধারণা নিব আর বুঝার শক্তি নিবো। এরকম হলে তো এইদেশের অন্তত হাজারের উপর কবিতা বোর্ড বইয়ে দিতে হবে। আপনারা কেউ আমাকে সত্যি করে বলেতে পারবেন আপনারা আগে মুখস্ত করতেন না??? যা মুখস্ত করতেন তা কি বুঝতেন??? কিন্তু এখন পরাটা অনেক মজার হয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন হয় আমার মতামত নিয়ে। এখন ধারণা রাখতে হয় মুখস্ত না।

        আমি যতটুকু জানি ততটুকু বলছি। এর বেশী একটা কথাও বলি নাই । আমার মতে সৃজনশীল জ্ঞান যার মধ্যে থাকবে সে ভাল মন্দ বিবেচনা করবে। কারন সে শিখবে নিজের মতামত গুরুত্ব সম্পর্কে। তখন কেউ অপপ্রচার করতে পারবে না এ দেশে।
        আর আমাকে এটা বলেন এই কাজ করে সরকারের লাভটা কি?? তারা যখন পরিবর্তন করছে তখন নিশ্চয় করন আছে। গোলাপি করলে না হয় বুঝতাম কোন কারন নাই। কিন্তু এখন আপনারা একবার চিন্তা করে দেখেন …

    2. প্রসঙ্গ ছিল বঙ্গবাণী আর মাগো
      প্রসঙ্গ ছিল বঙ্গবাণী আর মাগো ওরা বলে কবিতা বাদ দিয়ে কেন শিক্ষা সচিবের কবিতা দেয়া হল ! যদি শিক্ষা সচিবের কবিতাটা ঐ দুটো কবিতা থেকে ভাল হত তাও মেনে নেয়া যেত, কিন্তু এটাতো তুলনায়ই আসার যোগ্য নয়। আপনি খালি প্রসঙ্গ ঘোরাইতাছেন যেটারে কয় ত্যানা প্যাঁচানি.

      1. শিক্ষা সচিব হলে কি তার কবিতা
        শিক্ষা সচিব হলে কি তার কবিতা দেওয়া যাবে না?? মানে ছাড়া কবিতা হলে তো আমিও গালি দিতাম যেমন দিছিলাম আদর্শে জিয়া নমক একটা ছন্দ ও মানে ছাড়া কবিতাকে। কোন ক্লাসের কবিতা ছিল ভুলে গেছি কিন্তু তখন আমি ৭ম শ্রেণীতে পরতাম। অনেক হাঁসা হাঁসি করছিলাম।

        আর এই দুইটা কবিতার বাদ দেওয়ার করনগুলাতো বললামই।

        1. আমার মতামত হল শিক্ষা
          আমার মতামত হল শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে এই কবিতা দিয়ে শুধু সৃজনশীলের ধরানা দিছে।। আমি নেটে কবিতাটা পরছি। সত্যি কথা বলতেছি এটার থেকে সৃজনশীলপূর্ণ কবিতা আর হয় না। কারন এর প্রতিটা লাইনে এত প্যাঁচ যে এর পুরা মানে নিজে থেকে বুঝতে পারবে তার সৃজনশীল নিয়ে আর কোন সমস্যা হবে না।

          কিন্তু দেখবেন বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলে ঐ গোলাপি বেগম ও নাস্তিক নামের গল্পের মত কবিতা দিয়ে দিবে একটা। যার কোন কাহিনীও থাকবে না মানে ও না ছন্দতো স্বপ্নেও না।

  14. আর একটা কথা কই ভাই, অনলাইনেরই
    আর একটা কথা কই ভাই, অনলাইনেরই এক ব্যাক্তিত্ব “আমি আমি আমি…” করতে করতে এখন অনলাইনে কিছুটা পতিত। তাই একটু খেয়াল কৈরা…

  15. আর সবচাইতে আসল কথাটাই তো
    আর সবচাইতে আসল কথাটাই তো লিখলাম না। বঙ্গবানী যে কবিতা এটা আপনাদের কে বলছে?? বঙ্গবানীর পাথপরিচিতি আর লেখক পরিচিতি পরে দেখেন এটা কবিতার জন্য লেখা হয়ছে নাকি অন্য কিছু হিসেবে। এই জন্য কাণ্ডারি হুশিয়ারও বাদ দেওয়া হয়ছিল।

  16. ভাই, আপনে আগের কমেন্টে বললেন
    ভাই, আপনে আগের কমেন্টে বললেন বঙ্গবাণী থেকে সৃজনশীল উত্তর দিতে গিয়ে খাত শ্যাষ হয়ে যায়। আর এখন কি বলছেন ? খালি প্যাঁচ লাগাইতাছেন। প্যাঁচ বুঝেন না ! প্যাঁচ মানে হইল গিট্টু। সহজ সরল গাধা আমি, এত প্যাঁচা ক্যামনে খুলুম? প্রথমে ভাবছিলাম জিলাপির প্যাঁচ মারবেন, পরে দেখলাম হেডফোনের তারের মত প্যাঁচ লাগাইছেন। ঐটাও খুললাম। এখন দেখছি প্যাঁচ থেকে জট লাগাতে চাচ্ছেন…
    আপনারে আরেকটা কথা বলি, পুন:পুন আপনি এই পোষ্টটা এবং কমেন্টগুলো পড়েন, আশা করি এতে বুঝতে পারবেন আমি কি বলেছি আর আপনি কি বুঝেছেন/বলেছেন…
    বিতর্কের উদ্দেশ্য যদি হয় সমাধানের পথ খোঁজা তাহলে চলুক বিতর্ক. কিন্তু বিতর্কে যদি জাহিরি বা তথ্য-বিশ্লেষনের দূষণ হয় তাহলে থাক না…

    1. শুনেন ওস্তাদের মাইর শেষ রাতে
      শুনেন ওস্তাদের মাইর শেষ রাতে একটা কথা আছে। আমি আগেই জানতাম আমি আপনার কথার যুক্তি দিতে পারব। আমি যুক্তি না থাকলে তর্ক করি না। আমি আপনাকে এটা বুঝাতে চাইছিলাম আপনি যা জানেন না তা নিয়ে পুত পুত করে অন্যদের উসকানুর কি দরকার??

      আপনি তো এটাই জানতেন না যে বঙ্গবানী আসলে কবিতা না। তাহলে কেন বিজ্ঞ বানাইতে গেছিলেন নিজেকে। কথা খারাপ লাগতে পারে কিন্তু সত্যি কথা এটাই। আমি যা বলছি সব কিছু যাচাই করতে বলছি। এমনকি যাচাই কোনখান থেকে করবেন তা ও বলছি। আপনাকে সৃজনশীলের উদাহরণও দিছি আমি জানতাম আপনার সৃজনশীলে ধারণা নাই।
      আপনার কাছে আমাকে জবাব দেওয়ার মত যুক্তিমূলক বাক্য নাই আমি জানি, এর কারন হল আপনি এই পোষ্ট উপযুক্ত প্রমান ছাড়া অযুক্তিক ভাবে দিছেন আর নিজের হার মানতে চান নাই।
      আপনি দেখি তো আমার পোষ্টে ভুল ধরানতো,প্রতিটা ঘটনার সত্যতা দেখে তারপর পোষ্ট দেই।

      আশা করি কি বুঝায়ছি বুঝছেন।।

  17. “ভাই ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে”
    “ভাই ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে” বলে নিজেকে যে অনন্য পান্ডিত্যের সীমায় কল্পনা করেন তা আসলে আপনার জন্য নয়॥ আপনাকে আমি পেছনের মন্তব্যগুলো পুন:রায় পড়তে বলেছিলাম॥ কেননা ঐখানে আপনি সৃজনশীলতার যে সংগা দিয়েছেন তার পর আপনার সাথে সৃজনশীলতা নিয়া আলাপ করার রুচিবোধ আমার নাও থাকতে পারে। বেহুদা যুক্তি যুক্তি বলে চিল্লাইবেন আর আসল যুক্তির ধার ধারেন না! পেছনের মন্তব্যগুলোতে আমি যে প্রশ্নগুলো করেছি সেগুলার উত্তর দিচ্ছেন না॥ বার বার বলার পরও প্রসঙ্গ ছেড়ে যাচ্ছেন॥ আর আপনি আগে থেকেই জানতেন ?? :হাহাপগে: আগে থেকে আর কি কি জানেন ?

    তাছাড়া, বঙ্গবাণী যে কবিতা না এটা কখন বললাম আমি ? তাছাড়া “বঙ্গবাণী কবিতা না” এই ডায়লগ আপনার কাছ থেকেই শুনছি॥

    ভাই, একটা আধটা বানানা ভুল থাকলে বোঝা যায় টাইপের ভুল কিন্তু আপনার মন্তব্যেই যেভাবে পাইকারী দরে বানান ভুল সেখানে আপনার এই ভুল বানানসহ সৃজনশীল প্রশ্নবিদ্ধ হয়েই থাকে॥ যাই হোক আমি পোষ্ট করেছিলাম যুক্তিযুক্ত আলোচনার জন্য, সেটার পুটু মারা হয়ে গেছে.. ভাই থাক.. আপনি মহাজ্ঞানী..মানলাম…তবু এখানে আর মন্তব্য নয়..পরে একদিন সময় করে যামুনে আপনার পোষ্টে॥

  18. বল্লাম না ছাগল তো ছাগল ে হয়।।
    বল্লাম না ছাগল তো ছাগল ে হয়।। আমি কোন জায়গাতে পাবেন এইটা তার কথা ও লিখে দিছি :হাহাপগে: :হাহাপগে:

    তার পরও বলছিলাম না হার মানবেন না পুত পুত কুরবেই :হাহাপগে: :হাহাপগে: ভাই হুনেন

    আগে নিজের ভুলটা স্বীকার করেন,বাজারে গিয়া একটা ২০০৭/০৮ সালের বাংলা বই কিনে পড়ে দেখেন তারপর আবার পুত পুত কইরেন :নৃত্য: :নৃত্য: জানি হার মানবেন না…

  19. ভাই ২০০৭ সালে যেহেতু পরীক্ষা
    ভাই ২০০৭ সালে যেহেতু পরীক্ষা দিয়েছি তাই আপনার চেয়ে একটু বেশি ই জানি॥ আর অযৌক্তিক ব্যাঁ ব্যাঁ করবেন না॥ কে ছাগল, কে ভুদাই, কে কমেন্টের উত্তর দেয় না, কে ত্যানা প্যাঁচায় এটা অন্যরাই বিচার করবে। এ বিষয়ে কিছু বলার রুচিবোধ করছি না..আপনাকে অনুরোধ করে বলি,আলোচনার তো পুটু মেরেই দিলেন, এলা খ্যান্ত দেন। আমি চাই না আমার পোষ্টে হাগু ল্যাদা থাকুক। তাছাড়া ব্লগের পরিবেশ বলতেওতো একটা কথা আছে ! ১০০ ভাগ স্যানিটেশনযুক্ত বাংলাদেশ যতদিন না হবে ততদিন অনলাইনে হাগু ল্যাদা এগুলো থাকবেই॥ ও আমার বুঝা হয়ে গেছে…
    ভাই বার বার বলছি আপনি জিতছেন॥ এলা খ্যান্ত দেন॥ এইখানে আর কমেন্ট কইরেন না। কারন আমি ব্লগ থেকে অনেক কিছু শিখতে চাই, সময় নষ্ট করতে নয়..ধন্যবাদ এবং ভাল থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *