হ-য-ব-র-লঃ পিংক-ফ্লয়েডিয়ান আঁকিবুঁকি অথবা শুচিবায়ুগ্রস্ত চিন্তার ভাষান্তর প্রয়াস




(১)
আধজাগতিক আলোর বর্তনীগুলো ম্লান হয়ে আসছিল,দিগ্বলয় রেখা বেয়ে বিলীন হচ্ছিল …সার্থকতায়। মহাকায় পর্দা,অগ্নিমূর্তি ,শূণ্যে ভাসমান বায়বীয় শুয়োরের পিন্ডি(অস্তিত্ব যেখানে যে কোন ভোঁতা সুচের ডগায়,অণ্ডকোষে তখন কিইবা আসে যায়?),মেকি ইটের অব্যর্থ- ঘাতক বুনন।

ভুতুড়ে শহরের অদ্ভুত লোকগুলো তাইতো আজ ফ্লয়েডিয় ‘অসংযমের’ পরিপ্রেক্ষিত বলে নিজেদের উৎসর্গ করে…

(২)
দিগন্তের ওপারে নিশ্চিন্তপুরে
আকর্ষণ কিংবা বিস্ময়ের সাম্রাজ্যে
ভাবনাগুলো সীমাহীনতায় নিয়ত পথভ্রষ্ট হয়…
নিয়মের ঘন্টাগুলো বাজতে থাকে




(৩)
শুঁকে নাও… টাটকা পোড়া গন্ধ…
ভয় পেয়ো না…
ভুলে যাও আবার…
আমাকে (না)।
ভাল করে দেখ চারপাশ,
পৃথিবীর বুক।
গাংচিলের জীবন,
হাসি- কান্না,
স্পর্শ- দৃষ্টি
-এ সবই আমি, সবসময়।





(৪)
খেদ, তর্ক
আড্ডার খুনসুটির দিনগুলোতে গেয়ে যেতাম,
এখন…
বৃষ্টি, রোদ বা ঝড়েও
গেয়ে যাই,
মর্ত্যের বিরক্তিকর বিহ্বলতাকে পাশ কাটিয়ে।
ঐ দেখ,
ডুবে গেছি
তোমাদের ভেতর।




(৫)
ক্ষেপে ওঠ, সংহত হও জৈবিক তাগিদে,
পায়ের ওপরই গুটিয়ে পড়- ঘুমে,
রাস্তায়।
তারপর…
নিঃশব্দে
হয়ে যাও চোখের আড়াল।
ঘুম ঘুম চোখ,
মুখে ঝুলে থাকে ‘প্রতারক মাংসখন্ড’,
উত্তরের বাতাস জুড়ে তৃপ্তির মিথ্যা ঢেঁকুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *