বাউন্ডুলে

রাতের খাবার খেয়ে মেস
বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পরলাম..
বাসা থেকে কিছুটা দুরে একটা ছোট্ট
চা দোকান আছে ।
প্রায় সময় রাতের বেলা ওখানেই
আড্ডা দেই..
ঐ দোকানের চা টা অসাধারণ!!!
চা খেতে খেতে সিগারেট
খাওয়াটা আমার অভ্যাস।
দোকানীর কাছে অনেক
টাকা বাকি পরে আছে..



রাতের খাবার খেয়ে মেস
বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পরলাম..
বাসা থেকে কিছুটা দুরে একটা ছোট্ট
চা দোকান আছে ।
প্রায় সময় রাতের বেলা ওখানেই
আড্ডা দেই..
ঐ দোকানের চা টা অসাধারণ!!!
চা খেতে খেতে সিগারেট
খাওয়াটা আমার অভ্যাস।
দোকানীর কাছে অনেক
টাকা বাকি পরে আছে..
টাকার জন্য খালি ঘ্যান ঘ্যান করে
হঠাৎ গলিতে কয়েকটা কুকুরের চিৎকার
শোনতে পেয়ে বা দিকে তাকালাম…..
একটা পুলিশের গাড়ি দেখা যাচ্ছে বড়
রাস্তায়!
দুজন পুলিশকে দেখলাম এদিকেই আসছে..
সিগারেট টা ফেলে দিয়ে চায়ের
কাপে শেষ চুমুক দিলাম ।
পুলিশ দুজন
কাছে এসে দোকানিকে জিগেস করল–
কালু কসাইয়ের বাসা কোনটা??
দোকানি হাত
দিয়ে ইশারা দিয়ে দেখিয়ে দিল ।
পুলিশ দুজন চলে গেছে..
ইতিমধ্যেই আমি ঘামতে শুরু করেছিলাম!!
সারাদিন কত অপরাধই করেছি..
আর অপরাধী পুলিশ দেখলেতো ভয় ই
পাবে । গত সপ্তাহে এই চা দোকানের
সামনে রফিক নামে এক সি এন
জি ড্রাইভারকে পিটিয়েছিলাম,
ভাবলাম সে বুঝি মামলা করলো!!
বুকটা ধুকধুক করে কাপতে লাগলো…
টেনসনটা দুর করতে আরেকটা সিগারেট
ধরালাম,
সিগারেট খেতে খেতে রাস্তায়
হাটতে লাগলাম ।
আজও দোকানির বিল দিতে পারিনি
পকেট ফাকা,,
দোকানির নামটা উল্লেখ করতেই
ভুলে গেলম ওর নাম মোবারক
বিল না পেয়ে মোবারক
ফ্যাকাশে মুখে তাকিয়েছিল আমার
দিকে ।
ভাবছি টিউশনের
টাকাটা পেলে পুরোটা টাকা দিয়ে দিব

সিগারেট টা শেষ
অন্ধকার গলি.
ইলেকট্রিসিটি চলে গেছে
আমার পিছু পিছু একটা নেড়ি কুকুর
হাটছে ।
মনে হচ্ছে এই মুহুর্তে ও ই আমার পথ চলার
সাথী ।

৩ thoughts on “বাউন্ডুলে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *