নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বুলবুল
  • জাকারিয়া হুসাইন
  • সৌরভ দাস
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

সমালোচনা

মোবাইল


মোবাইল যে মানুষের জীবনের কতগুলো মূল্যবান সময় নিয়ে নেয় তা বোঝার ক্ষমতাও দিন দিন হারিয়ে ফেলছি। এক সময় ছিলো যখন সারাদিনের পরিশ্রম শেষে মানুষের রিল্যাক্স করার মাধ্যম ছিলো পরিবার। বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানের সাথে সময় কাটিয়েই মানুষ সারাদিনের কষ্ট ভুলে যেত। পরিবারের মধ্যেই শান্তি খুঁজে পেত।

এখন মানুষ সারাদিনের পরিশ্রমের পর মোবাইল নিয়ে শুয়ে বসে রিল্যাক্স করে। ফেসবুকিং, ইউটিউব বা গেম। এখন মানুষের মনে শান্তি দেয়!!

ফেসবুকে রিপোর্ট, ব্লক,আর গালাগালি করা মুমিনদের মূল অস্ত্র।


দুঃখজনক হলেও সত্য পৃথিবীর হতাশাগ্রস্ত জাতিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এদের হতাশার প্রধান কারণ হচ্ছে ধর্ম। ধর্ম মানুষের মানসিকতা নষ্ট করে দেয়। ধার্মিকরা পৃথিবীটাকে সহজভাবে দেখতে পারে না।

ধার্মিকরা যখন নাস্তিকদের সাথে যুক্তি দিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে পরাজিত হয়। তখন গালাগালি করতে শুরু করে, খুবই মায়া লাগে অসহায় ধার্মিকদের জন্য। তারাও নাস্তিকদের সাথে বাচ্চা শিশুদের মত ব্যবহার করতে থাকে। যেন তারা এ পৃথিবীর কিছুই জানেনা। তারা জানেনা রাজনীতি, তারা জানেনা অর্থনীতি, তারা জানেনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।

যারা একটি অনৈতিক কাজে বাধা দিতে গিয়ে এতোগুলো অপরাধ করে ফেললো, রাষ্ট্র ও তার নাগরিকরা কি তাদের এই অপরাধের সাজা ভোগ করার জন্য কি প্রস্তুত হতে বলবে না?


দেশে জনসম্মুখে ধূমপান সম্ভবত দণ্ডনীয় অপরাধ। নারীর জন্য তা অনৈতিক এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। আবার, নির্দিষ্ট কোনো জাতী, গোত্র বা লিঙ্গকে ছোট করে এমন কিছু বলা বা সমর্থন দেয়া, অনুমতি ছাড়া কারো ভিডিও চিত্র ধারণ এবং প্রকাশ করা এবং তা করতে মানুষকে আহ্বান জানানো প্রত্যেকটিই অপরাধ। অপরাধমূলক কাজে বাধা দেয়া একজন নাগরিকের জাতীয় দ্বায়িত্ব। যারা একটি অনৈতিক কাজে বাধা দিতে গিয়ে এতোগুলো অপরাধ করে ফেললো, রাষ্ট্র ও তার নাগরিকরা কি তাদের এই অপরাধের সাজা ভোগ করার জন্য প্রস্তুত হতে বলবে না?

ফেসবুকের শক্তি


ফেসবুকের শক্তি সম্পর্কে নিশ্চয়ই কারো কোনো সন্দেহ নেই। সামাজিক যোগাযোগের শক্তিশালীতম মাধ্যম জুকারবার্গের এই ফেসবুক। সত্যাসত্য যাচাই না করে ফেসবুকের নানা জায়গায় আমরা লাইক দিয়ে, শেয়ার করে নানা ধরণের বিপদ ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছি প্রতিদিন। আপনার দেওয়া ভুয়া খবরের একটি শেয়ার গোটা একটা সম্প্রদায়কে বিপন্ন করতে পারে, অস্থিতিশীল করে ফেলতে পারে পুরো একটি রাষ্ট্রকে। কে কই লাইক দিলেন, কে কী শেয়ার করলেন; এর উপর নির্ভর করে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব এবং ক্ষেত্র বিশেষে একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাও। ফেসবুক ব্যবহারের সময় কমন সেন্স খাটিয়ে নিচের এই গোল্ডেন রুলগুলো মেনে চললে সেইসব বিপদ অনে

নতুন বছরে অনলাইন সমমনা লেখকদের কাছে প্রত্যাশা।


বাংলাদেশে প্রগতিশীল লেখালেখির প্রয়োজন সবসময়ই ছিল, কিন্তু চাহিদার তুলনায় যোগান সবসময়ই সামান্য ছিল। এর কারণ হিসেবে অনুকূল পরিবেশের অভাবকে দায়ী করা হলে তা হবে একটি একতরফা অজুহাত। কারণ কোন দেশে, কোন যুগেই অনুকূল পরিবেশে প্রগতিশীল লেখালেখির প্রয়োজন হয় না। প্রতিকূল পরিবেশে লিখেই আপনার সমাজ বা দেশকে প্রগতিশীল বানাতে হয়। তবে এই অজুহাতকে একতরফা বলার কারণ হলো একেক রাষ্ট্রে প্রতিকূলতার ধরন একেকরকম। কোন রাষ্ট্রে হয়তো প্রতিকূলতাটি বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে হয়, আবার কোন রাষ্ট্রে এই প্রতিকূলতা শারীরিক আক্রমণের পর্যায়ে চলে যায়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি ঘটায় এদেশের লেখকদেরও তাই পুরোপুরি দোষ দেওয়া যায় না।

অযৌক্তিকভাবে নারীকে হেয় করে শর্ট ফিল্ম ভাইরাল ফেসবুকে


'I Want 2 Love U' একটা facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। যেখানে পজেটিভ নেগেটিভ দুই ধরনের কমেন্টই আসছে।তবে বেশীর ভাগই ভিডিওকে সমর্থন করে এবং অনেক মেয়েও সমর্থন শেয়ার করেছে।ভিডিওটির লিংক দেওয়া হলো। লিঙ্ক

যাই হোক, প্রথমেই বলবো ভিডিও কনসেপ্ট পুরুটাই ভুল।যেটায় আমি কোন কথারই যৌক্তিক কারণ খুজে পেলাম না।

পিনাকির ডিএনএ কম্বিনেশন


আমি যখন নূতন দর্শন, সংস্কৃতি, ইতিহাস চর্চা, বস্তবাদ, ভাববাদ, নৈরাশ্যবাদ, নিয়তিবাদ, মানবতাবাদ, সামাজ্রবাদ ধারনা নেওয়া শুরু করছি সে হিসেবে আমি হাবিজাবি বইও পড়েছি,পড়তে হয়েছে না পড়লে হয়তো আমার সঠিক চিন্তার উৎপত্তি হতো না।

এক বইমেলা থেকে পিনাকি ভট্টাচার্য্যের দুটো বই কিনলাম, বই বাইন্ডিং ভালো ছিলো কারন প্রকাশনাটা সবসময় বাজারিদের বই বেচে আসছে।ধার কর্য করে কিনে নিলাম তার বই- সে ছাত্র ইউনিয়ন করেছে বা অন্যান্য রাজনৈতিক মতাদর্শে সে যা করে করুক ওটা আমার বিষয় না।

৫৭ ধারা বাতিল কর


মানুষ সামাজিক জীব।
সমাজের রীতিনীতি ও নিয়মের প্রতি তাকে অনুগত থাকতে হয়। এই অনুগত্যই সুশৃঙ্খল জীবন নিশ্চিত করে। সামাজ মানুষেরই সৃষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন হচ্ছে রাষ্ট্র।
রাষ্ট্রীয় জীবনে উন্নতি ও সুশৃঙ্খল নিশ্চিত করার জন্য নিয়ম-কানুন, বিধি-বিধান প্রণীত হয়। সৃষ্ট হয় আইন। আইন বলতে নিয়ম-কানুন, বিধি বিধানকে বুঝায়। সাধারন ভাবে সমাজে যে বিধি-বিধান মানুষ মেনে চলে তা হল সামাজিক আইন। আর সমাজের মানুষের আচার-আচরনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার যে সকল বিধি বিধান চালু করে সেগুলোকে বলে রাষ্ট্রীয় আইন। আইন মানুষের বাহ্যিক আচরন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিটি আইন রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত।

তিনটি কোরআন আয়াত যা প্রতিটি নারীর জানা উচিৎ



ডেভিড উড হল একজন আমেরিকান খ্রীষ্টান প্রচারক যিনি মূলত মুসলমাদের কাছেই খ্রীষ্টধর্ম প্রচার করেন, ইউটিউবে তার কমপক্ষে ৬০০ টি ভিডিও আছে যার প্রায় সবিই ইসলাম নিয়ে, যার মোট দর্শক সংখ্যা ৪ কোটির উপর, ডেভিড উড যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ডহাম বিশ্ববিদ্যলয় থেকে দর্শনে ডক্টরেট ডিগ্রি নেন। ইসলাম নিয়ে তার অনেক ভিডিওর একটি হল Three Quran Verses Every Woman Should Know

'প্রকৃত শিক্ষিত' লোকের অভাব নয় কমিউনিষ্ট আন্দোলনে বিপর্যয়ের কারণ অন্যখানে


শ্রদ্ধেয় বদরুদ্দীন উমর তার সম্পাদিত সংস্কৃতি পত্রিকার অক্টোবর–নভেম্বর মহান অক্টোবর বিপ্লবের শত বার্ষিকী বিশেষ সংখ্যায়, ‘সমাজতান্ত্রিক সংগ্রামের পথ’ শিরোনামে কমিউনিস্ট আন্দোলনের মূল্যায়নধর্মী একটি প্রবন্ধ লিখেছেন। ওই প্রবন্ধে তিনি তার রাজনৈতিক অবস্থান থেকে কমিউনিস্ট আন্দোলনকে দেখেছেন। তার এই লেখাটি ছোট হলেও এটিই তার বর্তমান অবস্থানকে নির্দেশ করছে। তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনের সফলতা–ব্যর্থতাকে কিভাবে দেখছেন, তা এই লেখায় স্বল্প পরিসরে হলেও সামগ্রিকভাবেই এসেছে। কিন্তু ওই লেখায় তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনকে মূল্যায়ন করেছেন এক যান্ত্রিক ব্যক্তিকেন্দ্রিক মূল্যায়নের দ্বারা। নিঃসন্দেহে বদরুদ্দীন উমর এদেশের স

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর