নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নরমপন্থী
  • নরসুন্দর মানুষ
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সমালোচনা

সবুজে ঘেরা মুন্সিগঞ্জ


মুন্সিগঞ্জ জেলা অনেক আগে থেকে'ই অনিরাপদ। এই মুন্সিগঞ্জ পরিবর্তিত হতে শুরু করেছিল ২০০১ সাল থেকে'ই। যত'দূর মনে পড়ে ২০১২ সালে কোন এক শুক্র'বারে জুম্মার নামাজের পর শত শত অ'শিক্ষিত মোল্লা হুমায়ুন আজাদের সমাধিস্থল ভেঙে ফেলার জন্য মিলিত হয়েছিলো। অথচ এই মুন্সিগঞ্জের উজ্জ্বল ও গৌরব'ময় ইতিহাস ছিল। ১৯৭১ সালে ছাত্রজনতা পাক'বাহিনীর বিরুদ্ধে অ'সামান্য ভূমিকা পালন করেছিলো। এই মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে'ই দেশের অনেক গুণী, প্রতিভাবান, সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্ব'রা উঠে এসেছে। জেলার সৃষ্টিশীল মানুষেরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে এবং জঙ্গিরা দিনেদিনে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। আল্লাহ্‌র নামে তারা বছরে বছরে নিত্যনতুন মসজিদ গড়ে তুলছে। এবং

চাটুকার সাহিত্যিক ও মিথ্যেবাদী প্রকাশক


বাঙলাদেশের প্রথম সারির সাহিত্যিক (জীবিত) বলতে যাদের বোঝানো হয় তাদের অধিকাংশ'ই মেরুদণ্ড'হীন, অসৎ এবং নীতি'হীন। এদের অধিকাংশে'র লেখা'ই পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী'র শিক্ষার্থী'দের জন্যে। আবার কিছু সাহিত্যিক আছেন, তারা এতো'টাই দুর্বোধ্য বাঙলায় লেখালেখি করেন যে তাদের লেখা মানুষে'র কাছে পৌঁছে না। এদের মধ্যে সৃষ্টিশীলতা যে খুব আছে তাও নয়; তবে তারা জানে, কীভাবে অ'শিক্ষিত জনগোষ্ঠী'কে খাওয়াতে হয়। তারা যতো'টা না সাহিত্যিক, ততো'টাই চাটু'কার। যারা দেশে উচ্চ'মার্গীয় সাহিত্যিক হিসেবে বিবেচিত, তারা জীবনে একটা কাজ খুব ভালো মতো

বিষাক্ত রাজনীতি:- দশম পর্ব-



মুম্বাই বিস্ফোরণের এই তদন্ত প্রক্রিয়া চলতে থাকে দাউদ ইব্রাহিম, টাইগার মেমন ও ডি কোম্পানির সঙ্গে তদন্ত প্রক্রিয়ায় আর একটি নাম উঠে আসে; আর এই নামটি নিয়েই পরবর্তীকালে দেশ জোড়া বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্ক শুরু হয় আদেও এই মানুষটি মুম্বাই বিস্ফোরণে যুক্ত ছিলেন কি না? মুম্বাই বিস্ফোরণের অন্যতম বহু চর্চিত সেই ব্যাক্তিত্বটি হলেন- ইয়াকুব মেমন।

হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী প্রতিশ্রুত মসীহ ও মাহদী (আ)-এর বিরুদ্ধে সতেরটি মিথ্যা অভিযোগ ও তার খন্ডন


অভিযোগ ১: মসীহ মাউদ (আ) এর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

খন্ডন:

অভিযোগ করা হয় যে আহমদ (আ) এর পরিবার এমন ছিলো না, যেখান থেকে আল্লাহর কোনও নবী আসার আশা করা যায়্। যাহোক, কোরআনে বারবার বলা হয়েছে যে নবীদের পারিবারিক মর্যাদার সাথে তাঁদের প্রচারিত বাণীর কোনও সম্পর্ক নেই। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়:

বিষাক্ত রাজনীতি:- নবম পর্ব-


মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে দেশের অবস্থা বহু পরিবর্তিত হয়। বাবরি ধ্বংসের পর মুম্বাইয়ে দাঙ্গা এবং দাঙ্গার প্রতিক্রিয়া হিসাবে মুম্বাই বিস্ফোরণ হয়। সরকারি হিসাবে 257 জনের মৃত্যু হলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে শুধুমাত্র মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জের হামলায় পাঁচশো থেকে হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। তাহলে ওই হামলায় মোট কত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ও কতজন আহত হয়েছিল তা সহজেই অনুমান করা যায়। চারিদিকে শুধু লাশ আর লাশ ও ছিন্নভিন্ন দেহ, শহরে যেন রক্তের বন্যা বয়ে চলেছিল! চারিদিকে শুধু মানুষের হাহাকার ও আর্তনাদ! তবে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি এই রকম হামলা হতে পারে?

ক্রসফায়ার কিংবা গুপ্তহত্যা: স্বাধীন বাংলায় আমরা জিম্মি


মোবাইলের এই প্রান্তে স্ত্রী সন্তানের আর্তনাদ আর ঐ প্রান্তে বুলেটের আওয়াজ। একতরফা গুলি কি বন্দুক যুদ্ধ?? কষ্ট পেলাম খুব। মাদক নিধন অভিযানের নামে ক্রসফায়ার করছে তা ভালো কিন্তু কক্সবাজারে তিনবারের নির্বাচিত ক্ষমতাসীন দলের কাউন্সিলরকে যে শত্রুতাবসত গুলি করে হত্যা করেছে তা এই (https://m.youtube.com/watch?v=4iGB6iL49KM&feature=youtu.be) অডিও বলে দে। আইনের রক্ষক হয়ে যদি এমনটা হয় তবে আমাদের মত সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে কেন জিম্মি? কেন অন্যায়ের প্রতিবাদে আমাদের মরতে হয়???

সন্ত্রাসীদের ক্ষমার প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি দায়মুক্ত, আদালত অসহায়, ন্যায় বিচার চাইবো কোথায়?


ভেসে বেড়ানো খবর হলো, সেনাবাহিনী পরবর্তী সম্ভাব্য সেনাপ্রধান হিসেবে যাকে ভাবা হচ্ছে, তার আপন ভাই হলো এই সন্ত্রাসী জোসেফ। শুধু মাত্র এই লোককে সেনা প্রধান হওয়া থেকে বিরত রাখতে, তার সাথে রফা করে গোপনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা জোগাড় করে তাকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে! এসবের ফলাফল হচ্ছে ওই সেনা কর্মকর্তার আর সেনা প্রধান হওয়া হবেনা। তবে আমার এই খবরটি শতভাগ সত্য দাবি করছিনা। নিশ্চিত সত্য যা তা হলো সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কোনো একজনের আপন ভাই এই জোসেফ।

এখানেও তাহলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমটা রাজনৈতিক বিবেচনায়ই গেলো। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ভাবে, সংবিধানের দোহাই দিয়ে এই অনাচারের বিচার আমরা সাধারণ নাগরিকরা কার কাছে চাইবো? এই সন্ত্রাসী যাদের হত্যা করেছে তাদের ন্যায় বিচার কে দিবে? এতো কিছুর পরে যখন বিচার কোর্ট করে, তখন এই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা নামক অনুচ্ছেদটি, বিধানটি ন্যায় বিচারকে গলাটিপে ধরে।

মুমিনদের বিবাহ বনাম ধর্ম বর্জনকারীদের বিবাহ


মুমিনদের দৃষ্টিতে বিবাহ মানে সেক্স। বিবাহবদ্ধ নারী স্বামীর সেক্স যন্ত্র। যখনই স্বামী চাইবে তখনই স্বামীকে পরিতৃপ্ত করতে হবে. স্ত্রীর মনের অবস্থা যখন যেমনি থাকুক না কেন। আর সারাজীবন গৃহিণী হয়ে চার দেয়ালের মধ্যে কাটিয়ে দেয়ায় খাটি মুমিনা স্ত্রীর কাজ। খাটি মুমিনা স্ত্রী ব্যস্ত থাকবে স্বামীকে তৃপ্ত করতে। ’স্বামী’ অর্থ তো প্রভু। স্ত্রী হল এক প্রকার যৌণ দাসি।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর