নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সমসাময়িক

একজন ইয়াবা সেবনকারী ভয়ংকর হয়ে উঠার সাতটি ধাপ



গবেষক আর চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে একটা ইয়াবা সেবন কারীর সাতটা ধাপ আছে৷

প্রথম ধাপ- প্রথম ধাপে সিগারেটের মতই বন্ধুর আড্ডা, পার্টি, বিভিন্ন হৈ হুল্লোরে বা মানসিক চাপ হতে ধোঁয়া টানতে ইচ্ছে করে এবং সঙ্গ দোষে তাই করে৷ সেবন করে মনে হয় বেশ প্রশান্তির অনুভূতি৷ তখন তারা যাই করে ভালো লাগে, ক্ষুধা নেই ক্লান্তি নেই৷ মনে হতে থাকে ব্রেন সার্ফ৷ আর বেড়ে যায় হৃদ কম্পন, মেটাবলিজম সহ ব্লাড প্রেসার৷

রান্নায় রান্নায় ডিজিটাল বাংলাদেশ


প্রথমে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী ঢালুন একটি পাত্রে, তারপর তাতে ভাস্কর্য আর মূর্তিতে লেজে গোবরে হয়ে যাওয়া বিশুদ্ধ অনুভূতির সস এবং রোহিঙ্গা ধোয়া জলের সাথে পদ্মা সেতুর লাকড়ি দিয়ে ভালো ভাবে নাড়তে থাকুন।

হালকা ভাপ উঠলেই একচিমটি হেফাজতে ইসলাম, নিবন্ধন হারানো জামাত, মৌলবাদী চিন্তার সাথে এক টেবিল চামচ সংখ্যালঘুর ভূমি দখল, এক কাপ পাহাড়ি শান্তিচুক্তি, ৪/৫টা টাটকা সেনা সন্ত্রাস, আর বিচারহীন হত্যার ছোট কয়েকটুকরো দিয়ে একটু নেড়ে ঢেকে দিন।

সন্ত্রাসীদের ক্ষমার প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি দায়মুক্ত, আদালত অসহায়, ন্যায় বিচার চাইবো কোথায়?


ভেসে বেড়ানো খবর হলো, সেনাবাহিনী পরবর্তী সম্ভাব্য সেনাপ্রধান হিসেবে যাকে ভাবা হচ্ছে, তার আপন ভাই হলো এই সন্ত্রাসী জোসেফ। শুধু মাত্র এই লোককে সেনা প্রধান হওয়া থেকে বিরত রাখতে, তার সাথে রফা করে গোপনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা জোগাড় করে তাকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে! এসবের ফলাফল হচ্ছে ওই সেনা কর্মকর্তার আর সেনা প্রধান হওয়া হবেনা। তবে আমার এই খবরটি শতভাগ সত্য দাবি করছিনা। নিশ্চিত সত্য যা তা হলো সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কোনো একজনের আপন ভাই এই জোসেফ।

এখানেও তাহলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমটা রাজনৈতিক বিবেচনায়ই গেলো। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ভাবে, সংবিধানের দোহাই দিয়ে এই অনাচারের বিচার আমরা সাধারণ নাগরিকরা কার কাছে চাইবো? এই সন্ত্রাসী যাদের হত্যা করেছে তাদের ন্যায় বিচার কে দিবে? এতো কিছুর পরে যখন বিচার কোর্ট করে, তখন এই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা নামক অনুচ্ছেদটি, বিধানটি ন্যায় বিচারকে গলাটিপে ধরে।

কফিনভর্তি বারুদের নির্যাস


আমার জন্যে কয়েক বিলিয়ন কফিন জমা রেখো,প্রিয়তমা।
গোলাপের চাষ অলাভজনক হতে পারে-
পৃথিবীতে যুদ্ধ কখনো থেমে যাবে না।
বাতাসে বারুদ আর সীসা-রক্তের কালো দাগ দেখে যারা, তারাও একসময় পাহাড়ের স্বপ্ন দেখেন,
ফিরে যেতে চান ঘরে,
দ্যাখেন কমলা রোদে জমাট হয়ে আছে গরম পাথর-ফুলের ঘ্রাণ-
প্রেমিকার চুলের মতো আঁধার নেমে আসে যখন যুদ্ধের ডামাডোলে-
যখন রক্তে ভিজে আসে হাসপাতাল আর সাদা বেডসিট।

ও আচ্ছা! তাহলে যুদ্ধটা মাদকের বিরুদ্ধে?


“যারা তাহলে বন্দুকযুদ্ধে মারা যাচ্ছে, তাদের সবাই নিরপরাধ”? তাহলে আমার উত্তর হবে হ্যা সবাই নিরপরাধ। কারন তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমানি হয়নি কোনো যথাযথ কোর্টে বিচারের মাধ্যে। বাংলাদেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে, আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার দিচ্ছে, বিচারের প্রাপ্তির সুবিধা নিশ্চিত করছে, তথা জীবন-ধারণের অধিকারকে নিশ্চিত করছে। সেখানে যখন কোনো ব্যক্তির সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার গুলো ক্ষুন্ন করে তাকে বিচারবর্হিভূত ভাবে হত্যা করা হয়, তখন তাকে আপনি কিভাবে অপরাধী বলতে পারেন? মিডিয়া ট্রায়াল বলে একটা র্টাম আছে, ওই মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে একজন নিরপরাধীকেও চাইলে মুহুর্ত্বের মাঝে ঘৃণ্যতম অপরাধী বানিয়ে ফেলা সম্ভব। আর বর্তমান সরকারের মতো স্বৈরাচারী একটা সরকারকেও মানবিক সরকারের হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। তাই মিডিয়ার হুজুগে ট্রায়ালে একটা মানুষের অপরাধকে কখনোই বিচার করা যায় না।

এতো ভালোবাসার রোহিঙ্গা লইয়া এখন আমাদের ধর্মপ্রাণ মুমিনরা কি করিবেন?


একটা নোবেলের জন্য ললুপ হইয়া তিনি আমাদের ১০লাখ রোহিঙ্গাতো দিলেন, কিন্তু এদের নিয়ে এখন যে জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি গুলো প্রকোট হচ্ছে সে গুলোকে তিনি কিভাবে সমাধান করবেন? এই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই বা আদৌ কবে শুরু হবে? আমরা শালার একটা জাতিই মাইরি, ধর্মের দোহাই দিয়া যে যাহাই করুক আমরা খুশি হইয়া তাহা গ্রহন করি, আর প্রতিবারই ধর্মের উপর্যুপরী আঘাতে কুপকাত হইয়া বলি “ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁচি”। এই দেশ থেকে যতদিন ধর্মান্ধতা দূর হবে না, ততদিন এই দেশের কোনো সেক্টরেই উন্নয়ন উন্নতি সম্ভব না। আর যারা বর্তমান উন্নয়নকে উন্নয়ন মনে করে থাকেন তাদের জন্য আমার পরামর্শ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্র গুলোর মাঝে কোনটি ধর্মকে পূঁজি রেখে তাদের উন্নতি করে পেরেছে খুঁজে দেখবেন।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর