নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আকাশ লীনা
  • নুর নবী দুলাল
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

সমসাময়িক

সংখ্যালঘু নিধনযজ্ঞে বাংলাদেশঃ এর শেষ কোথায়?


গত সপ্তাহে রংপুরে এত বড় একটা ঘটনা ঘটে যাবার পর শুক্রবার রাতে নিকটবর্তী জেলা নওগাঁতে মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাংচুর করার ঘটনা নতুন করে একটা বিষয় ভাবতে বাধ্য করে। আসলে এসব কি হচ্ছে!! কেন হচ্ছে!! সরকারের সদিচ্ছা থাকলে যেখানে মাছি পালানোর অবকাশ নেই সেখানে প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে এসব হচ্ছে!!

যা হচ্ছে একে বলে 'এথনিক ক্লিনজিং' । এথনিক ক্লিনজিং হলো কোনো নির্দিষ্ট জাতি বা গোষ্ঠীকে উক্ত জনপদ থেকে নির্মূলীকরণ। এথনিক ক্লিনজিং তিন ভাবে হতে পারে।
১। সামরিকভাবে
২। রাজনৈতিকভাবে
৩। অর্থনৈতিক কূটকৌশল দ্বারা।

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য আশির্বাদ নাকি অভিশাপ


আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ভারত সফর সময়কার একটা লেখা সমকাল পত্রিকায় সম্পাদকীয় কালের আয়না বিভাগে শ্রদ্ধেয় আব্দুল গাফফার ছৌধুরীর "পাকিস্তান যেটা করে শিক্ষা হয়েছে - ভারতের তা দেখে শিক্ষা নেওয়া উচিত"। আমেরিকার মতো বন্ধু থাকলে আর শত্রুর দরকার নেই কারো, কথাটা খুবই প্রচারিত সত্য যা আমার বয়স সময় কালের বিশ্ব রাজনীতি যুদ্ধ বিরোধ থেকেই প্রমানিত মনে করি। আমি মুলত ভারত-পাকিস্তান-আমরিকা নিয়ে লিখবনা, লিখবো আমাদের সমস্যা নিয়ে, আমরা কতটা শিক্ষা নিচ্ছি অতীত থেকে,

রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য অভিশাপ নাকি আশীর্বাদ

মানবতা নয়, পাকিস্তান ভোট দিয়েছে ধর্মের বিবেচনায়।


রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশকে ভোট দেয়নি, কিন্তু পাকিস্তান দিয়েছে এই খুশিতে যে সকল ইমানদার পাক-প্রেমিক ভাইয়েরা বগল বাজাতে শুরু করেছেন, তারা শুনুন, রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে ভুল ভাবে উপাস্থাপন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে। মিয়ানমার সামরিক বাহিনী কর্তৃক রাখাইন জনগোষ্ঠির উপর বর্বরোচিত নির্যাতনকে 'মানবতা'র সমস্যা না বলে উপস্থাপন করা হয়েছে 'ধর্মীয়' সমস্যা হিসেবে। যার কারণে রাখাইন মুসলিম জনগোষ্ঠির পক্ষে নিয়ে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মালদ্বীপ বাংলাদেশকে ভোট দিলেও, অমুসলিম মিয়ানমারের পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশকে ভোট দেয়নি অমুসলিম দেশ নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা।

প্রাগৈতিহাসিক সাম্প্রদায়িক মনোভাব, ধর্মঘেষা শিক্ষাব্যবস্থা এবং মধ্যপন্থি মেজরিটি সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রধান কারণ।


যে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাম্প্রদায়িক উস্কানিমুলক প্রশ্ন করা হয়, সেই দেশে একটা হিন্দুপল্লিতে মুসলমান কর্তৃক আগুন দেয়াকে বড় কোন অঘটন হিসেবে না ভাবলেও চলবে! অন্তত আমি ভাবি না। রংপুরের সংখ্যালঘু নির্যাতনের মানসিকতা এ দেশের মুসলমানদর মধ্যে একদিনে তৈরী হয়নি। বহুকাল আগেই এই ধর্মীয় সন্ত্রাসের বীজ রোপিত হয়েছিলো এ দেশে।

মুসলিমের হিন্দুয়ানী নাম ব্যবহারঃ নাসিরনগরের ধারাবাহিকতায় ঠাকুরপাড়ায় সাম্প্রদায়িক হামলা


রংপুরের টিটু রায় যে ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম অবমাননা করে কোন পোস্ট দেয়নি, সেটা আপাতত নিশ্চিত হওয়া গেছে। ১২ নভেম্বর ২০১৭, দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী মাওলানা হামিদী নামক একজন মুসলিম ঐ পোস্ট করেছিলেন!
আমার প্রশ্ন হচ্ছে, একজন মুসলমানকে কোন নও মুসলিমের নাম ব্যবহার করার অনুমতি ইসলাম দেয় কিনা? সেটা যদি হয় অপরাধমূলক কাজ, ইসলাম অবমাননার কাজ? মানে মাওলানা হামিদী কিংবা নাসিরনগরের জাহাঙ্গীর আলম, টিটু রায় কিংবা রসরাজ দাসের নাম ব্যবহার করে যে আকাম করেছে, ইসলাম কি সেটাকে অনুমোদন দেয়? আমার জানা মতে দেয় না!

মাদার অব হিউম্যানিটির দেশে ধুকছে মানবতা


শুরু করছি রবি ঠাকুরের একটি কবিতায়----

"ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু,
পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু।।
এই-যে হিয়া থরোথরো কাঁপে আজি এমনতরো
এই বেদনা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু।।

রাজনৈতিক ইসলামের সাথে সেক্যুলার গণতন্ত্রের দ্বন্দ্ব!



রংপুরে সাম্প্রদায়িক হামলার ছবি ও এই ঘটনা কারা কিভাবে ঘটিয়েছে, এ সম্পর্কে প্রায় সব তথ্যই আমরা এখন জানি।

একজন "হিন্দুর" নামে ফেসবুকে "ধর্ম অবমাননার" গুজব ছড়িয়েছেন একজন মাওলানা হামিদি। কর্মী ও সমর্থকদের সমাবেশ ঘটিয়েছেন ওলামা দলের ও জামাতে ইসলামীর নেতারা। এদের একজন, জামাত নেতা ও মসজিদের ইমাম সিরাজুল ইসলাম এখন পুলিশ হেফাজতে।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর