নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

সমসাময়িক

একজন সু চি-র শান্তিকামনা


একটি দেশ। সুন্দর এবং গোছানো ভাবধারার মানুষেরা সে দেশে বাস করেন। দেশের ছোট্ট এক কিশোরী মানুষকে ভালোবাসে। সে মানুষের উপকারের কথা ভাবে। সে এই পৃথিবী এবং তার চারপাশের সব কিছুতে মুগ্ধ। কিশোরী বড় হয় এবং যৌবন পেরিয়ে পূর্ণতায় পৌঁছায়। সে গণতন্ত্র আর মানবতাবাদ নিয়ে কাজ করতে শুরু করে। এই পৃথিবীতে শান্তি ফেরানো তার স্বপ্নে পরিণত হয়। একসময় সে নিজের দেশে গণতন্ত্রের ধ্বজা উড়িয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রয়াসী হয়।

ফোর জি সেবা যেন নামেমাত্র না হয়



আমি ফোরজি নেটওয়ার্কে ডাটা ইউজ করতে থ্রিজির থেকে দশগুণ স্পিড চাই না। লাইসেন্স দেরীতে হলেও দিচ্ছে, বা এইদেশে সব ভাল দেরিতে হয় সেটাও মানা গেল। কিন্তু ভাল হবে নাম দিয়ে আসবার পর মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও চালাইলে আমার মোবাইল স্কিনে যেন গোল্লা চাক্কা ঘুরতে না থাকে অনির্দিষ্ট সময়ব্যাপী।

দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্যান্য


আমি আপনি না বদলালে সমাজ আমাদের বদলে দিতে পারবে না।কতদিন নিজেদের পক্ষে সাফাই গাইবেন?একচোখা বিশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকতে চাইবেন? আপনার ভেতরকার পশু স্বত্বা কখনো বদলাবে না,যদি না আপনি নিজের মানসিকতা বদলাতে পারেন।আপনি হয়তো বা একজন সুশীল শ্রেণীর মানুষ।সমাজে আপনি ভালোমানুষ বলেই পরিচিত। কিন্তু আপনি কথা বলার সময় মুখ সামলাতে পারেন না।

আপনি পোশাক নিয়ে ব্যাপক চিন্তাশীল। ধর্ম বর্ণ এক করে আপনি শালীনতা নিয়ে ভাবেন।ভাবেন,এই পোশাক কিবা চলা ফেরাই বদলে দিবে আমাদের সমাজ।

বাংলাদেশের সামরিক শক্তি ৷


জিএফপি র্যাংকিং - ৫৭ (১৩৩)

বাংলাদেশকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশসমূহ:

স্টকহোমভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপরির

হিসাব অনুযায়ী- ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল

পর্যন্ত বাংলাদেশ সাতটি দেশ থেকে অস্ত্র

সংগ্রহ করেছে। এগুলো হচ্ছে- চীন, ইতালি,

পাকিস্তান, রোমানিয়া, রাশিয়া, তুরস্ক ও

যুক্তরাজ্য। আবার ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের

হিসাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১১টি

দেশ থেকে অস্ত্র কিনেছে বাংলাদেশ। এগুলো

হলো- চীন, ইতালি, রাশিয়া, তুরস্ক,

কথা ছিল পরমত সহিষ্ণুতা শিখবো


ধর্ষকদের শিশ্ন কেটে দেবার দাবীতে অনেককেই বলতে দেখি। মনে রাখা দরকার, কারও শিশ্ন কেটে দেয়াটাও অঙ্গহানি, এটা বর্বরতা, অসভ্যতা। কারও হাত কেটে ফেলা যেমন মানবাধিকারের লংঘন, তেমনি কারও শিশ্ন কেটে দেয়াটাও মানবাধিকারের লংঘন। হ্যাঁ, ধর্ষককে অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে, সেটা তাঁর আমরণ বন্দি থাকা হতে পারে। মানবধিকার বলে, তাকে মেরে ফেলা যাবে না, তার অঙ্গহানি করা যাবে না।

অসীম ক্ষমতাধর মানবপ্রজাতি, বন্যাপীড়িত দরিদ্র বাংলাদেশ ও দূর্ভাগা রোহিংগা জাতি



নরমাল সময়ে মায়ানমার এতবার দেশের আকাশসীমা লংঘন করলে হয়ত উত্তেজনা ব্যাপক বাড়ত বা প্রতিক্রিয়া ভিন্ন দিকে যেতে পারত। এইসময়ে আরও করলেও যাবে না। কারণ, মায়ানমার বিশ্বের নজর অন্যদিকেও নিতে চায়, এসব হয়ত তারই উস্কানী। সরকার তাই আমার মতে সতর্ক প্রতিক্রিয়াই দেখাচ্ছে। কূটনীতি কী বয়ে আনবে কে জানে, ভালকিছুর সম্ভাবনা কম। আমি যেখান থেকে দেখি একজন সাধারণ আগ্রহী মানুষ হিসেবে, সেখান থেকে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত দেখি না, মানবিক ভবিষ্যত না তাদের অধিকাংশের জন্য। মানুষ হিসেবে আমাদের ক্ষমতা অসীম যদি পৃথিবীর সকল মানুষ মানবিক, যৌক্তিক, আদর্শ আচরণ করত। কিন্তু মানুষ উন্নত বুদ্ধিমত্তার হলেও নিজের প্রজাতির উপর জেনেবুঝে ইচ্ছাকৃত ক্ষতি একমাত্র মানুষই করতে পারে। কিছু মানুষ যদিও নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ে নেয়। এই রোহিংগারা আমাদের দেশের জন্য ছোটখাট দূর্যোগ বয়ে নিয়ে আসবে, সম্ভবত তাদের জীবনেও অপেক্ষা করছে দীর্ঘকালীন দূর্যোগ, দূর্ভোগ।

মানবতাবোধ কি বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়ালো?



“আসুন, অসহায় মুসলিম ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়াই। ওদের কেউ নাই আমরা ছাড়া।”- ব্যানারগুলা দেখেছি খুব বেশিদিন হলো। মানবতার বুলি আওড়াতে আওড়াতে গলার পানি শুকিয়ে গেছে অনেকের। এত মানবতাবাদী দেখে একদিকে খুশিও লাগছিল, আবার আফসোসও হচ্ছিলো। এতো মানবতাবাদী আছে বিষয়টা যেমন খুশির ঠিক তেমনি আফসোসের বিষয় হলো এতো মানবতাবাদী থাকার পরও কিভাবে দেশে এত সমস্যা থাকে!

নেটের মেয়ে


ফিমেল নামে আইডি খোলা পিপিটা তার ডল,
যায় না বোঝা আইডিখানা রিয়েল নাকি ছল!
একটা এমন আইডি থেকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পেয়ে,
বুঝে নিলো আবুল মিয়া সে খুব ভদ্র মেয়ে!
-
তাইতো আবুল ভাবনা ছাড়াই রিকু গ্রহণ করে,
আবুল এখন টপেই আছে! আর কে তাকে ধরে!
সেই রাতে সে আইডি থেকে মেসেজ আসে "হ্যালো",
মেসেজ পেয়ে আবুল মিয়ার ঘুম পালিয়ে গেল!
-
রাত্রি ধরে চলল চ্যাটিং কথা হলো বেশ,
তবু কথা শেষ হলো না রাত্রি হলো শেষ!
চ্যাটিং করা চলতে থাকে রাত্রি এবং দিন,
আবুল মিয়ার মনে সদাই বাজে খুশির বীণ!
-
দিন হতে দিন আবুল মিয়ার দুর্বলতা বাড়ে,

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর