নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বুলবুল
  • জাকারিয়া হুসাইন
  • সৌরভ দাস
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

সমসাময়িক

বাংলার অদম্য নারী



বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামাল, সেতারা বেগম, প্রীতিলতা প্রমুখ মহীয়সী নারীরা যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। 'তেঁতুল হুজুর শফি'র নারীদের কেবল ক্লাস ফাইভ পাশ করার তত্ত্ব যে বাংলাদেশের নারীরা গ্রহণ করেনি। জঙ্গিবাদ-ধর্মান্ধ শক্তির উত্থানে সারাবিশ্ব যখন আতঙ্কিত, সেই সময়ে আমাদের মেয়েদের অর্জন নিঃসন্দেহে অন্যদের প্রগতিশীলতার পথ দেখাবে। দেশের ভেতর অন্য নারীদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জিং কর্মে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে তারা হয়ে উঠবে রোল মডেল।

মোবাইল


মোবাইল যে মানুষের জীবনের কতগুলো মূল্যবান সময় নিয়ে নেয় তা বোঝার ক্ষমতাও দিন দিন হারিয়ে ফেলছি। এক সময় ছিলো যখন সারাদিনের পরিশ্রম শেষে মানুষের রিল্যাক্স করার মাধ্যম ছিলো পরিবার। বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানের সাথে সময় কাটিয়েই মানুষ সারাদিনের কষ্ট ভুলে যেত। পরিবারের মধ্যেই শান্তি খুঁজে পেত।

এখন মানুষ সারাদিনের পরিশ্রমের পর মোবাইল নিয়ে শুয়ে বসে রিল্যাক্স করে। ফেসবুকিং, ইউটিউব বা গেম। এখন মানুষের মনে শান্তি দেয়!!

ফেসবুকে রিপোর্ট, ব্লক,আর গালাগালি করা মুমিনদের মূল অস্ত্র।


দুঃখজনক হলেও সত্য পৃথিবীর হতাশাগ্রস্ত জাতিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এদের হতাশার প্রধান কারণ হচ্ছে ধর্ম। ধর্ম মানুষের মানসিকতা নষ্ট করে দেয়। ধার্মিকরা পৃথিবীটাকে সহজভাবে দেখতে পারে না।

ধার্মিকরা যখন নাস্তিকদের সাথে যুক্তি দিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে পরাজিত হয়। তখন গালাগালি করতে শুরু করে, খুবই মায়া লাগে অসহায় ধার্মিকদের জন্য। তারাও নাস্তিকদের সাথে বাচ্চা শিশুদের মত ব্যবহার করতে থাকে। যেন তারা এ পৃথিবীর কিছুই জানেনা। তারা জানেনা রাজনীতি, তারা জানেনা অর্থনীতি, তারা জানেনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।

যারা একটি অনৈতিক কাজে বাধা দিতে গিয়ে এতোগুলো অপরাধ করে ফেললো, রাষ্ট্র ও তার নাগরিকরা কি তাদের এই অপরাধের সাজা ভোগ করার জন্য কি প্রস্তুত হতে বলবে না?


দেশে জনসম্মুখে ধূমপান সম্ভবত দণ্ডনীয় অপরাধ। নারীর জন্য তা অনৈতিক এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। আবার, নির্দিষ্ট কোনো জাতী, গোত্র বা লিঙ্গকে ছোট করে এমন কিছু বলা বা সমর্থন দেয়া, অনুমতি ছাড়া কারো ভিডিও চিত্র ধারণ এবং প্রকাশ করা এবং তা করতে মানুষকে আহ্বান জানানো প্রত্যেকটিই অপরাধ। অপরাধমূলক কাজে বাধা দেয়া একজন নাগরিকের জাতীয় দ্বায়িত্ব। যারা একটি অনৈতিক কাজে বাধা দিতে গিয়ে এতোগুলো অপরাধ করে ফেললো, রাষ্ট্র ও তার নাগরিকরা কি তাদের এই অপরাধের সাজা ভোগ করার জন্য প্রস্তুত হতে বলবে না?

অনুৎপাদনশীল মাদ্রাসা শিক্ষা


বর্তমান বাংলাদেশে স্কুল-কলেজ এবং বিভিন্ন প্রকার কারিগরি বিদ্যালয়ের চেয়ে মাদ্রাসার সংখ্যা বেশী। এসব মাদ্রাসায় গঠনমূলক এবং যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। এসব মাদ্রাসায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠী শিক্ষা অর্জন করা স্বত্বেও তাদের শিক্ষাকে দেশের ও সমাজের আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রয়োগ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

ফেসবুকের শক্তি


ফেসবুকের শক্তি সম্পর্কে নিশ্চয়ই কারো কোনো সন্দেহ নেই। সামাজিক যোগাযোগের শক্তিশালীতম মাধ্যম জুকারবার্গের এই ফেসবুক। সত্যাসত্য যাচাই না করে ফেসবুকের নানা জায়গায় আমরা লাইক দিয়ে, শেয়ার করে নানা ধরণের বিপদ ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছি প্রতিদিন। আপনার দেওয়া ভুয়া খবরের একটি শেয়ার গোটা একটা সম্প্রদায়কে বিপন্ন করতে পারে, অস্থিতিশীল করে ফেলতে পারে পুরো একটি রাষ্ট্রকে। কে কই লাইক দিলেন, কে কী শেয়ার করলেন; এর উপর নির্ভর করে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব এবং ক্ষেত্র বিশেষে একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাও। ফেসবুক ব্যবহারের সময় কমন সেন্স খাটিয়ে নিচের এই গোল্ডেন রুলগুলো মেনে চললে সেইসব বিপদ অনে

যশোর রোডের প্রাচীন বৃক্ষঃ কিছু কি করা যায়?



আমার যুক্তিতে যতদূর বুঝি, রোড চারলেন হইতেই হবে আর তা হইতে হবে অতিদ্রুত। এখন কথা হইতেছে গাছগুলা কি বাঁচানো বা রক্ষা করবার কোনো উপায় আছে নাকি নাই। গাছগুলাকে বাঁচানোর প্রক্রিয়াও অনেক ব্যয়বহুল হবে। তবে প্রতিটা জাতি নিজেদের ভাল জিনিসগুলো ধরে রাখে, ঐতিহ্য ধরে রাখতে চায়, তার জন্য ব্যয় করে। আমরাও হয়ত করতে পারি। যশোর রোডের অন্যরকম সৌন্দর্য এখনো আমার চোখে ভাসতেছে।

আমি অল্পবুদ্ধিতে যা বুঝি, এই গাছ কিংবা আদি যশোর রোড অবিকৃত রাখবার একটাই উপায়, তা হচ্ছে যশোর রোডের পাশাপাশি প্যারালাল দুইলেনের আরেকটা ওয়ান ওয়ে রোড করা। চারলেনই তো প্রয়োজন, একমুখী দুইলেন হোক আদি যশোর রোডের আর অপর অংশ হোক অপরমুখী লুইলেনের। চারলেনের মহাসড়কে নরমালি ডিভাইডার থাকে, দুইলেন থাকে একমুখী আর অপর দুইলেন থাকে বিপরীতমুখী। যশোর রোডের একপাশের গাছগুলা হোক একসাইডের সীমানাপ্রাচীরের মতন আর অপরপাশের গাছগুলো হইতে পারে পাশাপাশি নির্মাল করা প্যারালাল রোডের ডিভাইডার, একটু বেশি প্রশস্ত ডিভাইডার হবে, এই যা। অতিরিক্ত কিছু জমি অধিগ্রহণ লাগবে, প্রকল্পখরচ আর মাস্টার[প্ল্যান বদলাইতে হবে, কিন্তু এইভাবেও তো সম্ভব। আর পুরা চারলেনের মহাসড়কেই যে গাছ বাঁচাইতে হবে এমনও হবে না। কেবল যেই যেই অংশে গাছগুলা বাঁচানোর দরকার, সেই অংশেই এমন করে মহাসড়কের নতুন পরিকল্পনা করলে কি হয় না?

কোন আওয়াজ নাই


কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি যেখানে সারা বিশ্ব পরিত্যাগ করছে, রাষ্ট্র তখন গো ধরে বসে আছে। থাকার কারণটাও একেবারে অমূলক নয়। রাষ্ট্র পক্ষ NTPC'র পাল্লায় পড়ে যে বসে আছে। সেই খপ্পরে পড়েই বাংলাদেশ এখন ভারতের কয়লা কন্সিউমার হতে যাচ্ছে। তারা দেখাবে বন্ধুত্ব এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন।

কেন্দ্রের নয়া গবাদি বিধি ও লেডি জাস্টিশিয়ার মূর্তি অপসারণ প্রসঙ্গ


*পাঠকরা আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ লেখাটি বেশ বড় হয়েছে কিন্তু এতে রাজনীতি,অর্থনীতি,ধর্ম আর ও অনেক বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে ,আশা করি আপনারা লেখাটি ধৈর্য ও মনযোগ সহকারে পড়বেন।ধন্যবাদ ।
-----------------------------------
ভারত ও বাংলাদেশ এই দুই দেশেই ধর্মান্ধ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ ঘটছে যার চরম নিদর্শন ভারতে কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া গবাদি বিধি ও অন্যদিকে বাংলাদেশে ন্যায়ের মূর্তি জস্টিশিয়াকে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে অপসারণ ।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর