নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিজ্ঞানী ইস্বাদ
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • বিজয়
  • সৈয়দ মাহী আহমদ
  • রাজিব আহমেদ
  • কিন্তু
  • নাগিব মাহফুজ খান
  • পৃথু স্যন্যাল
  • ফারজানা সুমনা

নতুন যাত্রী

  • শেষ যাত্রী
  • নীলা দাস
  • উর্বির পৃথিবী
  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ

আপনি এখানে

সমসাময়িক

অন্ধ সমর্থন?


সে যাই হোক, চাইলেই ‘পবিত্র গ্রন্থ’ আর ’সংশ্লিষ্ট বইপত্র’গুলির রেফারেন্স দিয়ে প্রমাণ করে দিতে পারি যে, সুপ্রিমকোর্টের সামনের ভাস্কর্যটি ছিল একেবারেই নির্দোষ। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারি, কী কী ক্ষেত্রে এই ভাস্কর্য ধর্মের চোখে কিছু মাত্র যায় আসে না। যুক্তি দিয়ে অলস বাঙালিদেরকে বুঝিয়ে দিতে পারি, কেন সৌদির মতো শতভাগ রেডিক্যাল একটি দেশে ”The Hungry Horses Sculpture” এর পেটের দিকটা শুধু পরিবর্তন করে ঘোড়ার হুবহু অবয়বের পাঁচ পাঁচটি প্রতিকৃতি সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে উত্তপ্ত মরুর বুকে ( ফটোগ্রাফার অবশ্য তিনটি ঘোড়ার ছবি তুলতে সমর্থ হয়েছেন)।

দেশী শাড়ীতে গ্রীক দেবী


নাস্তিক কথাটির অর্থ জেনেই কি আপনি নাস্তিক, নাকি নিজের কিছু নোংরা আশা চরিতার্থ করতে ভোল বদলেছেন?

সন্দেহ হয়, বেশ সন্দেহ হয় যখন আপনাদের জ্বালায় ব্লগে ঘোরাঘুরি করা কষ্টকর হয়ে যায়। সে কি ভাষা আপনাদের দাদা লেখালেখির। বোঝাই যায় বাবা-মা কি শুনিয়ে বড় করেছে!

আপনারা বেশ ভালো রকম খারাপ ভাষা ব্যবহার করেন আমাদের ধর্মের সবচেয়ে সম্মানীত মানুষকে নিয়ে যাকে কিনা আমাদের বাবা-মায়ের চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা করি আমরা। আপনাদের হাত কাঁপেনা কারণ আপনারা অনেক বেশি জ্ঞানী মানুষ।

দেশের সকল ভাস্কর্য অপসারন এবং শরিয়া আইন চাই


মৌলবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী এবং ক্ষমতাশীল ব্যক্তিদের চাপের মুখে পরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গত রাত ২৫ মে ন্যায় বিচারে প্রতীক গ্রীক দেবী থেমিসের অনুকরনে তৈরী করা ভাস্কর্য মৃণাল হকের উপস্থিতে সরানো হয়।মৃণাল হকই এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন।সেই থেকে চলছিলো প্রগতিশীল অসাম্প্রদায়িক লোকদের মাঝে নানা আলোচনা এবং সমালোচনা।

দেশের কোণে কোনে স্থাপিত হোক মৃণাল হকের ভাস্কর্য্যের অবিকল প্রতিরুপ!



মৃণাল হকের ভাস্কর্য্যকে আর জায়গামত নেবার কোন উপায় নেই। কিন্তু আমার মনে হয় যারা ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছেন না, তারা সহিংস না হয়ে অন্য পদক্ষেপও নিতে পারেন। যেমন, দেশের নানা স্থানে বানানো যেতে পারে শত সহস্র অবিকল একই ভাস্কর্য্য ওরফে হেফাজতীদের মতে দেবী থেমিসের মূর্তি ওরফে দেশের উচ্চপদে থাকা কারো কারো মতে গ্রীক দেবী থেমিসের দেশি ভার্সন অদ্ভুত মূর্তি। ভাস্কর্য্য কিংবা মূর্তি কোথাও স্থাপন দেশের আইনানুসারে এখনো অবৈধ নয়। হেফাজতীদের দাবী মানতে গেলে তখন দেশের আইন পালটে মূর্তি ও ভাস্কর্য্যই নিশিদ্ধ করতে হবে। আর সেটাই যদি হয়, তখনই দেশের মানুষ জাগবে। কারণ, এমন অসহিষ্ণু দেশ দেশের নাগরিকদের সিংহভাগই চায়না।

সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলাদেশর নাম


বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ রাজনীতির বলয়ে আবদ্ধ না, তারা সবসময় সহজ ভাবে বিশ্বাস করতে ভালবাসে। সাধারণ মানুষের সহজ-সরলতাকে কাজে লাগাতে তৎপর রাজনীতির নামে হত্যাযজ্ঞে লিপ্ত কিছু মহল। যাদের রাজনীতির হাতিয়ার গনতন্ত্র আর জনগণ নয়। তাদের আন্দোলনে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা নেই, আছে শুধু সাধারণ মানুষের আহাজারি আর কান্না। এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ আর শুধু কথায় বিশ্বাস করে না। কথায় কথায় তারা বলে গনতন্ত্র ফেরাতে হবে,গনতন্ত্রকে বাচাতে হবে তারা আজ জানে মুখস্থ মন্ত্র দিয়ে স্বার্থসিদ্ধি হয় না। তারা দেশে ব্যর্থ হয়ে এখন দেশের বাইরে গিয়ে মন্ত্র পাঠ করছে। কিংস্টনের আলিশান বাড়ীতে বসে থেকে আন্দোলনের নামে শুধু মাইক্রোফো

যে কারনে গ্রিক দেবি থেমিসের মূর্তিটি একপাশে সরানো হয়েছে


সুপ্রিম কোর্টের সামনে স্থাপিত গ্রিক দেবি থেমিসের মূর্তিটি সরানোর একমাত্র কারণ হচ্ছে যে মূর্তিটির পিছনে বাংলাদেশের মানচিত্র ঢেকে পড়ে গিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের বাহিরে স্থাপিত বাংলাদেশের মানচিত্র মূর্তি থাকার কারনে সামনে থেকে দেখা যাচ্ছিল না। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের মানচিত্র কখনই আড়ালে পড়ে থাকতে পারে না। বিষয়টি বিবেচনা করে মূর্তিটি একপাশে সরানো হচ্ছে, তবে একেবারে উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে না। তাছাড়া সরানোর অন্য কোন কারণও নেই। তবে কতিপয় কুচক্রী মহল বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ভুল তথ্য দিয়ে সাধারণ জনগনের কাছে বিষয়টি অন্যভাবে উপস্থাপন করছে য

সাধু সাবধান!


শেখ মজিবুর রহমান, একটা নাম একটা বিশ্বাস, একটা অহংকার। একটা দেশের পৃথিবীর মাথা তুলে দাঁড়ানোর নাম। শেখ মুজিব কোটি মানুষের বুকের মাঝে সযত্নে রাখা ভালবাসার নাম। শেখ মুজিব একটা মহানায়কের নাম যে, কোটি প্রাণে দোলা দিয়েছিল স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার। সব ধর্মের মানুষের মিলে মিশে এক সাথে বাচার নাম ছিল শেখ মুজিব। কিন্তু দেশ স্বাধীনের ৪৫ বছর পরে আমাদের দেশকে টেনে নিয়ে চলেছে পাকিস্থানপন্থী ধর্মান্ধ, বর্তমানের মৌলবাদী আফগানিস্থানের দিকে। শেখ মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা বর্তমানে দেশের প্রধান মন্ত্রী। যিনি ৯৬ এ ভোটে জিতেছিলেন সেক্যুলার বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কালে কালে পদ্মায় পানি অনেক গড়িয়েছে। পুরানো

বাংলাদেশ একতরফা পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে-দাবী মমতার!


ভারত সরকার কর্তৃক একতরফা পানি প্রত্যাহার করে নেওয়া ও তিস্তা সহ ভারতের সাথে অভিন্ন ৫১ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে বাংলাদেশের মানুষ যখন সোচ্চার, তখন ভারত সরকার পানি তো দিলই না বরং উল্টো অভিযোগ করে বসল ভারতের পশ্চিম বঙ্গের সিএম মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশ নাকি ভারতকে পানি থেকে বঞ্চিত করছে। তিনি বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করা অভিন্ন তিন নদীর পানির হিস্যা দাবি করেছে। আমরা ভারতের সাথে অভিন্ন ৫১ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে না পারলেও ভারত বাংলাদেশের সাথে অভিন্ন ৩ নদীর পানির হিসাব নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর