নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিজ্ঞানী ইস্বাদ
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • বিজয়
  • সৈয়দ মাহী আহমদ
  • রাজিব আহমেদ
  • কিন্তু
  • নাগিব মাহফুজ খান
  • পৃথু স্যন্যাল
  • ফারজানা সুমনা
  • কাঠমোল্লা

নতুন যাত্রী

  • শেষ যাত্রী
  • নীলা দাস
  • উর্বির পৃথিবী
  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ

আপনি এখানে

প্রবন্ধ

হেফাজতের দাবীর মুখে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ভাস্কর্য সরানো নিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনা......


বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গনে রোমান যুগের ন্যায়বিচারের প্রতীক লেডি জাস্টিসের আদলে একটি ভাস্কর্য স্পাপন করা হয়েছিল। ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক। কাল রাতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ভাস্কর্যটি সরিয়ে ফেলা হয়। সরিয়ে ফেলার কারন হেফাজত এবং কিছু ইসলামী সংঘটনের প্রবল আপত্তি। তারা সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করছিল। এবং ভাস্কর্য না সরালে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এমন হুমকি দিয়ে আসছিল।সরকার অবশেষে তাদের দাবী মেনে নিয়েছে।

ইসলামী সংঘটনগুলোর দাবী কতটা যৌক্তিক বা ছহি?

শ্যামলকান্তির বিরুদ্ধে করা ঘুষের মামলা মিথ্যে, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক



ঘটনা ও বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় শ্যামলকান্তির বিরুদ্ধে আনীত ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ মিথ্যে, বানোয়াট, হয়রানীমূলক ও ষড়যন্ত্রের অংশ। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার হীন উদ্দেশ্যে তাঁকে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। শ্যামলকান্তির অবিলম্বে জামিন দাবী করছি এবং ঘুষ গ্রহণের মিথ্যে অভিযোগটি ডিসচার্জড করে তাঁকে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। সেই সাথে ঘুষ দিতে চাওয়া ও মিথ্যে মামলা করার জন্য অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হোক।

বাজেট, উচ্চশিক্ষার ভ্রান্তনীতি, সদিচ্ছাই অর্থায়নের সমাধান


ভূমিকাঃ আর কয়েকদিন পরেই অর্থমন্ত্রী সংসদে বাজেট উত্থাপন করবেন। তার অংশ হিসেবে এক প্রাকবাজেট আলোচনায় তিনি ঘোষণা করেছেন, সরকারী উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেতন ৫ গুন বৃদ্ধি করবেন! এই ঘোষণার পর শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের কোন প্রতিক্রিয়া দেখলাম না! বিভিন্ন সময় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন অস্বাভাবিক বেতন-ফি বৃদ্ধি করা হয়, তখন ছাত্রসমাজ এর প্রতিবাদ করে। এবং ছাত্রদের আন্দোলন-সংগ্রামের গতিপ্রকৃতি দেখে সরকারও তার কৌশল ও অবস্থান পরিবর্তন করে!

ইউরোপের রাজনৈতিক শিক্ষা এবং আমাদের শিক্ষাহীনতা


ইউরোপ আজকে যে পলিটিক্যাল সিস্টেমে উন্নীত হয়েছে সেটার কয়েক শতাব্দীপ্রাচীন লিগ্যাসি আছে। অনেকগুলো ঐতিহাসিক পর্ব পার করে পরিবর্তন, সংযোজন, বিয়োজন আর নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে তারা বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে । সেই ঐতিহাসিক পর্বগুলো ইউরোপের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, চিন্তকদের লেখা দ্বারা উৎসাহিত । ইউরোপে রেনেসাঁ এসেছে, এজ অফ সায়েন্স,রিজন বা এনলাইটেনমেন্ট এসেছে। ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সে ঘটেছে দু ধরনের বুর্জোয়া বিপ্লব, রাশিয়াতে সাম্যবাদী বিপ্লব। বিজ্ঞানের অগ্রগতি সম্ভব করেছে শিল্প বিপ্লবকে।

ধর্ষণ প্রতিরোধে সমাজ ও পরিবারকে-ই দায়িত্ব নিতে হবে।


ধর্ষণের পর আমরা যতটা না ধর্ষককে অপরাধী করি তার চেয়ে দশগুন অপরাধী করি ধর্ষিতাকে। মেয়েটা উল্টাপাল্টা পোষাক পরেছিলো হয়তো। না হলে ছেলেটা বা ছেলেগুলো কেন-ই বা.....?

দেশটা রসাতলে গেল। মেয়েরা কি সব পোষাক পরে। তা দেখলে কি কোন ছেলের মাথা ঠিক থাকে?

ধর্ষণের ঘটনায় আপনি মেয়েটিকে অপরাধী করবেন, মেয়েটির পোষাক নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন তখন যখন আপনি পুরুষত্ব দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং পোষাকহীন আপনার মস্তিস্ক।

কাপূরুষের সর্বক্ষন কর্মক্ষম যন্ত্র!!!!


বাংলাদেশে যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন, যারা সারা দেশের তৃনমূল পর্যায়ের খরব রাখেন, এরা একবাক্যে স্বীকার করবেন ঠিক এমহুর্তে সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাপূরুষের অভাব নেই, যারা তাদের যন্ত্র দিয়ে প্রতিদিনই অসংখ্য মা-বোনদের ক্ষত বিক্ষত করছে – যে ঘটনাগুলির অতি নগন্য অংশই মিড়িয়া প্রকাশিত হয়। আর ঐগুলি অতি অতি ক্ষুদ্র অংশতেই পুলিশ সর্বক্ষন কর্মক্ষম যন্ত্রটার মতো কাজ করে।

বাংলার মুসলমান অথবা বাঙালি মুসলমানের জাতীয়তাবাদী ভাবধারার রূপান্তর (চতুর্থ পর্ব)



বাংলাদেশে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উদ্ভব,বিকাশ এবং পরিণতি বেশ কিছু স্তর পার হয়ে ক্রমে ক্রমে বিকশিত হয়েছে ।প্রথম পর্যায়ে ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন, তারপরে পাকিস্তান কর্তৃক অভ্যন্তরীণ উপনিবেশে পরিণত হওয়া, সেই উপনিবেশে ধর্মের নামে পাকিস্তানী দুঃশাসন, জাতিগত নিপীড়ন এবং সাম্প্রদায়িক আচরণ ইত্যাদির অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে বাঙালির জীবনযাত্রা। পাকিস্তান যদি বাংলাভাষী মানুষের উপর উর্দু চাপিয়ে না দিতো বাঙালি হয়তো আরো অনেকদিনই নিজেদের জাতিসত্তা সম্পর্কে অচেতন থাকতো।ভাষা আন্দোলন কি অবিশ্বাস্য দ্রুততায় বাঙালির জন আন্দোলনে পরিণত হয়েছিলো সেকথা স্মরণযোগ্য।

বিএনপি’র ভিশন ২০৩০ কি “কল্যাণের রাজনীতির” সংস্কৃতি গড়ে তোলার আভাস? নাকি পুরোটাই বরাবরের মতো ভাওতাবাজি?


আগামী নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি হিসাবে বিএনপি তাঁদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির দলিল “ভিশন ২০৩০” প্রকাশ করেছে। এই লেখাটি বিএনপি’র এই দলিলটি পাঠ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া। এটা কোনও বিশেষজ্ঞ মতামত নয়, বরং একজন নাগরিক হিসাবে আমার ব্যক্তিগত মতামত ও বিশ্লেষণ।

বছরে শুধু একদিন একটু মা-মা করলেই হবে?


‘মা’ শব্দটির অনেক প্রতিশব্দ আছে। যেমন, মাতা, মাতঃ, মাতৃকা, জননী, জনী, প্রসূতি, জনয়িত্রী, জনিকা, জন্মদাত্রী, গর্ভধারিণী ইত্যাদি। এর মধ্যে ‘গর্ভধারিণী শব্দটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। আর আসলেই মা হচ্ছেন গর্ভধারিণী। তাঁর গর্ভেই বেড়ে উঠেছে দুনিয়ার সমস্ত মানবশিশু।
আমরা যদি মাকে গর্ভধারিণী ভেবে থাকি—তাহলে, এখনই মায়ের মূল্য উপলব্ধি করতে হবে। আর সঙ্গে-সঙ্গে, এক্ষুনি মাকে দিতে হবে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা। মাকে ভালোবাসতে পারলে আমরা নিজেরাই আরও সমৃদ্ধ হতে পারবো।

কওমীর শিক্ষা ও পাঠ্যক্রমের পর্যালোচনা - ১



বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ “সাধারণ শিক্ষার ধারায়” বাংলাভাষাতেই সব বিষয়ের শিক্ষা দেয়া হয়। সেখানে একটি বিদেশী ভাষা ইংরেজী বাধ্যতামুলক হিসেবে আছে। এই ভাষার সাথে দেশের প্রশাসনিক কাজকর্ম, ভিন্ন ভাষার জ্ঞানঅর্জন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার, বৈদেশিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি যুক্ত। ভাষা ও শিক্ষার এই কাঠামোর ব্যবহারিক বিষয়টি দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বীকৃত। আর ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষায় তারা ইংরেজী ভাষার মাধ্যমে বিদেশী সিলেবাস অনুসরণ করে লেখাপড়া করে। সেখানে প্রধানত একটি ভাষার মাধ্যমেই লেখাপড়া শেখানো হয়। তারমানে উভয় ধারাই প্রধানত একটি ভাষাকেই তাদের শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। তাতে কি তাদের জ্ঞানঅর্জনে কোন ঘাটতি ও অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে? তারমানে এই নয় যে, ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষাকে সমর্থন করা হচ্ছে!

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর