নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

যুক্তিবাদীর সত্যপথ...!


যুক্তিবাদী আন্দোলন, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস ও আস্থাহীনতা নিয়ে অপ্রকাশিত তথ্য উন্মোচন করলেন 'ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি'-এর প্রাক্তন সভাপতি, 'হিউম্যানিস্ট এসোসিয়েশন'-এর সাধারণ সম্পাদক, 'আমরা যুক্তিবাদী' পত্রিকার সম্পাদক- যুক্তিবাদী ও নাস্তিক শিরোমণি চার্বাক #সুমিত্রা_পদ্মনাভন...!
https://thebestschools.org/features/top-atheists-in-the-world-today/

সর্বজন শ্রদ্ধেয় সুমিত্রাদি (পদ্মনাভন) কেন যুক্তিবাদী সমিতিতে যান না জিজ্ঞেস করাতে বলেছিলেন- "আমি লিখে রেখেছি কয়েকজনকে পাঠিয়েছি, যেমন- সত্যজিৎ, বিপ্লব, সঞ্জয়... ওদের জানার দরকার ছিল। সেই একই লেখা তোকে(Rana Hazra) পাঠালাম"...!

#আমার_কথা

দীর্ঘ ২৩ বছর পর এভাবে সমিতি ছেড়ে দেওয়াটা খুব কঠিন ছিল। ভাবিওনি এভাবে ছাড়ব। ভদ্রভাবে নতুন কমিটি গড়ে সরে আসবে সিনিয়াররা—এটাই কথা ছিল। কিন্তু দানা বাঁধছিলনা কিছুতেই নতুন দল। তারপর আমার কাজটা সহজ করে দিলেন আমাদের প্রতিষ্ঠাতা নিজেই।

এবারের ২০১৫ বইমেলায় প্রকাশিত ‘আত্মজীবনী’(?) টা পড়লে বোঝা যাবে কিছুটা। শুধু আমাকে কেন? যেভাবে অসম্মান করা হয়েছে অনিন্দ্য, অনিমার মত সৎ ও পরিশ্রমী পুরনো কর্মীদের, অভাবনীয়। আমি নিজে এদের দুজনকে চিনি বলে আমাকে কোনওভাবেই প্রভাবিত করেনা এসব তুচ্ছ, নীচ, অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য, বরং যিনি আত্মজীবনী তে এসব তুচ্ছ কুৎসা ছড়াতে পারেন, তার মানসিক সুস্থতার প্রতিই সন্দেহ জাগে। কিন্তু নবাগতরা ভুল সঙ্কেত পাবে। অবশ্য তাতে এখন আর আমার কিছু এসে যায় না। এক সময় যেত—যখন সমিতিটা ‘আমাদের’ সমিতি ভাবতাম। এখন জানি, ... না গত বছর দশেক ধরেই জানি আমার ও আমাদের সকলেরই অবস্থানটা অনেকটা দাবার ছোট ঘুঁটিগুলোর মত।

২০০৫-২০০৬ –মণিপুর, সত্যানন্দ নিয়ে খুশিমনে কাজ করেছি, ম্যাগাজ়িনটাও নিজের বলে মনে করতাম, কাজটা ভালোবেসে করতাম, কারোর হুকুমে নয়। তবু জানতাম আস্তে আস্তে সরে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী। আমার খুব নিকটজনদেরও বলিনি কিছুই। ওই যে—‘আমাদের সমিতির বদনাম হবে—শাখার ছেলেমেয়েরা মনে করবে সুমিত্রাদি ছেড়ে দিচ্ছে’—এইসব ভেবে।

কিন্তু ‘আমরা’ বলছি কাকে? কে এই ‘আমরা’? কোথায় সেই উৎসাহী সব ছেলেমেয়েরা? উজ্জ্বল, অচিন্ত্য, অতীশ, কল্যাণী, মানসী, অনিন্দিতা, চৈতালী, সৌরভ দাশগুপ্ত, দেবাশিস চ্যাটার্জি, রাহুল, দ্বিজপদ, রাণা, সুমন দাঁ, সুমন সাধুখাঁ, অভিজিৎ, মৃনাল, অজয়, অনিন্দ্য, অনিমা, বিপত্তারণ, জয়ব্রতরা? একেকজন একেক সময় এসেছে– চলে গেছে। অনেকেই সেই '৯৬ এর ভাঙনের চেষ্টার সময় পাশে এসেছিল। আমি আর উজ্জ্বল—যারা সত্যিই চাইনি ‘যুক্তিবাদী’ সমিতির কোনওরকম বদনাম হোক; আমরা থাকাতে জ্যোতিদাও(চক্রান্তকারীদের সঙ্গে ছিলেন প্রথমে!) ফিরে এসেছিলেন। মনে আছে শেয়ালদা চত্বরে জ্যোতিদা আর উজ্জ্বলের সঙ্গে দেখা করে তুমুল আলোচনা '৯৬ এর ঘটনার পর। উজ্জ্বল নাও আসতে পারত, ওকে যেভাবে তাড়ানো হয়েছিল(সে আরেক কাহিনী)! আবার ম্যাগাজ়িন চালু হয়েছিল ওরই অক্লান্ত চেষ্টায়। এর মধ্যে কেউ মৌখিক বা টেলিফোনিক যোগাযোগ রেখেছে; বাকিরা হাওয়া। থাকলে আজ একটা পুরো ব্যাটেলিয়ান হয়ে যেত। আজ ক্লাসে বিতর্কের কোনও স্থান নেই । একজনেরই সমস্ত বক্তব্যে প্রশ্নহীন সম্মতি দেওয়া এবং নির্ভেজাল চাটুকারিতা ছাড়া আর কোনো কিছুই প্রশ্রয় পায়না আলোচনায়।
আজ আছে কিছু মেরুদন্ডহীন চাটুকার। যাদের নিজস্ব মতামত বলে কিছু নেই। আমি কলকাতার কথা বলছি। বাইরে বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ... এসব জায়গায় যা কাজ হচ্ছে, সবই কয়েকজনের সৎ ও স্বাধীন উদ্যোগে, নেতৃত্বে। কুর্ণিশ জানাতে হয় তাদের।
*

‘কুকুরকে মারতে চাইলে আগে রটিয়ে দাও—পাগলা কুকুর, দেখবে পাবলিক নিজেই পিটিয়ে মেরে দেবে’ –এই নিষ্ঠুর কথাটা বলেছিলেন জ্যোতিদার বাড়ির ক্লাসে অনেকদিন আগে। তখন মনে করতাম উনি একজন আদর্শ পুরুষ, সত্যিকারের নেতা। ভাবতাম—এত বিপজ্জনক কাজ করি, যেখানে শত্রুর ছড়াছড়ি, হয়তো এরকম প্রয়োজন কখনও হতেও পারে। এখন দেখছি নাঃ – উনি যত্র-তত্র শত্রু বানিয়ে রেখেছেন শুধু না, নিজেদের মধ্যেও সন্দেহের বিষ ছড়িয়ে দিতে পারেন ভালোই। কারণগুলো সব সময় বুঝতামনা। বোধহয় একটা ভয়ের বাতাবরণ জারি রাখতে চাইতেন। কিন্তু ফলে হল কি—‘কোর বডি’ বলে কিছু তৈরিই হলনা। নিজেদের মধ্যেও সন্দেহ ঢুকিয়ে দিতেন যে। অথচ নিজে আলাদা যোগাযোগ রাখতেন একা। যেমন অরিন্দম। অনেকদিন আমিও জানতাম ও ঠিক নয়, ওর না আসাই ভালো। ওর সম্বন্ধে খারাপ যা বলেছিলেন, সেগুলো বলার মত নয় এখানে।

আমি, যে কিনা সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিলাম, সবচেয়ে শ্রদ্ধা ভালোবাসার সম্পর্ক হয়েছিল যার সঙ্গে—তার পেছনেও গোয়েন্দা লাগিয়ে দিলেন। একবার ব্যাঙ্গালোরে দেবাশিস-কে দিয়ে, একবার কলকাতায় বিপাশাকে দিয়ে নানারকম খোঁজখবর নেওয়ালেন আমাকে না জানিয়ে। (কী পেলেন জানিনা, কারণ আমি তখন অফিস-সংসার করে যেটুকু সময় পেতাম, সমিতিকেই দিতাম। আমার আর কোনও ভালোবাসা ছিলনা—এই তেইশ বছরে); তখনই বুঝলাম –যিনি আমাকে এত অবিশ্বাস করতে পারেন, তিনি অন্যদের প্রতি কতটা নিষ্ঠুর হতে পারেন! হয়ে চলেছেন।

সর্বপ্রথম ‘সংস্কৃতিঃ সংঘর্ষ ও নির্মাণ’ লেখার সময় প্রায় প্রতিটি লাইন পড়ে তাই নিয়ে আলোচনা ও ভাব বিনিময় করা, বিবিসি-র সঙ্গে কাজ, তার পর অনেক লড়াই—নাম মনে করাই সম্ভব না; তান্ত্রিক নিয়ে পথসভা, ধর্মসম্মেলন, কালো পতাকা দেখিয়ে জেলে যাওয়া, হিউম্যানিজ়ম, দেহদান, H.A. প্রতিষ্ঠা, মরিস সেরুলো, বলির বিরুদ্ধে কাজ, সত্যানন্দ, মণিপুর, স্বেচ্ছামৃত্যু, প্রসঙ্গ প্রবীর ঘোষ-বই সঙ্কলন, ছোট ছোট অজস্র প্রাসঙ্গিক লেখা, ম্যাগাজ়িন সম্পাদনা প্রায় ১৫-২০ বছর ধরে। কোন সংখ্যা বাদ পড়েনি কখনও। প্রচুর বিদেশী মিডিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকার, যেগুলোতে আমি সবসময়ই প্রায় দোভাষী থাকতাম, বইমেলার হিসেব, সামান্য হলেও কিছু বাঁচানোর চেষ্টা, ব্যাঙ্কের খাতা রাখা….

এগুলো করেছি আনন্দ পেয়েছি বলেই। ক্রমে নিজেদের মধ্যে সন্দেহ ও কুৎসা যখন বাড়তে লাগলো, মনটা কেমন ছোট হয়ে যেতে লাগল। সাংগঠনিক দিকটা দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, কোর বডি বলে কিছু থাকছেনা, তখনই সিদ্ধান্ত নিই— ২০১০-এর পরই—যে ছেড়ে দেব।

এ ধরণের কাজ ছেড়ে দেওয়া খুব কঠিন, যেহেতু একটা আদর্শ বা মতবাদের প্রচার করতে ভালবাসতাম—মাঝে মাঝেই লেখার অনুরোধ পেতাম। সেগুলো ছাড়তে পারতাম না। 50 VOICES OF DISBELIEF এ আমার ইংরাজি রচনা ও প্রবীর ঘোষের একটা রচনার ইংরাজি অনুবাদ করলাম, বিভিন্ন সময়ে কাগজে সাক্ষাৎকার দিয়েছি, দাভোলকার হত্যার সময় সর্বভারতীয় কাগজ dna প্রথম পাতায় আমার ছবিসহ লেখা ছাপলো, সর্বশেষ টেলিগ্রাফ পত্রিকা ‘পিকে’ ছবির পর নাস্তিকতা নিয়ে বিশেষ রচনায় আমার সাক্ষাৎকারের উল্লেখ করল এই ২০১৫-র ১১ জানুয়ারি। দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও একটা বিভাগ থেকে ‘ঈশ্বর বনাম বিজ্ঞান’ বিষয়ে আলোচনায় প্যানেল ডিস্‌কাশনে অংশগ্রহণ করার ডাক পেলাম এই মাসের ২৭ তারিখে। (NSIT, Netaji Subhash Institute of Technology, Delhi University, debate on “Science, for God’s Sake!” 27-29 March, 2015);
কিন্তু বইমেলার পরই সিদ্ধান্তটা পাকা করলাম। আমি এমন কিছু বিপজ্জনক বা ক্ষতিকর মানুষ নই যে আমাকে পাগলা কুকুর বদনাম দিতে হবে। বুঝলাম, সুচতুর রাজনীতিকের মতই কাজটা করেছেন। নিজেকে নিরাপদ রাখতে আমাকে দুশ্চরিত্র, মিথ্যাবাদী বলাটা খুব সহজ। মিথ্যাবাদী এখনও বলেননি। কিন্তু আমি যদি প্রতিবাদ করি, যদি কোনও অপ্রিয় সত্যি কথা বলে দিই, তাহলে তখন চিৎকার করে বলতে পারবেন—‘ও আমার ওপর রেগে গিয়ে মিথ্যে কথা বলছে’। এটা পুরনো খেলা। নিজের সুনাম যাতে নষ্ট না হয়। কিন্তু তাই কি হল?
নিজেকে আর নিজের সমিতিকে ছোট করলেননা কি?

আর আমার অবশ্যই ভালো হল।
আগে সমিতি ছাড়তে মন খারাপ হচ্ছিল। এখন আরাম বোধ করছি।

সুমিত্রা পদ্মনাভন
৯ মার্চ, ২০১৫। রাত ১২টা

পুনশ্চঃ
ইতিমধ্যে বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায় খুন হলেন বাংলাদেশে। আমি সমিতি থেকে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছি ২৪ ফেব্রুয়ারি। অভিজিতের মৃত্যুসংবাদ পেলাম বিপ্লবের কাছ থেকে ২৬-এ, মানে হত্যার দিনই রাত বারোটা নাগাদ। রিঅ্যাক্ট করলাম ফেসবুকে, অনেক লেখা, মন্তব্য শেয়ার করলাম। বন্ধুদের জানালাম। ‘বাঁকুড়া যুক্তিবাদী’ এবারের বইমেলা সংখ্যায় অভিজিতের অনবদ্য লেখাটা আবার পড়লাম। অভিজিতের ১৮ বছরের মেয়ের একটা লেখা শেয়ার করে কমেন্ট-এ ওকে দু-লাইন লিখলাম। পাঁচ ছ’ দিন খুব ডিস্টার্বড ছিলাম। ও আমাদের পুরনো বন্ধু, সহযোদ্ধা ছিল।
১ মার্চ অ্যাকাডেমির সামনে স্মরণ-প্রতিবাদ সভা হল। ছবি শেয়ার করলাম। অনেক বিশিষ্ট জন থেকে সাধারণ মানুষ হাজির ছিলেন সভায়। স্তম্ভিত হলাম যুক্তিবাদী সমিতির ছেলেদের অনুপস্থিতি দেখে। আগের ছেলেমেয়েরা থাকলে দল বেঁধে প্রতিবাদ সভায় হাজির থাকত প্ল্যাকার্ড নিয়ে। ওখানেই পালিত হত যুক্তিবাদী দিবস।
আবারও খুশি হলাম সমিতি ছেড়েছি বলে। ঠিক সময়ে।

আমরা যুক্তিবাদ, মানবতাবাদের প্রচার করে এসেছি এতদিন। এই গালভরা কথাগুলো না বললেও – এটা বলা যায় যে আমরা মানবিকতার পক্ষে, উদারতার পক্ষে, মুক্ত-চিন্তার পক্ষে। মোটকথা মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতার বিপক্ষে। ধর্মনিরপেক্ষ উদার মতবাদ—তাতে অনেক বিষয় আসতে পারে আলোচনার জন্যে। ছোটখাট মতবিভেদও হতে পারে। হতে পারে তর্ক, আলোচনা, নতুন করে পড়াশোনা। আবার আলোচনা। তাতেও মূল জায়গায় আমরা সবাই এক। ভারতে যুক্তিবাদী আন্দোলন বিভিন্ন অঞ্চলে, বিভিন্ন ভাবে হয়েছে। নানা ভাষা, নানা সংস্কৃতির দেশ আমাদের। দক্ষিণ ভারতে ডাইনী বা বধূ হত্যার কথা প্রায় শোনাই যায়না। আবার উড়িষ্যায় গড়ে প্রতিদিন একটা করে ডাইনী অপবাদে হত্যা হত বছর আটেক আগেও। তাই, সব জায়গায় এক ফর্মুলা খাটেনা।
এখন যুক্তিবাদী যারা নিজেদের বলে, তারা যদি ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে মতবিভেদগুলোকে গুরুত্ব দেয়, তাতে হার হয় ‘যুক্তিবাদ’-এর, পরাজিত হয় ‘মুক্তচিন্তা’। আর হাত শক্ত হয় মৌলবাদীদের।

#সুমিত্রাপদ্মনাভন

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সব্যসাচী সরকার
সব্যসাচী সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 3 weeks ago
Joined: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 7, 2017 - 8:47অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর