নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • মিশু মিলন
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • রাজিব আহমেদ
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • ফারুক
  • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

পোপ ফ্রান্সিস চোখে আঙ্গুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে গেলেন ধার্মিক কাকে বলে


পোপ ফ্রান্সিস চোখে আঙ্গুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে গেলেন ধার্মিক কাকে বলে
সাইয়িদ রফিকুল হক

মসজিদে ঢোকামাত্র একশ্রেণীর ইমাম নামক জন্তুর মুখ থেকে অনবরত নিঃসৃত হতে থাকে গালিগালাজ। এরা অন্যধর্মাবলম্বীদের যাচ্ছেতাই ভাষায় অবিরাম-গতিতে গালিগালাজ করে থাকে। মানুষকে গালিগালাজ করতে নাকি এদের ভালো লাগে! জুম্মার নামাজের আগে খুতবার আলোচনা থেকে শুরু করে এরা অন্যান্য সকল সময় ভিন্নধর্মাবলম্বীদের মারাত্মক ও ভয়ানক অশালীন ভাষায় আক্রমণসহকারে তাদের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ ছুঁড়ে দিতে থাকে। সেজন্য আজকাল ভদ্রলোক মসজিদে না গিয়ে ঘরেই নামাজ পড়ছেন। শুধু জুম্মার নামাজ একা পড়া যায় না বলে লোকজন এখনও মসজিদে যায়। নইলে, অন্যান্য দিনের মতো মসজিদে মুসল্লি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হতো।

মসজিদের একশ্রেণীর জঙ্গি, সেমিজঙ্গি, পাতিহুজুর, হুজুর নামক অমানুষ জুম্মার দিন মিম্বরে বসে মনের সুখে চারিদিকে মাইক লাগিয়ে-বাজিয়ে জলদগম্ভীরস্বরে ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মের লোকদের গালিগালাজ করতে থাকে। আবার নামাজশেষে তাদের (ইহুদী-খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের) ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য সমবেত মুসল্লিদের সঙ্গে নিয়ে এরা মুনাজাতও করে থাকে। এরা অন্যের ধর্মকে কখনও সহ্য করতে পারে না—আর তা করতেও পারবে না। কারণ, এদের কারও মধ্যেই কোনো মনুষ্যত্ব নাই।

যাক, এবার মূল-আলোচনায় ফিরে আসি। আমাদের দেশে অতিসম্প্রতি ভ্যাটিকানসিটির পোপ ফ্রান্সিস এসেছিলেন। তিনি আমাদের পাশ্ববর্তী-রাষ্ট্র মিয়ানমার-সফরশেষে তিনদিনের জন্য (গত ৩০/১১/২০১৭ থেকে ০২/১২/২০১৭ তারিখ পর্যন্ত) ঢাকা-সফরে এসে নানাবিধ কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সাম্প্রতিককালে তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে ‘মানুষ আর মানবতা’র পক্ষে খুব সংক্ষেপে কয়টি কথা বলার ইচ্ছা রাখি।

পোপ ফ্রান্সিস গত বৃহস্পতিবার, ৩০/১১/২০১৭ তারিখ ঢাকায় এসে তাঁর কর্মব্যস্ত দিন শুরু করলেন। এর আগে তিনি বহুল আলোচিত-সমালোচিত মিয়ানমার নামক সামরিকজান্তাদের রাষ্ট্রটি সফর করে এসেছেন। সেখানকার সামরিকজান্তারা তাঁকে বারবার অনুরোধ করেছিলো, তিনি যেন তাঁর ভাষণে কোথাও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ না করেন। তিনি সে-দেশে বসবাসরত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খ্রিস্টানসম্প্রদায়ের স্বার্থ ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এবং তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা না হওয়ায় বা কোনো সরকারপ্রধান না হওয়ায় এই কাজটি করেছেন।
মানুষের মধ্যে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার স্বার্থে মিয়ানমারে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করেননি পোপ ফ্রান্সিস। তিনি ঠিক কাজই করেছেন। সামরিকজান্তারা নরপশু। আর তারা খুবই হিংস্র। পোপ এসব জানেন বলেই তিনি স্বজাতিসহ বিশ্বের শান্তি ও স্থিতি বজায় রাখার জন্য তাঁর মিয়ানমার-সফরে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি একবারও উচ্চারণ করেননি। এজন্য আমাদের দেশের রোহিঙ্গাপ্রেমিক ও সংখ্যালঘুনির্যাতনকারী একটি নরপশুগোষ্ঠী পোপ ফ্রান্সিসকে নিন্দা ও গালমন্দ করতে ছাড়েনি।
পোপ বাংলাদেশে এসে একবার ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করেছেন। কারণ, এখানে তাঁকে কোনোরকম বাধা দেওয়া হয়নি। এমনকি তিনি কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথাও বলেছেন। আর তাদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করাসহ সাহায্যেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। এই হলো মনুষ্যত্ব। আর এই হলো ধর্মপালন। এখানে, লোকদেখানো কোনোপ্রকার ভণ্ডামি ও শয়তানী নাই। ধর্ম হলো নীরবসাধনার জিনিস। এটি লোকদেখিয়ে আর কাউকে আঘাত করে পালন করা যায় না। সেটা অধর্ম। আমাদের দেশের একশ্রেণীর মুসলমান-নামধারী-নরপশু এখন তা-ই করছে।

তিনি সত্যিকারের ধার্মিক বলেই মিয়ানমারে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করে অহেতুক শান্তিবিনষ্ট করেননি বরং তিনি শান্তিপ্রতিষ্ঠার পক্ষেই কাজ করেছেন। তিনি সামরিকজান্তাদের নিষেধাজ্ঞাও শুনেছেন আবার মিয়ানমারও সফর করেছেন। সত্যিকারের ধার্মিক হয় প্রকৃত সুশীল। কিন্তু আমাদের দেশের যে-সব মার্কামারা ধার্মিক তথা ধর্মব্যবসায়ীগোষ্ঠী রয়েছে এদের কোনোকিছু করতে নিষেধ করলে তা এরা আরও বেশি করে করে। আর আমাদের দেশের মুসলমান-নামধারীদের মতো এতো ভয়াবহ ভণ্ড পৃথিবীর আর-কোথাও নাই। এরা মিথ্যা বলতে ভয়ানক ওস্তাদ। আর এরা দিনরাত মিথ্যা বলে থাকে। আর একমাত্র মিথ্যাই হলো এদের প্রধান খাদ্য।

গত ০১/১২/২০১৭ তারিখ, শুক্রবার পোপ ফ্রান্সিস ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খ্রিস্টানসম্প্রদায়ের এক প্রার্থনাসভায় যোগদান করেন, এবং তাঁর মূল্যবান ভাষণও প্রদান করেন। এই প্রার্থনাসভায় সারাদেশ থেকে লক্ষাধিক খ্রিস্টান যোগদান করেন। রাজধানীর বুকে প্রসিদ্ধ একটা স্থানে এতোবড় একটা জনসভার মতো প্রার্থনাসভা হয়ে গেল। তবুও দেশের মানুষ অনেকেই তা জানতে ও বুঝতে পারেননি। দেশের খ্রিস্টানসম্প্রদায় এতো শান্তিপূর্ণভাবে এই সমাবেশ করেছেন যে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। এতো লোকসমাগম হওয়া সত্ত্বেও এখানে কেউ আমাদের দেশের মুসলমানদের মতো দাপাদাপি, মাতামাতি, হৈচৈ, শোরগোল, ভাংচুর, বোমাবাজি, মানুষহত্যা, ধর্মীয় উন্মাদনা, আস্ফালন, রাষ্ট্রবিরোধী-অপতৎপরতা, আগ্রাসন, শয়তানী, বদমাইশী ইত্যাদি অপকর্ম করেননি। তারা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ধর্মসভাপালন করেছেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো—দেশের অনেক মানুষই এসব খবর এখনও জানেই না।
আর আমরা এখন ফ্লাসব্যাকে একটু পিছনে ফিরে যাই। তাহলে, কী দেখতে পাবো? মাত্র কয়েক বছর আগে—এই তো ২০১৩ সালের ৫ই মে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মতিঝিলের শাপলাচত্বরে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের নাম করে ‘হেফাজতে ইসলাম ওরফে হেফাজতে শয়তান’ নামক জঙ্গিগোষ্ঠীটি পৃথিবীর নজিরবিহীন শয়তানী ও বদমাইশী করেছিলো। এইদিন ওরা বাংলাদেশটা ধ্বংসের পাঁয়তারা করেছিলো। ২০১৩ সালের এইদিন হেফাজতে শয়তানের একেকটা নেতা-কর্মী সামুদ্রিক হাঙ্গরের মতো ভয়ংকর, জঙ্গলের হায়েনার মতো ক্ষুধার্ত, বনের শূয়রের মতো হিংস্র আর সাপের মতো বিষধর শত্রু হয়ে উঠেছিলো। সেদিন, ওদের মধ্যে আমরা কেউই কোনোরকম বা ন্যূনতম ধর্মবোধ বা মনুষ্যত্ব দেখি নাই। ওরা সেদিন দেশের গাড়ি তথা বিভিন্ন যানবাহন থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, দোকানপাট, সরকারি-অফিস, প্রাইভেট-অফিস, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, রাস্তার পাশের গাছপালাসহ বিভিন্নস্থানে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ ইত্যাদি নারকীয় সন্ত্রাস চালায়। অতিসংক্ষেপে এই হলো আমাদের দেশের একশ্রেণীর মুসলমান-নামধারী ধার্মিকদের প্রকৃত চেহারা।
আর পোপ ফ্রান্সিস এতোবড় একটি প্রার্থনাসভা করলেন, সেখানে তিনি মানুষকে শুধুই বিশ্বশান্তির বাণী শোনালেন। তিনি কোনো ধর্মের মানুষকে একচুল পরিমাণও আঘাত করেননি। কাউকে গালিও দেননি। কী ভদ্রতা আর সভ্যতার সঙ্গে নিজেদের ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করে ধর্মপালনের অনন্য ও অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলেন। এদেশের মুসলমান এর থেকে শিক্ষা নিতে পারে।
খ্রিস্টানসম্প্রদায়ের এই প্রার্থনাসভায় লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশে—আগতদের মধ্য থেকে কেউ একটি গাছের পাতাও ছেঁড়েননি! এদের মনুষ্যত্ব আছে। আর আমাদের দেশের একশ্রেণীর মুসলমান-নামধারী ধার্মিক-নরপশুরা কী করছে? এরা কথায়-কথায় রাস্তায় নেমে নিজেদের পাশবিকতা আর উন্মত্ততা প্রকাশে সদাব্যস্ত। এদের দেখলে মানুষ মনে হয় না।

পোপ ফ্রান্সিস যখন ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী-উদ্যানে লক্ষাধিক লোকের প্রার্থনা-সমাবেশে বক্তৃতা করছিলেন, তখন তাঁকে একটি সাধারণ কথাও বলতে শুনিনি। তাঁর প্রতিটি কথাই ছিল সর্বস্তরের মানুষের জন্য। আর এই মহামানবোচিত মনের কারণেই তিনি মিয়ানমারের নির্যাতিত-রোহিঙ্গাদেরও ‘ঈশ্বরের সন্তান’ বলে অভিহিত করতে পেরেছেন।
ঢাকার সোহরাওয়ার্দী-উদ্যানে তাঁর চোখেমুখে কিংবা অভিব্যক্তিত্বে সামান্য পরিমাণও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে দেখা যায়নি। এদেশে এপর্যন্ত বেশ কয়েকজন খ্রিস্টান পাদ্রীকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে—তবুও তাঁরা আমাদের দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শুধু খ্রিস্টানসম্প্রদায়কে রক্ষার জন্য তিনি কোনো কথা বলেননি। আর পৃথিবীর কোনো দেশে কোনো কারণে একটা মুসলমান মারা গেলে বাংলাদেশের মুসলমান-নামধারী একটি পশুশ্রেণী অমনি দিগম্বর হয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে আর দেশবিরোধী নাশকতায় লিপ্ত হয়।
পোপ ফ্রান্সিসের ধার্মিক-চেহারা দেখেছি। আর তাঁর ভিতরে মনুষ্যত্বের প্রমাণও পেয়েছি। এর কারণ কী? কারণ, একটাই—এঁরা আধুনিকশিক্ষায় সুশিক্ষিত। এঁরা এখনও আধুনিকশিক্ষাগ্রহণে সদাব্যস্ত। আর আমাদের দেশের মসজিদের একশ্রেণীর ইমাম-নামধারী ব্যক্তিবর্গ পরের জাকাত, ফিতরা, সাদকাহ, দানখয়রাত ইত্যাদি খেয়ে একটুআধটু আরবি জেনে নিজেকে জোরপূর্বক ‘আলেম-ঘোষণা’ করে রাস্তায় নেমে পড়ে। আর ‘ধরাকে সরাজ্ঞান’ করে। আর যাকেতাকে যা খুশি তা-ই বলে বেড়ায়, এবং ধর্মের নামে মানুষজনকে গালিগালাজ করতে থাকে।
পোপ ফ্রান্সিসের মানুষের চেহারা দেখেছি।

তাঁর সফরের শেষদিনে তিনি নটরডেম কলেজ-ময়দানে ভাষণ প্রদান করেন। সেখানেও তাঁর প্রতিটি কথা মানুষ আর মানবতার পক্ষে। তিনি কাউকে গালি দিলেন না। তিনি ধার্মিক, আস্তিক, নাস্তিক, তথা সর্বধর্মের আর সর্বস্তরের মানুষের মঙ্গল কামনা করে গেলেন। আর আমাদের দেশের মুসলমান-নামধারী ‘হেফাজতে শয়তান’রা এখনও মানুষহত্যার নীলনকশা করছে! হায়রে ধর্ম! হায়রে ধার্মিক! মানুষের পৃথিবীতে মানুষহত্যা করে কখনও ধর্মসাধনা হয়?

ধার্মিক কাকে বলে? পোপ ফ্রান্সিস চোখে আঙ্গুল দিয়ে তা আমাদের দেখিয়ে গেলেন। যদি কেউ মানুষ হয়—আর কারও চোখ থাকে—তাহলে, সে তা বুঝতে পারবে।

সাইয়িদ রফিকুল হক
পূর্বরাজাবাজার, ঢাকা,
বাংলাদেশ।
০৮/১২/২০১৭

Comments

tahazib opu এর ছবি
 

সাইয়িদ রফিকুল হক আপনার বক্তব্য খুব পরিস্কার নয়,লিখার হাত খুবই বাজে। মুল বক্তব্যের চেয়ে প্যাঁচাল বেশি। আশা করি আচিরেই এগুলো কাটিয়ে ভাল বক্তা হবেন।

 
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
 

ভাই, আমার বক্তব্য সবসময় পরিষ্কারই থাকে। এখানেও তা-ই।

আমার এই লেখাটা আপনার হয়তো ভালো লাগেনি। পৃথিবীতে সকলের মনজয় করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। আর একেকজনের লেখার স্টাইলও একেকরকম। আর মূলবক্তব্যের সঙ্গে উদাহরণ ও উপমা না দিলে সেটি সাহিত্য হয় না। সাহিত্যের কাজই হলো—উপমা, উদাহরণ, অলংকার ও ভাষাশৈলীর সাহায্যে রচনাকে পরিপুষ্ট করে তোলা। আমি সবসময় সেই কাজটি করে থাকি। এখানেও তা-ই করেছি। আর হাত কবে পাকবে—তা পাঠকই ভালো বলতে পারবেন।

আপনি এটি পড়েছেন, এজন্য আমি খুশি হয়েছি।
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ আর সঙ্গে শুভেচ্ছাও।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 
পার্থিব এর ছবি
 

সমস্যা হচ্ছে পোপ ফ্রন্সিসকে যারা প্রতিপালন করে তারাই পৃথিবীর বড় বড় যুদ্ধ আর রাষ্ট্রিয় সন্ত্রাসের জনক। পোপ ফ্রান্সিসের গড ফাদাররা সারা বিশ্বে যুদ্ধের দামামা বাজায় প্রতিনিয়ত। তারা ইরাক, আফগানস্থান, লিবিয়া , ভিয়েতনাম , প্যালেস্টাইনে প্রতিদিনই লাখ লাখ মানুষ হত্যা করছে আধুনিক অস্ত্র দিয়ে পোপেরই চোখের সামনে।

তাই পোপ ফ্রান্সিস নিজের ধর্মের মানুষদেরকে শান্তি আর সহনশীলতা শেখান উচিত হবে আগে।

 
কুদ্দুস এর ছবি
 

এই নাকি মুক্তচিন্তা! কয় বান্ডিল লইয়া লিখতে বইছিলো।

 
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
 

জামায়াত-শিবিরের টাকা খাইতে-খাইতে তোমাদের চরিত্র একেবারে বিনষ্ট হয়ে গেছে। তাই, সবাইকে মনে কর, টাকা খায়। টাকার জন্য আমরা লিখি না। লিখি, এই দেশটার জন্য। তোমরা, যুদ্ধাপরাধীবংশের লোক। তোমাদের কাছে এ-লেখা ভালো লাগবে না। সত্য তোমাদের ভালো লাগে না। তোমাদের ভালো লাগে পাকিস্তান। আর ধর্মের নামে যাবতীয় ভণ্ডামি।
ধন্যবাদ।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Offline
Last seen: 13 ঘন্টা 21 min ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর