নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

১৯৮১ সালের ১৭ই মে রাতে সামরিকজান্তা জিয়াউর রহমান যে-কারণে খুব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিলো


১৯৮১ সালের ১৭ই মে রাতে সামরিকজান্তা জিয়াউর রহমান যে-কারণে খুব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিলো
সাইয়িদ রফিকুল হক

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীচেতনার ও পাকিস্তানীঘাতকগোষ্ঠীর অংশীদার—খুনী মুশতাকচক্র। এরা মাত্র বিরাশি দিন বাংলাদেশে সরকার চালাতে পেরেছিলো। এরপর মুক্তিযুদ্ধে বীরোত্তম-খেতাবধারী কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে ১৯৭৫ সালের নভেম্বর-মাসে (৭ই নভেম্বর) সেনাবিদ্রোহ বা কথিত সিপাহীবিপ্লব সংঘটিত হয়। আর এতে সুযোগ বুঝে রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করে নেয় ’৭৫-এর পটপরিবর্তনের নেপথ্যনায়ক, সবসময়ের সুযোগসন্ধানী ও বাংলার এজিদ—জিয়াউর রহমান।

কর্নেল তাহের বিপ্লবী ছিলেন। তিনি ১৯৭৫ সালের সেনাবিদ্রোহে জিয়ার জীবনরক্ষা করেছিলেন। আর জিয়াউর রহমান তার প্রতিদান হিসাবে কর্নেল তাহেরকে ঠাণ্ডামাথায় খুন করে নিজের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সামরিকশাসনের মসনদকে পাকাপোক্ত করেছিলো। জিয়া ছিল প্রতিবিপ্লবী। আর তাই, প্রতিবিপ্লবী জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিপ্লবী কর্নেল তাহেরের রাষ্ট্রপরিচালনাসংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চরম আকারধারণ করলে জিয়া ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কর্নেল তাহেরকে দোষী সাব্যস্ত করে—আর নিজের ক্ষমতা-কণ্টকমুক্ত করার জন্য ১৯৭৬ সালের ২১-এ জুলাই জিয়াউর রহমান তার নেতৃত্বাধীন সামরিকআদালতের এক প্রহসনমূলক বিচারে তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে। এরপর জিয়া নিজেকে বাংলাদেশরাষ্ট্রের সর্বেসর্বা মনে করে দেশ চালাতে থাকে। আর ১৯৭৮ সালে, এই জিয়াউর রহমান বাংলাদেশবিরোধী ও পাকিস্তানপন্থী একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে নিজেকে বিরাট নেতা ভাবতে শুরু করে দেয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশরাষ্ট্রের ক্ষমতাদখল করার পর থেকে জিয়াউর রহমান প্রতিমুহূর্ত সতর্ক থাকতো। কারণ, সে জানতো তার বিরুদ্ধে যেকোনোসময় প্রতিবিপ্লব হতে পারে। তবে কর্নেল তাহেরকে হত্যা করার পর সে নিশ্চিন্ত হয়েই রাষ্ট্র চালাচ্ছিলো—যদিও তার দুঃশাসনের বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্যু হতো। তার বিরুদ্ধে সর্বমোট ক্যু হয় ১৯টি। আর ১৯-নাম্বার ক্যুতেই সে মারা যায়।

জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করার পরদিন থেকেই দেশটাকে পাকিস্তান বানানোর অপকর্ম শুরু করে দেয়। এইসময় সে বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামীলীগকে প্রায় নিষিদ্ধ করে রেখেছিলো। নিজের স্বার্থে আওয়ামীলীগকে দুর্বল করার জন্য কয়েক টুকরা করেও রেখেছিলো। আর আওয়ামীলীগের ত্যাগী-নেতা-কর্মীদের উপর জিয়ার নির্দেশে নিয়মিত স্টিম-রোলার চলতো। আর এই স্টিম-রোলারের মধ্যে ছিল—জেল, জুলুম, হুলিয়া, গুম, খুন ইত্যাদি। নির্যাতনের মাত্রা এতোটাই ভয়াবহ ছিল যে আওয়ামীলীগের অনেক নেতা-কর্মী ভারতসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। এইসময় শেখ হাসিনাকেও দেশে ফিরতে দেয়নি জিয়া। ১৯৮০ সালে (বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর ৫ বছর পরে) শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে জিয়া এতে সরাসরি বাদ সাধে। কিন্তু ১৯৮১ সালের ১৭ই মে সকল বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করে (জিয়াউর রহমানের আদেশ অমান্য করে) দেশে ফিরলেন শেখ হাসিনা। আজকের আলোচ্য বিষয় এটি। আর এইদিনই স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের সমস্ত মনোবল ও তার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যায়।

জিয়াউর রহমানের এই শত-সহস্রপ্রকারের জুলুম-অত্যাচারের মধ্যেও ১৯৮১ সালের ফেব্রুআরি-মাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারীসংগঠন আওয়ামীলীগের জাতীয় কাউন্সিলে দলীয় নেতাদের সর্বসম্মতিক্রমে শেখ হাসিনাকে আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আর এতে ঘাবড়ে যায় বাংলার সর্বকালের সর্বকুখ্যাত স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান। এরপর শেখ হাসিনা দেশে ফেরার প্রস্তুতিগ্রহণ করেন।

সারা বাংলাদেশে রটে গেছে ‘বঙ্গবন্ধু’র কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসছেন। কিন্তু কবে? অবশেষে দিন-তারিখ ঠিক হলো ১৯৮১ সালের ১৭ই মে। কিন্তু রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত-জিয়ার হস্তগত তখনকার ‘রেডিও বাংলাদেশ’, ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন’ ও শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলো এব্যাপারে ছিল প্রায় নীরব। জিয়ার কঠোর নির্দেশে তারা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার খবর ঠিকভাবে প্রচার করতে পারেনি। তারউপরে ছিল জিয়ার পেটোয়াবাহিনীর ভয়।

১৯৮১ সালের ১৭ই মে’র ঘটনা: জিয়া ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়লো।

দিনটি ছিল সকাল থেকে মেঘাচ্ছন্ন। মেঘলাআকাশে বৃষ্টির আনাগোনা ছিল সর্বত্র। আর সেদিন রাজধানী ঢাকাসহ বৃষ্টিও হয়েছিলো দেশের বিভিন্নস্থানে। তবুও সর্বত্র মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার! মানুষ ছুটছে ঢাকার দিকে। আর ছুটছে ঢাকার কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর ছয় বছর পরে শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশে ফিরছেন। জিয়ার দুঃশাসনের সেই অন্ধকারসময়ে তাঁর দেশে ফেরাটা ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আর তাঁকে ‘জাতীয় ঐক্যের প্রতীক’ মনে করা হয়েছিলো। এইসময় তাঁকে শুধু বাংলাদেশআওয়ামীলীগ নয়—দেশের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি মানুষ ও সংগঠন তাঁকে চাইছিলো।

অবশেষে ভারতীয় বিমানে আরোহণ করে শেখ হাসিনা ঢাকার কুর্মিটোলা-বিমানবন্দরে নামলেন। সেই সময় শেখ হাসিনার আগমনউপলক্ষে ঢাকায় মানুষ সমবেত হয়েছিলো আনুমানিক কয়েক লক্ষ। আর সেদিনের বৈরী-আবহাওয়া উপেক্ষা করে কুর্মিটোলা-বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তেজগাঁও, রমনা, ফার্মগেটসহ এর আশেপাশের এলাকা ছাড়িয়ে গুলিস্তান পর্যন্ত ছিল মানুষের ঢল!

মূলঘটনা:
আমার পিতা পুলিশবিভাগে চাকরি করতেন। ১৯৭১ সালের ২৫-এ মার্চ তিনি ছিলেন ডিউটিরত। তাই, ২৫-এ মার্চ পাকবাহিনীকর্তৃক রাজারবাগ-পুলিশলাইন আক্রান্ত হলে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। পরে অন্যান্যদের মতো পালিয়ে তিনি তাঁর গ্রামের বাড়িতে চলে যান। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি দেশের ‘জাতীয় নিরাপত্তাসংস্থা (গোয়েন্দাসংস্থা) এনএসআই-তে যোগদান করেন। ১৯৮১ সালের ১৭ই মে আমার পিতাও ডিউটিরত ছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘটনাবিষয়ক সবকিছু স্বচক্ষে অবলোকন করেছেন।

তিনি সেদিন ডিউটি শেষ করে বাসায় ফিরে বললেন, “এবার মনে হয় কুচক্রী-জিয়া শায়েস্তা হবে। আজ শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছে। ঢাকায় লক্ষ-লক্ষ মানুষ হয়েছে! জিয়া ভয় পেয়ে গেছে।”

পরদিন অফিস থেকে ফিরে সন্ধ্যার পরে আমার পিতা আমাদের এক আত্মীয় ও আমার বড়ভাইয়ের কাছে বললেন, “গতরাতে জিয়া তার সাঙ্গোপাঙ্গোদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছিলো। আর এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল কুখ্যাত রাজাকার শাহ আজিজুর রহমান, একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ মন্ত্রীপরিষদের কতিপয় কুখ্যাত সদস্য।” এখানে, ইত্তেফাকের তৎকালীন সম্পাদক ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের থাকার সম্ভাবনাও বেশি।
১৯৮১ সালের ১৭ই মে’র রাতে সেই একান্ত বৈঠকে সকলে প্রায় নীরব ছিল। এমন সময় জিয়াউর রহমান তার পারিষদবর্গের দিকে তাকিয়ে বললো, “আজকে হাসিনার দেশের ফেরার সংবর্ধনায় কত লোক হতে পারে?”
প্রশ্ন শুনে অনেকে মুখ চাওয়াচাওয়ি করছিলো। আর মনে-মনে ভাবছিলো: হঠাৎ এ প্রশ্ন কেন?
জিয়া আবারও বললো, “আপনারা বলেন হাসিনার দেশেফেরা উপলক্ষে আজ কত লোকের সমাগম হয়েছে?”
একটা পর্যায়ে কুখ্যাত রাজাকার শাহ আজিজ দক্ষ তোষামোদকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বললো, “এই বড়জোর ২০-৩০ হাজার লোক! আর একইসঙ্গে ধূর্ত বদরুদ্দোজা চৌধুরী স্বভাবসুলভ চটুলতায় নাকি বলেছিলো: খুব বেশি হলে ৫০ হাজার লোক হবে!
এদের কথা শুনে জিয়াউর রহমান রাগে চেয়ার থেকে লাফিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে তাদের ধমকে বলেছিলো, “চুপ করেন আপনারা সবাই। চুপ করেন। আপনারা সবাই মিথ্যাবাদী। আপনারা কেউই আমাকে সত্য জানতে দেন না। আমি নিজে জেনেছি: আমাকে ডিজিএফআই, এনএসআই, এসবি বলেছে—হাসিনার আজকের সংবর্ধনায় কমপক্ষে ১০ লাখ লোক হয়েছে। ৫ লাখ ছিল বিমানবন্দর-এলাকায়। আরও ৫ লাখ ছিল এর আশেপাশে। আজকের বৈরী-আবহাওয়া ও আমাদের বাধাদানের জন্য তারা সময়মতো সেখানে আসতে পারেনি।”
এরপর জিয়াউর রহমান কারও সঙ্গে কোনো কথা না বলে ভিতরে চলে গিয়েছিলো। সে ভেবে পাচ্ছিলো না—বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পরে আওয়ামীলীগ আবার জিন্দা হতে পারে। আর দেশের অধিকাংশ মানুষ তার নেতৃত্বগ্রহণ করেছে! এমন ভাবনায় জিয়া ভয়ানকভাবে মুষড়ে পড়েছিলো। আর সে খুব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিলো।

আমার পিতা বলেছিলেন, এরপর থেকে জিয়া কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছিলো না। কারণ—
১. শেখ হাসিনা দেশে ফেরায় আওয়ামীলীগ পুনর্জন্মলাভ করেছে।
২. দেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তি আবার জেগে উঠেছে।
৩. শেখ হাসিনার আগমনে জিয়াবিরোধীপক্ষ সম্পূর্ণ চাঙ্গা হয়ে উঠেছিলো।
৪. এতে জিয়ার প্রবল শত্রুরাও চাঙ্গা হয়ে উঠেছিলো।

এতে জিয়াউর রহমানের ভিত কেঁপে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। সে রাতে জিয়ার ঘুম হয়নি।
পরদিন পত্রিকাগুলোতে (হাতেগোনা কয়েকটি বাদে) ফলাও করে শেখ হাসিনার দেশেফেরার খবর প্রচার করেছিলো। আর এতে আরও বেশি ঘাবড়ে যায় জিয়াউর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের সকল পক্ষশক্তি আবার জেগে উঠেছে! জিয়ার পায়ের তলার মাটি যেন সরে যাচ্ছে। সবশেষে ১৯৮১ সালের ৩০মে চট্টগ্রাম সার্কিট-হাউসে জিয়াউর রহমান প্রতিবিপ্লবীদের হাতে মারা যায়। বাংলাদেশে শুরু হয় নতুন অধ্যায়।

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
১৭/০৫/২০১৭

Comments

মোঃ যীশুকৃষ্ণ এর ছবি
 

১৯৮১ থেকে ২০১৭।দীর্ঘ ৩৬ বছর সময় কেটে গেছে।মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তি সোনার বাংলায় অবস্থান করছে।কখনো ক্ষমতায় আর কখনো বা বিরোধী দল হিসেবে। বঙ্গবন্ধুর খুনি,রাজাকার অনেকের বিচার হয়েছে।এত কিছুর পরও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তির সরকার যখন ১৯৭১ এর বিরোধীশক্তি ও তেতুল হুজুরদের কথায় মুক্তচিন্তায় বাধা দেয় কিংবা ধর্মনিরপেক্ষ চেতনায় অর্জিত স্বাধীন দেশে সাম্প্রদায়িক বৈষম্যকে প্রশ্রয় দেন,তখন মনে দযে কিরূপ বিষজ্বালা অনুভূত হয় তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।

সোনালী ভোর
আর কতদূর

দেখা কী পাব তার

এ জীবন থাকতে আমার???

 
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
 

আপনার বেদনাবোধের সঙ্গে সমব্যথী। দেশের মানুষের একটা অংশ আজ রাজাকারদের নির্লজ্জ সমর্থক। এরই মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার আজ রাষ্ট্রক্ষমতায়। এদের সফলতা-ব্যর্থতা দুইই আছে।
এই দেশটাকে বাঁচাতে চাইলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারই দরকার। আমাদের বামপন্থীরা আজ পথহারা।
আমাদের ভরসা একমাত্র মুক্তিযুদ্ধের সরকার। তবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারকে মৌলবাদীঅপশক্তিকে নির্মূল করতে তাদের উপর আমাদের চাপসৃষ্টি করতে হবে। এজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে জনমত তৈরি করতে হবে।

আমাদের আরও জেগে উঠতে হবে। আর ‘হেফাজতে শয়তানে’র মতো ভণ্ডদের সমাজ-রাষ্ট্র থেকে অপসারণ করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বর্তমান সরকারের উপর চাপসৃষ্টি করতে হবে। আমাদের জেগে উঠতে হবে।

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। আর সঙ্গে শুভেচ্ছা।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 15 min ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর