নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

পশ্চিমা বিদেশনীতির সমালোচনা কি “কমিউনিজম বা ইসলামের পদ-লেহন”? ইতিহাসের দুই মহীরুহের অভিজ্ঞতা ! – পর্ব - ১


বারট্রান্ড রাসেল সম্পর্কে ভুমিকা দেবার কিছু নেই। আমি রাসেল এর সাথে পরিচিত তার একটি মহান কাজ, “দা হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি” পুস্তকটির মাধ্যমে। এই ঢাউস পুস্তকটি আমি এখনও পড়ি, গত দশ – এগারো বছর ধরে মাঝে মাঝেই পড়ি, একটু একটু করে পড়ি। বারট্রান্ড রাসেলের মূল পরিচয় ছিলো আমার কাছে একজন দার্শনিক হিসাবে। কিন্তু কেনা জানে, রাসেল ছিলেন মূলত একজন গনিতবিদ আর তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সাহিত্যে।

বারট্রান্ড রাসেল কি কমিউনিস্ট কিম্বা বামপন্থি ছিলেন? কিম্বা নাস্তিক? দুটো প্রশ্নেরই উত্তর বিতর্কের জন্ম দেবে।

রাসেল কমিউনিজম কে বলেছিলেন “এক্সপেরিমেন্ট” এবং শুরুর দিকে তিনি এই এক্সপেরিমেন্ট বিষয়ে বেশ খানিকটা আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু তার সকল আগ্রহের করুণ মৃত্যু ঘটে যখন তিনি ১৯২০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমন করলেন এবং সদ্য বিপ্লবে নেতৃত্ব দেয়া লেনিনের সাথে দেখা করলেন। পুরো সোভিয়েত ব্যবস্থার প্রতি তিনি দারুন বিরক্ত হয়েছিলেন, কমিউনিস্ট সংস্কৃতির নামে যে যান্ত্রিকতা দেখেছিলেন তার প্রকাশ্য সমালোচনা করেছিলেন। সোভিয়েত রাশিয়া থেকে ফিরে এসে তিনি লিখেছিলেন – “The Practice and Theory of Bolshevism” । বলাই বাহুল্য, পুস্তকটিতে তিনি কমিউনিজমের সমালোচনায় মূখর হয়েছিলেন। তিনি কমিউনিস্টদের বলেছিলেন – প্রেম, ভালোবাসা, সৌন্দর্য কিম্বা মানুষের জীবনের স্বাভাবিক বৃত্তি গুলো না বোঝা কিছু মানুষ। খোদ লেনিন কে তিনি ধর্মবাদীদের মতোই উগ্র বলে বর্ণনা করেছিলেন। লেনিন কে তার মনে হয়েছিলো মানুষের স্বাধীনতা বিষয়ে একজন শীতল অনুভবের মানুষ।

তবুও রাসেলের বন্ধুমহলে অনেক বামপন্থি ও সাবেক বামপন্থি ছিলেন। তাঁদের সাথে তিনি কিছু যৌথ লেখালেখিও করেন, বলাই বাহুল্য সেই সকল লেখালেখিতে কমিউনিজমের ধারালো সমালোচনা করেছিলেন। পরবর্তী জীবনে রাসেল আরেক ব্রিটিশ লেখক জর্জ অরওয়েল এর সাথে মিলে ধারাবাহিক ভাবে কিছু লেখা লেখেন যার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ছিলো কমিউনিজমের সমালোচনা। স্ট্যালিনের আমলে যে মার্কসবাদের চর্চা ছিলো, তাকে তিনি বলেছিলেন আরেক ধরনের “ডগমা” !

তরুন রাসেল উদারনিতিবাদী রাজনীতি করেছেন, পর পর দুবার চেলসি এলাকা থেকে লেবার প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনের চেষ্টা করেছেন এবং জয়ী হতে ব্যর্থ হয়েছেন। বাকি জীবনটা তিনি ব্যক্তি স্বাধীনতা আর সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্যে অবিরাম সংগ্রাম করেছেন।

বাংলা ভাষার মুক্তমনা বা মুক্তচিন্তকদের মাঝে রাসেলের সবচাইতে পরিচিত পুস্তক হচ্ছে – “আমি কেনও খৃস্টান নই”! যদিও সেই সময়ের পশ্চিমা সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে রাসেলের প্রভাব এই পুস্তকটির চাইতেও অনেক অনেক বিস্তৃত ছিলো। রাসেলই প্রথম খুব জোরালো ভাবে সংরক্ষনবাদী ব্রিটিশ সমাজে প্রশ্ন তোলেন নারী-পুরুষের প্রাক-বৈবাহিক সম্পর্ক বিষয়ে। অনুকরণপ্রিয় বাঙ্গালী মুক্তমনাদের অনেকেই রাসেলের কায়দায় ব্লগ লিখেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গরম করেছেন - ‘আমি কেনও ইসলামে বিশ্বাস করিনা’ কিম্বা "আমি কেনও মুসলিম নই" এই ধরনের শিরোনামের লেখালেখি করে। আন্তর্জাতিক এক্স মুসলিমদের অনেকেই পুস্তক লিখেছেন ‘আমি কেনও মুসলিম নই’, এ সবই রাসেলের প্রভাব। তবে বাঙালী নব নাস্তিকেরা রাসেলের মতো করে নাস্তিকতা করেননি। রাসেলের নাস্তিকতা ছিলো দর্শনের চর্চার মধ্যে দিয়ে, কার্যকারণ আর বিজ্ঞানের তত্ত্বকে তিনি জীবনের সাথে মিলিয়েছিলেন। জীবনের মৌলিক প্রশ্নগুলোতে ধর্মের অসারতার কথাগুলো বলেছেন তিনি। তিনি আল্লাহর নিষ্ঠুরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন আল্লাহ্‌ নামের সত্ত্বার নানান ধরনের দ্বিচারিতা নিয়ে।তিনি স্পষ্ট করেই লিখেছেন ধর্ম হচ্ছে নাবালকতা আর অজ্ঞানতার মিশ্রন।

এইটুকু বারট্রান্ড রাসেলের জীবনের একটি অংশের খুব সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। এইটুকু বর্ণনার পরে যদি সেই পুরোনো প্রশ্নটা আবার কই, রাসেল কি বামপন্থি বা কমিউনিস্ট ছিলেন?

কিন্তু উত্তর যাই হোক না কেনও, পশ্চিমের জ্ঞানের জগতে বারট্রান্ড রাসেল এর নাম কোথায় অবস্থান করে তা নিশ্চয়ই আমরা সবাই জানি। ভদ্রলোক ছিলেন গনিতজ্ঞ, পরে দর্শনের চর্চায় নিজেকে নিবেদিত করেন এবং সবশেষে লেখালেখি। লেখালেখির জন্যে ১৯৫০ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভুষিত করা হয় তাঁকে। আগ্রহউদ্দীপক হচ্ছে, রাসেল এর নোবেল পুরস্কারটি ছিলো সাহিত্যে, কিন্তু নোবেল পুরস্কার কমিটি রাসেলের লেখালেখির মানবতাবাদী ধারার কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেছিলেন।

এবার এই বারট্রান্ড রাসেল এর ভিন্ন দিকটা বলি। রাসেল বেঁচে ছিলেন ৯৭ বছর। দীর্ঘকালই বেঁচে ছিলেন ভদ্রলোক। এই দীর্ঘ সময়ের পুরো সময়টাই তিনি ছিলেন পশ্চিমা দেশগুলোর ‘বিদেশ নীতি’র ঘোর সমালোচক। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বিরোধী একজন এক্টিভিস্ট হবার কারণে, রাসেল কে ধারাবাহিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। প্রথমে তাঁকে জরিমানা করা হয়। তারপর ব্রিটেনের ভেতরে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজে তাঁর বৃত্তি বাতিল করা হয় এবং সবশেষে ১৯১৮ সালে ব্রিটিশ সরকারের বিদেশনীতিতে অনাহুত হস্তক্ষেপ করার অপরাধে তাঁকে জেল দেয়া হয়। তিনি ব্রিটিশ সরকারের সমালোচনা করেছিলেন এবং আমেরিকান সেনাবাহিনী সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। ছয় মাস জেল খাটার পরে বেরিয়ে আসেন রাসেল, কিন্তু বিশ্ব যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো সময়কালটি তাঁকে কাটাতে হয় ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারির মধ্যে।


(রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী প্যাট্রিসিয়া, পুলিশের বাধার মুখে। ব্রিটিশ সংসদ ভবনের সম্মুখে ভিয়েতনাম দিবসের প্রতিবাদের প্রাক্কালে। দিনটি ছিলো ৩০ জুন, ১৯৬৮।)

বাট্রান্ড রাসেল ছিলেন আজীবন পশ্চিমা বিদেশনীতির ঘোর বিরোধী। যুদ্ধ বিরোধী ভুমিকার কারণে তিনি সবসময়েই আমেরিকার এবং ইউরোপের প্রধান দেশগুলোর সরকারের কাছে এক রকমের চক্ষুশুল ছিলেন। প্রায়শই তিনি জনগণকে ডাক দিয়ে বসতেন যুদ্ধবিরোধী সমাবেশে। জনমত গড়ে তোলার জন্যে নিজেই বসে পড়তে রাস্তায়, পাবলিক এলাকায়। হরহামেশাই যুদ্ধ বিরোধী প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে যেতেন প্রতিবাদ করার জন্যে। প্রতিবাদ করেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে, প্রতিবাদ করেছেন ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এমন কি মৃত্যুর দুদিন আগেও তিনি তাঁর শেষ বিবৃতিটি লিখেছিলেন প্যালেস্টাইনে ইসরাইলী আগ্রাসনের প্রতিবাদে জনমত গঠনের লক্ষ্যে।

যুদ্ধ ও গনহত্যার বিরোধিতা করতে গিয়ে, যুদ্ধবিরোধী জনমত গঠন করতে গিয়ে রাসেল কে নিগৃহীত হতে হয়েছে কথিত “আধুনিক” ও “মানবিক” পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে। আমরা নাস্তিকতা আন্দোলনে বাট্রান্ড রাসেল কে মাঝেমাঝেই স্মরণ করি, কিন্তু বিশ্বব্যাপী পশ্চিমা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের একজন পথিকৃৎ ব্যক্তি হিসাবে তাঁকে মনে করিনা। সম্ভবত, আমাদের জানাই নেই, বাট্রান্ড রাসেলের ব্যক্তিজীবনের এই প্রধান দিকটির কথা।

আগামী পর্বে লিখবো, এই মানবিক সংগ্রামের বিনিময়ে পশ্চিমা দুনিয়ার কাছ থেকে কি বিপুল গঞ্জনা পেয়েছিলেন বাট্রান্ড রাসেল।

(চলবে)

Comments

মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
 

অনেক সাধুবাদ পলাশ: দূর্দান্ত একটি আলোচনা তুলে এনেছেন...! এই ধারার ভাবনা নবীন ব্লগারদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ..! চলা অব্যাহত থাকুক..!

ড. মঞ্জুরে খোদা

 
আরমান অর্ক এর ছবি
 

অনুকরণপ্রিয় বাঙ্গালী মুক্তমনাদের অনেকেই রাসেলের কায়দায় ব্লগ লিখেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গরম করেছেন - ‘আমি কেনও ইসলামে বিশ্বাস করিনা’ কিম্বা "আমি কেনও মুসলিম নই" এই ধরনের শিরোনামের লেখালেখি করে। আন্তর্জাতিক এক্স মুসলিমদের অনেকেই পুস্তক লিখেছেন ‘আমি কেনও মুসলিম নই’, এ সবই রাসেলের প্রভাব। তবে বাঙালী নব নাস্তিকেরা রাসেলের মতো করে নাস্তিকতা করেননি।

আপনি প্রথমে বললেন বাঙালী মুক্তমনাদের অনেকেই রাসেলের অনুকরণে ‘আমি কেনও ইসলামে বিশ্বাস করিনা’ কিম্বা "আমি কেনও মুসলিম নই" এই ধরনের শিরোনামের লেখালেখি করে। যেহেতু অনুকরণের কথা বলেছেন,সেহেতু বলা যায় আপনি বিষয়টিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেছেন। আবার লেখাটির শেষের অংশে এসে বললেন,বাঙালী নব নাস্তিকদের রাসেলের মত করে পশ্চিমা নীতির সমালোচনা করতে হবে। তাহলেই তাদের নাস্তিকতা বা মুক্তচিন্তা নিরপেক্ষ মানের হবে। তাহলে এটাও কি অনুকরণ হলো না? আর নিরপেক্ষ বা সহি মুক্তমনা হওয়ার জন্য যদি রাসেলের মত পশ্চিমা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লেখালেখি করতে হয়,তাহলে একই রাসেলের মত ‘আমি কেনও ইসলামে বিশ্বাস করিনা’ কিম্বা "আমি কেনও মুসলিম নই" টাইপের লেখা লিখলে সমস্যা কোথায়?

****************************************************************************************
সত্য যে কঠিন ,কঠিনেরে ভালোবাসিলাম; সে কখনো করে না বঞ্চনা ।

 
গোলাম সারওয়ার এর ছবি
 

আপনাকে ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্যে। আপনার প্রশ্নের প্রেক্ষিতে বলছি, অনুকরণপ্রিয়তা কোনও নেগেটিভ বিষয় নয়। বিবেচনাহীন অনুকরণ হয়তো আমাদের নতুন কিছু দেয়না, সৃজনশীল কিছু দেয়না। দেখুন আমি হয়তো শব্দটি ব্যবহার করেছি। দেখুন আমি বাঙালী এবং আন্তর্জাতিক লেখকদের কথাও লিখেছি, এবং শেষে উল্লেখ করেছি - এ সবই রাসেলের প্রভাব। । অনুকরণ ভালো বা খারাপ সেই বিষয়টি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।

আবার লেখাটির শেষের অংশে এসে বললেন,বাঙালী নব নাস্তিকদের রাসেলের মত করে পশ্চিমা নীতির সমালোচনা করতে হবে। তাহলেই তাদের নাস্তিকতা বা মুক্তচিন্তা নিরপেক্ষ মানের হবে।

এই অংশটুকু আমার লেখার কোথায় আছে, বলবেন? অন্তত বলবেন কোন অংশটুকু পড়ে আপনার এমনটা মনে হলো?

আমি কেবল লিখেছি "তবে বাঙালী নব নাস্তিকেরা রাসেলের মতো করে নাস্তিকতা করেননি। রাসেলের নাস্তিকতা ছিলো দর্শনের চর্চার মধ্যে দিয়ে, কার্যকারণ আর বিজ্ঞানের তত্ত্বকে তিনি জীবনের সাথে মিলিয়েছিলেন।"

এর অর্থ কি এই যে আমি বাঙালী নাস্তিকদের কে পরামর্শ দিচ্ছি পশ্চিমা বিদেশ নীতির সমালোচনা করতে? এর অর্থ কি এই যে আমি বাঙালী নাস্তিকদের রাসেলের মতো করে নাস্তিকতার পরামর্শ দিচ্ছি?

সম্ভবত না।

আবারো ধন্যবাদ।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাম সারওয়ার
গোলাম সারওয়ার এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 5 দিন ago
Joined: শনিবার, মার্চ 23, 2013 - 4:42পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর