নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আকাশ লীনা
  • নুর নবী দুলাল
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

আওয়ামী – হেফাজতঃ “এ ট্রু লাভস্টোরী” এবং ফরহাদ মজহারের আধ্যাত্মিক কান্নার মাজেজা ! পর্ব - ১


গৌ্রচন্দ্রিকা
আমি শওকত আলী বা সৈয়দ হকের গদ্যের ভাষা ভালোবাসি, গোগ্রাসে পড়ি, বিশ বছর আগেও যেমন আগ্রহ নিয়ে পড়তাম, এখনও তেমন আগ্রহ নিয়েই পড়ি। আমি শওকত আলীর রাজনৈতিক অবস্থান জানিনা আর সৈয়দ হক একজন পোশাকী আওয়ামী লেজুড়, সেকথা আমি জানি। তবুও আমি এঁদের গদ্যর ভক্ত। আমাদের কালের লেখক জাকির তালুকদার ব্যক্তি মানুষ হিসাবে আমার শ্রদ্ধা হারিয়েছেন, কিন্তু তাঁর গদ্যও অসাধারণ। একই ভাবে আল মাহমুদের জামাত এ ইসলামের সাথে বিলীন হবার পরেও, তাঁর পদ্য আমার আজও ভালো লাগে। সোনালী কাবিন এখনও আমার বুকশেলফে রয়েছে, “প্রত্যাবর্তনের লজ্জা” এখনও আমার পড়া শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর একটি।বিশ বছর আগে থেকেই আমি ফরহাদ মজহারের লেখার দারুন ভক্ত। ফরহাদ মজহারের গদ্য এবং কাব্য উভয়েরই সমান ভক্ত আমি। ফরহাদ মজহার তাঁর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করবার জন্যে যে সমস্ত লেখা লিখেছেন গত বিশ বছরের, কোনও এক অদ্ভুত কারণে সেই সকল গোঁজামিল দেয়া লেখালেখির পাঠেও এক অপূর্ব আনন্দ লাভ করি আমি। আমি জানি, যে বিষয়টি এই সকল লেখকের মাঝে কমন বা সাধারণ, তা হচ্ছে তাঁদের দারুন ভাষা শৈলী। তাই লেখক ফরহাদ মজহার আমার কাছে সবসময়ই একজন প্রিয় লেখক। ফরহাদ মজহারের রাজনৈতিক লেখাগুলোতে দীর্ঘ বয়ান থাকে, কিন্তু সেই বয়ানগুলোর বাঁধন খুব গোছানো হয়, সাধারণত একটা পরিস্কার যুক্তির কাঠামো থাকে। তাই আমি তাঁর বেশীর ভাগ রাজনৈতিক লেখাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ি।

ফরহাদ মজহার নিয়ে এতো দীর্ঘ ভুমিকা দেবার কারণ হচ্ছে দুটি,

প্রথমত – আমার ব্যক্তিগত পক্ষপাত (Bias) সম্পর্কে একটু বাহাস করে নেয়া আর

দ্বিতীয়ত; সাম্প্রতিক সময়ে দৈনিক যুগান্তরে ফরহাদ মজহারের একটি লেখা পড়ে, আমি দারুন দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েছি।

ফরহাদ মজহারের মস্তিস্ক কি বৃদ্ধ হয়ে গেলো? এর আগে আর কোনও রাজনৈতিক লেখায় ফরহাদ মজহারকে এই রকমের ভেঙ্গে পড়া, বিধ্বস্ত, এলোমেলো, স্ববিরোধী দেখিনি আমি। যেনো মাঝ সমুদ্রে ফরহাদ মজহারের ধেই ধেই করে ছুটে চলা যুদ্ধজাহাজের মাস্তুলটি কাঠামো সমেত জাহাজের ডেকে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। আহা প্রিয় কবি ফরহাদ মজহার, আপনাকে এই রকম কাঁদো কাঁদো, ভেঙ্গে পড়া দেখতে আমার ভালো লাগেনি। তাই একটু ব্যাখ্যা করতে বসছি আপনার লেখাটি নিয়ে।


(ধ্যানী মগ্ন মানুষ আমাদের ফরহাদ ভাই, যিনি এখন মুসলমানের ইমান আকিদার হেফাজতের সংগ্রামের বুদ্ধিবৃত্তিক কারিগর, আল্লাহ্‌ আপনাকে দীর্ঘজীবী করুন, সরস্বতীর দোয়ায় আপনার মস্তিস্ক সচল থাকুক আরো বহু বছর,তবেই না নতুন প্রজন্মের সাথে লড়াইটা জমবে !)

রাজকীয় সম্মান ও আল্লাহর কুদরত প্রসঙ্গে
বলছিলাম গত ২১ এপ্রিল, জুম্মাবারের দিনে মোহতারেম ফরহাদ মজহার একটি বিশাল বিশ্লেষণমূলক লেখা ছাপিয়েছেন দৈনিক যুগান্তরে। যারা ফরহাদ মজহারের ভক্ত এবং ভক্ত নন, সবার জন্যেই লেখাটিতে বেশুমার আনন্দের যোগান আছে, পড়ে দেখতে পারেন এখান থেকে

আমাদের দেশের রাজনীতি সচেতন তরুনদের হাতে সময় খুব কম, তার উপরে আছে দিনরাত ফেসবুক নামের স্পেশাল ডিউটি, সেজন্যেই ফরহাদ মজহারের বিগত কয়েক বছরের লেখালেখি, বক্তৃতা ইত্যাদি নিয়ে কেউ তেমন কোনও মনোযোগী লেখা তৈরী করেননাই। ফরহাদ মজহারের লেখার প্রতিউত্তরে লেখার বদলে বেশীর ভাগ সময়ে গালাগাল করা হয়েছে, উনি পচে গেছেন, শেষ হয়ে গেছেন ইত্যাদি বলে দায় সারা হয়েছে। এটা দুঃখজনক। আমি মনে করি, আমাদের তরুনদের মাঝে অনেক মেধাবী পোলাপাইন আছেন যারা একদিন ফরহাদ মজহারকে ছাই দিয়ে ধরবেন।

যাই হোক, দৈনিক যুগান্তরে মোহতারেম ফরহাদ মজহার যে পবিত্র বয়ান খানি পয়দা করেছেন, সেটি মূলত সাম্প্রতিক সময়ে হেফাজত – আওয়ামীলীগ প্রেমের নবায়নে তাঁর চরম স্বপ্নভঙ্গের বিবৃতি।(প্রেমের নবায়ন কেনও বলছি, সেটা পরের পর্বে ব্যাখ্যা করবো)।

মূল লেখায় যাবার আগে খুব সংক্ষেপে একটা লিস্টি দিয়ে দেই, গত এক দশকে ফরহাদ মজহারের বিভিন্ন লেখালেখি পাঠ করা থেকে আমার বোঝাপড়ায় মোহতারেম জনাব মজহারের প্রধান এজেন্ডা গুলো কি কি ছিলো তারই ফর্দ এটা। ফরহাদ মজহার গত এক দশকে কয়েকটি কাজ করেছেন বেশ সফল ভাবেঃ

  • তিনি নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে লিখে গেছেন, এদেশের বামপন্থিরা মূলত জনগনের সংগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু “ইসলাম বিদ্বেষী” রাজনৈতিক ধারা। এরা না বোঝে মার্কসবাদ না বোঝে ধর্ম। তিনি লেখার চেষ্টা করেছেন, এদেশের রাজনীতিবিদেরা যদি সত্যিই মার্কসবাদ বুঝতো তাইলে ইসলাম আর ইসলামী আন্দোলনকে বুকে জড়াইয়া নিতো, মৌলবাদ – সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে এতো হই-চৈ করতোনা।
  • তিনি তাঁর মোকাবিলা পুস্তকে; হালকা – ভারী – সস্তা – দামী - দুর্বোধ্য নানান কেতায় লেখার চেষ্টা করছেন যে, জনাব কার্ল মার্কস আসলে ধর্মরে খুব একটা গাইল পাড়েন নাই, বরং তিনি ধর্মরে সমালোচনার বদলে “পর্যালোচনা” করতে বলেছেন। কার্ল মার্কস সাহেব ধর্মকে “আফিম” বলেছিলেন বটে কিন্তু এই আফিম "সেই" আফিম না, এই বিষয়টি দুনিয়ার তাবৎ বামপন্থিরা আসলে বুঝতেই পারেনাই, এই আফিমের আসল মাজেজা টা বুঝতে পেরেছেন ফরহাদ মজহার আর তাঁর শিষ্যকূল।
  • তিনি দিন রাত ধরে খেয়ে না খেয়ে প্রচার করেছেন, এদেশে আওয়ামীলীগ হইতেছে একটা ফ্যাসিস্ট দল, সেই ফ্যাসিস্ট দলের বিরোধী হইতেছে বিএনপি, জামাতে ইসলামীসহ অন্যান্য ইসলামী দল, সুতরাং জনগনের উচিৎ বিএনপি-জামাত-ইসলামী দল গুলার ছায়াতলে এসে ভীড় জমানো এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আল্লাহ্‌ ও রাসুলের নামে জ্বিহাদে শামিল হওয়া। কিন্তু বিএনপি – জামাত – ইসলামী দলগুলার জোট কি কোনও ফ্যাসিস্ট শক্তি কিনা এই বিষয়ে তিনি অবশ্য কিছু বলেন নাই। বরং তিনি গলার রগ ফুলায়ে প্রচার করেছেন গনতন্ত্র পুনুরুদ্ধারে বিএনপি আর ইসলামী শক্তিই এখন ভরসা।
  • তিনি দিন রাত ধরে খেয়ে না খেয়ে লিখেছেন, যেহেতু এদেশের বামপন্থিরা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে একলা সংগ্রামের নিয়ত করছেন, তাঁরা বিএনপি – জামাত জোটের সাথে কোনও সহবত করেনাই, সুতরাং এদেশের বাম্পন্থিরাও আসলে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর।
  • ফরহাদ মজহারের মতে এদেশে মজলুম জনতার আসল প্রতিনিধি হচ্ছে মোহতারেম শফি আহমদ সাহেবের ছায়াতলে জমায়েত থাকা হেফাজতে ইসলাম। তিনি এই হেফাজতের নেতৃত্বে এদেশের গরীব মেহনতি মানুষের পক্ষের বিপ্লবের স্বপ্ন দেখেন।

যাদের আমার লেখা এই পাঁচটি পয়েন্ট এর ভ্যালিডেশন দরকার, তাঁরা একটু পরিশ্রম কইরা মোহতারেম ফরহাদ মজহার সাহেবের পত্রিকা চিন্তা এবং তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাতায় একটু গবেষণা করতে পারেন। জানতে হলে পড়তে হবে। ফরহাদ মজহারের লেখা পড়ার মজাই আলাদা।

বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, ফরহাদ ভাই এবং তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গরা সারা বছর ধরে এদেশের বামপন্থি - প্রগতিশীল - সেকুলার রাজনৈতিক শক্তিকে যে নিয়মিত বাঁশ দিয়ে চলেছেন, যারা এমনিতেই রাজনৈতিক ভাবে, সামাজিক ভাবে সর্বত্রই সকল অর্থেই সংখ্যালঘু, সেই নিভু নিভু রাজনৈতিক শক্তিটির বিরুদ্ধে ফরহাদ ভাই ও তাঁর শিষ্যদের এই সকল কাজকারবার তাঁদের স্বাধীন মতামত চর্চার অধিকারের মধ্যেই পড়ে। সুতরাং আমি এর মাঝে কোনও "ভালো - খারাপ", "উচিৎ - অনুচিৎ" এই সব প্রশ্ন তুলছিনা। ফরহাদ ভাই সন্দেহাতীত ভাবেই তাঁর স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকারটিই চর্চা করেছেন। আমাদের সবার দায়িত্ব তাঁর স্বাধীন মতামত চর্চার অধিকারকে শ্রদ্ধা করা, দরকার হলে সহযোগিতা করা। আমি শুধু লিস্টিটা দিলাম আপনাদের সামনে, ইতিহাসে থাকুক।


(ফরহাদ মজহারের "মজলুম" জনতার বিপ্লবের একাংশ, মতিঝিল - পল্টনে হেফাজতি বিপ্লব)

জনাব ফম’র সেই স্বপ্নের বিপ্লবের প্রথম প্রচেস্টা ব্যর্থ হয়েছিলো, এটা বাংলাদেশের “মজলুম” জনতার দুর্ভাগ্য যে, সেই ব্যর্থ বিপ্লবের পর, তাঁদের নেতার সাথে ৩২ কোটি টাকার খাস জমি লেনদেনের মাধ্যমে সরকারের একটা রফা হয়েছিলো আর আমাদের ফরহাদ মজহারের স্বপ্নের অপরিনত মৃত্যু ঘটেছিলো সেদিন। কিন্তু ফরহাদ মজহার স্বপ্নবাদী মানুষ, তিনি তাই আশায় বুক বেঁধেছিলেন হেফাজতের সাথে তিনিও শামিল হয়েছিলেন এদেশের মানুষের ইমান আকিদা সংরক্ষনের যুদ্ধে, কিন্তু হঠাত এইটা কি হইলো? তিনি লিখেছেন এই ভাবেঃ

”কওমি মাদ্রাসা সনদের স্বীকৃতিকে কেন্দ্র করে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে শেখ হাসিনার ‘সন্ধি’ বাংলাদেশের রাজনীতির অনেক হিসাব-নিকাশ নিমেষে বদলে দিয়েছে”

”সমাজে বিভিন্ন শক্তির ভারসাম্যের ক্ষেত্রে এই ‘সন্ধি’ গুণগত রূপান্তরের ইঙ্গিত”

”রাজনীতির নয়া সমীকরণে হেফাজত নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গণমাধ্যমের গুণেই হাজির হয়ে যাচ্ছে। সেকুলার মহলে চরম ক্ষোভ ও হতাশা”

”যাদের মাত্র ২০১৩ সালে গুলি করে মেরে এই শহর থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছিল, যাদের লাশের হিসাব পর্যন্ত করা যায়নি, আজ সেই তাড়া খাওয়া এবং হত্যা, গুম ও নির্যাতনের শিকার কওমি মাদ্রাসার আলেম-ওলেমাদের স্থান হয়েছে সরকারের উচ্চ দরবারে। খোদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও শক্তির সর্বোচ্চ দরবারে তারা উচ্চ মর্যাদার মেহমান হয়ে হাজির হয়েছেন। আল্লাহর কুদরত দারুণ” !

আহা লিখেছেন বটে, আহা কি দারুন কাব্যিক ভাষা, কবিতার মতো। কিন্তু আমার নাস্তিক মন জিজ্ঞাসা করে

  • “সেকুলার মহলে চরম ক্ষোভ ও হতাশা” তো জনাব ফরহাদ মজহার এর জন্যে আনন্দদায়ক হওয়ার কথা, তাই নয় কি? তিনি এবং তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের প্রতিদিনের একটা নিয়মিত কাজ হচ্ছে সেকুলার – প্রগতিশীল শক্তির বিরুদ্ধে বিষোদগার করা, প্রতিদিন, আল্লাহর দেয়া মাসের তিরিশ দিনেই। তিনি এবং তাঁর শিষ্যরা মিলে দেশের সেকুলার রাজনৈতিক শক্তিকে সবচাইতে দাগী "ভিলেন" বানিয়ে ছাড়ছেন, কিন্তু সেই সেকুলার মহলের এই চরম ক্ষোভ ও হতাশা জনাব মজহার কে আনন্দিত করেনাই, এই লেখা তাঁর প্রমান। আরো বিস্তারিত লিখবো।
  • গুলি করে যাদের তাড়িয়ে দেয়া হলো, তাঁদেরকে এইযে রাজকীয় সম্মান আজকে দেয়া হলো, তাতেও তো মজহার ভাইয়ের খুশী হওয়ার কথা, আমোদিত থাকার কথা তাইনা? তাঁর উপরে, এই সম্মান যদি হয় “আল্লাহর কুদরত” তাইলে তো কোনও কথাই নাই, মজহার ভাইয়ের তো দুই রাকাত নফল নামাজ পইড়া আল্লাহ তায়ালার শোকর গুজার করার কথা, তাইনা?

তিনি তা করেন না, অন্তত যুগান্তরের এই লেখায় সেই আমোদের, সেই শোকর গুজরানের কোনও চিহ্ন নাই। বরং তিনি হেফাজতের এই কাজটা করা ঠিক হইলো কিনা সেই প্রশ্ন তুলছেন, বলাই বাহুল্য ঘুরিয়ে – পেচিয়ে, নিজের বয়ান টি অন্যের মুখ দিয়ে বলছেন এভাবেঃ

“কওমি মাদ্রাসার অনেক আলেম-ওলেমা ও তরুণ ছাত্রদের অনুভূতি ও উপলব্ধি বোঝার জন্য কথা বলেছি। তারা পাল্টা প্রশ্ন আমাকে করেছেন, রক্তের দাগ এখনও শুকায়নি, হেফাজতের দিক থেকে কাজটা কি ঠিক হল? এটা আসলে সাধারণ মানুষেরও প্রশ্ন”।

বলেন তো আপনারা, যেই সন্ধিকে তিনি বলছেন “আল্লাহর কুদরত”, যেই সন্ধির ফলে ইসলামী ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিরোধী শিবিরে চরম হতাশা নেমে এসেছে, যেই সন্ধির ফলে একদা বিতাড়িত হেফাজত আজ রাজকীয় সম্মানে ভুষিত, সেই সন্ধিটা ঠিক না বেঠিক সেই প্রশ্ন তোলাটা কি স্ববিরোধীতা নয়?

তিনি বলছেন, আওয়ামী – হেফাজতের সম্পর্কের এই পরিবর্তন টা “আল্লাহর কুদরত” আবার তিনিই প্রশ্ন তুলছেন, এটা কি ঠিক হলো? আল্লাহর কুদরত কি বেঠিক হতে পারে?

তিনি কি আসলে “আল্লাহর কুদরত”, “আল্লাহর ইচ্ছা” এই সকল শব্দগুচ্ছের অর্থ জানেন? বিশ্বাস করেন?

(চলবে....)

Comments

অাব্দুল ফাত্তাহ এর ছবি
 

অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো লেগেছে।

অাব্দুল ফাত্তাহ

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

সিরিজ চলুক....।

 
পথচারী এর ছবি
 

অসাধারন। সিরিজ চলুক....

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাম সারওয়ার
গোলাম সারওয়ার এর ছবি
Offline
Last seen: 4 ঘন্টা 14 min ago
Joined: শনিবার, মার্চ 23, 2013 - 4:42পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর