নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • বিজয়

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

মুহতারিমা শেখ হাসিনা, মানবতা শেখার জন্যে নওয়াজ শরীফের কাছে এক মাসের একটি প্রশিক্ষনের জন্যে দরখাস্ত করুন !



(জাতির সাথে শেখ হাসিনার প্রতারনার সাক্ষী হয়ে থাকবে এই ছবিগুলো, হয়তো নির্বাচনের ময়দানে শেখ হাসিনা এই ছবিকে ক্যাশ করবেন বহু মুল্যে, কিন্তু বাংলাদেশের সেকুলার সমাজের সংগ্রামের ইতিহাসে শেখ হাসিনা একজন উৎকৃষ্ট মানের প্রতারক হিসাবেই লিপিবদ্ধ হবেন, কোনও সন্দেহ নেই তাতে। এতে অবশ্য মুহতারিমা শেখ হাসিনার কোনও কিছুই যায় আসেনা, প্রতারক হবার বদলে যদি কোনও অর্থনৈতিক লস না হয়, তাতে কি আসে যায় বলুন?)

অভিজিৎ রায় নিজেই বাংলাদেশের একজন ইতিহাস সৃষ্টিকারী মানুষ ছিলেন। কিন্তু কাজের দিক থেকে তিনি ছিলেন, বাংলাদেশের একজন নিঃসঙ্গ মানুষ। নিঃসঙ্গ এই অর্থে যে, মুসলমানের দেশে অভিজিৎ রায়ের মতো অনেক মানুষ বাংলাদেশে নেই, অন্তত বাংলাদেশে বেঁচে নেই। যারা ছিলেন তাঁদেরকে মেরে ফেলা হয়েছে। অভিজিৎ রায় আমাদের দেশে আলো হাতে চলা একজন নিঃসঙ্গ মানুষ। আর সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মুহতারিমা শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের জনগনের সাথে নানাবিধ প্রতারনার মাধ্যমে যিনি ক্ষমতায় আরোহন করেছেন এবং সেখানে স্থায়ী আসন গেড়েছেন বহু বছর ধরে। তাঁকে “মুহতারিমা” বলে সম্বোধন করছি কারণ তাঁর বেশ কয়েক খানা পিএইচডি ডিগ্রি আছে। অভিজিতের ছিলো মাত্র একটি, আইনস্টাইন কিম্বা কার্ল মার্কসেরও ছিলো মাত্র একটি করে পিএইচডি। কিন্তু মুহতারিমা শেখ হাসিনার ডক্টোরাল ডিগ্রির সংখ্যা এ যাবত কাল পর্যন্ত মোট নয়টি। এই সংখ্যা ডজন কিম্বা কয়েক ডজন পেরিয়ে যাবে তাতে আমার কোনও সন্দেহ নেই।


(মুহতারিমা শেখ হাসিনার কাছে বেহায়াপনার দিক থেকে এরশাদ ঠিক এই রকমেরই শিশুতুল্য)

আহা নয়খানা ডক্টরাল ডিগ্রি, মানুষ এতোটাও নির্লজ্জ হতে পারে? মানুষ এতোটা বেশরম হতে পারে? আগে জানতাম কেবল এরশাদ বলে এক সামরিক শাসকই বেহায়া – বিশ্ব বেহায়া। যদি এরশাদ কে বিশ্ব বেহায়া বলতে হয়, তাহলে মুহতারিমা শেখ হাসিনার জন্যে বাংলা ভাষায় নতুন বিশেষণ আবিষ্কার করতে হবে। কেননা জনাব এরশাদ কে “বিশ্ব বেহায়া” বললে, মুহতারিমা শেখ হাসিনাকে বেহায়াপনার আরো উচ্চতর, আরো অধিক গুনবাচক কিছু বলতে হবে, নইলে তাঁর প্রতি সুবিচার করা হবেনা। বাংলাদেশের মানুষের সাথে এরশাদ যতটা প্রতারনা করেছেন, তাঁর চাইতেও বেশী প্রতারনা, তাঁর চাইতেও বড় প্রতারনা কি কেউ করতে পারে? হ্যাঁ পারে, মুহতারিমা শেখ হাসিনা আর তাঁর আশেপাশের লোকজন তা পারে। বলদ বাঙ্গালীকে সেকুলারিজম আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ডালবড়ি খাইয়ে মুহতারিমা শেখ হাসিনা ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার বন্দোবস্ত করেছেন। এজন্যে তাঁকে আরো তিনখানা ডক্টরাল ডিগ্রি খুব সত্বর দেয়া দরকার।

মুসলমানেরা যখন অভিজিৎ রায়কে হত্যা করলো, সে হত্যাকান্ডের পরে মুহতারিমা শেখ হাসিনা হিন্দু পরিবারে জন্ম নেয়া অভিজিৎ এর জন্যে শোক প্রকাশ করতে পারেননি। শেখের বেটির সাহস হয়নাই, তাঁর দেশের একজন উচ্চশিক্ষিত নাগরিকের হত্যার প্রতিবাদ করার। শেখের বেটির সাহস হয়নাই একজন মুক্তিযোদ্ধা অজয় রায়ের সন্তানের হত্যার প্রতিবাদ করার। কেননা, সেই লোকের সন্তানটি একেতো সামাজিক ভাবে “হিন্দু” পরিবারের, তার উপরে নাস্তিক। বলেন ক্যামনে হেফাজত নেতা আহমদ শফীর কোলে বসে থাকা শেখের বেটি মুহতারিমা শেখ হাসিনা একজন “হিন্দু”র ছেলের হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করে? কিভাবে করে? আফটার অল মুহতারিমা শেখ হাসিনাতো হিন্দু নন, তিনি মুহাম্মদের একজন পেয়ারা বান্দা। আপনারা কি দেখেন নাই, ফেসবুকে- টুইটারে হাজার হাজার শেয়ারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তাঁর মোনাজাতের ছবিখানা? মুহাম্মদের পেয়ারা বান্দা হয়ে জনগনের ট্যাক্সের টাকায় দুই নাম্বারী করে তাঁর ছেলেকে কোটি টাকা বেতনে “কনসাল্ট্যান্ট” নিয়োগ দেয়া যায়, কিন্তু অভিজিৎ এর হত্যার প্রতিবাদ করা যায়না। মুহাম্মদের প্যেয়ারা বান্দা হয়ে মুসা বিন শমসের এর সাথে বিজিনেস করা যায়, কিন্তু অভিজিৎ হত্যার প্রতিবাদ করা যায়না। মুহাম্মদের পেয়ারা বান্দা হিসাবে রাজাকারের পোলার সাথে মেয়ের বিয়ে দেয়া যায় কিন্তু অভিজিৎ হত্যার প্রতিবাদ করা যায়না।

পাকিস্তান বিষয়ে আমাদের মনে নানান ধরনের ইলিউসন তৈরী করার জন্যে আওয়ামীলীগ বহু বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে। নানান ধরনের মিথ তৈরী করা হয়েছে পাকিস্তান সম্পর্কে। এবং পাকিস্তান বিষয়ক সেই সকল কাঁঠালের আমসত্ত্ব মাঝে মাঝেই আমাদের সামনে হাজির করে নির্বাচনী ফায়দা লোটার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার কোনও জুড়ি নেই, হাজার হোক নয়খানা ডক্টোরাল ডিগ্রি বলে কথা। আওয়ামীলীগের বিগত চল্লিশ বছরের সবচাইতে বড় সাফল্য হচ্ছে – পাকিস্তান, মুক্তিযুদ্ধ আর রাজাকার এই তিন মশলা দিয়া এক দারুন খিচুরী পাকানোর রেসিপি তারা আবিষ্কার করেছেন। এই অদ্ভুত নেশাকর খিচুরি দিয়ে বাঙ্গালী মধ্যবিত্ত কে বুঁদ করে রেখেছেন তারা। আমি মনে করি শেখের বেটি মুহতারিমা শেখ হাসিনার সব চাইতে বড় রাজনৈতিক সাফল্য হচ্ছে এই বিশেষ পদের খিচুড়ী রান্নার রেসিপি আবিষ্কার। বস্তুত এই খিচুড়ী এক ধরনের প্রতারনা ছাড়া আর কিছুই নয়। সেজন্যেই, অভিজিৎ মারা যাবার পর, তাঁর বাবাকে সমবেদনা জানাবার জন্যে শেখের বেটি দারুন শরমিন্দা বোধ করেন। তিনি এতোটাই শরমিন্দা বোধ করেন যে, সেই শরমের কথা ইংরাজিতে ব্যাখ্যা করার জন্যে তাঁর পোলারে কনসালট্যান্ট হিসাবে হায়ার করতে হয়। সেই পোলা আবার মায়ের মতো অতটা চাল্লু না। তাই বাংলাদেশের মানুষের ট্যাক্স এর টাকায় “হার্ভার্ড” এ পড়া (!) পোলায় ব্যাখ্যা করেন তাঁর মায়ে কত সুক্ষ সুতার উপর দিয়া হাটতেছেন যে অভিজিৎ পিতাকে সমবেদনা জানাইতে পারেনাই। মুহতারিমা হাসিনার পোলায় অবশ্য কইছেন যে, তাঁর মা যাইতে পারেনাই, তবে তিনি ফোন করছেন। শফি হুজুরে ভাগ্যিস ফোন করার পারমিশনটা দিসিলেন আমাদের মুহতারিমা শেখ হাসিনারে।


(মুসলমানদের হাতে নিহত মাশাল খান, আপনার প্রতি লাল সালাম)

এইবার উলটা দিকের ঘটনা দেখি। মুসলমানেরা পাকিস্তানে মাশাল খান নামের এক যুবককে খুন করেছে। আজকের দুনিয়াতে মুসলমাদের জন্যে এইটা খুব নতুন কিছু নয়। তাঁর অপরাধ ছিলো ধর্ম ও ইসলামের নানান বদমাইশি – ফাক –ফোকর নিয়ে কথা বলা ভিন্ন সুত্র বলেছে, তিনি আদৌ কোনও ধর্ম সংক্রান্ত কথা বা আলোচনা করতেন না, তিনি নিজেকে একজন মানবতাবাদী মানুষ হিসাবে পরিচয় দিতেন। ভিন্ন আরেকটি সুত্র বলেছে, তিনি আহমদিয়া ঘরানার ইসলামী চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। তাঁর ভাংচুর করা ঘরে কার্ল মার্কস ও চে গুয়েভারার পোস্টার পাওয়া গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এই সকল কিছুই হত্যার যোগ্য অভিযোগ। ইসলাম নিয়ে সমালোচনা কিম্বা আহমদিয়া গোত্রের সদস্য হওয়া কিম্বা মার্কস বা চে গুয়েভারার ছবি রাখা, এই সব কিছুই ইসলামের চোখে ব্লাসফেমাস। তাই মুসলমানেরা এই তরুন ছেলেটিকে খুন করেছে এবং তাঁদের স্বভাবসিদ্ধ ঐতিহ্য অনুযায়ী তারা মৃত মাশাল খানের বুকের উপরে উঠে লম্ফ ঝমফ করেছে।

ভাগ্যিস মাশাল খান বাংলাদেশে জন্ম গ্রহন করেন নাই। তাহলে আবার মুহতারিমা শেখ হাসিনাকে কয়েক কোটি টাকা খরচ কইরা তারই পোলারে “কনসালট্যান্ট” হিসাবে হায়ার করতে হইতো, মাশাল খানের হত্যাকে ইংরাজিতে ব্যাখ্যা করার জন্যে। সেই কনসালট্যান্ট পুত্র ইংরাজিতে ব্যাখ্যা করতেন তাঁর মা কত সূক্ষ্ম সুতার উপর দিয়ে হাটছেন। বরং, পাকিস্তান, মানে যে দেশের উপরে একটা পারমানেন্ট ঘৃণার রেসিপি দিয়া আওয়ামীলীগ ব্যবসা বানিজ্য কইরা যাইতেছে গত চল্লিশ বছর ধইরা, সেই দেশের প্রধান মন্ত্রী আর তাঁর জনগন রাস্তায় নাইমা আসছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। তিনি বলেছেন, “এই সন্ত্রাসীদের জানিয়ে দিচ্ছি সে কারোরই অধিকার নেই আইন হাতে তুলে নেবার”। তিনি আরো বলেছেন সমগ্র জাতির উচিৎ এই ঘটনার প্রতিবাদ করা এবং সহিষ্ণুতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্যে এক হয়ে দাঁড়ানো। (দেখুন এখানে ) । আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে জানি, রাজনীতিবিদদের এই সকল বক্তব্য পুরোটাই লোক দেখানো। কিন্তু পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সেই সাহসটুকু অন্তত আছে, ইসলামীস্টদের একটি খুনের বিরুদ্ধে দেশবাসিকে প্রতিবাদে ডাক দেয়ার, যা আমাদের নয়টি ডক্টরাল ডিগ্রিধারী প্রধানমন্ত্রীর নেই।

আহা, জনাব শরিফ তবুও তাঁর ভগ্নী মুহতারিমা শেখ হাসিনার চাইতে খানিকটা বেশী সাহস – তাগদ এর পরিচয় দিয়েছেন। জনাব নওয়াজ শরীফের কয়টা ডক্টরাল ডিগ্রি আছে আমি তা জানিনা, কিন্তু একথা প্রমানিত যে তিনি তাঁর বহিন মুহতারিমা শেখ হাসিনার চাইতে অধিক মানবতার পরিচয় দিয়াছেন। আমরা কি অন্তত পাকিস্তানের চাইতে অধিক মানবিক একজন প্রধানমন্ত্রী পেতে পারি? আমাদের কিসে কম আছে? আমাদের প্রধানমন্ত্রী মুহতারিমা শেখ হাসিনার নয়খানা ডক্টোরাল ডিগ্রি থাকা সত্ত্বেও তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের চাইতে মানবিকতায় পিছিয়ে থাকবেন ... এ হতে পারেনা। এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চরম খেলাপ। দরকার হলে আমরা না খেয়ে হলেও আরো কয়েক হাজার কোটি টাকা ট্যাক্স দেবো, দরকার হলে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারো খালি করে দেয়া হবে, তবুও আমাদের প্রধানমন্ত্রী মুহতারিমা শেখ হাসিনাকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর চাইতেও মানবিক হতেই হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রক্ষার জন্যে তাই আমরা সুপারিশ করছি – নওয়াজ শরীফের কাছে মুহতারিমা শেখ হাসিনাকে এক মাসের একটি কোর্স করার জন্যে। মানবিকতা শেখার জন্যে কোর্স।

আল্লাহ্‌ আমাদের প্রধানমন্ত্রী মুহতারিমা শেখ হাসিনাকে শরম দিন, হায়া দিন, লেহাজ দিন, মানবিক বোধ দিন।

আমিন।

Comments

রংধনু এর ছবি
 

"আল্লাহ্‌ আমাদের প্রধানমন্ত্রী মুহতারিমা শেখ হাসিনাকে শরম দিন, হায়া দিন, লেহাজ দিন।
আমিন।"

Good

 
Syed Ali এর ছবি
 

প্রিয় গোলাম সারোয়ার, অশ্রুসিক্ত নয়নে শুধাই, আপনের এপিটাফটা আপনেই লিখবেন, না কি আমাদের লিখতে হইবো? কানাডা থাইক্যা তো একবার হইলেও বাংলাদেশে যাইবেন আর আল্লাহ (SWT) চাহেনতো দেশরত্ন তখনো ক্ষেমতায় থাকবেন।

 
গোলাম সারওয়ার এর ছবি
 

প্রিয় সৈয়দ আলী, আমার কবরে কোনও এপিটাফ থাকবেনা। কারণ কবর হবে কিনা আমিই এখনও জানিনা। আমি যেখানে থাকি সেখানে মেডিক্যাল কলেজেও আজকাল আর লাশ দিয়ে পড়ানো হয়না, বিজ্ঞানের দৌলতে সবকিছুই এখন সিমুলেশন বেইজড। সুতরাং আপনাকে আমার কবরের এপিটাফ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করলেও চলবে। আর "দেশরত্ন" তো আল্লাহর ইচ্ছাতেই ক্ষমতায় আছেন, তিনি কি জনগনের ইচ্ছাতে নির্বাচিত হতে পারবেন আর কখনও? পুলিশ আর আর্মির প্রতিরক্ষা ছাড়া আপনার দেশরত্ন এক কদম বের হতে পারবেন ঢাকা শহরে? কিম্বা বাংলাদেশের কোনও শহরে?

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাম সারওয়ার
গোলাম সারওয়ার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 17 ঘন্টা ago
Joined: শনিবার, মার্চ 23, 2013 - 4:42পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর