নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • শহরের পথচারী
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • অলীক আনন্দ
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • তা ন ভী র .
  • কেএম শাওন
  • নুসরাত প্রিয়া
  • তথাগত
  • জুনায়েদ সিদ্দিক...
  • হান্টার দীপ
  • সাধু বাবা
  • বেকার_মানুষ
  • স্নেহেশ চক্রবর্তী
  • মহাবিশ্বের বাসিন্দা

আপনি এখানে

মূর্খ আল্লাহর উদ্ভট কথাবার্তা


কোরানের আল্লাহর মূর্খতা সীমাহীন, সেটা বোঝা যাবে যদি কেউ কোরানকে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে অথসহ গভীরভাবে পড়ে। তবে কেউ যদি কোরান পড়া বা বোঝার আগেই কঠিনভাবে বিশ্বাস করে বসে থাকে , "ইহা আল্লাহর বানী , ইহা বলিয়াছে ইহাতে কোন ভুল নাই" - তাহলে তার পক্ষে কোরানের অতি উদ্ভট বা অর্থহীন কথাবার্তাও অতি উত্তম মারেফতিময় মনে হবে। যাইহোক নিচের আয়াত দেখা যাক ---

সূরা আস শামস- ৯১:১-২: শপথ সূর্যের ও তার কিরণের,শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে,

সর্বময় ক্ষমতাশালী আল্লাহ সুর্যের মত একটা জড়বস্তুর কসম কাটছে, অনেকটা টাউট বাটপাড় মিথ্যাবাদী মানুষদের মত। তারপর বলছে বিজ্ঞানের কথা। বলছে - চাঁদ নাকি সূর্যের পশ্চাতে আসে। এখন অনেকেই এসে বলবে , এটা আসলে বলছে সূর্য ডুবে যাওয়ার পর যে রাতের বেলা চাঁদ ওঠে সেটা বলছে। কিন্তু আসলে দিনের বেলাতেই যে আকাশে চাঁদ উঠে যায় , সেটা তো সবাই জানে। সুতরাং উক্ত অর্থ হবে অবান্তর। উক্ত বাক্য আসলে কি বলছে তা বুঝতে নিচের আয়াত পড়তে হবে ---

সুরা লোকমান - ৩১:২৯: তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন?

রাত্রিকে কিভাবে দিনের মধ্যে ও দিনকে কিভাবে রাতের মধ্যে প্রবেশ করায় , সেটা ঠিক বোধগম্য না। এখানে একটার মধ্যে আর একটা প্রবেশ করাকরি তো অর্থহীন কথা। আলোর অভাবেই রাত হয়, সুতরাং কেউ কারও মধ্যে প্রবেশ করাকরিটা হলো উদ্ভট কল্পনা। চাঁদ ও সূর্য তারা নির্দিষ্টকাল সময় পরিভ্রমন করে। তার মানে বোঝা যাচ্ছে , দিনের বেলায় সূর্য আর রাতের বেলায় চাদ একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তার কক্ষপথে পরিভ্রমন করে।

সুরা আম্বিয়া - ২১:৩৩: তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।

উক্ত আয়াত বলছে রাত, দিন , সূর্য ও চাঁদ সবাই তাদের নিজ কক্ষপথে বিচরন করে।অর্থাৎ রাত ও দিনেরও কক্ষপথ আছে , আর তারা তাদের কক্ষপথে চাঁদ ও সূর্যের মত প্রদক্ষিন করে।

সুরা ইয়াসিন-৩৬:৩৮:সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ।
সুরা ইয়াসিন-৩৬: ৪০:সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে।

সূর্য ও চাঁদ তাদের নির্দিষ্ট কক্ষপথে চলাচল করে , তারা কেউ কারও নাগাল পায় না। চাঁদ তো পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে , আর পৃথিবী তার চাঁদ সহ সূর্যের চারপাশে ঘোরে , এমতাবস্থায় চাঁদ কিভাবে সূর্যের নাগাল পাবে তা বোধগম্য নয়। বোঝাই যাচ্ছে , আমরা সাদা চোখে চাঁদ ও সূর্যের যে দৈনন্দিন চলাচল দেখি অর্থাৎ আমরা দেখি চাঁদ ও সূর্য উভয়েই আসলে দৈনিক উদয় হয় ও এক সময় অস্ত যায় সেটাই কোরান অতি সরলভাবে বলছে।বিষয়টা পরিস্কার করে বলা হয়েছে নিচের আয়াতে ---

সুরা বাকারা -২: ২৫৮: তুমি কি সে লোককে দেখনি, যে পালনকর্তার ব্যাপারে বাদানুবাদ করেছিল ইব্রাহীমের সাথে এ কারণে যে, আল্লাহ সে ব্যাক্তিকে রাজ্য দান করেছিলেন? ইব্রাহীম যখন বললেন, আমার পালনকর্তা হলেন তিনি, যিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটান। সে বলল, আমি জীবন দান করি এবং মৃত্যু ঘটিয়ে থাকি। ইব্রাহীম বললেন, নিশ্চয়ই তিনি সুর্যকে উদিত করেন পূর্ব দিক থেকে এবার তুমি তাকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর। তখন সে কাফের হতভম্ব হয়ে গেল। আর আল্লাহ সীমালংঘণকারী সম্প্রদায়কে সরল পথ প্রদর্শন করেন না।

অর্থাৎ সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়ে , পশ্চিম দিকে অস্ত যায়। তার অর্থ সূর্যই আসলে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে। এটাই কোরানের ভাষ্য। সূর্য কোথায় অস্ত যায় , আর কোথা থেকে উদিত হয় , সেটাও পরিস্কার করে বলা আছে কোরানে ---

সূরা কাহফ- ১৮: ৮৬: অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।
সুরা কাহফ- ১৮: ৯০: অবশেষে তিনি যখন সূর্যের উদয়াচলে পৌছলেন, তখন তিনি তাকে এমন এক সম্প্রদায়ের উপর উদয় হতে দেখলেন, যাদের জন্যে সূর্যতাপ থেকে আত্নরক্ষার কোন আড়াল আমি সৃষ্টি করিনি।

অর্থাৎ সূর্য পূর্বদিক থেকে উদিত হয়ে পশ্চিমে একটা পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যায় নিয়মিত। উক্ত আয়াতগুলোকে অতি সংক্ষেপে মুহাম্মদ নিজেই ব্যখ্যা করে গেছে সূর্য অস্ত গিয়ে আসলে কোথায় যায় ---

সৃষ্টির সূচনা অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫৪ :: হাদিস ৪২১
মুহাম্মদ ইব্ন ইউসুফ (র)...............আবূ যার (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাঃ) সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবূ যার (রা)-কে বললেন, তুমি কি জান, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সিজদায় পড়ে যায়। এরপর সে পুনঃ উদিত হওয়ার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেওয়া হয়। আর অচিরেই এমন সময় আসবে যে, সিজদা করবে তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু অনুমতি দেওয়া হবে না। তাকে বলা হবে যে পথে এসেছ, সে পথে ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হবে--এটাই মর্ম হল আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ "আর সূর্য গমন করে তার নির্দিষ্ট গমত্মব্যের দিকে, এটাই পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ। (৩৬:৩৮)"

অর্থাৎ সূর্য অস্ত গিয়ে আল্লাহর আরশে সিজদায় পতিত হয়ে পুনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি চাইতে থাকে। আল্লাহ অতিশয় দয়া করে পরদিন ভোর বেলা আবার উদিত হওয়ার অনমতি দেয় বলেই আমরা আবার দিন দেখতে পাই , না হলে আর কখনও দিন আসত না দুনিয়াতে।

উক্ত বহু আয়াত ও হাদিস , সব একত্রিত করলে যার অর্থ দাড়ায় , সূর্য আসলে পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে , আর ঘোরে বলেই আপনার প্রতিদিন সূর্যের উদয় ও অস্ত দেখি। যার অর্থ হলো - কোরানের আল্লাহ সীমাহীনভাবেই মূর্খ , সে জানত না , সূর্য নয় , বরং পৃথিবীই সূর্যের চারপাশে ঘোরে , আর ঘোরার সময় নিজের কক্ষপথে পাক খায় বলে , দিন ও রাত হয়। অন্যভাবে , কোরান বস্তুত: কোন সর্বজ্ঞানী স্রষ্টার কিতাব নয় , যদি হতো , সে নিশ্চয়ই এত উদ্ভট কথা বলত না । বস্তুত: মুহাম্মদ সাদা চোখে সেই ১৪০০ বছর আগে যা দেখত , সে দেখত সূর্য প্রতিদিন উদিত হয় ও অস্ত যায় , আর সেটাই সে অতি সরলভাবে কোরানে বলেছে আল্লাহর নামে।

অথচ কোরানের এই সরল সহজ বিবরনের মধ্যে ইদানিং মুমিনরা অনুবীক্ষন যন্ত্র দিয়ে মহাবিশ্ব বিজ্ঞান খুজে মরছে। আফশোস তাদের প্রতি যারা চোখ কান বুদ্ধি থাকতেও সেটা মুহাম্মদের কাছে বন্দক রেখে মূর্খ ও উন্মাদ সেজেছে !

Comments

Ananda Mookerjee এর ছবি
 

This is nothing.
Flat earth of Quran:
Quran 2 (surat I- baqarah):22 : [He] who made for you the earth a bed [spread out] and the sky a ceiling and sent down from the sky, rain and brought forth thereby fruits as provision for you. So do not attribute to Allah equals while you know [that there is nothing similar to Him].
Quran 15 (sūrat l-ḥij'r):19 : And the earth We have spread out (like a carpet); set thereon mountains firm and immovable; and produced therein all kinds of things in due balance.
Quran 20 (sūrat ṭā hā):53 : He Who has made for you the earth like a carpet spread out; has enabled you to go about therein by roads (and channels); and has sent down water from the sky." With it have We produced divers pairs of plants each separate from the others.
[Arabic : Allathee jaAAala lakumu alarda mahdan wasalaka lakum feeha subulan waanzala mina alssamai maan faakhrajna bihi azwajan min nabatin shatta].
Quran 71 (sūrat nūḥ):19 : And Allah has made the earth for you as a carpet (spread out).
Some claim that Quran has said that the earth has the shape of an Ostrich’s egg. They quote the following verse:
Quran 72 (sūrat l-nāziʿāt):30: And after that He spread the earth.
In Quran the word “Daha” is used, which means to smooth out. It comes from the root word “Dahuw” which means to spread out. Other word also rooted in Dahaw means the place / expanse where an ostrich lays her eggs, not an egg of an ostrich. This ridiculous claim of shape of an ostrich egg (which again is ovoid, not geoid) is refuted by the following verse :
Quran 51 (sūrat l-dhāriyāt):48 : And the earth We have spread out, and excellent is the preparer.
According to Quran there are 7 flat earths like a pile of pancakes and 7 heavens in form of stacked domes :
Quran 65 (sūrat l-ṭalāq):12 : Allah is He Who created seven heavens, and of the earth the like of them; the decree continues to descend among them, that you may know that Allah has power over all things and that Allah indeed encompasses all things in (His) knowledge.
According to supposed revelation of God (Allah) to Muhammed, stars are missiles of God kept in the lowermost heaven, and shot at Jinn to drive them away from heaven.
Quran 37 (sūrat l-ṣāfāt):6: Indeed, We have adorned the nearest heaven with an adornment of stars
Quran 37:7 : And as protection against every rebellious devil
Quran 37:8 : [So] they may not listen to the exalted assembly [of angels] and are pelted from every side,
Quran 37:9 : Repelled; and for them is a constant punishment,
Quran 37:10 : Except one who snatches [some words] by theft, but they are pursued by a burning flame, piercing [in brightness].
Quran 67 (sūrat l-mulk):5 : And verily We have beautified the lowest heaven with lamps, and We have made them missiles for the devils, and for them We have prepared the doom of flame.
Thus, we see, that not only the concept of earth and sky are wrong in the Quran, but also Muhammed did not know the difference between stars and meteors. So, can we consider Quran to be divine revelation?

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 5 দিন 16 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর