নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • দ্বিতীয়নাম
  • নীল কষ্ট
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • কুমার শাহিন মন্ডল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • অনন্ত দেব দত্ত
  • কফিল উদ্দিন মোহাম্মদ

নতুন যাত্রী

  • মাষ্টার মশাই
  • লিটন
  • অনন্ত দেব দত্ত
  • ইকরামুল হক
  • আবিদা সুলতানা
  • ইবনে মুর্তাজা
  • কুমার শাহিন মন্ডল
  • ঝিলাম নদী
  • কিশোর ফয়সাল
  • উসাইন অং

আপনি এখানে

চরমোনাইয়ের ভণ্ডপীর এখন মাছের পেটে! (ছবি ও ভিডিওলিংকসহ)


চরমোনাইয়ের ভণ্ডপীর এখন মাছের পেটে! (ছবি ও ভিডিওলিংকসহ)
সাইয়িদ রফিকুল হক

নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে এই দেশে ধর্মপ্রিয় মানুষের সংখ্যা অনেক। আর এদের দুর্বলতার সুযোগে এই দেশে রাতারাতি ভূঁইফোঁড়ের মতো গজিয়ে উঠছে একশ্রেণীর পীর। এখানে, ধর্মচাষ করা খুব সহজ। আসলে, ধর্মচাষ করে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়াটা অধিকতর সহজসাধ্য। তাই, এখানে পীরালী-ব্যবসাটাও খুব জমজমাট। এরা নিজেদের স্বার্থে যখন-তখন ধর্মের অপব্যাখ্যা দিতে পারে এবং তা দিয়েও থাকে। আর এব্যাপারে তারা সিদ্ধহস্ত। এই দেশে এখন হারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজলেও হাতেগোনা কিছুসংখ্যক মানুষ ছাড়া ধার্মিক খুঁজে পাওয়া খুবই দুঃসাধ্য কাজ।

কিছুকাল আগে আমাদের দেশে একাত্তরের চিহ্নিত-যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে মর্মে এক মিথ্যাখবর পরিবেশন করে স্মরণকালের ভয়াবহ-অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছিলো পাকবাহিনীর চিরদোসর ও যুদ্ধাপরাধী রাজনৈতিক দল ‘জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান’। ২০১৩ সালে অত্যন্ত কুপরিকল্পিতভাবে যুদ্ধাপরাধী সাঈদীকে ফাঁসির দড়ি থেকে বাঁচাতে জামায়াত-শিবির এই ঘৃণ্যপ্রচেষ্টা চালিয়েছিলো। কিন্তু সফল হয়নি। তবে একটি নরাধমশ্রেণী এখনও এটি বিশ্বাস করে। আর এদের দেহে মানুষের রক্ত আছে কিনা সন্দেহ। সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার তাগিদে একটি পশুগোষ্ঠী উদ্দেশ্যমূলকভাবে যুদ্ধাপরাধী সাঈদীকে চাঁদে দেখা যাওয়ার গুজব রটিয়েছিলো। এদেরই একটি বংশধর চরমোনাই ওরফে চোরমোনাইয়ের পীর। এরা সবাই আবার জাতে ধর্মচোর।

অতিসম্প্রতি নিজের বুজুর্গি জাহির করার জন্য চরমোনাইয়ের ভণ্ডপীর রেজাউল করিম নিজেকে মাছের গায়ে চিত্রিত করেছে। মাছের গায়ে নিজের ছবি এঁকে চরমোনাইয়ের পীর বোঝাতে চাইছে যে, “সে বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বুজুর্গ-লোক! আর আল্লাহর কুদরতে তার ছবি মাছের গায়েও এখন দেখা যাচ্ছে! আল্লাহর ইচ্ছায় চোরমোনাইয়ের পীর এখন মাছের পেটে শোভা পাচ্ছে!” আর তাই, তার মূর্খ-পশু মুরীদদের একাংশ বড়-বড় কয়েকটি মাছের গায়ে তার ছবি এঁকে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে তা আবার নিজেদের ফেসবুক-ওয়ালে পোস্ট করে দেশব্যাপী-আলোড়নসৃষ্টি করতে চাইছে। শয়তান আর কাকে বলে!

মাছের গায়ে চরমোনাই ওরফে চোরমোনাইয়ের পীরের ছবি অংকিত মাছসহ গ্রাম্য-মূর্খ মুরীদদের কয়েকজনকে দেখা যাচ্ছে।

এই দেশে একাত্তরের চিহ্নিত-যুদ্ধাপরাধীচক্রের একটি হলো চোরমোনাইয়ের ভণ্ডপীর। এরা এখন নিজেদের ইমেজবৃদ্ধি করার জন্য মূর্খ-মুরীদদের সহায়তায় এই অতিসস্তা বুজুর্গি-প্রকাশ করছে। এদের অপকর্ম এখানেই শেষ নয়। এরা নিজেরা এবং তাদের সমগোত্রীয় আরও কতিপয় শয়তানচক্র এখন মাছের গায়ে আরবিতে আল্লাহ-নামটি লিখে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করে ইসলামের গৌরবের নামে সীমাহীন-ভণ্ডামি করছে। এই ভণ্ডামির নমুনা নিচে দেওয়া হলো:

এই ছবিটিরই একটি ভিডিওলিংক:https://youtu.be/6WsFJce9c7c

সম্মানিত পাঠকবর্গ, একবার ভেবে দেখুন: যারা নিজেদের ধর্মব্যবসার স্বার্থে নিজের হাতে মাছের গায়ে নিজের ছবি এঁকে এ-কে ‘আল্লাহর কুদরত’ বলে প্রকাশ করতে পারে—তারা কতবড় শয়তান! আর কতবড় ধোঁকাবাজ! এই ভণ্ডপীর রেজাউল করিমের মুরীদরা এ-কে ‘হুজুরের কেরামতি’ বলে প্রকাশ করেছে। এই লোকগুলো কতবড় জাহেল-শয়তান! আসলে, এটি কোনো কেরামতি নয়—বরং এগুলো চূড়ান্ত ভণ্ডামি আর ধর্মের নামে জঘন্য শয়তানী। আর ইসলামের নাম-ভাঙ্গিয়ে এই দেশের একশ্রেণীর মূর্খ-মুসলমানদের চোখে ধূলো দিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়ে নেওয়া। এই শয়তানীর নাম চোরমোনাই!

চরমোনাইয়ের গোড়াপত্তনকারী মৌ-লোভী ইসহাক ছিল পাকিস্তানের গোলাম। আর ১৯৭১ সালে, তদীয় পুত্র চরমোনাইয়ের আরেক পীর ফজলুল করিমও ছিল পাকিস্তানের দালাল। আর বর্তমানে ফজলুল করিমের ছেলে রেজাউল করিমও পাকিস্তানের একনিষ্ঠ-দালাল। এরা দালালবংশের উত্তরাধিকারী। এদের দালালি, ভণ্ডামি আর শয়তানী করতেই বেশি ভালো লাগে। তাই, এরা মাছের গায়ে নিজের ছবি এঁকে ধর্মব্যবসা চালাতে সামান্য লজ্জাবোধও করছে না। ধিক্ এই কুলাঙ্গারদের! ধিক্ এই নরপশুদের!

বাংলাদেশে ভণ্ডের চাষ খুব বেশি হচ্ছে। এই পশুদের কঠোরহস্তে দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। বাংলাদেশের মতো একটি আধুনিকরাষ্ট্রে ধর্মের নামে এইধরনের বালখিল্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। মানুষ আর মানবতার স্বার্থে এই ভণ্ডঅপশক্তিকে ধ্বংস করতেই হবে।

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
১১/০৪/২০১৭

Comments

ফাতেমা বেগম এর ছবি
 

এখন এই জাতের মাছ কি বেশী বেশী খেতে হবে নাকি একেবারে খাওয়া যাবে না? সওয়াব হাসিলের স্বার্থে...

 
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
 

মাছ আগের মতোই খাবেন। এতে কোনো সমস্যা নাই। শুধু এই ভণ্ডদের অপপ্রচার থেকে আমাদের-নিজেদের রক্ষা করতে হবে।

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। আর সঙ্গে শুভেচ্ছা।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 26 min ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর