নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অর্বাচীন উজবুক
  • নুরুন নেসা
  • সুজন আরাফাত
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক
  • নাস্তিকের আত্মকথা
  • আবীর সমুদ্র
  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র
  • গাজী নিষাদ
  • বেকার
  • আসিফ মহিউদ্দীন
  • সাধনা নস্কর

আপনি এখানে

জাকির নায়েক যে একটা নিকৃষ্ট মিথ্যাবাদী, ভন্ড ও মুনাফিক , তার প্রমান


অনেকেই আছে যারা মনে করে , দুনিয়াতে জাকির নায়েকের চাইতে ইসলাম আর ভাল কেউ জানে না। ইসলাম নিয়ে কোন বিষয়ে বিতর্ক উঠলেই তারা জাকির নায়েকের রেফারেন্স দেয়। আর ১০০% নিশ্চিত থাকে যে , বিতর্কিত বিষয়ে জাকির নায়েক নিশ্চিতভাবেই যুক্তি সঙ্গত উত্তর দিয়েছে। তাদেরকে আজকে প্রমান করব , জাকির নায়েক হচ্ছে একটা নিকৃষ্ট ভন্ড , মিথ্যাবাদি ও মুনাফিক।প্রকাশ্য জনসভায় কিভাবে যে বুক ফুলিয়ে মিথ্যা কথা বলে , তা না দেখলে বিশ্বাসই হয় না।

নিচে একটা ভিডিও আছে , যেখানে একজন জিজ্ঞেস করছে কোরানের সুরা তাওবা ৯:৫ আয়াতে যে বলা হয়েছে কাফিরদেরকে হত্যা কর , তাই যদি হয় , তাহলে ইসলাম কিভাবে শান্তির ধর্ম হয়? উত্তরে জাকির নায়েক যা বলল , তা শোনা যাক

- https://www.youtube.com/watch?v=ZrHm4JVE_1o

উত্তরে জাকির নায়েক বলছে - উক্ত ৯:৫ আয়াত নাকি প্রেক্ষাপট বিহীন ভাবে অর্থ করা হয়। তারপর নানা আগডুম বাগডুম কথা বলে , অবশেষে যা বুঝাল তা হলো - এই আয়াত নাজিল হয়েছিল যুদ্ধের সময়। কাফিরদের সাথে মুহাম্মদের একটা শান্তি চুক্তি ছিল , যা কাফিররা ভঙ্গ করে যুদ্ধ ঘোষনা করে , সুতরাং যুদ্ধের সময় আক্রমনকারী বা শত্রুকে হত্যা করা দুনিয়ার যে কোন বিধানেই বৈধ। আর তাই ৯:৫ নং আয়াতে যে কাফিরদেরকে হত্যা করার কথা বলা হচ্ছে , সেটাও বৈধ ও নৈতিক। তো এবার দেখা যাক , কোরানের এই ৯ নং সুরা তাওবা নাজিলের প্রেক্ষাপট।

যে কেউ এই সাইটে গেলেই (http://englishtafsir.com/Quran/9/index.html) জানতে পারবে যে , সুরা তাওবা নাজিল হয়েছিল ৯ হিজরিতে। আর মুহাম্মদ মক্কা বিজয় করেছিল ৮ হিজরিতে , তা জানা যাবে এই সাইটে - https://en.wikipedia.org/wiki/Conquest_of_Mecca। তার মানে সুরা তাওবা নাজিল হয়েছিল মুহাম্মদের মক্কা বিজয়ের এক বছর পর। আর তখন মক্কা ও মদিনা এবং তার আশ পাশের অঞ্চল সব মুহাম্মদের করতলগত ও কেউ তার বিরোধীতা করার সাহস পায় না। অর্থাৎ যখন কেউই মুহাম্মদকে আক্রমন করতে যাচ্ছিল না , সেইরকম একটা শান্তির সময়েই সুরা তাওবা নাজিল হয়। তাই যদি হয়, তাহলে নিচের আয়াতে যে চুক্তির কথা বলছে , সেটা কি ?
---------------------------------------------------------------------------
সুরা তাওবা - ৯: ১: সম্পর্কচ্ছেদ করা হল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে সেই মুশরিকদের সাথে, যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলে।
-------------------------------------------------------------------------
উক্ত আয়াত পড়ে মনে হতে পারে যে মুহাম্মদের সাথে মুশরিক তথা কুরাইশদের সাথে কোন চুক্তি ছিল। কিন্তু আসলে সেটা না। যদি ন্যূনতম সাধারন জ্ঞান থাকে তাহলেই সেটা বোঝার কথা। মুহাম্মদ যখন মক্কা মদিনা সহ আশ পাশের সব গোত্রের ওপর নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল , তখন তার সাথে তাদের পূর্বেকার যে সব চুক্তি ছিল( উদাহরন স্বরূপ- হুদায়বিয়ার চুক্তি) , সেসব কি আর বলবৎ থাকে ? বিজয়ী দলের সাথে বিজিত দলের কোন চুক্তি কি আর বলবৎ থাকে ? থাকে না। তাই মক্কা বিজয়ের সাথে সাথেই অমুসলিমদের সাথে সম্পাদিত সব চুক্তিই বাতিল হয়ে যায় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই। এমতাবস্থায় তাহলে উক্ত ৯:১ তে বনির্ত কথিত চুক্তিটা কি ?

মুহাম্মদ মক্কা বিজয় করার পরে মক্কায় বসবাস না করে পুনরায় মদিনায় ফিরে যায়। মক্কা বিজয়ের পর মুহাম্মদের কথিত উদারতার যে কথা বলা হয়, তার ফলে মুহাম্মদ মক্কার কুরাইশদেরকে কাবা ঘরে তাওয়াফ করতে নিষেধ করে যায় নি। কুরাইশদেরকে যে কাবা ঘরে তাওয়াফ করতে নিষেধ করে নি , সেটাই ছিল মূলত: ৯:১ নং আয়াত বর্ণিত চুক্তি। মদিনায় ফিরে যাওয়ার পর মুহাম্মদের মনে মৃত্যু শংকা জাগে কারন তখন মুহাম্মদ খায়বারে ইহুদি নারী কর্তৃক বিষমাখা গোস্ত খেয়ে দারুনরকম অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মরার আগে মুহাম্মদের ইচ্ছা জাগে , মক্কা-মদিনা থেকে সব অমুসলিম বিতাড়িত করার যারা চৌদ্দ পুরুষ আগ থেকেই সেখানে বাস করে আসছিল। আর তখনই মুহাম্মদ নাজিল করে বিখ্যাত এই সুরা তাওবা। এই আয়াত নাজিল করে মুহাম্মদ আবু বকর ও আলীকে পাঠায় মক্কায় তা প্রচার করে দিতে , তারা সেই মত মক্কায় যায় ও নিচের আয়াত প্রচার করে ---
------------------------------------------------------------------------
সুরা তাওবা -৯:৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
-------------------------------------------------------------------------
তার মানে ৯:১ আয়াতের যে চুক্তি সেটা আসলে , মুহাম্মদ মক্কা ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় কুরাইশদেরকে কাবা ঘরে তাওয়াফ করতে নিষেধ করে নি , সেটাই। আর এটা ছিল মুহাম্মদের এক তরফা ইচ্ছা আর সেই কারনেই ৯:১ আয়াতেই এক তরফাভাবে চুক্তি বাতিল করে দিচ্ছে। অর্থাৎ মুহাম্মদ আগে ইচ্ছা করেছিল কুরাইশরা কাবা ঘরে তাওয়াফ করতে পারবে , কিন্তু এখন আর সেই ইচ্ছা নেই তাই এটা বাতিল করে দিচ্ছে , তবে সেটা সামনের নিষিদ্ধ মাস পর্যন্ত অর্থাৎ সামনের হজ্জ পর্যন্ত। এরপর যা বলছে তা দুনিয়ার সকল হিংস্র , বর্বর , অমানবিক ও অনৈতিক বিধানের চাইতেও খারাপ আর সেটা হলো ---

======অত:পর তাদেরকে যেখানে পাওয়া যাবে , সেখানেই হত্যা করা হবে, তাদের জন্যে ওৎ পেতে থাকা হবে, তারপর আক্রমন করে হত্যা করতে হবে।=====

--- কিন্তু কি তাদের অপরাধ ? তারা কি মুহাম্মদ বা মুসলমানকে আক্রমন করতে যাচ্ছিল ? মোটেই না , সেটাও কিন্তু উক্ত ৯:৫ আয়াতে সুন্দর করে বলা আছে , সেটা হলো -- "তারা যদি তওবা করে, নামাজ কায়েম করে , যাকাত দেয় অর্থাৎ ইসলাম গ্রহন করে , তাহলে তাদেরকে ছেড়ে দিতে হবে "। যার সোজা অর্থ হলো - কুরাইশ পৌত্তলিকরা যে ইসলাম গ্রহন করে নি , সেটাই ছিল তাদের একমাত্র অপরাধ আর সেই অপরাধের জন্যেই তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে হত্যা করতে হবে। তবে ইসলাম গ্রহন করলে তাদেরকে ছেড়ে দিতে হবে।

ঠিক একই রকম কথা বলা হচ্ছে , নিচের আয়াতেও ----
--------------------------------------------------------------------------
সুরা তাওবা -৯: ২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।
------------------------------------------------------------------------
দেখুন আহলে কিতাবের লোক বা ইহুদি খৃষ্টানদের ওপর কি কারনে আক্রমন করতে হবে ? তারা কি মুসলমানদেরকে আক্রমন করতে যাচ্ছিল ? না মোটেই তা না। তাদের একমাত্র অপরাধ উক্ত ৯:২৯ নং আয়াতেই বলা আছে আর সেটা হলো - ===তারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ইমান রাখে না অর্থাৎ তারা ইসলাম গ্রহন করে নি==== , সেটাই হলো তাদের জন্য ভয়াবহ অপরাধ আর তার শাস্তি হলো , তাদের ওপর আক্রমন করে তাদেরকে হত্যা করতে হবে। তবে যদি তারা জিজিয়া কর দিয়ে অপমানজনকভাবে অনেকটা দাসদাসীর মত বাস করে তাহলে তাদেরকে কিছু বলা হবে না। এই বিষয়টা খুব সুন্দরভাবে বলা আছে নিচের হাদিসগুলিতে --
---------------------------------------------------------------------------
কিতাবুল ঈমান অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩৩
আবু গাসসান-আল মিসমাঈ মালিক ইবন আবদুল ওয়াহিদ (র)……আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে,রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, লোকদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষন না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল এবং নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় । যদি এগুলো করে তাহলে আমা থেকে তারা জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে, তবে শরীআতসম্মত কারন ছাড়া । আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে ।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ২২০
ইয়াহ্ইয়া ইব্ন বুকাইর (র)...............আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমি প্রেরিত হয়েছি এবং শত্রুর মনে ভীতির সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে।

জিহাদ অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ৭৩
আব্দুল্লাহ ইব্ন মুহাম্মদ (র)............উমর ইব্ন উবায়দুল্লাহ (র)-এরাযাদকৃত গোলাম ও তার কাতিব আবূন নাযর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইব্ন আবূ আওফা (রা) তাঁকে লিখেছিলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা জেনে রাখ, তরবারীর ছায়ার নীচেই জান্নাত।

-----------------------------------------------------------------------------

তার মানে ৯:৫ নং আয়াতে যে মুশরিক বা কাফের হত্যার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে , সেটা কোন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে না , সে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে সম্পূর্ন শান্তির সময় , আর সেটা দেয়া হচ্ছে এই কারনে যে , মুশরিক বা কাফেরদের একমাত্র অপরাধ যে তারা ইসলাম গ্রহন করে নি। কিন্তু জাকির নায়েক তার সামনে হাজির থাকা শত শত দর্শকের সামনে দিব্বি মিথ্যা কথা বলে গেল , খুব দৃঢ়ভাবেই। প্রশ্ন হলো কেউ কি এসব তথ্য দর্শকদের মধ্যে জানত না ?

খেয়াল করতে হবে , উপস্থিৎ দর্শকদের সিংহভাগই হলো মুসলমান যারা ইসলামকে ভাল দেখানোর জন্যে যে কোন মিথ্যা কথাকেই সানন্দে গ্রহন করে হাত তালি দেবে , বাকী যারা তারা কোরান হাদিস পড়েছে মনে হয় না , পড়ে থাকলেও , তখন প্রশ্ন করার সুযোগ কোথায়? শোনা যায় , জাকির নায়েক প্রশ্ন কারী আগেই ঠিক করে দেয়, সেই সাথে প্রশ্নও । আরও শোনা যায়, প্রশ্নকারীদেরকে তার নিজের লোকজনরাই ঠিক করে অনেকটা ভাড়াটে প্রশ্নকারীর মত।

বর্তমানে মুসলমানরা যে তাদের দেশে সংখ্যালঘুদেরকে নানা সময় আক্রমন নির্যাতন করে , তার একটাই কারন হলো কোরানের এই নির্দেশ। তারা মাঝে মাঝে দাঙ্গা বাধায় , আক্রমন করে , তাদের উপাসনালয় পুড়িয়ে দেয়, তার একটাই অর্থ, অমুসলিমরা তোমরা তোমাদের ভিটে মাটি ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যাও। এই শিক্ষাটা স্বয়ং মুহাম্মদ নিজেই কোরানের বিধান মোতাবেক শিখিয়ে গেছে। কি শান্তিপূর্ন কি জিহাদি, সব মুসলমানই প্রকাশ্যে বা পরোক্ষে এই বিধানই মেনে চলে আজ অবধি।

এখন মোমিন মুসলমানরা , আপনারাই বলেন , এই জাকির নায়েক কি একটা প্রকৃত ইসলামী পন্ডিত নাকি একটা মিথ্যাবাদী ভন্ড ও মুনাফিক ?

মন্তব্যসমূহ

নরসুন্দর মানুষ এর ছবি
 

অাপনার লেখার গুরুত্ব অনেক; ইবুক করার জন্য লেখাগুলো কি পেতে পারি অামরা?

নরসুন্দর মানুষ

 
কাঠমোল্লা এর ছবি
 

আমার লেখা সকলের জন্যে ওপেন। যে যা খুশি করতে পারে। কোন সমস্যা নেই।

 
নাস্তিকের আত্মকথা এর ছবি
 

চলুক ভণ্ডদের মুখোশ উন্মোচনের যুদ্ধ।

উঠিয়াছি চির বিস্ময়, আমি বিশ্ব বিধাত্রীর।

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 10:48পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর