নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • নুর নবী দুলাল
  • সজয় সরকার
  • আমি মানুষ বলছি

নতুন যাত্রী

  • নিনজা
  • মোঃ মোফাজ্জল হোসেন
  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী

আপনি এখানে

পৃথিবী ও মহাবিশ্ব সৃষ্টির পিছনে ধর্মীয় ঈশ্বরের হস্তক্ষেপ


এই রচনাটির শুরুতে এই বিশ্বজগত, গ্যালাক্সি, গ্রহ-নক্ষত্র- সব কিছু সৃষ্টির নেপথ্যে একজন “বুদ্ধিমান সত্ত্বা” যাকে আমরা প্রচলিত ধর্মমতে “ঈশ্বর” বলে জানি, তাকে মেনে নিয়েই শুরু করতে চাই! আমরা খুব বেশি জানি এমনটা দাবী করব না। এই বিপুল মহাবিশ্বের এখনো অনেকটাই আমাদের অজানা। আমরা কেবল মহাবিশ্বের শুরুটা কিভাবে হয়েছিল এখনো সেটাকে জানতে চেষ্টা করছি। যদিও সাম্প্রতিককালে সমস্ত বৈজ্ঞানিক আবিস্কার, বিবর্তনবাদ, জৈব বিজ্ঞান থেকে আমরা প্রায় নিশ্চিত হতে পেরেছি আমরা, মানে এই সৌরজগত, আমাদের গ্যালাক্সি, গোটা মহাবিশ্ব “সয়ংম্ভু” অর্থ্যাৎ ঈশ্বরের মতই কারোর সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজেই তৈরি হয়েছে। আসলে সৃষ্টির আদি প্রশ্নে উত্তরটা মানুষের জানাই ছিল যে, এই মহাবিশ্বকে আপনাআপনি হওয়া ছাড়া কোন গতি নেই কেননা এই মহাবিশ্বকে সৃষ্টির কেডিট যাকেই দেয়া হোক (ঈশ্বর) তাকে অবশ্যই কারুর সাহায্য ছাড়াই সৃষ্টি হতে হবে! তাহলে মহাবিশ্বের বেলাতে সেকথা মানতে অসুবিধা কোথায়? আর এটিই আসলে আমাদের শেষ উত্তর। তবু এই রচনার সুবিধার্থে আমরা শুরুতেই একজন “বুদ্ধিমান সত্ত্বাকে” স্বীকার করে নিচ্ছি যিনি এই বিশ্বচরাচর সৃজন করেছেন। এবার আমরা দেখব, সেই “বুদ্ধিমান সত্ত্বা” কি আমাদের প্রচলিত ধর্মগুলোর “ঈশ্বর” কিনা। যদি ধর্মগুলোর মধ্যে ভুল থাকে, এই মহাবিশ্ব সম্পর্কে তার জ্ঞান নিউটন, আইনস্টাইন, হকিং এমন কি মধ্যযুগের এরিস্টটলের চেয়েও কম হয়, সত্যিকথা বলতে গেলে মাওলানা রাজ্জাকের সমতুল্য হয় তো নিশ্চিত করেই প্রমাণ হবে যে, এই মহাবিশ্বকে সৃজন করার নেপথ্যে আমরা যে তর্কের খাতিরে “এক বুদ্ধিমান সত্ত্বাকে” বসিয়েছি সে তিনি নন! তখন প্রমাণ হবে, তিনি আসলে পৃথিবীতে কোন ধর্ম পাঠাননি। যে সব নবী ও অবতাররা নিজেদের ঈশ্বরের প্রতিনিধি বলে দাবী করেছিলেন তারা আসলে প্রতারক নয়ত মানসিকভাবে অসুস্থ। আমরা তাই ধর্মীয় গ্রন্থগুলোর মধ্যে এই জগতকে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে সেগুলোকে গ্রহণ করবো, এই জীব জগত, বিশ্বচরাচর সম্পর্কে ধর্মগ্রন্থগুলো যা বলেছে তাকে যুক্তি দিয়ে বিচার করে দেখব তারা সঠিক ছিলেন কিনা।

এই মহাবিশ্বের শুরু ও আমাদের পৃথিবী সৃষ্টির বিষয়ে কি কথা বলা আছে ধর্মগুলোতে এবার দেখা যাক। আপনারা কুরআন, তাওরাত, বাইবেল পড়লে দেখবেন পৃথিবী সৃষ্টি বিষয়ে বলা হয়েছে ছয়দিনে ঈশ্বর/আল্লাহ বিশ্বজগত সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি তার সৃষ্টির যে ধারাবাহিতকার লিস্ট দিয়েছেন তা আজকের যুগে একটা স্কুলের বাচ্চাও তার জ্ঞান দিয়ে খন্ডন করে হেসে গড়িয়ে পড়বে। কুরআনসহ ইহুদী খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ দাবী করছে আল্লাহ পৃথিবীতে গাছপালা সৃজন করার পরে সুর্যকে সৃষ্টি করেছেন। এটি একটি বড় ধরণের ভুল এবং বিজ্ঞানের থিউরীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সূর্যের আলো ছাড়া গাছপালার কথা কল্পনাও করা যায় না। আসলে যে সময় এই বইগুলি লেখা হয়েছিল তখন মানুষের জ্ঞান এই পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায়নি। তাছাড়া ধর্মীয় বইগুলি যারা লিখেছেন তারা কেউই সায়েন্টিস ছিলেন না। কুরআন দাবী করছে-

//বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দুদিনে এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থির কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা। তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে। অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম। অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে দুদিনে সপ্ত আকাশ করে দিলেন এবং প্রত্যেক আকাশে তার আদেশ প্রেরণ করলেন। আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি। এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা। (৪১: ৯ থেকে ১২)//।

এই আয়াতগুলিতে যা বলা আছে আজকের যুগে গড়পড়তা বিগ ব্যাং সম্পর্কে যারা নামমাত্র ধারনা রাখেন তারাও ভুলগুলি দেখতে পাবেন। আল্লাহ বলছেন তিনি পৃথিবীতে পাহাড় তৈরি করে তারপর মনোযোগ দিয়েছেন আকাশে! নিকটবর্তী আকাশে প্রদীপমালা মানে নক্ষত্রগুলোকে সৃষ্টি করেছেন! এর মানে হচ্ছে পাহাড়ের সৃষ্টি কিভাবে হয়েছে সেটা আল্লাহ জানতেন না। গ্রহ-নক্ষত্র কিভাবে বিগ ব্যাংয়ের পর তৈরি হয়েছে সে সম্পর্কে তার কোন ধারণাই নেই। আল্লাহ জানতেন না এই সৌরজগতের আরো গ্রহ আছে যেখানে পাহাড় আছে। আল্লাহ জানতেন না সুশোভিত করতে পৃথিবী সৃষ্টির চারদিন পর তিনি নক্ষত্র তৈরির যে দাবী করেছেন সেটা ভুল! কেননা আমাদের নিকটবর্তী একেকটা নক্ষত্রর বয়স পৃথিবীর চাইতে কয়েক হাজার গুণ বেশি! সৌর জগতে তো বটেই, গোটা মহাবিশ্বে পৃথিবী হচ্ছে খুবই তুচ্ছ একটি গ্রহ মাত্র। এমনকি আমাদের গ্যালাক্সির অনুরূপ কয়েক হাজার গ্যালাক্সির সন্ধান এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন যেগুলির বয়স আমাদের থেকে অনেক বেশি। অথচ কি অবলীলায় মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন মহান আল্লাহপাক তিনি নাকি পৃথিবী সৃষ্টি করে তারপর আকাশে অন্যান্য জিনিসের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন!

আরো ব্যাপক মজা পেতে দেখুন-

//তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন? তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন। তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন। পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন। তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন, পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে (৭৯: ২৭ থেকে ৩৩)//

এই আয়াতগুলিতে আল্লাহ বলছেন উনি আকাশকে উচ্চ করেছেন! ছোটবেলায় ভাবতাম, যদি এমন একটা লম্বা মই তৈরি করা যায় যেটা বেয়ে এক সময় আকাশকে ছোঁয়া যাবে। তখন ভাবতাম আকাশ একটা ছাদের মত আমাদের মাথার উপর যেটা নিচু হয়ে গিয়ে দিগন্তে মিশেছে। এই শিশুসূলভ বিশ্বাস কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত পৃথিবীর মানুষ ভেবে এসেছিল। এমনকি আমাদের মত ধর্মীয় উম্মদনার দেশে এখনো শিক্ষিত মানুষজন এইসব শিশুসুলভ বিশ্বাসই নিজের মধ্যে লালন করেন। আকাশ বলতে কিছু নেই, শূন্যকে আবার উঁচু নিচু করে কিভাবে- কে জানে বাবা! আবার বলছেন পৃথিবীতে পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে বসিয়েছেন যাতে ছাগল-ভেড়ারসহ আমরা গড়িয়ে পড়ে না যাই। এসব পর্বত না থাকলে টলমল করে দুলতে থাকত পৃথিবী আর আমাদের রাখালরা তাদের ছাগলের পাল নিয়ে সব গড়িয়ে মহার্শূন্যে পড়ে যেতো! হা হা হা… মধ্যাকর্ষণ শক্তির কথা এই সেদিন নিউটন আবিষ্কার করেছিলেন। কাজেই মহাম্মদ কেন, তাওরাত, বাইবেল যারা লিখেছেন তাদেরও সে জ্ঞান থাকবে না এটাই স্বাভাবিক।

যাদের এখনো বিনোদন পূর্ণ হয়নি মনে করছেন তাদের জন্য এই হাদিসটি পাঠ করতে বলছি-

//ইবনে কাসীর ইবনে জরীরের বরাত দিয়ে ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন- মদীনার ইহুদীরা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর কাছে একত্রিত হয়ে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি সম্পর্কে প্রশ্ন করলে, তিনি বলেন- আল্লাহ তা’য়ালা পৃথিবীকে রোববার ও সোমবার, পর্বতমালা ও খনিজ দ্রব্যাদি মঙ্গলবার, উদ্ভিদ-ঝড়না ও অন্যান্য বস্তু এবং জনশূণ্য প্রান্তর বুধবার সৃষ্টি করেছেন। এতে মোট চারদিন সময় লাগে। তারপর বৃহস্পতিবার দিন তিনি আকাশ সৃষ্টি করেন। আর শুক্রবার তারকারাজি, সূর্য-চন্দ্র ও ফেরেশতা সৃজিত হয়। শুক্রবার দিনের তিন প্রহর বাকি থাকতে এসব কাজ শেষ হয়। তারপর সেই দিনের দ্বিতীয় প্রহরে সম্ভাব্য বিপদাপদ সৃষ্টি করা হয়। আর শেষ প্রহরে হযরত আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করে জান্নাতে স্থান দেওয়া হয়। ইবলীসকে আদেশ করা হয় তাঁকে সেজদা দিতে। ইবলীস অস্বীকার করলে তাঁকে জান্নাত থেকে বহিষ্কার করা হয়। এসব কাজ তৃতীয় প্রহরের শেষ দিকে সমাপ্তি লাভ করে। (সহীহ বোখারী শরীফ//।

এই হাদিসও বলছে সূর্যকে সৃষ্টি না করেই আল্লাহ গাছপালা সৃষ্টি করেছিলেন! তারপর বলছেন “বিপদ-আপদ” সৃষ্টি করেছেন! ইহা কি বস্তু ভাই? মহাবিশ্ব সৃষ্টির মত বস্তুবাদী বিষয়ে “বিপদআপদ” সৃজন কল্পনার চাইতোও অধিক! গোটা হাদিসটা এতটাই হাস্যকর যে আজকাল কিছু মডারেট ইসলাম প্রচারক হাদিসটি দুর্বল বলে বাতিল করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন!

উপরের এইসব আলোচনা থেকে কথিত “এক বুদ্ধিমান সত্ত্বা” যে “আল্লাহ/ভগবান/ঈশ্বর” নন এতে প্রমাণিত হয়ে যায়। কারণ আর যাই হোক, ওরকম কোন সত্ত্বা উদ্ভট হাস্যকর কথা বলবেন না যা আজকের বিজ্ঞানের যুগে প্রমাণিত হয়ে যাবে। তারপরও যারা “কিছু একটা আছে” জাতীয় তালগাছ আকড়ে থাকতে চান, তারা একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন- সেই “কিছু একটা” কি কুরআন, বাইবেল, তাওরাত রচনা করেছেন যেখানে হাজারটা ভুল আর অসত্য! আর যদি তিনি এইসব নবী দাবীকৃত ভন্ডদের না-ই পাঠিয়েই থাকেন তো কে আছে আর নাই- তাতে আমাদের কি আসে যায়? একটু ভেবে দেখবেন।

Comments

সচ্ছ আহমেদ এর ছবি
 

অসাধারণ, প্রাণবন্ত, সহজ ভাষায় লিখেছেন। আমিন Smile

 
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
 

পৃথিবী এক মহান ঈশ্বরের সৃষ্টি। আর এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করার কোনো প্রয়োজন নাই।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 
হাবশী গোলাম এর ছবি
 

আসলে বিগ ব্যাং নিয়ে আপনার কোন ধারনাই নাই। বিগ ব্যাং তত্ত্বের মূল কথাই হচ্ছে তিনটি
১/ মহাবিশ্বের একটা শুরু আছে,
২/এটি সম্প্রসারনশীল এবং
৩/অবশ্যই এর একটা শেষ বা ধ্বংশও আছে।

বিগ ব্যং তত্ত্বের এই তিনটি অংশকেই কোরানে অত্যন্ত স্পষ্ট করে বর্ণণা করা হয়েছে--

-----তিনি আকাশমন্ডলী ও জমিনকে অনস্তিত্ব বা শূণ্য থেকে অস্তিত্বে আনয়নকারী; (২:১১৭)

-----অবিশ্বাসীরা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর একত্রিত ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না? [সুরা আম্বিয়া: ৩০]

বিগ ব্যাং তত্ত্বের দ্বিতীয় গুরুত্বপুর্ন অংশ হচ্ছে সম্প্রসারনশীল মহাবিশ্বের ধারনা। এই তত্ত্ব মতে সৃষ্টির পর থেকেই মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হয়ে চলেছে। অবিশ্বাস্যভাবে কোরান এ কথাটাই বলেছে--

-----And it is We who have built the universe, and behold, We are steadily expanding it. (51:47)

-----আমি মহাবিশ্বের স্রষ্ঠা এবং আমিই ধীরে ধীরে এর সম্প্রসারনকারী

ধ্বংশ--

সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে। [সুরা আম্বিয়া: ১০৪]

আসলে বিগ ব্যাং নিয়ে খুব একটা ধারনা রাখেন না এবং খুব হাস্যকর ভাবে একটা পোস্ট দিয়েছেন।

-----------------------------------------------------------------------------------------
“তারা মুখের ফুতকার দিয়ে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তার নূরের পুর্ণতা দান করবেন; ওদের নিকট তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন ( আল-কোরান)

 
সুজন আরাফাত এর ছবি
 

বিগব্যাং সম্পর্কে সবচেয়ে ভাল ব্যাখ্যা আমরা জানতে পারব এস্ট্রো ফিজিক্সের বই থেকে।যে কিতাব দিন রাত্রীর কারন জানতে গলদঘর্ম হয়ে পড়ে বলে - সূর্য রাতের বেলা আল্লাহর আরশের নীচে সিজদায় মাথা ঠুকে,সেই কিতাবে বিগব্যাং খুঁজতে যাওয়া কতটা যৌক্তিক?

 
নাই  এর ছবি
 

কত যুক্তি মানুষকে তার বিশ্বাস থেকে সড়ানোর জন্য। পেটে ভাত না থাকেলে কেও বলে না,আয় ভাত খা,আশ্র‍য় না থাকলে কেও আশ্রয় দেয় না, অথচ তারা যুক্তি দেয় পালন কর্তা নেই! আচ্ছা নেই, তবে এমনিতেই সব হয়ছে কিন্তু এইটা প্রমান করে আপনাদের লাভ টা কি! লাভ টা কি! লাভ আপনারা ইচ্ছামত সেক্স,মদ,গাজা,গে সেক্স, আর অনেক খারাপ কাজ করতে পারবেন? ধর্মেরকে বাদ দেওয়ার জন্য আপনারা এইসব করছেন! ধর্ম না থাকেলে দুনিএয়া অনেক আগেই ধংস হইয়া যাইত!
so, আপনি পুজা,নামাজ,বা চার্চে গিয়ে প্রাথনা করবেন না এইতা আপনার বেপার কিন্তু নিজে বাশ খেয়ে অন্যকে কেন বাশ খাওয়াতে চান!

 
নাই  এর ছবি
 

সুজন আরাফাত!!!!!আপনি আপনার পুরো জীবনে কতগুলো ইসলামিক বই পড়েছেন! আমার মনে হয় না আপনি কমপক্ষে আল-কুরাআন পরে শেষ করেছেন! আর যুক্তি দেন, কুরআনের ভুল বের করেন! বুকে হাত দিয়া বলতে পারবেন পুরো কুরআন পরেছেন,তর্রজমাসহ!!! পরলে এক্তু হলেউ বুঝতেন! যেমন: কুরআনের এক আয়াতে বলা হইয়াছে: নামাজের নিকতবর্তী হয়উ না, এক্ষন আপনি ভাবলেন আল্লাহ ত নামাজ পরেতে নিষেধ করেছেন, কিন্তু আগের লাইন এ কি লেখা আছে টা আপনি দেখেন নি!!!! "নেশাগ্রস্থ অবস্থায় নামাজের নিকতবর্তী হয়উ না!!!"" ABC পড়ে আপনি কখনই গ্রামার শিখতে পারবেন না! so, সঠিকভাবে পড়ুন এবং বুঝুন!

 
পথচারী এর ছবি
 

আমি তর্কে যেতে চায় না তবে লেখকে বলতে চাই আপনার আরো অনেক পড়াশুনা করার প্রয়োজন আছে বিশেষ করে এই ধরনের লেখার জন্য। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

 
ঘনকুয়াশা বাস্কে  এর ছবি
 

আমিও বলতে চাই। আরও পড়শুনার প্রয়োজন আছে। কারণ অনেক ভুল তথ্য এখানে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে বাইবেলের বিষয়। যেমন সৃষ্টিঃ আপনি সৃষ্টি আর নির্মাণ শব্দকে এক করে ফেলেছেন আর বলেছেন ভুল।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সুষুপ্ত পাঠক
সুষুপ্ত পাঠক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 2 দিন ago
Joined: শনিবার, ডিসেম্বর 21, 2013 - 3:33অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর