নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অর্বাচীন উজবুক
  • নুরুন নেসা
  • সুজন আরাফাত
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক
  • নাস্তিকের আত্মকথা
  • আবীর সমুদ্র
  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র
  • গাজী নিষাদ
  • বেকার
  • আসিফ মহিউদ্দীন
  • সাধনা নস্কর

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

৫২, ৭১ এবং নয়া পাকিস্তানের জন্ম


নামটা মনে নেই। কোথাও এক জায়গায় পড়েছিলাম, 'একুশ কোন মাস নয়, কোন দিন নয়, কোন বছর নয় - একটি চেতনার নাম'। আদতেও তাই। মাসটা মার্চ থেকে জানুয়ারি, দিনটা ৩১টা সংখ্যার মধ্যে যে কোন একটা আর বছরটা সামনে পেছনে দুই-এক ঘর হেরফের হলেও কোন সমস্যা ছিলো না। কারণ, এখানে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবের মধ্যবিন্দু হলো অনুভূতি। আর স্বপ্নটা হলো নিজের মতো চলার বা এক্ষেত্রে বলার স্বাধীনতা।

শফির 'সঠিক পথের' দাওয়াত, ও দমফাটা হাসির সব উত্তর


“বাংলাদেশে একদল নাস্তিক নানা ধরনের বিতর্কিত কাজ করছে।” তাদেরকে সঠিক পথে আসার আহ্বান জানিয়ছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা আহমদ শাহ শফি – এই হইলো এক অনলাইন পত্রিকার খবর। সেই খবর ফেসবুকে শেয়ার দেয়ার পর কমেন্টের বন্যায় ভাইস্যা গেলো। এই প্রথম দেখলাম ছাগুসমাজ অসহায়ের মত ম্যা ম্যা করতাছে। আর লুকজন শফিরে জ্ঞান দিতাছে, গাইল পাড়তাছে…আরো কতো কি!!!

প্রজন্মে একুশ


প্রজন্মে একুশ
আরে নাহ! আমি বায়ান্ন দেখব
কীভাবে?
আমার জন্মতো আরো অনেক পরে
আমার বাবা? হ্যাঁ, তিনি হয়তো
দেখে থাকবেন।
হ্যাঁ, শুনেছিই তো, কত্ত শুনেছি!
যুদ্ধ হয়েছিল সে সময়,
কয়েক লক্ষ লোক মারা গিয়েছিল
তারিখ? সম্ভবত ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৫২।
বাহঃ! মনে থাকবেনা?
এটা আমাদের গর্ব, আমাদের
অহংকার।
বীরশ্রেষ্ঠ রফিক, সালাম, কামাল
আরোও নাম না জানা কয়েক হাজার
ওদের কীভাবে ভুলি বলুন?
হ্যাঁ, প্রভাতফেরী হলো.....
ও হ্যাঁ, ঐদিন কতগুলো লোক কী যেন
একটা গান গায় সকালে।।
না, যাওয়া হয়না।

৯০% মুসলমানের কাছে আওয়ামিলীগের একটি ইসলামী রাষ্ট ব্যবস্থার অঙ্গিকারনামা...


প্রিয় ৯০% মুসলিমগন, তোমরা শুধু আমাদের আজীবন ভুলই বুঝে গেলে। আজীবন মনেই করে গেলে আওয়ামিলীগ সরকার মানে হিন্দুয়ানি সরকার। এই দেখনা, পাঁচ মাসে চার নাস্তিক হত্যা হল, আমরা নাস্তিক হত্যার বিচার করছি কি? তোমাদের ধর্মকে প্রাধান্য দিয়েই আমরা তো আমরা রাষ্ট চালাচ্ছি। বিএনপি-জামাত কি কখনো ৫০০ মসজিদ নির্মাণের কথা বলেছে?

শ্রদ্ধা নাকি প্রচার


আজকে একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম যারা শহীদ মিনারে ফুল দিল তারা প্রায় সবাই ফুলের মাঝখানে তাদের নামটা লিখে দিয়েছে। আচ্ছা এই নাম লেখার উদ্দেশ্যটা কি? ভাষা শহীদরা কি এই নাম দেখতে পারবে? যদি না পারে তাহলে এই নামের উদ্দেশ্য কি প্রচার করা? আর যদি প্রচার করাই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহলে যে বলে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাই, সেই শ্রদ্ধাটা কোথায়?

কিভাবে বাংলা ইংরেজিতে স্থান করে নেবে


আমরা সাধারণত বাংলা হরফে ইংরেজি লিখি। কিন্তু আসলে করা উচিত উল্টোটা। কারণ, বাংলা হরফে ইংরেজি লিখলে অনেক অপ্রয়োজনীয় ইংরেজি শব্দও ঢুকে পরে বাংলা ভাষায় পারিভাষিক হিসেবে যা আসলে বাংলার জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। আমরা যদি ইংরেজি হরফে বাংলা লিখি তাহলে অনেক বাংলা শব্দ ঢুকে পরবে ইংরেজি ভাষায়। তখন আপনাকে আর অন্যের ভাষা ধার করে বা নির্ভর করতে হবেনা। আপনিই হয়ে উঠবেন প্রভাবশালী। যেটা ভারতীয়রা করে আসছে। তারা ইংরেজিতে হিন্দি লিখছে। ধরুন, অমিতাভ তার ফেসবুকে লিখেছেনঃ

শহীদমিনারে মূর্তি পূজা হয়?


দলে দলে আগের দিন নিরামিষ খেয়ে, সারাদিন উপোষ করে, ফুল নিয়ে শহীদমিনারে গেলেন। সেখানে, মন্ত্রপাঠপূর্বক শহীদবেদীতে ব্রাহ্মণেরা পুষ্প অর্পণ করছেন, নতমস্তকে প্রণাম করে পুরুষেরা ধনসম্পত্তি চাচ্ছেন এবং কেউ কেউ দীর্ঘায়ু কামনাপূর্বক স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করছেন, কেউবা আরোগ্য লাভের জন্য দু'হাত জোর করে প্রার্থনা করছেন, সন্তানহীন মা; সন্তান লাভের জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। ঠিক এমন দৃশ্য শহীদমিনারের পাদদেশে কেউ দেখেছেন?
যদি উত্তর না হয়, তাহলে, শহীদমিনারে ফুল দেয়া মূর্তিপূজা হয় কিভাবে? মূর্তিপূজা মানে কোন প্রতিমা তৈরী করে, কাল্পনিক রুপদানপূর্বক তার পূজা করাকে বুঝায়।

বেগম রোকেয়া আমার বিস্ময়


যখন হাই স্কুলে পড়তাম তখন আমাদের পাঠ্য বইয়ে মহীয়ষী নারী বেগম রোকেয়ার দু’একটি প্রবন্ধ ছিল। তাঁর জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর, মৃত্যু ১৯৩২সালের ৯ই ডিসেম্বর। এবার ছিল তাঁর ১৩৪ তম জন্ম ও ৮২তম মৃত্যু দিবস। রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মেছিলেন তিনি। আমি হাইস্কুলে থাকাকালীন সময়ে জেনেছি শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করার জন্য তাঁর অসাধারণ প্রচেষ্টার কথা এবং পরে অন্যদেরকে তাঁর জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার অতুলনীয় সংগ্রামের কথা। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ পর্যন্ত তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়েই ছিল। সেসময় কেউ নারীদের হেয় করে কথা বললে আমি মনে মনে বেগম রোকেয়াকে স্মরণ করতাম আর ভাবতাম- আমরা কেউ

একুশ হয়ে উঠুক মুক্তির মন্ত্র


আমরা বর্তমানে একুশকে বানিয়ে ফেলেছি একটা উৎসব মার্কা দিনের মত। আমাদের কাছে একুশ হয়ে গেছে ভ্যালেন্টাইন কিংবা বসন্তবরনের মত। আর আমার মত কিছু আতেলেকচুয়ালদের কাছে একুশ হলো, কে কোথায় জুতা পায়ে শহীদের বেদিতে উঠে গেল, কে কোথায় ভুল বানানে বাঙলা লিখল, কে কোথায় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশিয়ে ককটেল ভাষায় কথা বলে ফেলল সেসবের অনুসন্ধান করা। আবার কেউ কেউ গলা উঁচিয়ে বলতে থাকেন যে একুশের প্রেম মাত্র একদিন কেন? সারা বছর বাঙলা ভাষা নিয়ে কই থাকেন? ইত্যকার বাণী ছুড়ে দিয়ে লোকেদের হেনস্থা করায় ব্যস্ত থাকেন। অথচ, একুশ তো গলাবাজির জন্য হয়নি, বাঙলা বানানের শুদ্ধতা নিরূপণ করতেই হবে এই ধরণের কোন শ্লোগান নিয়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারীতে সালাম বরকতেরা মিছিল নিয়ে বের হয়নি। একুশের পেছনে ছিল আপন জাতিগোষ্ঠীর মাতৃ ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য। এটি ছিলো বাঙালি জাতিস্বত্ত্বার রাজনৈতিক আন্দোলনের ভ্রুণ। এই একুশ আমাদেরকে চিনিয়েছিল নিজেদের জাতি স্বত্বাকে, চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিল যে বাঙালি একটা জাতি, তাদেরও রয়েছে নিজেদের রাজনৈতিক অধিকার, তাদেরও মুক্তির দরকার।

২১শে ফ্রেব্রিয়ারী নাকি ২৫শে জমাদিউল আউয়াল ?


আসুন সবাই একসাথে আওয়াজ তুলি - ২১শে ফ্রেব্রিয়ারী নয় , ২৫ জমাদিউল আউয়ালই হোক ভাষা দিবস । বন্ধ হোক ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে সকল চক্রান্ত । জব্বার, রফিক, বরকত, সালামরা কি হেন্দু ছিল যে হিন্দুয়ানীদের মত তাদের বেদী করে ফুল দিতে হবে ? তার চেয়ে আসুন বেদীতে ফুল না দিয়ে গোমড়াকারী পাকিদের ঘৃনার মিনার বানিয়ে তাতে পাথর মারার প্রথা চালু করি এবং শহীদদের জন্য মসজিদে মসজিদে বিশেষ মুনাজাত ও দোয়া মাহফিলের ব্যবস্থা করে সহি ইসলামী পদ্ধতিতে শহীদ দিবস পালন করে কাফেরদের সকল চক্রান্ত ভেংগে ফেলি । হে আল্লাহ, কাফেরদের এইসব চক্রান্ত থেকে বের হয়ে আমাদেরকে ও সকল শহীদেরকে একজন সাচ্চা মুসলমানের মর্যাদা প্রাপ্ত হওয়ার তৌফিক দান করুন, আমিন ।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর