নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 11 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • মূর্খ চাষা
    • নরসুন্দর মানুষ
    • রাজিব আহমেদ
    • কাঠমোল্লা
    • পৃথু স্যন্যাল
    • আল আমিন হোসেন মৃধা
    • নিরব
    • সাগর স্পর্শ
    • দ্বিতীয়নাম
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • মাসুদ রুমেল
    • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
    • আনফরম লরেন্স
    • একটা মানুষ
    • সবুজ শেখ
    • রাজদীপ চক্রবর্তী
    • নাজমুল-শ্রাবণ
    • চিন্ময় ভট্টাচার্য
    • নেইমানুষ
    • পরাজিত শুভ

    স্যাপিয়েন্সঃ মানবজাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস by Yuval Noah Harari পর্ব ১ঃ বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব - তৃতীয় অধ্যায়


    তবে আদিম আরণ্যকদের জীবনে গোত্রের সাথে গোত্রের এই সম্পর্কেটাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া যাবে না। যদিও একই উপজাতির অন্য গোত্রের সাথে মিলে স্যপিয়েন্সরা মাঝে মাঝে শিকার করতো, যুদ্ধ করতো, উৎসব করতো, কিন্তু তাদের বেশিরভাগ সময়ই কাটত নিজেদের গোত্রের ভেতরে। বাণিজ্য সীমাবদ্ধ ছিল সৌখিন জিনিষপত্রের মধ্যে, যেমন শঙ্খ, রঙ, রঙ্গিন পাথর ইত্যাদি। তারা নিজেদের ভেতরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিনিময় করত, অথবা তাদের জীবন আমদানীকৃত পণ্যের ওপর নির্ভর করত, এরকম কোন নজির নেই। রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও সেটা খুব একটা শক্ত ছিলনা। মাঝে মাঝে হয়ত যৌথ সভা হতো, তবে কোন স্থায়ী রাজনৈতিক কাঠামো ছিল না। সে সময়কার সাধারণ একজন লোক হয়ত মাসের পর মাস গোত্রের বাইরের কারো সাথে কথাই বলত না। সারা জীবনে সে বড়জোর কয়েকশ’ লোকের দেখা পেতো। সারা বিশ্বে স্যাপিয়েন্স জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল খুবই কম। কৃষি বিপ্লবের আগে সারা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ছিল কায়রো শহরের বর্তমান জনসংখ্যার চেয়ে কম।

    slide8

    একটি চিঠি এবং চিঠির উত্তর


    সমকামী আর রূপান্তরকামীদের মানবাধিকার যেন লঙ্ঘন না হয়, তা লক্ষ রাখার দায়িত্ব সমকামী আর রূপান্তরকামীদেরই শুধু নয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিপরীতকামীদেরও। মানবতার জন্য সব মানুষকেই এগিয়ে আসতে হয়। সবাই যদি এগিয়ে নাও আসে, তাহলেও ক্ষতি নেই। লক্ষ লক্ষ লোক দল বেঁধে সমাজ বদলায় না। ইতিহাস বলে,হাতে গোণা

    হাইকোর্টের সামনের ভাস্কর্য সরানো বা না সরানো- কোনটা সঠিক , ইসলামিক ?


    বাংলাদেশের হাইকোর্টের সামনে একটা নারী মূর্তি বা ভাস্কর্য নিয়ে শুরু হয়েছে হেফাজতের আন্দোলন। সেই আন্দোলনে সমর্থন জুগিয়েছেন আমাদের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিছু সংস্কৃতিমনা লোক বুঝে বা না বুঝে এর বিরোধীতা করছে। এখন প্রশ্ন হলো - কাদের দাবী সঠিক? হেফাজত ইসলামের দাবী , নাকি সংস্কৃতিমনা লোকদের দাবী ? যদি এই দেশের ৯০% মানুষের প্রানের ধর্ম ইসলাম হয়ে থাকে , তাহলে তাদের আসলে কাদের পক্ষে সমর্থন দেয়া উচিত ? সেটাই ব্যখ্যঅ করা হবে এখন ।

    সাধু সাবধান!


    শেখ মজিবুর রহমান, একটা নাম একটা বিশ্বাস, একটা অহংকার। একটা দেশের পৃথিবীর মাথা তুলে দাঁড়ানোর নাম। শেখ মুজিব কোটি মানুষের বুকের মাঝে সযত্নে রাখা ভালবাসার নাম। শেখ মুজিব একটা মহানায়কের নাম যে, কোটি প্রাণে দোলা দিয়েছিল স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার। সব ধর্মের মানুষের মিলে মিশে এক সাথে বাচার নাম ছিল শেখ মুজিব। কিন্তু দেশ স্বাধীনের ৪৫ বছর পরে আমাদের দেশকে টেনে নিয়ে চলেছে পাকিস্থানপন্থী ধর্মান্ধ, বর্তমানের মৌলবাদী আফগানিস্থানের দিকে। শেখ মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা বর্তমানে দেশের প্রধান মন্ত্রী। যিনি ৯৬ এ ভোটে জিতেছিলেন সেক্যুলার বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কালে কালে পদ্মায় পানি অনেক গড়িয়েছে। পুরানো

    মীর জাফরের চেয়েও বড় গালি হবে শেখ হাসিনা!


    পত্রিকা খুললেই শত শত সব দুর্নীতির খবর। যেন তেন সব দুর্নীতি না, একেবারে বিশ্ব রেকর্ড করার মত দুর্নীতি! লাখ টাকা দিয়ে সিলিং ফ্যান কেনা হচ্ছে! তাও আবার ভিক্ষার টাকায়। কোন বিচার নেই, ঠেকানোর উদ্যোগ নেই। অথচ শ্যামল কান্তিকে জেলে পাঠানো হয়েছে ঘুষের অভিযোগে। অর্থমন্ত্রী না বলেছিলেন, ঘুষ বলে কিছু নেই, সব স্পীড মানি? অনেক দেশেই নাকি এমন ব্যবস্থা। তো নিরীহ শিক্ষক মশায়কে সেই বাবদে একটু ছাড় দিতে পারতেন।

    সাম্প্রদায়িকপশুদের ভয়ংকর থাবা!


    খোঁজ নিয়ে দেখেছি, আজকাল অনেক ছেলে-মেয়েই এধরনের ভুলশিক্ষার শিকার হচ্ছে। আর তাদের পিতামাতা জেনেশুনে তাদের বিষপান করাচ্ছে। ফুলের মতো শিশুদের মানুষের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এজন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি শিশুর পিতামাতা সর্বাগ্রে দায়ী। শিশুদের কাছে এখন মনুষ্যত্বের চেয়ে ধর্মকে বড় করে দেখানো হচ্ছে। আর এদের নিয়মিত শেখানো হচ্ছে—শুধু একটা আরবি-নাম রেখে নিজেদের মুসলমান-দাবি করলেই সবকিছু হয়ে গেল! এই দেশে তোমরাই হলে সেরা! আর অন্য ধর্মের লোকদের ধর্ম ও চরিত্র কোনোটাই ভালো নয়! আজ এই হলো এই দেশের একশ্রেণীর মুসলমানের শিক্ষা।

    বাংলাদেশ একতরফা পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে-দাবী মমতার!


    ভারত সরকার কর্তৃক একতরফা পানি প্রত্যাহার করে নেওয়া ও তিস্তা সহ ভারতের সাথে অভিন্ন ৫১ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে বাংলাদেশের মানুষ যখন সোচ্চার, তখন ভারত সরকার পানি তো দিলই না বরং উল্টো অভিযোগ করে বসল ভারতের পশ্চিম বঙ্গের সিএম মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশ নাকি ভারতকে পানি থেকে বঞ্চিত করছে। তিনি বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করা অভিন্ন তিন নদীর পানির হিস্যা দাবি করেছে। আমরা ভারতের সাথে অভিন্ন ৫১ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে না পারলেও ভারত বাংলাদেশের সাথে অভিন্ন ৩ নদীর পানির হিসাব নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর