নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • সাজ্জাদুল হক
    • শঙ্খচিলের ডানা
    • তাকি অলিক
    • ইকরামুল শামীম

    নতুন যাত্রী

    • মোমিত হাসান
    • সাম্যবাদ
    • জোসেফ স্ট্যালিন
    • স্ট্যালিন সৌরভ
    • রঘু নাথ
    • জহিরুল ইসলাম
    • কেপি ইমন
    • ধ্রুব নয়ন
    • সংগ্রাম
    • তানুজ পাল

    কে সর্বাপেক্ষা উত্তম হবে?


    ★ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ করেন,

    “প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য (দ্বীনের অপরিহার্য শরীয়তী) ইলম অর্জন করা ফরয।

    (বায়হাক্বী, মিশকাত, মিরকাত, লুময়াত, তা’লীকুছ্ ছবীহ্, শরহুত্ ত্বীবী, মোযাহেরে হক্ব, আশয়াতুল লুময়াত)

    ★ হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “ইলম দু’প্রকার-

    (১) ক্বল্বী ইলমে অর্থাৎ ইলমে তাছাউফ। আর এটাই মূলতঃ উপকারী ইলম।

    ধর্ম,রোহিঙ্গা এবং ইত্যাদি (২য় পর্ব)


    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে হিটলার লক্ষ লক্ষ ইহুদি হত্যা করার পর কেউ ইহুদিদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনাই।কেউ সেদিন বলেনাই যে,তাদের হত্যা করা উচিৎ নয়,কেউ বলেনাই যে,তারা মানুষ। অমানবিক ভাবে জাতিগত নিধন কার্যে যখন হিটলার বাহিনী ইহুদিদের হত্যায় নেমেছিল, তখন অনেক মুসলিম দেশ প্রকাশ্যে অথবা পর্দার আড়ালে হিটলারকে সমর্থন করেছিল। ইহুদিদের করুণ অবস্থায় মুসলিমরা আনন্দ -উল্লাস করেছিল।

    রোহিঙ্গাইস্যু এবং বাঙালি-মডারেট-মুসলমানদের কতিপয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও তাদের স্বরূপ


    নামধারীমুসলমানশ্রেণীটির সঙ্গে আধুনিক চিন্তাভাবনার অধিকারী মডারেট-মুসলমানদের খুব একটা পার্থক্য নাই। তবে এরা সবসময় ইনিয়েবিনিয়ে ইসলামের নামে শয়তানী করতে ভালোবাসে। আর এদের অধিকাংশই সমাজের ধনিকশ্রেণী তথা আত্মস্বীকৃত-অভিজাতশ্রেণী। এদের অনেকেই আবার সমাজের ও রাষ্ট্রের পাওয়ার এলিট। কিন্তু চিন্তাচেতনায় ও মন্যুষত্বের পরিচয়ে এরা সাধারণ, মূর্খ, গোমরাহ ও ধর্মান্ধ মুসলমানদেরই প্রতিনিধি। তবে এরা সরাসরি সবকিছুতে সম্পৃক্ত হয় না। সবসময় এরা নিজেদের সাধারণদের মতো সবকিছুতে সম্পৃক্ত করে না। এরা সবসময় কৌশলী, এবং যুক্তিপ্রদর্শনে কিছুটা সক্ষম।

    আমার ইচ্ছা


    আমি এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ।বহু সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে জীবনে প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করতে পেরেছি ।পরিবারের সদস্যদের আশা আমিই তাদের আর্থিক দুরবস্থা ঘোঁচাবো ও আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটাবো ।নিজের পড়াশোনা ও আনুষাঙ্গিক খরচ নির্বাহের জন্য শিক্ষকতা করি ।আমি অনেক বিষয়েই শিক্ষা দিতে পারি তবে ছাত্রছাত্রীরা প্রধানত আমার কাছে দর্শন ও ইতিহাস শিক্ষণের জন্য আসে । আমার শ্রেণী কক্ষে জ্ঞানের অবাধ বিচরণ- শিক্ষা ,সাহিত্য ,বিজ্ঞান ,ধর্ম ,দর্শন ,ইতিহাস প্রভৃতি বিষয়ের অবাধ বিচরণ জ্ঞান সেখানে মুক্ত ।আসলে আমি শিক্ষক হিসাবে হেনরি লুইস ভিভিয়ান ডিরোজিও কে নিজের আদর্শ বলে মনে করি ।ডিরোজিওর শিক্ষার আদর্শে অনুপ্রাণিত

    ধর্ম, রোহিঙ্গা এবং ইত্যাদি (১ম পর্ব)


    হুম, আমি জানি তারা খুব কষ্টে আছে। হ্যাঁ তাদেরকে আমি ভালোবাসি, কারন তারা মানুষ এবং আমরাও। সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে কিছু নাই-এই চিরন্তন বানীকে আমি শ্রদ্ধা করি। রোহিঙ্গাসহ বিশ্বের সব নির্যাতিত সম্প্রদায়ের প্রতি রইল সমবেদনা। যেহেতু রোহিঙ্গা ইস্যুর সাথে ধর্ম জড়িত,তাই ধর্মকেই আগে বিশ্লেষণ করাই শ্রেয় বলে আমি মনে করি।

    একজন সু চি-র শান্তিকামনা


    একটি দেশ। সুন্দর এবং গোছানো ভাবধারার মানুষেরা সে দেশে বাস করেন। দেশের ছোট্ট এক কিশোরী মানুষকে ভালোবাসে। সে মানুষের উপকারের কথা ভাবে। সে এই পৃথিবী এবং তার চারপাশের সব কিছুতে মুগ্ধ। কিশোরী বড় হয় এবং যৌবন পেরিয়ে পূর্ণতায় পৌঁছায়। সে গণতন্ত্র আর মানবতাবাদ নিয়ে কাজ করতে শুরু করে। এই পৃথিবীতে শান্তি ফেরানো তার স্বপ্নে পরিণত হয়। একসময় সে নিজের দেশে গণতন্ত্রের ধ্বজা উড়িয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রয়াসী হয়।

    ইনোসেন্স অব মোহাম্মদ


    অামরা সকলে জানি, রাহমাতাল্লিল অালামীন ছিলেন চরম মানবতাবাদী। তার দিল ছিলো মারাত্মক কোমল ও পরিষ্কার!
    অাল্লাহর চাপে পড়ে তিনি এমন অনেক কাজ করেছেন যা তিনি কখনো করতে চাননি। অাসুন দয়ার নবীর এমন কিছু কষ্টদায়ক কাজের কষ্টের ভাগিদার অামরাও হই -

    বেলুচিস্তানের অধরা স্বাধীনতা ১:


    আজকের বেলুচিস্তান দেশ বিভাগের আগে ছিল কালাত আর সেটা কখনোই ভারতীয় উপমহাদেশের অংশ ছিল না। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করে, তখন কালাত ছিল অন্যান্য দেশীয় রাজ্য কিংবা ভারত ও পাকিস্তান ডমিনিকান থেকে ভিন্ন। ১৮৭৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী, কালাত একধরনের ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম’ রাষ্ট্রের মর্যাদা ভোগ করত। উপমহাদেশে ব্রিটিশ সরকার থাকাকালীন কালাতের শাসকদের পক্ষে মুসলিম লীগের নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন বেতনভুক আইনি উপদেষ্টা। তিনি সে সময়ে কালাতের স্বাধীনতার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়েছেন। পাকিস্তান হওয়ার পর জিন্নাহ ১৮০ ডিগ্রী পাল্টি খেলেন আর কালাতের স্বাধীনতা খর্ব করতে নানা কৌশলের আশ্রয় নিলেন

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর