নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রুদ্র মাহমুদ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

ইতিহাস

চিতোর (ধারাবাহিক উপন্যাস) চতুর্থ পর্ব


আট

খাড়া টিলাটার উপর থেকে এক দৃষ্টিতে দূর্গটার দিকে তাকিয়ে আছেন সুলতান।মুখের তাঁর চিন্তার বলিরেখা। কপালে বিন্দু বিন্দু স্বেতবিন্দু। যতোই রিপু তাড়নায় তাড়িত হউন না কেন, লড়াই এর ব্যাপারে সবসময়ই চরম সাবধানী এই অভিজ্ঞ যোদ্ধা।তাঁর মতোই রণকৌশলে শাণিত জ্ঞানের অধিকারী তাঁর সাথে আসা ফৌজদার আর রিসালদাররাও।তারাই এর যুদ্ধে পৃত্থিরাজকে নাস্তানাবুদ করে দিল্লীর মসনদে হুকুমতের ঝাণ্ডা উড়িয়ে দেয়ার লড়াইয়ে এরা সবাই ছিলেন অগ্রপথিক। কিন্তু আজ সবার মুখেই দুশ্চিন্তার কালো ছায়া।

ফেসবুকে এখনও ‘রোহিঙ্গানির্যাতন’-এর ছবি এবং বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক-অপশক্তির অপরাজনীতি


বর্তমানে অং সান সুচী নামক যে নেত্রী আছে—সে বার্মার সামরিকজান্তাদের তল্পিবাহক। আর সুচীদের অনুমোদনেই বার্মার সেনাবাহিনী রাখাইন-রাজত্বপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নৃগোষ্ঠীকে নির্যাতন করছে। আবার অনেকে বলেছে, এদের চিরতরে বার্মা থেকে বিদায় করতে চাচ্ছে। এই ঘটনার কিছুটা সত্যতা রয়েছে। আর মিয়ানমারে কিছুটা রোহিঙ্গানির্যাতন হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের কিছুসংখ্যক দালাল ও একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীবংশজাত-কুচক্রীমহল যা-বলছে তা আদৌ সত্য নয়। এরা রোহিঙ্গানির্যাতনকে সারাবিশ্বের ইস্যু হিসাবে দাঁড় করানোর জন্য নিজেরা ঘরে বসে যে যেখানে যে-সব আজেবাজে ছবি বা মানুষহত্যার ছবি পাচ্ছে তা-ই নিয়ে অপপ্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আর তারা সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে এগুলোকে বার্মার রোহিঙ্গানির্যাতনের ছবি বলে অপপ্রচার করছে। এদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। এরা সাম্প্রদায়িকপশুশক্তি।

পাকিস্তানে ছিল এক জিন্না। আর এখন স্বাধীনবাংলাদেশে অসংখ্য জিন্না!


এখন বাংলাভাষার অনেক শত্রুও লোকদেখানো ও স্বার্থসিদ্ধির-আনুষ্ঠানিক ভাষাপ্রেম দেখানোর জন্য শহীদমিনারে গিয়ে বেদীতে ফুল দেয়। তারপর ছবি তুলে কিংবা বিশাল একটা ভিডিও করে বাসায় ফিরে আসে। তারপর এগুলো দিয়ে ব্যবসা করে খায়। অনেক ভণ্ড এখন শহীদমিনারে গিয়ে ফুল দিচ্ছে। অথচ, এদের মনের মধ্যে বাংলাভাষার প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ নাই। এদের মনে যদি বাংলাভাষার প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ থাকতো—তাহলে, বাংলাভাষা কি এতোদিনেও বাংলাদেশে উপেক্ষিত থাকতো?

স্যাপিয়েন্সঃ মানবজাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস by Yuval Noah Harari অধ্যায় ১ - বুদ্ধিবৃত্তিক বিপ্লব (তৃতীয় ভাগ)


আমাদের প্রকৃতি, ইতিহাস আর মনমানসিকতা বুঝতে, আমাদের অবশ্যই শিকারি-সংগ্রাহক পূর্বসূরীদের মস্তিস্কের ভিতর ঢুকতে হবে। আমাদের প্রজাতির পুরো ইতিহাসজুড়ে, স্যাপিয়েন্স বেঁচে ছিল খাদ্য সংগ্রাহক হিসেবে। গত ২০০ বছর, যে সময়টাতে সংখ্যায় বেড়ে চলা স্যাপিয়েন্সরা অফিস কর্মী বা শহুরে শ্রমিক হিসেবে তাদের নিত্যদিনের আহার্য সংগ্রহ করেছে, আর বিগত ১০,০০০ বছর, যে সময়টাতে বেশিরভাগ স্যাপিয়েন্স কৃষক আর পশুপালক হিসেবে বেঁচে ছিল, তা একটা চোখের পলক মাত্র লক্ষ লক্ষ বছরের সাথে তুলনা করলে যে সময়টাতে আমাদের পূর্বসূরীরা শিকার করেছে আর খাবার সংগ্রহ করেছে। বিবর্তনের মনোবৃত্তির বর্ধিষ্ণু ক্ষেত্র বলে যে আমাদের আজকের দিনের অনেক মানসিক আর সামাজিক বৈশিষ্ট গঠিত হয়েছে এই দীর্ঘ প্রাক-কৃষির যুগে। এমনকি আজও, এই ক্ষেত্রের পণ্ডিতেরা দাবি করেন, আমাদের মন আর মস্তিস্ক শিকারি জীবনের সাথে মানানসই।

ফিরে দেখা বাংলাদেশে ব্লগারদের রক্তাক্ত লাশ আর সারা পৃথিবী জুড়ে ইসলামিস্টদের গনহত্যার সাল, ২০১৫ সাল!


১৫ সাল আমাদের যা দেয়নি, তারচেয়ে কেড়ে নিয়েছে অনেকগুন বেশি। ২৬ই ফেব্রুআরি আমরা হারিয়েছি একজন বিজ্ঞাণমনষ্ক ও অত্যন্ত প্রগতিশীল লেখক, ধর্মান্ধদের "বিশ্বাসের ভাইরাস"-এর প্রতিরোধক, ড: অভিজিৎ রায়কে। বন্যাদি হারিয়েছে তাঁর একটি আঙ্গুল। হারিয়েছি ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয় দাশ ও নীল নীলয়ের মতো ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের তুখোড় সমালোচক একেকজন মুক্তচিন্তক আলোর দিশারীকে। হারিয়েছি আমরা একজন মুক্তচিন্তার সাহসী প্রকাশক (জাগৃতি প্রকাশন) দীপনকে। এঁরা ঘোর অমানিশায় নিজ দায়িত্বে আলোর মশালটা সবসময় ঠিকভাবে জ্বালিয়ে রাখতো, যাতে ধর্মান্ধ মানুষগুলো মধ্য যুগীয় বর্বর অন্ধকারের দিকে ধাবিত না হয়। তারা ধর্মের রুঢ়তা, সহিংসতা

বাঙালি বুদ্ধিজীবীর দাসত্বের সন্ধানে :ইতিহাসের পাতায় এক ঝলক


ইতিহাস রচনা শুধুই দিন তারিখ আর রাজা বাদশার বংশানুক্রমিক শাসনের ধারাবাহিক কাহিনী লিখে যাওয়ার ব্যাপার না। ইতিহাস গভীর অর্ন্তদৃষ্টি দিয়ে বিশ্লেষণের ব্যাপার। ইতিহাসের বিশ্লেষণ সবসময়ই অবজেক্টিভ হয়না। তবুও অবজেক্টিভিটির কাছে পৌছানোটাই একজন ইতিহাসকারের আরাধ্য। বিশ্লেষনের ক্ষেত্রে প্রধান বিষয়টা হচ্ছে বিশ্লেষনকারীর দৃষ্টিভঙ্গি, তার আইডিওলোজি। একই ঘটনা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির বিশ্লেষকের বিশ্লেষণে ভিন্ন ভিন্ন তাৎপর্য নিয়ে হাজির হতে দেখা যায়। যেমন আমাদের মুক্তিযুদ্ধ একজন বাংলাদেশী বিশ্লেষকের দৃষ্টিতে যেমন, একজন পাকিস্তানির কাছে একেবারেই বিপরীত। আমাদের মধ্যযুগের ইতিহাসকে আমাদের বাঙালি ইতিহাসকারেরা কী চোখে দেখেছেন এবং পাঠ্য বইয়ে কীরূপে উপস্থাপন করেছেন তার সামান্য কিছু আলোকপাত করতে চাই। এই আলোচনা থেকে কোন সিদ্ধান্তে আসা যায় কিনা সেটাও বিবেচনা করবো।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীগোষ্ঠী-চরমোনাইপীরগং মক্কার জাহেলদের প্রতিমূর্তি


আরব তথা মক্কার জাহেলরা সেই সময় কোনো যুক্তিতর্ককে গ্রাহ্য করতো না। এরা নিজেদের ইচ্ছেমতো যার যা খুশি তা-ই করে বেড়াতো। আমাদের দেশের একশ্রেণীর স্বঘোষিত-পীর তথা ভণ্ডপীরগুলোও সেই একইপথ অনুসরণ ও অনুকরণ করছে। আর এই ধারার জাহেল ও শয়তানদের মধ্যে অন্যতম হলো চরমোনাইয়ের পীর। বর্তমান-ভণ্ডপীর থেকে শুরু করে এদের পূর্বপুরুষ পর্যন্ত সবাই পাকিস্তানের গোলামি করেছে, আর এখনও করছে। এটি এখন সর্বজন বিদিত যে, চরমোনাইয়ের পীররা একাত্তরে রাজাকার ছিল। এরা ১৯৭১ সালে, সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে এই বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার জন্য নানারকম ষড়যন্ত্র ও জঘন্য চক্রান্ত করেছিলো। কিন্তু এই শয়তানগুলো সেই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে সফল হয়নি। তারা আগের মতো এখনও বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অথচ, এই বাংলাদেশে তাদের বসবাসের কোনো অধিকার নাই। কারণ, তাদের পিতৃভূমি হচ্ছে পাকিস্তান আর পাকিস্তান।

পাকিস্তানী প্রেতাত্মা হেফাজত ও ওলামালীগের দাবি মানার জন্যই কি এদেশ স্বাধীন হয়েছিল?


লেডি অব জাস্টিসের প্রতীক গ্রীক দেবী থেমিস। আমার জানামতে কালো চক্ষু আবৃত থেমিসের এক হাতে দাঁড়িপাল্লা, আরেক হাতে তলোয়ার শোভিত মুর্তি প্রতিটি গনতান্ত্রিক দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়ে সামনে আছে। কারণ থেমিসের চোখ বাঁধা এক হাতে দাঁড়িপাল্লা শোভিত ছোট মুর্তি বিচারালয়ে ন্যায় বিচারের প্রতীয়মান প্রতীক হিসেবে মানা হয়। আমি আইনের ছাত্র নই। তবে থেমিসের চোখে কালো কাপড় থাকার অর্থ আমার স্বাভাবিক জ্ঞাণ থেকে বুঝতে পারি। যাতে আইনের দৃষ্টি পক্ষপাত দুষ্টু না হয়, সেদিক থেকে থেমিসের চক্ষু কালো কাপড়ে ঢাকা। আরেকদিকে দাঁড়িপাল্লা থাকার অর্থ কি হতে পারে এটা যেকোনো সাধারন জ্ঞানের অধিকারী মানুষ বুঝতে পারে। দাঁড়িপাল্লা হল ন্য

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর