নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

ইতিহাস

রোহিঙ্গাইস্যু এবং বাঙালি-মডারেট-মুসলমানদের কতিপয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও তাদের স্বরূপ


নামধারীমুসলমানশ্রেণীটির সঙ্গে আধুনিক চিন্তাভাবনার অধিকারী মডারেট-মুসলমানদের খুব একটা পার্থক্য নাই। তবে এরা সবসময় ইনিয়েবিনিয়ে ইসলামের নামে শয়তানী করতে ভালোবাসে। আর এদের অধিকাংশই সমাজের ধনিকশ্রেণী তথা আত্মস্বীকৃত-অভিজাতশ্রেণী। এদের অনেকেই আবার সমাজের ও রাষ্ট্রের পাওয়ার এলিট। কিন্তু চিন্তাচেতনায় ও মন্যুষত্বের পরিচয়ে এরা সাধারণ, মূর্খ, গোমরাহ ও ধর্মান্ধ মুসলমানদেরই প্রতিনিধি। তবে এরা সরাসরি সবকিছুতে সম্পৃক্ত হয় না। সবসময় এরা নিজেদের সাধারণদের মতো সবকিছুতে সম্পৃক্ত করে না। এরা সবসময় কৌশলী, এবং যুক্তিপ্রদর্শনে কিছুটা সক্ষম।

বাংলাদেশের মুসলমানদের একটা বিরাট অংশ যে এখনও হিংস্র-জানোয়ার তার একটি উপযুক্ত প্রমাণ


আমরা পৃথিবীর যেকোনো নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। আর এর বিরুদ্ধে পরিচালিত সর্বপ্রকার আগ্রাসন, বর্বরোচিত হত্যা, খুন, ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ যেকোনো গণহত্যার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাদের দেশে একটি অমানুষের দল রয়েছে—এরা হিন্দুদের মন্দির ভাঙ্গবে, মন্দিরে আগুন দিবে, হিন্দুরমণীদের ধর্ষণ করবে, গণধর্ষণ করবে, হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের জায়গাজমি মুসলমানীকায়দায় দখল করে নিবে, রামুতে বৌদ্ধদের উপাসনালয়ে হামলা করবে, বৌদ্ধবিহারে আগুন দিবে—তবুও এরা মুসলমান! তবুও এদের কিছু বলা যাবে না। কারণ, এরা মুসলমান! এই নামধারী-মুসলমানরাই এখন রোহিঙ্গাদের জন্য কেঁদে একেবারে আকুল! কুম্ভিরাশ্রু আরকি! তার কারণ, এরা ষড়যন্ত্রকারী। এদের রোহিঙ্গাপ্রীতিও সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে পরিচালিত। এই নামধারী-মুসলমানদের মনে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনো মানুষের জন্য সামান্যতম মায়ামমতা নাই, অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র ভক্তিশ্রদ্ধা নাই, এদের মধ্যে ন্যূনতম মানবতাবোধ নাই—সর্বোপরি এদের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্বও নাই। তবুও এরা মুসলমান!

মহাত্মা গান্ধী সম্পর্কিত মিথ


১ম মিথ:
মহাত্মা গান্ধী ইন্দিরা গান্ধীর স্বামীকে দত্তক নিয়েছিলেন।

উদার, পরোপকারী অহিংস শিখ ধর্মগুরুদের চরম নির্মম নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল কথিত শান্তিপ্রিয়(!) মুসলমানেরা।


টেকনাফে ৫০ হাজার অসহায় রোহিঙ্গাদের জন্য লঙ্গরখানা খুলেছে শিখ স্বেচ্ছাসেবীরা। তাঁরা প্রতিদিন পঞ্চাশ হাজার রোহিঙ্গাকে ত্রাণ ও খাদ্যসহায়তা দিবেন এবং সংকট শেষ না হওয়া পর্যন্ত লঙ্গরখানা সহায়তা দিয়ে যাবেন খালসা এইড নামের ওই সংগঠনটি। মূলত শিখ ধর্মটি সমন্বয়ী ভাবধারা। এই ধর্মটি একই ছায়াতলে সকল মানুষকে আশ্রয় দেয়ার কথা বলে, ধর্ম-বর্ণ, জাত-পাত বিরোধী আর অসহায়দের প্রতি ভালোবাসা এই ধর্মের অন্যতম প্রধান অঙ্গ। খ্রিস্টীয় ১৫শ শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে গুরু নানকদেব এই ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এবং গুরু নানকদেব তার সময়ে লঙ্গরখানার প্রচলন করেছিলেন। লঙ্গর হলো- যেখানে সব ধর্ম, গোত্র,

একাত্তরে বাংলাদেশে কোনো মুসলমান দেখি নাই। এখন হঠাৎ এতো মুসলমানিত্ব!


১৯৭১ সালে, পাকিস্তানীহানাদারবাহিনী জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে মানুষহত্যা করেছিলো। পাকিস্তান ওদের বাপ হয়। ওরা ওদের বাপের পক্ষে ছিল। আর তা এখনও-তখনও। তাই, ইসলামের ধ্বজাধারীদালালগুলো সেদিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো কথা তো বলেইনি বরং পাকিস্তানের পক্ষে এরা লড়াই করেছিলো। আজ মিয়ানমারে ‘বার্মিজ-আর্মি’ কর্তৃক রোহিঙ্গামুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে এদের বুকটা একেবারে ফেটে যাচ্ছে। পারলে এরা এখনই একদৌড়ে সীমান্ত পার হয়ে আরাকান-রাখাইন-রাজ্যে ছুটে যায় জিহাদ করতে! এমনই অবস্থা এদের।

তুর্কির মুসলিম জাতি ও অটোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস।


অটোমান সাম্রাজ্যের শাসনব্যবস্থা সেই ১২৯৯ সাল থেকেই ইসলামি আইননুসারে পরিচালিত হয়ে আসতো। প্রথম দিকে ইসলামিক খলিফাদের দারা এই রাজ্য নিয়ন্ত্রিত হতো।

ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তুর্কীয় জাতিসমূহ শামানিবাদের বিভিন্ন ধর্ম চর্চা করত। মধ্য এশিয়ায় আব্বাসীয় প্রভাবে ইসলাম প্রচার সহজ হয়। সেলজুক ও উসমানীয়দের পূর্বপুরুষ অঘুজ তুর্কিরা অন্যান্য অনেক তুর্কি গোত্রের মত ইসলাম গ্রহণ করে। তারা ১১শ শতাব্দীর শুরুর দিকে আনাতোলিয়ায় ইসলাম নিয়ে আসে।

রোহিঙ্গারা কারা?


বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে নাফ নদী পার হলেই মিয়ানমারের মংডু। আরাকানের উত্তরের এই অঞ্চলেই রোহিঙ্গাদের বাস। অন্যদিকে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের উভয় দেশভুক্ত গ্রাম তুম্বরু। তুম্বরু দু’ভাগ হয়ে বসেছে সীমান্ত পিলার ও কাঁটাতারের বেড়া। তারপরই নো-ম্যানস ল্যান্ড বা জিরো পয়েন্টের বাংলাদেশ অংশ। এ দুই দিক থেকেই হাজার হাজার রোহিঙ্গারা ঢুকছে বাংলাদেশে। উভয় দেশের সীমান্তরক্ষীর পাহাড়ায় তারা সেখানেই আটকে পড়ে মানবতার জীবন-যাপন করছেন।

তুরস্ক কর্তৃক আর্মেনিয়ান গণহত্যা (১৯১৫-১৯১৮)


গ্রামে নতুন আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে, শহর থেকে দলে দলে সৈন্যদল আসছে আর গ্রামের পর গ্রাম আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে। শিশু থেকে শুরু করে নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ কাউকে বাদ রাখা হচ্ছে না যাকেই সামনে পাচ্ছে তারা তাকেই হত্যা করে গ্রামের একস্থানে মৃতদেহ জড় করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। খুবই নৃশংসভাবে তারা সাধারণ মানুষ হত্যা করছে। আমাদের গ্রাম বা আশেপাশের গ্রামগুলিতে এখনও এধরনের কোন ঘটনা শুনতে পাইনি। গ্রামের প্রধান ডাকঘরে কয়েকদিন ধরে কোন সংবাদপত্র আসছে না তাই আর নতুন কোন খবর পাওয়া যাচ্ছে না। শহর থেকে পালিয়ে আশা অনেকেই বলাবলি করছে আমরা যদি মুসলিম জাতি না হই আমাদেরকেও হত্যা করা হবে। আমি আমার পরিবারকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তাই সময় পার করছি।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর