নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • ইকারাস
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • দুরের পাখি
  • দীপঙ্কর বেরা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • ফারুক
  • রাফিন জয়
  • রাহাত মুস্তাফিজ
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

ইতিহাস

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদ্যপান্ত


বাংলাদেশের সংবিধানের মুলনীতিতে আছে,

"প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত৷"


বাংলাদেশের বর্তমান পতাকা

কিন্তু এটাই সবকিছু নয়। পতাকার ব্যাপারে নির্দিষ্ট আইন আছে, পতাকা উত্তোলন আর নামানোর নিয়ম আছে, ব্যবহার করবারও নিয়ম আছে, যা ভংঙ্গ করলে তা সংবিধান পরিপন্থী হবে।

কারবালার যুদ্ধ কি সত্যিই হয়েছিল?


হিজরী তৃতীয়ের শেষ দিকে ও চতুর্থ শতক শুরুর দিকে মুসলিম ইতিহাস প্রথম ইমাম তাবারীর (৮৩৯-৯২৩ খ্রীঃ) দ্বারা লিখিত হয়| ভিন্ন ব্যক্তির শোনা কথার উপর ভিত্তি করে এই লেখা| কেউ কোন ঘটনার সাক্ষী ছিল না। তাবারী তার বইয়ের শুরুতে বলেছেন যে, যে সব অসংগত ঘটনা তিনি বর্ণনা করেছেন তার জন্য তিনি দায়ী নন বরং যারা তাকে বলেছেন তারাই দায়ী| পারসিক পুরোহিতমন্ডলীগণ (Magian) তাকে যে ভাবে উপদেশ দিতেন এবং তার রাজকীয় নিয়োগ-কর্তাদের আদেশ অনুযায়ী তিনি তার বই লিখেছেন।

আর্যরা বহিরাগত নয়.... আর্য দ্রাবির বরং একক জনগোষ্ঠী (দেবযানী ঘোষ) দ্বিতীয় পর্ব


'আর্যরা বহিরাগত' এই তত্ত্ব সম্পূর্ণ ভাবে ইউরোপীয় মস্তিষ্ক প্রসূত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ইউরোপীয়রা এসেই আগে ভারতীয় ভাষা শিখে নেয়। তারপর সব পুঁথি, মহাকাব্য পড়ে ও এত বিস্তৃত, এত সভ্য সমাজের খোঁজ পেয়ে ওরা বিস্মিত হয়ে যায়। প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার দর্শন, বিজ্ঞান, আয়ুর্বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, স্থাপত্য বিজ্ঞান এতটাই উন্নত ছিল যে অষ্টাদশ শতাব্দীতেও ইউরোপীয় পণ্ডিতদের ভাবনার বাইরে ছিল। কিন্তু আত্ম অহংকারী শ্বেতাঙ্গরা মেনে নিতে পারেনি যে কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের থেকে উন্নত। তাই শুরু হলো ক্ষমতা ও বুদ্ধির অদ্ভুত নোংরা রাজনীতির খেলা।

একাত্তরের জেমস বণ্ড


আয়ান ফ্লেমিং এর জেমস বন্ড বা কাজী আনোয়ার হোসেন এর মাসুদ রানা মাতিয়ে রেখেছিলো আমাদের অনেকের শৈশব আর কৈশোরকে। মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়তাম তাদের দুঃসাহসিক অভিযানের কাহিনী। কিন্তু আজ লিখবো একজন রিয়েল লাইফ জেমস বণ্ডের কথা। যার জন্ম হয়েছিলো বাঙালীর ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রান্তিকাল ১৯৭১ এ।

হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার কেন যৌক্তিক ছিল


জাপানের মূল ভু-খন্ড দখলের পরিকল্পনা করছিল মিত্রবাহিনী। তবে এইজন্য তাদের হিসেবে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ লাখ সেনার মৃত্যু হতো। জাপানীদের পক্ষে এই ক্ষতির পরিমান হতো আরও অনেক বেশি। পারমানবিক বোমা ফেলবার পর আত্মসমর্পন দ্রুত হয়। এর বাইরে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটা বড় কারণ ছিল রাশিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধের সম্মানজনক সমাপ্তি ঘটবে সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। প্রায় পছিশ লক্ষ জাপানী সেনা ৪০-৫০ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী কিংবা লোকাল মিলিশিয়ার সাহায্য নিয়ে মূল ভূ-খন্ডের প্রতিরক্ষার জন্য শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কনভেনশনাল যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে নিহতের পরিমাণ হতো অকল্পনীয়।

কেন হতো তার একটা আভাস ওকিনাওয়া দ্বীপ দখলের লড়াই থেকেও পাওয়া যায়। সেখানে মওজুদ ১ লাখ ১৭ হাজার জাপানী সেনার ৯০% এর বেশি লড়াইয়ে মারা যায়। বেসামরিক জাপানীদেরও বেশিরিভাগ লড়াইয়ে মারা যায় অথবা ধরা পড়বার আগেই আত্মহত্যা করে। ২০ হাজারের বেশি আমেরিকান সেনা নিহত হয়, আহত হয় এর কয়েকগুণ বেশি।

আদালতের হুকুমে হত্যা করা হয়েছিল যে নির্দোষ প্রাণগুলো


মানুষ আইন তৈরি করেছে সমাজের ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে সীমারেখা টানতে। কোনো মানুষের ক্ষতি করে এমন কোনো কাজ যাতে কেউ না করে তার জন্য তৈরি হয়েছে বিচার ব্যবস্থা। কিন্তু ইতিহাসের এমন অসংখ্য ঘটনা আছে যেখানে বিচার ব্যবস্থা পুতুলের ন্যয় অত্যাচারী শাসকের আঙুলের ইশারায় নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। আবার কখনও আদালত বিচার করবার সময় পালন করেছে দুর্বল ভূমিকা, আশ্রয় নিয়ে দুর্বল যুক্তির। যত যুক্তিই থাকুক না কেন, আদালতের বিচারের মাধ্যমে যদি একজন নিরপরাধ মানুষও সাজা পায় তবে সেটা আইনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হয়।

মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে শুনলাম এক কাটমোল্লার গালি


মানুষ বড় আশা নিয়ে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করতে যায়। আর বড় আশা থাকে মানুষের মনে। আজ হয়তো নতুন কিংবা ভালো কোনো কথা সে শুনবে। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি।

আজ আমিও মসজিদে গিয়ে বড় আশাহত আর মর্মাহত হয়েছি। আর মনে মনে ভীষণভাবে লজ্জিত হয়েছি। আমাদের দেশের আজকালকার এইসব মসজিদের ইমাম কি পাগল? এদের কথাবার্তার কোনো লাগাম নাই। এরা দিন-রাত পাগলের মতো প্রলাপ বকে যাচ্ছে। আর নিজের মনগড়া কথাকে আজ নিজের স্বার্থে ধর্ম বলে প্রচার করছে।

পাকিস্তানীরা ৭১-এ কেমন লড়েছিল?


মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ কিংবা এমন সংখ্যক বাঙ্গালী হতাহতের হিসেবের বাইরে। সম্ভবত ২২০০০ মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ২-৩ লাখ। ইন্ডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং সেনা সদস্যরাও ডিসেম্বরের আগে থেকেই মুক্তিবাহিনীর অনেক অপারেশনে সাহায্য করেছে, অংশ নিয়েছে, ফায়ার সাপোর্ট এবং নির্দেশনা দিয়েছে। ডিসেম্বরে আরতীয় বাহিনীর প্রায় তিনটি কোরের ৮ ডিভিশন সেনা বাংলাদেশে মুক্তিবাহিনীর সহায়তায় অভিযান শুরু করে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার পর। শক্তিশালী নৌবাহিনীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে ছিল নেভাল ব্লকেড। বিমান বাহিনীর একমাত্র জঙ্গী বিমানের বহর ১৪ নং স্কোয়াড্রন এফ-৮৬ স্যাবর জেট অপারেট করতো কেবলমাত্র ঢাকা থেকে। ইন্ডিয়ানদের ছিল চতুর্দিকে প্রায় ৫ টি মেইন এয়ারবেস এবং ১০ টির বেশি জঙ্গী বিমানের স্কোয়াড্রন।

এত বিশাল ভূখন্ড দখলে রাখতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল অন্তত ১০ ডিভিশন সেনা, শক্তিশালী নো এবং বিমান বাহিনীর উপস্থিতি, সাথে প্যারামিলিটারী বাহিনীর সদস্যদের। জনগনের কমপক্ষে ৯০ শতাংশের প্রত্যক্ষ কিংবা নীরব সমর্থন ছিল স্বাধীনতার পক্ষে। এত বিশাল জনগোষ্ঠীকে অস্ত্রের মুখে দমিয়ে রাখতেও দরকার ছিল বিপুল সংখ্যক সেনার।

খিলাফত বা Caliphate : একটি রাজনৈতিক ইতিহাস (দ্বিতীয় অংশ)


মহানবী (স) এর পরলোকগমনের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate ( আরবি থেকে خلافة or khilāfa) ছিল, সরকারের ইসলামি রুপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় বা "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা"।

৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ। জেরুজালেম।
রাশিদুন খলিফা উমর ইবনে খাত্তাব।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর