নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ফারজানা সুমনা
  • মিনহাজ

নতুন যাত্রী

  • অরুণাভ দে
  • পাহাড়ের উপমানুষ
  • পুরানো ঘড়ি
  • স্বর্ণ সুমন
  • হেজিং
  • মং চিং প্রু
  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ

আপনি এখানে

ইতিহাস

আজ ২৪ এপ্রিল ঐতিহাসিক খাপড়া ওয়ার্ড শহীদ দিবস



পাকিস্তানের শাসকরা কারাগারে বন্দিদের ওপর চালাত অমানসিক ও পৈশাচিক নির্যাতন, পরিবেশন করত নিন্মমানের খাবার,কারা কর্তৃপক্ষের দুর্ব্যবহার, কারাবিধানের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ না দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছিলেন বিপ্লবী রাজবন্দিরা। এই প্রতিবাদেই জেলের মধ্যেই হতে হয়েছিল পাকিস্তানি কারারক্ষীদের হাতে নৃশংস খুন।

২৪ এপ্রিলের রক্তাক্ত স্মৃতিঃ ১৪৬১ দিন পর


Milan Kundera — 'The struggle of man against power is the struggle of memory against forgetting.'

২৪ তারিখ সকাল থেকেই মোবাইলে কল আসছিলো। একটার পর একটা।
দুপুরনাগাদ জানলাম মৃতের সংখ্যা ৮০, আহত ৬০০।

দুর্ঘটনা ছিল না। হত্যাকাণ্ড ছিল। পরিষ্কার হত্যাকাণ্ড।

আজ বিভীষিকাময় ভয়াল ২৪ এপ্রিল শ্রমিক হত্যার ৪ বছর


রানা প্লাজার ভবনকে ঝুকিপূর্ণ ভবন হিসেবে ঘোষণা করা হলেও ঘটনার দিন জোর পূর্বক শ্রমিকদের কাজে বাধ্য করা হয়েছিলো কাজ না করলে ভয় দেখানো হয়েছিলো চাকুরিচ্যুতের।

হে কুকুর, তোমরা ধর্ম ছেড়ে জঙ্গলে যাও


বাংলাদেশে এখন পশুদের সংখ্যা বাড়ছে নাকি আগে থেকেই যে-সব পশু ছিল তারা ক্রমশঃ ক্ষিপ্ত হচ্ছে? আমার মনে হয় দুটোই হতে পারে। কিন্তু এই দেশ তো পশুদের জন্য নির্মাণ করা হয়নি। ৩০লক্ষ তাজাপ্রাণের বিনিময়ে এই দেশটাকে স্বাধীন করা হয়েছে। হ্যাঁ, মনে রাখবেন: এখানে শুধু মানুষেরাই রক্ত দিয়েছে। আর পশুরা শুধু মানুষের রক্তই ঝরিয়েছে। কোনো পশু তো এই দেশের জন্য কোনোকিছু করেনি। তবে চারিদিকে আজ কেন পশুদের এই আস্ফালন?

লেনিন


জন্মদিনে উপহার দেবো বলে আমি কিছু খুঁজছিলাম
ফুল
পানি
কাস্তে
হাতুড়ি
লালপতাকা
জাগো জাগো সর্বহারা

শেষ পর্যন্ত আমি এই ছবিটাই পেলাম লেনিন

বিপ্লব দীর্ঘজীবী হয়েছে
রাশিয়ায়
দীর্ঘজীবী হতে হতে কয়েক টুকরো হয়ে গেছে
ফ্রিডম এন্ড ডেমোক্রেসি
অর্থাৎ
হ্যামবার্গার আর পর্নোগ্রাফি
পেয়েছে পূর্ব ইওরোপ ও নয়া রাশিয়ার নাগরিকগণ

আওয়ামীলীগের হেফাজতপ্রীতির কারণ এবং এর প্রতিকার


ষাট-সত্তরের দশকে আওয়ামীলীগ করতেন একদল দেশপ্রেমিক শিক্ষিত, তরুণ ও উদ্যমী মানুষেরা। আর এঁদের সকলের পড়ালেখাবিষয়ক ডিগ্রী বা শিক্ষাগত-যোগ্যতা ছিল কমপক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েশন পর্যন্ত। এঁরা সবাই ছিলেন পড়ুয়া ও ধীমান। এঁরা রাজনীতির পাশাপাশি প্রচুর পড়াশুনা করে সময় কাটাতেন। আর এঁদের প্রতিভা ছিল ঈর্ষণীয়। এঁদের মনুষ্যত্ব ও মানবতাবোধ ছিল সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য। এঁরা ছিলেন সত্যিকারের দেশদরদী-মানবতার সৈনিক।
আজ সেই আওয়ামীলীগে ঢুকেছে কিছু অর্থলোভী নরপিশাচ ও আবর্জনা। এরা সীমাহীন লোভী বলেই রাজনীতি করে শুধু এমপি-মন্ত্রী-পাতিমন্ত্রী হতে চায়। আর এরা যোগ্যনেতা কিংবা যোগ্যকর্মী হওয়ার চেয়ে অতিসহজে ও অতিদ্রুত আওয়ামীলীগ ও এর যেকোনো অঙ্গসংগঠনের বড়-বড় পদগুলো অনায়াসে দখল করে নিচ্ছে। এই চক্রটি আবার ধর্মবিশ্বাসে পাকিস্তানীভাবধারার অপআদর্শে বলীয়ান ও ওহাবী-সালাফী মতাদর্শী। আর এরা কওমীমাদ্রাসার হুজুরপন্থী।

আমি ধার্মিক দেখিনি—দেখেছি কতকগুলো আদিম-হিংস্র শূয়র! দেখতে চাইলে আসুন।


আমাদের দেশে এখন শুধু পহেলা বৈশাখ নয়—সবকিছুতেই আজকাল হিন্দুয়ানি খুঁজে বেড়াচ্ছে একটি শয়তানচক্র। আর এই শয়তানচক্রটি বাঙালি-জাতির অতীব আনন্দের পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সকলপ্রকার আচারপ্রথাসহ আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে লাগামহীন তথ্যসন্ত্রাস আর আগ্রাসন চালাচ্ছে। এই চিহ্নিত-পশুচক্রটি বাংলাদেশরাষ্ট্রের চিরশত্রু। এদের নিজস্ব কোনো ধর্ম নাই। আর এদের বাপ-দাদা-পরদাদা সবাই ছিল লোকদেখানো বা শুনে-শুনে মুসলমান! এদের বলা হয় নামকাওয়াস্তে মুসলমান। বাংলাদেশের বর্তমান স্বঘোষিত-মুসলমানরাও সেই পথেরই পথিক। বর্তমানে এরা স্বঘোষিত-আত্মস্বীকৃত-মুসলমান সেজে মানবতাবিরোধী-অপকর্মে নিয়োজিত। এরা আজ রাষ্ট্রবিরোধী ও মানবতাবিরোধী শয়তানে পরিণত হয়েছে।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি, রাষ্ট্রের স্বার্থে আপনার সর্বোচ্চ শক্তি, সাহস ও ক্ষমতা প্রয়োগ করুন


রাষ্ট্র এখন ধর্মান্ধ-অক্টোপাসের খপ্পরে পড়তে যাচ্ছে। ধর্মের নামে ‘হেফাজতে শয়তান’ নামক অরাজনৈতিক ও সন্ত্রাসী সংগঠন অপরাজনীতি শুরু করেছে। আর এদের একমাত্র লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি হলো: যেকোনোভাবে, যেকোনোউপায়ে আর যেকোনোমূল্যে রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করা। এরা আফগানী-তালেবানী-পাকিস্তানী পাশবিক-শাসন কায়েম করতে চায়। আপনি অবগত রয়েছেন, এরা চিরকালীন রাষ্ট্রবিরোধীঅপশক্তি। ধর্ম এদের মুখোশ মাত্র। আর ‘আল্লাহ-রাসুল’ এদের ব্যবসার আকাশে সাইনবোর্ড মাত্র। আসলে, এরা সংগঠিত হয়েছে—বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে। কারণ, এই ‘হেফাজতে শয়তানে’র জন্ম হয়েছিলো ১৯৭১ সালে—পাকিস্তানীদের ঔরসে। আর ১৯৭১ সালে, এরা পাকিস্তানী-আর্মিদের সঙ্গে কাঁধে-কাঁধ-মিলিয়ে, আর বুকে-বুক-লাগিয়ে যারপরনাই অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছিলো বাঙালির উপর। এরা সেই ‘হেফাজতে শয়তান’। আর সেই থেকে এরা আজও বাংলাদেশের সবকিছুকে ধ্বংস করার জন্য ক্রমশঃ মরীয়া হয়ে উঠেছে। আর এদের সর্বাত্মক সহায়তা করছে এদেশীয় চিহ্নিত-দালালশ্রেণী। এরা সবাই মিলেমিশে আজ বাংলাদেশরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ গিলে খাওয়ার ফন্দিফিকির করছে। আর দুঃখের বিষয় হলেও সত্য: বর্তমান সরকারও এদের খপ্পরে পড়ে গেছে। এখন জাতির ‘আশা-আকাঙ্ক্ষাপূরণে ও ভাগ্যরক্ষার ক্ষেত্রে’ আইনানুগ-অভিভাবক হিসাবে দায়িত্বপালন করতে হবে আপনাকে। হ্যাঁ, শুধু আপনিই এখন জাতির প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেন। তাই, আজ জাতির প্রয়োজনে আপনার কাছে আমাদের সবিনয় নিবেদন:

ইতিহাস ঘাঁটাঘাটি:মুজিবনগর সরকার,মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে? জেনে নিন প্রকৃত তথ্য।


একটা জাতির জন্য তার মুক্তিসংগ্রামের, স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানাটা জরুরি।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকারের উত্থান-পতন ও তাদের একান্ত নিজস্বার্থ উদ্ধার ;সেচ্ছাচারিতা নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস অস্পষ্টত।মিডিয়ার সেচ্ছাচারিতা, কাটাছেড়া ইত্যাদি কারনে সঠিক ইতিহাস বের করে অানা বেশ কষ্টদায়ক।ইতিহাস কখনও মিথ্যা বলে না।মুক্তিযুদ্ধের সসমসাময়িক বিভিন্ন দলিলপত্র ও অান্তর্জাতিক দলিলপত্র ঘাটাঘাটি করে অাসুন জেনে নিই মুজিবনগর সরকারের সঠিক ইতিহাস।
ইদানিং একটা বিষয়ে খুব তোলপাড়, কাঁদাছোড়াছুড়ি হচ্ছে। কে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক? অাসুন একটু ঘেটেঘুটে তুমুলকলমযুদ্ধ করে দেখে অাসি।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর