নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার

আপনি এখানে

অনুবাদ

পর্ব ১ঃ বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব – চতুর্থ অধ্যায়


বুদ্ধিমত্তার বিপ্লবের আগে পর্যন্ত সব প্রজাতির মানুষই বাস করতো আফ্রো-ইউরেশিয়ার অখন্ড ভূমিতে। এটা সত্যি যে তারা সাঁতরে পার হয়ে অথবা ভেলায় চেপে আশেপাশের কিছু দ্বীপে পৌঁছুতে পেরেছিল। যেমন ফ্লোরেস দ্বীপে প্রায় সাড়ে আটলক্ষ বছর আগে থেকেই মানুষের বসতি ছিল। তবে তারা কেউই খোলাসাগরে নৌকা ভাসাতে সাহস করেনি। তাই বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব-পূর্ববর্তী উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, মাদাগাস্কার, নিউজিল্যান্ড বা হাওয়াই-এর মত দূরবর্তী দ্বীপে মানুষের পা পড়েনি। সাগরের এই বাধার কারণে শুধু মানুষ কেন, আফ্রো-ইউরেশিয়ার অন্য কোন প্রাণীও কোনোভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি এসব ‘নতুন দুনিয়ায়’। তার ফলে এসব বিচ্ছিন্ন এলাকায় কোটি কোটি বছর ধরে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণী জগতের বিকাশ ঘটেছিল। আফ্রো-ইউরেশিয়ার জীবজগতের সাথে এদের কোন সম্বন্ধই ছিলনা। তখন পৃথিবীতে সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর সমাবেশে গঠিত ভিন্ন ভিন্ন অনেকগুলো বাস্তুজগত ছিল। পৃথিবীটা ছিল অনেক বেশি বৈচিত্রময়। বুদ্ধিমান হয়ে উঠে হোমো স্যাপিয়েন্সরা উঠে পড়ে লেগেছিল এই বৈচিত্রের শেষ দেখে নিতে।

দ্যা মিনিস্ট্রি অফ র্আটমোস্ট হ্যাপিনেস: অরুন্ধতী রয় (প্রথম অধ্যায়)


মানে, আমি বলতেসি যে পুরো বিষয়টাই তো আপনার হৃদয়ঘটিত
- নাজিম হিকমাত


বুড়ো হওয়া পাখিগুলি মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কোথায় যায়?

পশ্চিমা সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গেঃ হিরোশিমা থেকে ড্রোনযুদ্ধ! | পর্ব-২


(আজকের সময়ে, এই ২০১৭ সালে, সন্ত্রাসবাদ বলতেই আমরা বুঝি ইসলামী সন্ত্রাসবাদ এবং মূলত মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানদের দ্বারা সংগঠিত সন্ত্রাসবাদ। এর বাস্তবতা রয়েছে সন্দেহাতীত ভাবে। কিন্তু সন্ত্রাসবাদের ইতিহাস এটাই নয়। এমন কি এই ২০১৭ সালেও কেবল ইসলামী সন্ত্রাসবাদই একমাত্র বা মূল ধারার সন্ত্রাসবাদ নয়। সন্ত্রাসবাদের আরো নানান ধারা, ধারণা আমাদের চারপাশেই রয়েছে। এই অনুবাদ কর্মটি সন্ত্রাসবাদের ভিন্ন আলোচনা উপস্থাপন করবে।

যুদ্ধের অতীত এবং বর্তমান, আল কায়েদা না কোকাকোলা-পেপসি কোনটি বেশি প্রাণঘাতী? (ইউভাল নোয়াহ হারারির 'হোমো ডিউয়াস : এ ব্রিফ হিস্টোরি অব টুমোরো অবলম্বনে)


ইতিহাসে সর্বত্রই মানুষ যুদ্ধকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিতে অভ‍্যস্ত ছিল শান্তি অবস্থা ছিল সাময়িক এবং অনিশ্চিত একটি বিষয়, জঙ্গলের আইনই ছিল আন্তর্জাতিক আইন।এমনকি দুইটা জাতির মধ্যে শান্তি বিরাজ করলেও সেখানে সর্বদা তৃতীয় একটা পথ খোলা থাকতো, উদাহরণস্বরূপ জার্মানি এবং ফ্রান্সের মাঝে ১৯১৩ সালে শান্তি অবস্থা বজায় থাকলেও পরের বছর ১৯১৪ সালে তারা একে অপরের শত্রু হিসেবে একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে পারে এটা সবাই জানতো। রাজনীতিবিদ সাধারণ মানুষ ও ব্যাবসায়িক লোকজন ভবিষ্যত পরিকল্পনা করার আগে যুদ্ধকে অবশ্যই হিসাবের মধ্যে রাখত। পাথরযুগ থেকে শুরু করে বাষ্পীয় ইঞ্জিনের যুগ পর্যন্ত। উত্তর মেরু থেকে সাহারা

মানুষ  অথবা মেশিন : আন্তোনিও গ্রামসি


পেশাগত প্রশিক্ষনের পরিকল্পনা নিয়ে কাউন্সিলের গত সভায় আমাদের কমরেড ও সংখ্যাগরিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়েছিল তা নিয়ে কিছু বলা প্রয়োজন।  যদিওবা এটা কিছু ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত; সারসংক্ষেপ।   আমাদের কমরেড জিনির মন্তব্যসমুহ  (যখন জনগনের প্রশিক্ষনের প্রশ্ন আসে মানবতাবাদী ও পেশাগত পক্ষ সমুহ দ্বন্ধে জড়িয়ে যায়। 'তাদেরকে একত্রিত করা প্রয়োজন কিন্তু আমরা অবশ্যই ভুলে যাবোনা প্রত্যেক শ্রমিকের মধ্যে একজন মানুষ আছেন এবং তার কাছ থেকে তার প্রাণস্পন্দনের দিগন্ত বিস্তৃত করার সম্ভাবনা কেড়ে নেয়াটা উচিৎ হবেনা; কেবল এ কারনেই   তাকে সরাসরি  ক্রিতদাসে পরিণত করা যায় ; তাকে মেশিনে রুপান্তর করা যায় )  এ

পশ্চিমা সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গেঃ হিরোশিমা থেকে ড্রোনযুদ্ধ | পর্ব-১


(আজকের সময়ে, এই ২০১৭ সালে, সন্ত্রাসবাদ বলতেই আমরা বুঝি ইসলামী সন্ত্রাসবাদ এবং মূলত মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানদের দ্বারা সংগঠিত সন্ত্রাসবাদ। এর বাস্তবতা রয়েছে সন্দেহাতীত ভাবে। কিন্তু সন্ত্রাসবাদের ইতিহাস এটাই নয়। এমন কি এই ২০১৭ সালেও কেবল ইসলামী সন্ত্রাসবাদই একমাত্র বা মূল ধারার সন্ত্রাসবাদ নয়। সন্ত্রাসবাদের আরো নানান ধারা, ধারণা আমাদের চারপাশেই রয়েছে। এই অনুবাদ কর্মটি সন্ত্রাসবাদের ভিন্ন আলোচনা উপস্থাপন করবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর