নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নরসুন্দর মানুষ
  • ফারুক হায়দার চৌধুরী
  • শিকারী
  • ফারজানা সুমনা
  • নুর নবী দুলাল
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • মওদুদ তন্ময়
  • অজল দেওয়ান
  • আল আমিন হাসান মৃধা

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

অনুবাদ

মিচিও কাকুর ঈশ্বর প্রাপ্তি ও আরিফ আজাদের তথ্যসূত্র বিভ্রাট


পদার্থবিজ্ঞানী মিচিও কাকুর নাম এদেশের উচ্চমাধ্যমিক পড়া বিজ্ঞানের অনেক ছাত্রই শুনে নি। আর সাধারণ মানুষ তো অনেক দুরের কথা। কিন্তু তাতে কী? মিচিও কাকুর নাম ধর্মব্যবসায়ীদের হাত ধরে ঠিকই পৌছে গেছে এদেশের ফেসবুকবাসীর মননে, মগজে। প্রথমত একাজটি করা হয় খ্রিষ্টান টুডে নামক ওয়েব পোর্টালে, যেখানে দাবী করা হয়, মিচিও কাকু বলেছেন এই মহাবিশ্ব ঈশ্বর নামক কোনো এক ম্যাথমেটিশিয়ানের তৈরী। সেই বক্তব্যটি প্রথমে বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক কর্মীদের পোস্টে এবং তারপর একজন অনলাইন এক্টিভিটিস্টের (আরিফ আজাদ) হাত ধরে ছড়িয়ে পরে ফেসবুকের আনাচে কানাচে। যেই বক্ত্যবের খণ্ডাংশ নিয়ে এত আলোড়ন, সেই বক্তব্যের ক্ষুরধার বিশ্লেষণ করেছেন অনেকেই। তবে সমস্যাটা হচ্ছে এই বিশ্লেষণ পক্ষে না গেলে কেওই তা মানতে চান না, তাই সে সমস্যার সমাধানকল্পে এগিয়ে হলেন খোদ মিচিও কাকু নিজেই। ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ প্রকাশিত এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাতকারে সুস্পষ্ট করলেন তার অবস্থান। কিন্তু কী বলেছিলেন তিনি? চলুন পড়ে ফেলি;

বিজ্ঞানী এবং দার্শনিকরা সত্যিই কী নাস্তিক নাকি অপপ্রচার???


আমার অন্যতম প্রিয় অনলাইন এক্টিভিটিস্ট লিখেছেন, বিজ্ঞানীরা যদিও আস্তিক, কিন্তু তারা পাশ্চাত্যে এটা প্রকাশ করতে ভয় পায়। তারা যদি তা প্রকাশ করে, তাহলে তাদের ধাক্কা মেরে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হবে। এতটুকু পড়েই আমার মাথা চক্কর দিয়ে উঠল, এই গবেষণা তিনি কিসের উপর ভিত্তি করে করলেন কে জানে? তবে যে দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রেসিডেন্ট পত্নী, প্রেসিডেন্ট তনয়া সব কয়টাকে নিয়ে একত্রে ট্রল করা যায়, যে দেশগুলোতে বিলিয়ন টাকা খরচ করে ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি চালানো হয়, সে দেশের বিজ্ঞানীরা যে বাক স্বাধীন নয়, একথা বলার তার যে সাহস, তা দেখে আমরা তাকে সাহসী বলব নাকি বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত বলব, তা বুঝে উঠা দায়।

লিপস্টিক ফ্যাসিজম / সামান্থা মিলার


ছবিঃ লানা লকতেফ, সুইডেনের স্টকহোমে একটি আইডেনটারিয়ান আইডিয়াজ কনফারেন্সে

যখনই তারা [দি লেফট] আলট্রা-রাইটের ব্যাপারে কথা বলে, তারা এমনভাবে কথাটা বলে যেনো স্রেফ বেইজমেন্টে থাকা কিছু ব্যাটাছেলের ব্যাপারে কথা বলছে। তারা সংযুক্ত করে না যে এই লোকগুলার বৌ আছে — সমর্থনশীল বৌ, যারা এইসব মিট-আপ আর কনফারেন্সে যায় — যারা সেখানে আছে — সুতরাং আমি মনে করি ডানপন্থী নারীদের জন্য নিজেদেরকে প্রদর্শন করা খুব ভালো। আমরা আছি এখানে। তোমরা ভুল। - লানা লকতেফ, রেড আইস টিভির কো-হোস্ট

ইতিহাসের ভয়ংকরতম পারফরমেন্সঃ মারিনা আব্রামোভিচের রিদম জিরো


মারিনা আব্রামোভিচকে পারফরমেন্স আর্টের গ্র্যাণ্ডমাদার বলা হয়। এটা অতিকথন নয়। ৪০ বছর ধরে এই যুগোশ্লাভ আর্টিস্ট চিন্তা উসকানো ইন্টারঅ্যাকটিভ ইন্সটলেশন মঞ্চস্থ করে চলেছেন।

তার সবচে ভয়ংকর কাজ ছিলো ছয় ঘণ্টা ধরে চলা রিদম জিরো, যা ইতালির নেপলসএ, মঞ্চস্থ হয় ১৯৭৪এ। এই কাজটা মানুষের মনস্তত্ত্ব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যে বা যারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না, চুপচাপ সহ্য করে, তাঁদের পরিণতি প্রতীকীভাবে প্রকাশ পেয়েছে এই কাজে।

সৌদির ইতিহাস না জানলে আইএস’র উত্থান বোঝা যাবে না | অ্যালস্টার ক্রুক


বৈরুত। ইরাকের সৎকার মঞ্চে দা’য়িশ তথা আইএস’র উত্থান দেখে পশ্চিমাদের অনেকেই অবাক হয়ে গেলেন। সুন্নি যুবকদের মাঝে আইএস’র প্রতি চুম্বকের মত আকর্ষণ দেখে কিংকর্তব্যবিমুঢ়, আর এদের সহিংস কার্যকলাপে ভীত হয়ে পড়লেন এবং আইএস’র এই প্রকাশের সময়ে তাদের সম্পর্কে সৌদির দোটানা এবং অনির্বচনীয় মনোভাব, ভাবতে বাধ্য করেছে, “সৌদি কি নিজেদের জন্য আইসিসকে হুমকি মনে করে না?”

এটা পরিষ্কার যে সৌদির শাসক গোষ্ঠী এখনও এই প্রশ্নে বিভক্ত। অনেকে বলতে চান যে আইএস আসলে ইরানি শিয়া এবং সুন্নি সংঘাতের জের ধরে শুরু হওয়া একটা যুদ্ধ যার মাধ্যমে একটা নতুন সুন্নি রাষ্ট্র জন্ম নেবে, যা সুন্নিরা নিজেদের বলে দাবী করবে এবং এক্ষেত্রে তারা দা’য়িশ-এর ‘সালাফিস্ট’ তত্ত্ব মেনে চলে।

অন সেন্সরশিপ / সালমান রুশদি


খুব কম লেখকই সেন্সরশিপ নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী। লেখকরা সৃষ্টি নিয়ে কথা বলতে চান। সেন্সরশিপ সৃষ্টি বিরোধী। নেতিবাচক শক্তি, অসৃষ্টি, অসৃষ্টকে সৃষ্টি করা । Sir Tom Stoppard এর ভাষায় মৃত্যুর উপমাকে ব্যবহার করা যায় - 'বর্তমানের অনুপস্থিতি'। সেন্সরশিপ হল যা আপনি করতে চান তা করা হতে আপনাকে বিরত রাখা । লেখকরা তারা যা করে তা নিয়ে কথা বলতে চায়, কিন্তু সে বিষয়টা নিয়ে নয় যা তাদেরকে তারা যা চায় তা করা হতে বিরত রাখে। লেখকরা নিজেরা কে কত পেল এ বিষয়ে কথা বলতে চায়, অন্য লেখকদের নিয়ে তারা গল্প করতে পছন্দ করে, তারা কত পেল, সমালোচক ও প্রকাশকদের নিয়ে অভিযোগ তুলে এবং রাজনীতিবিদদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে।

রম্য লেখক মার্ক টোয়েনের কয়েকটি উক্তি, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


প্রারম্ভিকা :
রাষ্ট্র নামক নামক সীমাবদ্ধ ধারণার বাইরে বিশ্বসাহিত্যের যে কয়জন শক্তিধর রচনাকার সারা পৃথিবী নিজের আলোয় আলোকিত করতে পেরেছিলেন মার্ক টোয়েন সেই অনেকের মধ্যে একজন। তাঁর তূলনা তিনি নিজেই।

দলিত বৌদ্ধ আন্দোলন এবং একজন বাবাসাহেব আম্বেদকর/ অনুবাদ


১৪ অক্টোবর ১৯৫৬, ভারতের সংবিধানের অন্যতম স্থপতি ও আধুনিক ভারতের অন্যতম বুদ্ধিজীবিদের একজন বি. আর আম্বেদকর তাঁর মৃত্যুর মাত্র ২ মাস আগে প্রায় ৩,৬৫,০০০ দলিত অনুসারী নিয়ে বৌধ ধর্ম গ্রহণ করেন। নাগপুরে একটি প্রথাগত উৎসবের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ধর্মান্তরিত হবার ব্যাপারটি বহুকাল তার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এবং এ নিয়ে তিনি দীর্ঘকাল অধ্যয়নও সম্পন্ন করেছিলেন। এই ঘটনাটি আধুনিক সময়ে ভারতে বৌদ্ধ আন্দোলনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা । ( Dalit Movement)

ভয়ংকর সময়ে শিল্পীরা অবশ্যই নীরবতাকে বেছে নেবেনা । টনি মরিসন



করে উঠলেন “ না ! না, না , না ! এটা এমনই এক সময় যখন শিল্পিদের কাজে যাওয়া উচিৎ - সবকিছু যখন ঠিকঠাক তখন নয়, ভয়ানক সময়টাই শিল্পীদের কাজের সময় । এটাই আমাদের কাজ !”

সারাটা সকাল আমার বোকা বোকা লাগছিল, বিশেষত যখন আমি সে সব শিল্পিদের কথা স্মরণ করলাম যাদের জীবন কেটেছে গুলাগে, জেল খানায়, হাসপাতাল শয্যায় ; তাদেরকে তাড়া করেছিল , হেনস্থা করেছিল, নির্বাসনে দেয়া হয়েছিল, গালাগাল করা হয়েছিল, জনসমক্ষে অপদস্থ করা হয়েছিল এবং সে সব শিল্পীরা যাদেরকে হত্যা করা হয়েছিল।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর