নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

অনুগল্প

অনুগল্প ২


ফরহাদ মিয়া পেঁয়াজ কাটতে কাটতে চোখ ডলে। উত্তরের জানলায় উথালপাতাল বাতাস। মাছভাজার বিজবিজ শব্দ হয়।শুনশান নীরব চারপাশ। ময়না গতবার বাড়ি থেকে ফেরার সময় বলছিল, "আপনার একটু ও খারাপ লাগেনা? আমারে নিয়া গেলেই তো পারেন। কি পুরুষ আমার!"
ফরহাদ মিয়া হেঁসে বলেছিল, "তোমারে নিয়া গেলে রাখুম কই কওতো? আমার তো সাধ্যি নাই গো।"
ফরহাদ ভাবে, জল কি কান্নার না পেঁয়াজের ঝাঁজ?
...
বাবুর্চি হিসেবে খুব ভালো না হলেও বড় দায়িত্ববান এই লোক। বড় স্যার খুব ভালোবাসেন এই সরলমনা ছেলেটাকে। মাথাভর্তি কোঁকড়া চুল। কাজে কাজে চুল আঁচড়ানোর সময় হয়ে ওঠেনা। এলোমেলো চুলে বেশ মানিয়ে যায় চেকচেক শার্ট।
...

অনুগল্প ১


একলা থাকতে থাকতে রাতুলের হাঁপ ধরে যায়। না মানুষ না কাকপক্ষী। কথা বলার মত কেউ নেই। রাতুল এখন নিজে নিজের সাথে গল্প করে। একমনে কথা বলে যায়। পাছে না আবার কথা বলতে ভুলে যায়, সে ভয়।
...

অপরিচিতা


আমি এখন রাস্তা দিয়ে বাড়ির পথে হাঁটছি আর বারবার মনে করার চেষ্টা করছি মেয়েটি আসলে কে ? আদৌ কি মেয়েকে আমি চিনি নাকি সবটাই আমার অবচেতন মনের ভুল। যাক সে কথা পরদিন বিকালে বাসে করে এতিমখানা থেকে বাড়ি ফিরছি।বাসে জানলার ধারে জায়গা পেলাম।তাকিয়ে রাস্তার লোকজন দেখছি উদাস দৃষ্টি মেলে।বাস শিমুলতলা ছাড়িয়ে সবে শাপলা সিনেমা ছাড়িয়ে যাবে আমার চোখ গতকালের মেয়েটাকে দেখে আটকে যায়।উগ্র সাজ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে কথা বলছে।জানলা দিয়ে মুখ বের করে জোর গলায় ডাকলাম,এই যে শুনুন?

আমার ছোটবেলার শখ!


অনেক ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিলো ভালো কিছু করে নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরবো,
নিজেকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাবো যেন Top to Bottom সবাই আমায় চেনে,
কিন্তু তা আর হয়নি,সবকিছুই প্রতিকুলে থাকার কারনে।
একটা সময় নিজেকে নিয়ে ভাবাই ছেড়ে দিয়েছিলাম।
আমি নিজেকে এমনভাবে দেখা শুরু করেছিলাম যে,যেন আমার জন্ম হয়েছে খালি জিবন অতিবাহিত করার জন্য আর আমার দ্বার কিছুই হবেনা,,,
প্রায় ৫ বছর আগে কয়েকটা লেখা লিখেছিলাম,যা আমার লেখালেখির প্রথম হাতেখড়ি,
কিন্তু সেগুলোও এখনো ডাঁয়েরিতেই চাপা পরে আছে,
সময় ও নিজের অলসতায় সেগুলো অসম্পূর্ণই পরে আছে,,,

এবং একটা ভুতগল্প


চুলোয় হাওয়া করতে করতে যোগেন একবার বাইরে তাকায়। ঘন বৃষ্টিতে ধুসর হয়ে যাওয়া দৃশ্যপটের দিকে তাকিয়ে আনমনেই বলে ওঠে “ভাসিয়ে লিবেগো, আজ আর ছাড়ান নাই।” যোগেনের টিনের চালা দেওয়া চায়ের স্টলের মধ্যে আঁটকে পড়া গাঁয়ের লোক গুলো কিছু ইতি বাচক শব্দে যোগেনকে সমর্থন করে, কেননা বৃষ্টির ভাবচক্কর সেরকমই। অনেকক্ষণ ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। চুলো থেকে ধোঁয়া উঠতে শুরু করে। কয়েকজন ধোঁয়ার জন্যই মনে হয় উঠে পড়ে আর বৃষ্টিটা নিরীক্ষণ করে, ভাবে এইবেলা না বোরোলে হয়তো বাড়ি যাওয়াই দুস্কর হয়ে যাবে। ভাবতে ভাবতে কয়েকজন সত্যি সত্যিই ঝুম বৃষ্টির মধ্যেই নেমে পড়ে। হে হে করে অনেকটা উল্লাসের মত ধ্বনি তুলে কাদার মধ্যেই ছুটতে শুরু করে দিকবি

সমাজ পতিরা যদি মূর্খ হয় তাহলে সমাজ হয়ে পড়ে কামার্ত হাতির মত বেপরোয়া


বশির ট্রাক ড্রাইভার। জামিল মিয়া বেবী টেক্সি চালাত, আর এখন CNG অটো রিক্সা চালায়। আর আব্দুল জব্বার পেশায় একজন রিক্সা ওয়ালা। এরা ঢাকায় এসেছে তাদের জীবিকার জন্য। তিনজনেই বিবাহিত। বৈবাহিক জীবন খুবই সুখের ছিল তাদের। গ্রামে বৌ আর পরিবার রেখে বাঁচার জন্য তারা শহরে মেসে থাকে।
অন্য দিকে জলিল সাহেব একজন ব্যবসায়ী, দেশে বিদেশে তার বেশ কয়েকটা ব্যবসা আছে। ঘরে বৌ আছে। বৌ যথেষ্ঠ সুন্দরী। টাকা পয়সা বাড়ার পর তার মনে রাজনীতির ভুত চেপেছে।

কাহ্নপার অশ্রু


একদিন বিকেলবেলা কাঠমান্ডুর রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে শহরের নিকটস্থ বড় এক বনপাহাড়ের উপর পৌঁছে গিয়েছিলাম। ঊর্ধ্বজগতে অক্সিজেন কম থাকায় শ্বাস নিতে বেশ কষ্ট হচ্ছিল। তাই একটা নাম না জানা বৃক্ষের নিচে কিছুক্ষণ বিশ্রামের জন্য বসে পড়েছিলাম। বসে বসে ভাবছি নেপালদেশের অতীত স্মৃতি। গৌতম বুদ্ধ এই দেশেই জন্মেছিলেন একদা। শুনেছি ৫৬৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে।

কিছু ইতিহাস মনের ভেতর ভেসে উঠল নির্জনে। একে একে মনে পড়তে লাগল চর্যাপদের কবিদের। কাহ্ন পা, লুই পা, ভুসুকু পা, শবর পা। তাদের করুণ মুখগুলি।

আধুনিক যুগের ধর্ম ব্যবসায়ী আহসান হাবিব পেয়ার ওরুপে মাজিদ


আমরা লাল সালু উপন্যাসটি পড়েছি, সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ রচিত উপন্যাসটি বাংলাদেশে ও বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করে ছিলো সেই সময়।সমাজের সাধারন মানুষের সহজ সরলতাকে পুঁজি করে কিভাবে ধর্মীয় হঠকারীরা ব্যবসা করতো সেই যুগে তার একটি বাস্তব চিত্র উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক তুলে ধরে ছিল।

দুঃখমালায় পিষ্ট স্বপ্ন এবং হারিয়ে যাওয়া অতন্দ্রিলা !


দু:খের অক্ষরে লেখা স্বপ্ন দেখিনা আমি অনেকদিন। নি:সঙ্গ কফিনের মতো নিবিঢ় ঘুম হয় আমার। তাই ঘনান্ধকারে স্বপ্ন পরীরা হয়তো জানালায় উঁকি দিয়ে চলে যায় নির্ঘুম মানুষের দ্বারে। ছোটবেলা ভয়াবহ সব স্বপ্ন দেখতাম আমি। নক্ষত্র ছিটোয় আকাশ থেকে পড়ছি তো পড়ছি কিংবা বান্ধববিহীন বিষাদে দৌঁড়ুচ্ছি ভাঙা কবরের উপর দিয়ে। চারদিকে লাশ, কোন কবর ভেঙে পড়ে যাচ্ছি আমি গলিত লাশের মাঝে।পথ শেষ না হওয়া এমন সব ভয়াবহ স্বপ্ন। তখন কেঁপে উঠতাম স্বপ্ন দেখে, মাকে জড়িতে ধরতাম ত্রাসে। এখন মা নেই। নি:সঙ্গতায় ঐসব স্বপ্ন এখন এলে কি করবো আমি?
;

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর