নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

অনুগল্প

ধার্মিক


যদুর বাপের গাছটা ভালোই বড় হইছে। এ এক অদ্ভুত গাছ। পাড়ার বৃহৎ একটা অংশ জুড়ে গাছটির অবস্থান। বিস্তৃত ডালপালায় বিভিন্ন ধরনের ফলন ফলায় গাছটি। বিভিন্ন ধরনের ফলমূল থেকে শুরু করে নানান ধরনের শাকসবজি, কিছুই বাদ যায়না। পাড়ার সকলে খুব আয়েস করেই গাছটির সুবিধা সকল ভোগ করে।

সাইকিয়াস্ট্রিক



রিফাত সাহেব পেসেন্টের ডায়রি পড়তে শুরু করলেন,
" (ছোটদের কোনো গল্প না- রিকমান্ডেড এইজ ২৪+)

রচনা- ১: যে কোনো গল্পের আসল টার্নিং পয়েন্ট থাকে গল্পের মাঝ বরাবর,শুরুতে বা শেষে নয়।

রচনা- ২: (নাম ঠিক করা হয়নি,অসমাপ্ত)

...জানি কেউ এই লেখাটা পাবে, কেউবা পাবেনা।
যা কিছু করেছি এই ক্ষুদ্র জীবনে,
বিলাসিতা নেই তাতে,
নেই কোনো নাম কামানোর চেষ্টা!
ঐশ্বর্য স্পর্শ করবে বলে,
ভিন্ন নামে তাই আমার পরিচয়!

গল্পের নামঃ ‘সিঁদুর’


গল্পের নামঃ ‘সিঁদুর’
লেখকঃ রুবায়েদ হোসেন দৃষ্টি

খুব ভয়াবহ এক ব্যাপার ঘটে গেছে মকবুল সাহেবের বাড়িতে। মকবুল হক চেয়ারে হেলান দিয়ে এক পায়ের উপর আরেক পা তুলে বসে আছেন। চেহারা থমথমে হয়ে আছে। ঝুম বৃষ্টি হবার পূর্বে যেমন আকাশ গুমট হয়ে থাকে, ঠিক সেই রকম! অনতিবিলম্বেই যে তিনি কোনো কঠিন সিদ্ধান্ত নিবেন সেটা স্পষ্ট।

গাঁয়ের দুটো মানুষ ও তিনটে খুন !



আকস্মিক আপন ভগ্নিপতিতে রাগে হত্যা করে, তারপর নিজ বোন আর ভাগ্নিকেও শেষ করে ফেলবে, এমন কথা কল্পনাও করেনি বৌডুবি গাঁয়ের ভদ্র নীরিহ সাকিব আর জহির। হত্যা শেষে তারা ফিরে আসছে নিজ গাঁয়ে ছোটবোনের বাড়িতে, যা একটু আগে ফোনে জানিয়েছে তারা ছোটবোন ইভাকে।
:

মায়া


একাকীত্ব জিনিসটা হঠাৎ করেই আসে না। একটা কিছুর প্রতি সীমাহীন মায়া বাড়তে বাড়তে সে জিনিসটার শূন্যতা মনে একাকীত্বর সৃষ্টি করে। মায়াও কিন্তু এক দিনেই জন্ম নেয় না। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস মনে লালন করতে হয়, মনে স্থান দিতে হয়, মনে অনুভব করতে হয়। তবে মনে মায়ার জন্ম নেয়। কোন জিনিসের মায়া খুব সহজেই কাটিয়ে উঠা যায় কিন্তু মানুষের প্রতি মায়া কখনোই কাটিয়ে উঠা যায় না। মায়া একটু একটু করে বাড়তেই থাকে।

মৃত্যুর মিছিলে আরও একটি মৃত্যু


১.

দূর হতে আযানের ধ্বনি প্রতিটি অট্টালিকায় প্রতিধ্বনিত হয়ে মধুর সুরে ঘুমন্ত শরীফকে জাগালো, শরীফ চোখ মেলে তাকাতেই নতুন ভোরের মৃদু আলো জানালা দিয়ে তার চোখ স্পর্শ করছে। ঘুম ঘুম চোখে মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখলো ফযর নামাযের জামাতের সময় চলে যাচ্ছে। তারাতারি ওযু করে মসজিতে চলে গেল নামায পড়ার জন্য। নামায শেষ করে ঘণ্টাখানেক কোরআন পড়ে হোটেল থেকে নাস্তা কিনে বাসায় ফিরে। তারপর।গোসল করে নাস্তা খেয়ে সুন্নতি তরিকায় ফরমাল পোষাক আর ট্যাঁই পড়ে অফিসে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়। ট্যাঁইটা সে বাধ্য হয়েই পড়ে অফিস থেকে পড়তে বাধ্য করেছে বিধায়। সারাদিন অফিস করে ফিরতে ফিরতে শরীফের রাত আটটা-নয়টা বাজে।

হাঁস পাপী


সন্ধ্যার আগে আগে সাধারণত বিগ বসদের জরুরী মিটিং এর কথা মনে পড়ে। টাইমলি বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি, সেরকম একটা সময়ে মিটিং এর ডাক পেয়ে বিরক্ত মনে, কিন্তু মুখে তেলতেলে হাসি ঝুলিয়ে এমডি'র রুমে ঢুকে দেখি আমার ডাইরেক্ট বস আগেই পৌঁছে গেছেন। উল্টোদিকের সোফায় জায়গা করে নিয়ে সতর্ক চোখে চারদিকে খেয়াল করতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম, আমার বস তার বাম পায়ের উপর ডানপা তুলে, পা'টা স্বাভাবিকের চেয়ে একটু দ্রুত নাচাচ্ছেন। কারনটা বুঝতে পারলাম। তার পায়ে চকচকে নতুন একজোড়া জুতো। জুতোর শুকতলীতে পরিষ্কার লেখা দেখা যাচ্ছে, Hush Puppies! ব্যাপারটা সারাদিন খেয়াল করিনি কেন, দুটি ভালো কমেন্ট করিনি কেন, ভাবতেই অপরাধবোধে আক্রান্ত হলাম। ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্যে, বললাম,

উপকার করবো কেন??


ভাদ্র ঘুমাচ্ছিলো, হঠাৎ তার মনে হলো কে যেন তাকে ডাকছে। সে অনিচ্ছাসত্ত্বেও চোখ খুললো, দেখলো বাসটা থেমে আছে । বাসে কেউই নেই শুধুমাত্র সে এবং তাকে যে ডাকতে এসেছে তিনি ছাড়া। সে একটু নড়েচড়ে বসলো এবং বাসের জানলা থেকে খেয়াল করলো বাসের ড্রাইভার,যাত্রীরা সবাই একটা জায়গাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে । স্বাভাবিক ভাবেই তার মনে প্রশ্ন,’কেন?’, উত্তর খুজতে সে ও বের হলো বাস থেকে। অনেক ভীড় ,তারপরও কোনভাবে ঠ্যালাঠেলি করে সে ভীতরে ঢুকলো। একটা সাইকেল পড়ে আছে , পাশে একজনের নিথর দেহ ,এখনো মারা যায় নি তবে যাবার পথে । ভাদ্র দৌড়ে তার পাশে গিয়ে বসলো, তারপর তাকে কোলে নিয়ে একটি ভ্যান নিয়ে চলে গেলো হাসপাতালে। ডাক্তার তাকে ধন্যবাদ

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর