নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 13 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আগুনখোর আঁতেল
  • সৌমেন গুহ
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আরমান অর্ক
  • সুবিনয় মুস্তফী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • সুমিত রায়
  • মিশু মিলন
  • সুব্রত শুভ

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

অনুগল্প

বিষাক্ত জোত্‍স্না


এলোমেলো পায়ে নিজ রুম থেকে বেরুলো শৈলেন রায়। উদ্দেশ্য-হল ক্যান্টিনে গিয়ে এক কাপ দুধ-চা খাওয়া। তাও আবার লেবু মেশানো। রাতের খাবার খেয়েছে সেই সন্ধ্যে সাতটায়। এখন প্রায় সাড়ে বারোটা। ক্ষুধাও প্রচন্ড লেগেছে। কিন্তু সে শুধুই চা খাবে। উদ্দেশ্য পেটে এসিডিটি ফর্ম করা। যখন খুব টেনশনে থাকে তখন প্রায়ই এই কাজ করে শৈলেন । আজ সে টেনশনে আছে। যাকে বলে অস্থির টেনশন। গত পরশু শর্মিলাকে তার ভালবাসার কথা জানিয়েছে শৈলেন । আজ বিকেলে শর্মিলা ফোন

আল্লাহ্'র হাতে বন্দি ঈশ্বর।


ঈশ্বর : (আরশে ঢুকে কোনরকম ভূমিকা না করেই হঠাৎ হুংকার দিয়ে বলে উঠলেন) কি করছো এইসব?
আল্লাহ্ : শান্ত হউন শান্ত হউন,শান্ত হয়ে বলুন কি হয়েছে।
- আহ্, কি করে শান্ত হবো, তুমি কি আমাকে শান্ত থাকতে দিচ্ছ?
- কেন, আবার কি হলো?
- নতুন করে আর কি হবে? পৃথিবীটার কি অবস্থা হয়েছে দেখেছ? কথা ছিলো তুমি চৌদ্দশ বছর থাকবে। এখন প্রায় সাড়ে চৌদ্দশ বছর হয়ে যাচ্ছে। তারপরও আমাকে শান্ত থাকতে বলছো?
- আ..আ...আস্তে বলুন। আশেপাশে আমার ফেরেশতারা আছে। কেউ শুনে ফেলবে তো।
- আমি মজা করতে আসিনি। মজা করোনা। ওরা সবাই জানে.......

প্রেমপত্র-২


শোন,
তোমার না শুনতে চাওয়ার আগে বলে দি "ভালবাসি" ।বার বার বলি,প্রতিদিন বলি ভালবাসি।যদি তুমি রেগেও থাক!তবু বলব ভালবাসি।শুধু বলব ভালবাসি।মন খারাপ থাকলে কোন প্রশ্ন করার আগে,একবার বলব ভালবাসি।রেগে গিয়েও বলব,মানুষটা আমার,আমি আমার মানুষটাকে সেভাবেই ভালবাসি।মনের গহীন থেকে বলব ভালবাসি।তোমাকে ভালবাসতে গিয়ে, তোমার শূন্যতাকে ভালবেসে ফেলি।ভালবেসে ফেলি তোমার একমঠো স্পর্শ।ভালবেসে ফেলি, চোখের কোণে তোমার জন্য জমে থাকা অপেক্ষার অশ্রু।ভালবেসে ফেলি তোমার চলে আসা পথের প্রতিটি চিহ্নকে।

অরুপার বিয়ে


ডাইনিং রুমের দরজা থেকে ড্রইং রুমের ভেতর উঁকি দিলো অরুপা। বর মহাশয় বিস্কুট মুখে দিয়ে চিবোতে চিবোতে বাবার সাথে মুচকি হেসে কথা বলছে। কোনো পাত্রপক্ষ পাত্রী দেখতে এলে অন্তত নূনতম লজ্জাটা চেহারায় বজায় রাখে। এই ব্যাটার তো দেখি তাও নেই। দিব্যি ভবিতব্য শ্বশুরের সাথে হাসিমুখে কথা বলে যাচ্ছে। বিয়ে করতে এসেছে নাকি ঘটকালি করতে এসেছে!

প্রেমপত্র-১


প্রিয়তমা,
আমাদের নীরবতার অসহায়ত্বটুকু মুছে ফেলতে,শোনাব তোমায়? সদ্য পরিনত এক প্রেমিকের অনুকথন?ডুবন্ত সূর্যের ম্লান আলোতে বিধ্বস্ত, দৃশ্যত হত-এক যুবক, প্রথম চুম্বনের স্বাদ লাগবে তার ঠোটে!গল্পটা মূলত আলো আর ছায়ার, প্রিয়তমা!
অথবা, সাত আসমানের রুপকথা?যেখানে শুধুই নীলাভ আলেয়া।চেনাবো তোমায় এক কঠিন সত্যকে,প্রিয়তমা?যে তুমি রুপকথার বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরে-তীব্রভাবে অবিশ্বাস করেছ- এই অবিশ্বাসী আমাকেই!
সুরগুলো যে সব তোমার মুঠোবন্দী!নোখের ভেতর আর কতো মিথ্যে ময়লা জমাবে ?
হাতটি ছোঁবে নেলপালিশওয়ালা হাতে ।বাহানা নাকি আমিই শুধু জানি

প্রেমপত্র-১০০


প্রিয়তা,
প্রশস্ত বিকেল কখন ফুরিয়ে যায় তা ধর্তব্যে আসে না। কপালের লাল টিপে আমার জন্মত সব আগ্রহের সুদীর্ঘ বৈঠক বসে। একখানা উপন্যাস লেখা হবে। তুমি সেখানে একমাত্র চন্দ্রাবতী। কোন দ্বিতীয়া নেই।বুঝলে মায়াবতী চলো একটা ঘর বানাই। অবিকল তোমার স্বপ্নের মতো নাই বা হলো।তবে দু'জনে মিলে কিছু স্বপ্ন না হয় বুনেই
নিলাম। একবার কি চেষ্টা করবে?একটি সতত-শ্বাশত ঘর। যেখানে অবিরাম

উচ্ছেদ!!



মালাউন চাড়ালগুলা সমস্বরে কয় “ কাগু, কি কইরাম কন দেহি। হারা রাইত আমরা ঘুমাইতে হারি না। কেডা আমাগো আখখেতের আখ নষ্ট করতে আহে, আবার কেডা যেন আমাগের খড়ের চিনু আগুন ধরাইতে আহে, কেডা ঘরের টিনের চালে ঢিল মারে, এভাবে হারা রাইত যন্ত্রণা আর যন্ত্রণা। কাঁহাতক সহ্য করবো। আমরাতো ওগোরে পাহারা দিচ্ছিনা, মনে অয় ওরাই আমাগো উপরে নজর রাখতাছে”।

সমতল বুকের বেশ্যা ও একটি মৃত্যু


গাজীপুর সড়ক ভবনের সামনে দাড়িয়ে রুমি আনমনা হয়ে পার্লারের মেয়েদের কাজ করা দেখছিল। পার্লারের লাইট-বক্সে বিয়ের সাজে পূর্ণিমার ছবির তাকিয়ে মনে মনে ভাবল ‘যেদিন আমার বিয়ে হবে সেদিন ঠিক পূর্ণিমার মত করে সাজব’ ভেবেই তার বিচিত্র অনুভূতি হল একটু লজ্জা পেল। সুখের সংসার হবে,স্বামীর জীবন সুখ-শান্তিতে ভরিয়ে রাখব।আমাদের প্রথম ছেলে হলে নাম রাখব হাসান আর মেয়ে হলে হেনা ।স্বপ্নের আবেশে ভাঙল একটা লোকের হাত ধরায়। বিরক্তি নিয়ে নাক-চোখ কুচকে লোকটার দিয়ে তাকাল।

প্রেমপত্র-৯৯


মায়াবতী,
তুমি আমকে অক্টোপাস এর মত ভালবাসো,আস্টেপৃস্ঠে জড়িয়ে রাখো,আমি কথা দিচ্ছি মরনের পরেও তোমাকে ছাড়ব না।তোমাকে অাঠা দিয়ে লাগিয়ে রাখব হৃদয়ের ক্যানভাসে,তুমি ধিরে ধিরে মিশে যাবে আমার চামড়ায়।সুধু আমারি হও,সত্যি বলছি এক জনমে আমি সুধু তোমারি হব।

প্রেমপত্র-৯৮


প্রিয় বালিকা,
তোমাকে যতবার দেখি-তার চেয়েও বেশি দেখি যখন আমি স্বপ্নে থাকি।যখন তোমায় না দেখি মনের অগোচরে করে তোমায় নিয়ে এককোটি স্বপ্ন সাজাই,অসুস্থ্য অসাড় হয়ে পড়ে থাকি-একাকি শুধু তুমি ছুঁয়ে থাকো আলতো করে,ভুলে যাওয়া আমার আমিকে কত সহজেই মস্তিষ্কের অনুরণে, ক্ষণে ক্ষণে লাগে দোলা,নিশ্চুপতার অনলে পুড়ে যাওয়া কত সহজেই হাতে রেখে হাত, সময় থেমে যায়।শুধু একবার তুমি রাজি হলেই ঐ কালো মেঘের মাতম হতে ধরে আনা আলোর ঝিলিক, ছুঁড়ে ফেলা কত সহজেই।আমি তো নিঃশেষ কবেই শুধু বেঁচে আছে তোমার আমি আমার তুমিকে ভালবাসবে বলে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর