নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 12 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অপ্রিয় কথা
  • মওদুদ তন্ময়
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু
  • মিশু মিলন
  • দেবজ্যোতিকাজল
  • সৈয়দ আহসান
  • ফারজানা সুমনা
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

অনুগল্প

দূরবর্তী বন্ধু



সংস্কারমুক্ত পাগলাটে মেয়ে...
জীবন শুরু অনলাইন world.in FB.....
সে অনলাইনে সত্যিকারে একজন বন্ধু খোঁজে বেড়ায়...
একটি ছেলে ... ..তার সাথে চ্যাট শুরু । ছেলেটি মেয়েটির মনোভাব জানতে আগ্রহী ....

আবোল তাবোল ২


আবোল তাবোল ২
(কৌশিক মজুমদার)২০.০৪.১৭
রাত ১০ টা বেজে পনের মিনিট।

হাঙ্গারোয়া


যেমন, কাপল রুম ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে উভয়ের নাগরিক সনদ দেখে ডাটাবেজ চেক করা হয়। কারো কোনো যৌন রোগ বা জোরপূর্বক কারো সাথে যৌমিলনের তথ্য থাকলে অপরকে জানিয়ে দেওয়া হয়।
দেখতে পেলাম, প্রতারক বলে সতেরো আঠারো বছরের একটি মেয়ে মধ্য বয়সী একজন পুরুষকে ত্যাগ করে চলে গেল।

তাদের আলোচনা শুনে বুঝলাম, ট্রেনে তাদের দেখা হয়েছে। দু’জনের মধ্যে গল্পে গল্পে সম্পর্ক হয়েছে। মেয়েটিকে কেইয়ান রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক পুরুষটির নাগরিক সনদ দেখে ডাটাবেজ চেক করে জানিয়েছে যে লোকটির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।
ব্যবস্থাপক শুধু তথ্য দেয়, এরপরও কেউ কারো সাথে রুমে যেতে চাইলে সেটি তাদের ব্যাপার। মেয়েটি সঙ্গীকে প্রতারক বলে বিদায় নিয়েছে।

চেনা বেদনা


পরদিন সকালে ঈদের নামাজ হয়, ওদিকে জহির নদীর পাড়ে বসে।পাশেই শুন্য খাচাটার দরজা খোলা। শালিকটা চারপাশে ঘুরছে আর কিচিরমিচির করছে। আজ ওর খুব আনন্দ হচ্ছে। কিন্তু উড়ে হারিয়ে যাচ্ছে না। কিচিরমিচির করে যেন জহিরকে বলছেঃ
-"তোমার বেদনাটা আমার বহুদিনের চেনা।"

নিজের অজান্তেই শহীদস্মৃতি হয়ে গেল পহেলা প্রভাতে


রাতে স্লিপিং পিলটা খাওয়ার সময়ই ঠিক করে রেখেছিলাম বৈশাখের প্রভাতটা দেখব একটু হাটব বৈশাখস্নাস্ধ ভোর দেখব। টের পাওয়া নিয়ে অাশংকায় ছিলাম।কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কি অপার মহিমায় ভোর সাড়ে চারটেই ঘুম ভাংলো।
ময়লা প্যান্ট, ছেড়া টিশার্ট পরে রুম থেকে বের হলাম। হলগেটে গার্ডকে ডাকতেই অাঁকে ধতমত খেয়ে গেলেন। কত যন্ত্রণা ই না দিই এই মানুষগুলোকে।রাতবেরাত হঠাৎ ডাকাডাকি। ঠিকমত ঘুমুতেই পারেন না।বললেন এত রাতে কোথায় যাবেন!
যেন চোখেমুখে বিষ্ময়ভাব।প্রাতভ্রমনে যাব। উনি বল্লেন এত রাতে।

নাস্তিক


এত অল্পতে মানুষ তুষ্ট থাকার কথা নয়, এত বঞ্চনা স্বাভাবিকভাবে সহ্য করার কথা নয়। এদের (অন্ধভাবে ধর্ম বিশ্বাসী দরিদ্র মুসলমান) ত্যাগের মহিমার উপর (পরিশ্রম) দাঁড়িয়ে আছে বর্তমান বাংলাদেশ। ওদের পূর্বপুরুষও সারাজীবন কষ্ট করে গেছে বর্ণপ্রথায় পিষ্ঠ হয়ে।

সমস্যা হচ্ছে, কেউ যখন সচেতনভাবে-আদর্শিকভাবে ত্যাগ করে সেটি বৃহত্তর স্বার্থে কাজে লাগে, সে ত্যাগ কল্যাণকামী হয়, কিন্তু অনেক মানুষ যখন শুধুমাত্র ধর্মবিশ্বাসে না বুঝে বঞ্চিত হয়, তখন সে সুযোগ নেয় কতিপয় শয়তান মানুষ, যারা ধিরে ধিরে আগ্রাসী হয়ে ওঠে, হননকারী হয়ে ওঠে, ধর্ম সেখানে শুধু ব্যবহৃতই হয়।

এই বিষয়গুলোই আমি বইতে তুলে ধরেছি। বইটাতে কিছু কেস স্টাডি আছে, আমার নিজের কথা তেমন কিছু নেই। আমি শুধু বর্ণনা করেছি।

স্বপ্নিক ভালবাসা


অদ্ভুত এক স্বপ্নে ঘুম ভাঙলো আসাদের।
স্বপ্নটাকে দুঃস্বপ্নও বলা চলে না।
উঠে বসলো আসাদ।পাশেই আধ ময়লা গ্লাসে পানি ছিল।
ঢক ঢক করে গিললো সে।
বালিশটা ভিজে গেছে ঘামে।ফ্যানটা বন্ধই ছিল।
আর থাকবে নাই বা কেন!
এই দুর্দিনে ফ্যান চালানোতো রীতিমতো বিলাসিতা।
তবুও ফ্যান দেয় সে।আজ আর কোন বাধা মানবে না সে।
গ্রাম থেকে চিঠি এসেছে।টুকটুকির পরীক্ষা সামনে।টাকা দরকার তার।এই নির্দয় সমাজে টাকা কারই বা লাগবে না।এ নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামায় না সে।
আজ সে কোন অশুভ চিন্তা মাথায় আনবে না।
বারান্দায় যায় আসাদ।

নীল শার্ট


সামনে নববর্ষ!
বাবা আমাকে একটা নীল শার্ট কিনা দিবা?

বাইশ টাকার আম


অভিজ্ঞতা থেকে সে জেনেছে, ছেলে-মেয়ে ছোট থাকতেই তাদের কাজে লাগাতে হবে, তাহলে উপার্জনের পুরোটা সে পাবে। ওরা খেলার ছলে মনোযোগের সাথে কাজ করে, কাজটাই ওদের খেলা হয়ে যায়। ছেলের সুঠাম দেহ এবং সুস্থতা দেখে গাজীর চোখ চকচক করে।

বউয়ের ভয়ে কথাটা এখনই সে পাড়তে পারছে না। সাবেরা যথেষ্ট রসবতী, তাই নির্লজ্জ কামুক স্বামীর উপর কিছু নিয়ন্ত্রণ সে এখনো রাখতে পেরেছে। কিন্তু মানুষ পশু হলে তাকে বেঁধে রাখা যায় কতক্ষণ?

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর